শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'খ' সম্পদটির উৎপাদন বর্ণনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'খ' সম্পদটি হলো বিদ্যুৎ। কারণ সভ্যতার আধুনিকায়ণ ও নগরায়ণ বৃদ্ধিতে বিদ্যুৎ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ উৎপাদনোর পদ্ধতিগুলো নিচের বর্ণনা করা হলো: তাপ বিদ্যুৎ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস। প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা বা খনিজ তেল পুড়িয়ে বয়লারে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করা হয়। সেই উচ্চচাপের বাষ্প দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। বাংলাদেশের বড় বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো (যেমন: আশুগঞ্জ, ঘোড়াশাল) এই পদ্ধতিতে চলে। নদীর পানির প্রবল স্রোত বা উচ্চতা থেকে নিচে পড়া পানির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘোরানো হয়। বাংলাদেশে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। বর্তমানে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সরাসরি সূর্যের আলো থেকে এবং বায়ুকলের মাধ্যমে বায়ুশক্তি ব্যবহার করে ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে ইউরেনিয়াম বিভাজন প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন।

HSC Geography 2nd Paper Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'খ' সম্পদটির উৎপাদন বর্ণনা কর।

উদ্দীপক

খনিজ ও শক্তিসম্পদ- 'ক' – বাংলাদেশের প্রধান শক্তিসম্পদ। 'খ' – সভ্যতার আধুনিকায়ন ও নগরায়ণ বৃদ্ধিতে প্রধানত ব্যবহৃত হয়।

উত্তর

ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরভাগের শিল্পস্তর হতে মাটি খুঁড়ে যে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করা হয় তাই খনিজ সম্পদ।

উত্তর

প্রকৃতিপ্রদত্ত যেসব পদার্থ হতে শক্তি পাওয়া যায় তাদেরকে শক্তিসম্পদ বলে। বিভিন্ন প্রকার কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতির ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার কাজ সম্পন্ন করা হয় বলে এদেরকে শক্তিসম্পদের উৎস বলা হয়। অর্থাৎ এসব খনিজ উপাদানকে পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদন করা হয় এবং তা বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের কথা বলা যায়, এটি পুড়িয়ে তাপবিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করা হয় এবং বিদ্যুৎশক্তি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'খ' সম্পদটি হলো বিদ্যুৎ। কারণ সভ্যতার আধুনিকায়ণ ও নগরায়ণ বৃদ্ধিতে বিদ্যুৎ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ উৎপাদনোর পদ্ধতিগুলো নিচের বর্ণনা করা হলো: তাপ বিদ্যুৎ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস। প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা বা খনিজ তেল পুড়িয়ে বয়লারে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করা হয়। সেই উচ্চচাপের বাষ্প দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। বাংলাদেশের বড় বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো (যেমন: আশুগঞ্জ, ঘোড়াশাল) এই পদ্ধতিতে চলে। নদীর পানির প্রবল স্রোত বা উচ্চতা থেকে নিচে পড়া পানির শক্তিকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘোরানো হয়। বাংলাদেশে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। বর্তমানে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সরাসরি সূর্যের আলো থেকে এবং বায়ুকলের মাধ্যমে বায়ুশক্তি ব্যবহার করে ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে ইউরেনিয়াম বিভাজন প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' সম্পদটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, যা বাংলাদেশের প্রধান শক্তি সম্পদ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। নিচে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো: বাংলাদেশ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ না হলেও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার রয়েছে এবং এ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করে এদেশে অনেক শিল্পকারখানা পরিচালিত হয়। ফলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পায়। এভাবে দেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রাখতে প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো খনিজ সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাস দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এটি আমাদের শিল্পোন্নয়ন ও প্রাত্যহিক জীবনে বিরাট ভূমিকা রাখছে। আমাদের দেশে উৎপাদিত বিদ্যুতের ৯০.৬৬% গ্যাসভিত্তিক। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাস শুধু শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেই ব্যবহৃত হয় না। এগুলো গৃহস্থালিতে জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের ফলে কৃষি উন্নয়ন ও' শিল্পোন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে উদ্বৃত্ত পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং আমদানি হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া সার শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস অধিক হারে ব্যবহার হচ্ছে। যা থেকে কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। এভাবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের ফলে কৃষি উন্নয়ন, শিল্প উন্নয়নসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দেশের প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বলা যায়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
HSCGeography 2nd PaperChapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রিমা ও সবিতা ঢাকাতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। ঢাকাতে গ্যাসের চুলাতে গ্যাস পাইপের মাধ্যমে সংযোগ ছিল। গৃহকর্মে গ্যাস ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তারা কাতারে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখলো ওখানে সকলে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে। কিন্তু তারা জেনেছে ঐ দেশে গ্যাসের মজুদ অনেক বেশি।

Dinajpur · 2017

ক
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?
খ
সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।
গ
রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা ও তার পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের প্রাকৃতিক গ্যাস মানচিত্র দেখাও।
ঘ
রিমা ও সবিতার নিজদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার কিভাবে নিশ্চিত কর যায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রিমা ও সবিতা ঢাকাতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। ঢাকাতে গ্যাসের চুলাতে গ্যাস পাইপের মাধ্যমে সংযোগ ছিল। গৃহকর্মে গ্যাস ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তারা কাতারে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখলো ওখানে সকলে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে। কিন্তু তারা জেনেছে ঐ দেশে গ্যাসের মজুদ অনেক বেশি।

Dinajpur · 2017

ক
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?
খ
সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।
গ
রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা ও তার পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের প্রাকৃতিক গ্যাস মানচিত্র দেখাও।
ঘ
রিমা ও সবিতার নিজদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার কিভাবে নিশ্চিত কর যায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।

সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
খনিজের সংজ্ঞা দাও।
খ
"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদের উৎপাদন আলোচনা কর।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের ইঙ্গিতকৃত খনিজ সম্পদটির বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
খনিজের সংজ্ঞা দাও।
খ
"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদের উৎপাদন আলোচনা কর।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের ইঙ্গিতকৃত খনিজ সম্পদটির বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।

"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.খনিজের সংজ্ঞা দাও।

খনিজের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2019

ক
সম্পদ কী?
খ
খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজদ্বয়ের ব্যবহারিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2019

ক
সম্পদ কী?
খ
খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজদ্বয়ের ব্যবহারিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।

খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সম্পদ কী?

সম্পদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

রিমা ও সবিতার নিজদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার কিভাবে রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা ও তার পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের প্রাকৃতিক গ্যাস মাসিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের ইঙ্গিতকৃত খনিজ সম্পদটির বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্ব ব্উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদের উৎপাদন আলোচনা কর।"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।খনিজের সংজ্ঞা দাও।উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজদ্বয়ের ব্যবহারিক গুরুত্ব বিশ্লউদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।সম্পদ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'খ' সম্পদটির উৎপাদন বর্ণনা কর। | Prosthuti