শেয়ারFacebookWhatsApp

মানচিত্রে চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজটির পাঁচটি ক্ষেত্রের বর্ননা দাও।

উত্তর: মানচিত্রে চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো সিলেট। অঞ্চলটিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের আধিক্য রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। এদের মধ্যে প্রধান ৫টি গ্যাসক্ষেত্র হলো হরিপুর, রশিদপুর, কৈলাশটিলা, তিতাস ও হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র। নিচে এগুলোর বর্ণনা করা হলো- ১. হরিপুর বা সিলেট গ্যাসক্ষেত্র: সিলেটের হরিপুরে ১৯৫৫ সালে তেলের জন্য পরীক্ষামূলক কূপ খনন করার সময় বাংরাদেশে প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাস আবিষ্কৃত হয়। এ গ্যাস খুবই উন্নতমানের এবং এতে মিথেনের পরিমাণ শতকরা ৯৯.০৫%। এ খনি হতে বার্ষিক প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উত্তোলিত হয়। এ খনির গ্যাসের সাথে সামান্য তেল, উত্তেলিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে উৎপাদনের পরিমাণ ১.৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ রয়েছে ১০০.৯৫ বিলিয়ন ঘনফুট। এই গ্যাস ক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপসংখ্যা ১টি। ২. রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬০ সালে মৌলভীবজার জেলার রশিদপুরে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এ গ্যাস খুবই উন্নতমানের। এতে মিথেনের পরিমাণ ৯৮.২০%। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ৭.৫৩ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ ১৭৭৩.৫২ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ৫টি। ৩. কৈলাশটিলা গাসক্ষেত্র: ১৯৬২ সালে সিলেটে কৈলাশটিলাতে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এ গ্যাসও উন্নতমানের এবং এতে মিথেনের পরিমাণ প্রায় ৯৫.৭০%। এ খনিজ গ্যাসের সাথে সামান্য তেল উত্তোলিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ২০.১৮ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ার ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ ২০২৬.৩২ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ৩টি। ৪. তিতাস গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নামক স্থানে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এটিই বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এতে সঞ্চিত গ্যাসের পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট। এটি দেশে মোট সঞ্চিত গ্যাসের প্রায় ২৩%। এখান হতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হয়। এ গ্যাসের মান খুবই উৎকৃষ্ট। এতে মিথেনের পরিমাণ ৯৬.২৭%। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ১৫৩.৪৯ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ রয়েছে ১৪৩৫.৫৪ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ২৪টি। ৫. হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬৩ সালে হবিগঞ্জ জেলায় এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিস্কৃত হয়। এ গ্যাসও উন্নতমানের এবং এতে মিথেনের পরিমাণ ৯৭.৮০%। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ৬৭.৮৮ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ রয়েছে ৭২.৯৫ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ৮টি।

HSC Geography 2nd Paper Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ · সৃজনশীল

মানচিত্রে চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজটির পাঁচটি ক্ষেত্রের বর্ননা দাও।

উদ্দীপক

question image

উত্তর

OPEC এর পূর্ণরূপ হল- Organization of Petroleum Exporting Countries.

উত্তর

উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে কয়লার সৃষ্টি হয়। অতি প্রাচীনকালে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের (ভূমিকম্প) কারণে অসংখ্য গাছপালা ও প্রাণীর মৃতদেহ মাটির নিচে চাপা পড়ে। শত শত বছর ধরে এসব গাছের কান্ড, গুঁড়ি, শাখা-প্রশাখা, লতাপাতা এবং প্রাণীর মৃতদেহ ভূঅভ্যন্তরের তাপ, চাপ ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে কয়লায় পরিণত হয়।

উত্তর

মানচিত্রে চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো সিলেট। অঞ্চলটিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের আধিক্য রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। এদের মধ্যে প্রধান ৫টি গ্যাসক্ষেত্র হলো হরিপুর, রশিদপুর, কৈলাশটিলা, তিতাস ও হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র। নিচে এগুলোর বর্ণনা করা হলো- ১. হরিপুর বা সিলেট গ্যাসক্ষেত্র: সিলেটের হরিপুরে ১৯৫৫ সালে তেলের জন্য পরীক্ষামূলক কূপ খনন করার সময় বাংরাদেশে প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাস আবিষ্কৃত হয়। এ গ্যাস খুবই উন্নতমানের এবং এতে মিথেনের পরিমাণ শতকরা ৯৯.০৫%। এ খনি হতে বার্ষিক প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উত্তোলিত হয়। এ খনির গ্যাসের সাথে সামান্য তেল, উত্তেলিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে উৎপাদনের পরিমাণ ১.৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ রয়েছে ১০০.৯৫ বিলিয়ন ঘনফুট। এই গ্যাস ক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপসংখ্যা ১টি। ২. রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬০ সালে মৌলভীবজার জেলার রশিদপুরে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এ গ্যাস খুবই উন্নতমানের। এতে মিথেনের পরিমাণ ৯৮.২০%। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ৭.৫৩ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ ১৭৭৩.৫২ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ৫টি। ৩. কৈলাশটিলা গাসক্ষেত্র: ১৯৬২ সালে সিলেটে কৈলাশটিলাতে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এ গ্যাসও উন্নতমানের এবং এতে মিথেনের পরিমাণ প্রায় ৯৫.৭০%। এ খনিজ গ্যাসের সাথে সামান্য তেল উত্তোলিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ২০.১৮ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ার ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ ২০২৬.৩২ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ৩টি। ৪. তিতাস গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নামক স্থানে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এটিই বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এতে সঞ্চিত গ্যাসের পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট। এটি দেশে মোট সঞ্চিত গ্যাসের প্রায় ২৩%। এখান হতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হয়। এ গ্যাসের মান খুবই উৎকৃষ্ট। এতে মিথেনের পরিমাণ ৯৬.২৭%। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ১৫৩.৪৯ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ রয়েছে ১৪৩৫.৫৪ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ২৪টি। ৫. হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬৩ সালে হবিগঞ্জ জেলায় এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিস্কৃত হয়। এ গ্যাসও উন্নতমানের এবং এতে মিথেনের পরিমাণ ৯৭.৮০%। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ৬৭.৮৮ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ রয়েছে ৭২.৯৫ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ৮টি।

উত্তর

উদ্দীপকে ছকের 'ক' খনিজটি প্রাকৃতিক গ্যাস আর আলোচিত দেশটি বাংলাদেশ। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক গ্যাস শিল্পকারখানার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফেঞ্চুগঞ্জের সার কারখানায় ও ছাতকের সিমেন্ট কারখানায় হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। ঘোড়াশালের সার কারখানায় তিতাস গ্যাস কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কীটনাশক, ওষুধ, রাবার, প্লাস্টিক, কৃত্রিম তন্তু প্রভৃতি তৈরির জন্যও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ফার্নেস তেলের পরিবর্তে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। যেমন- সিদ্ধিরগঞ্জ, আশুগঞ্জ, ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও গৃহস্থালি, যানবাহন ও বাণিজ্যিক কাজে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 'উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, কৃষির উন্নতি, বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় হ্রাস, সরকারি আয়ের উৎস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাস যথেষ্ট অবদান রাখে। এজন্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম।
HSCGeography 2nd PaperChapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রিমা ও সবিতা ঢাকাতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। ঢাকাতে গ্যাসের চুলাতে গ্যাস পাইপের মাধ্যমে সংযোগ ছিল। গৃহকর্মে গ্যাস ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তারা কাতারে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখলো ওখানে সকলে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে। কিন্তু তারা জেনেছে ঐ দেশে গ্যাসের মজুদ অনেক বেশি।

Dinajpur · 2017

ক
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?
খ
সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।
গ
রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা ও তার পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের প্রাকৃতিক গ্যাস মানচিত্র দেখাও।
ঘ
রিমা ও সবিতার নিজদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার কিভাবে নিশ্চিত কর যায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রিমা ও সবিতা ঢাকাতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। ঢাকাতে গ্যাসের চুলাতে গ্যাস পাইপের মাধ্যমে সংযোগ ছিল। গৃহকর্মে গ্যাস ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তারা কাতারে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখলো ওখানে সকলে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে। কিন্তু তারা জেনেছে ঐ দেশে গ্যাসের মজুদ অনেক বেশি।

Dinajpur · 2017

ক
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?
খ
সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।
গ
রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা ও তার পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের প্রাকৃতিক গ্যাস মানচিত্র দেখাও।
ঘ
রিমা ও সবিতার নিজদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার কিভাবে নিশ্চিত কর যায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।

সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
খনিজের সংজ্ঞা দাও।
খ
"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদের উৎপাদন আলোচনা কর।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের ইঙ্গিতকৃত খনিজ সম্পদটির বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
খনিজের সংজ্ঞা দাও।
খ
"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদের উৎপাদন আলোচনা কর।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের ইঙ্গিতকৃত খনিজ সম্পদটির বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।

"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.খনিজের সংজ্ঞা দাও।

খনিজের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2019

ক
সম্পদ কী?
খ
খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজদ্বয়ের ব্যবহারিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2019

ক
সম্পদ কী?
খ
খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজদ্বয়ের ব্যবহারিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।

খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সম্পদ কী?

সম্পদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

রিমা ও সবিতার নিজদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার কিভাবে রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা ও তার পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের প্রাকৃতিক গ্যাস মাসিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের ইঙ্গিতকৃত খনিজ সম্পদটির বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্ব ব্উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদের উৎপাদন আলোচনা কর।"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।খনিজের সংজ্ঞা দাও।উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজদ্বয়ের ব্যবহারিক গুরুত্ব বিশ্লউদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।সম্পদ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।