শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির শ্বসন তন্ত্রের বর্ণনা দাও।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং। ঘাসফড়িং এর শ্বসনতন্ত্রকে ট্রাকিয়ালতন্ত্র বলা হয়। নিচে ঘাসফড়িং এর শ্বসনতন্ত্রের বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. শ্বাসরন্দ্র : ঘাসফড়িং-এর বক্ষদেশে দুইজোড়া এবং উদর অঞ্চলে আটজোড়া অর্থাৎ মোট ১০ জোড়া শ্বাসরন্দ্র অনুদৈর্ঘ্যভাবে অবস্থান করে। রন্দ্রগুলোর মুখে সূক্ষ্ম রোমযুক্ত ছাঁকনি থাকায় ধুলাবালি, জীবাণু, পানি ইত্যাদি ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। শ্বাসরন্দ্রগুলো পেশি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কপাটিকার সক্রিয়তায় বদ্ধ ও উন্মুক্ত হয়। ২. শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়া: শ্বাসরন্দ্রগুলো দেহমধ্যস্থ অ্যাট্রিয়াম গহ্বর পথে যে স্থিতিস্থাপক, সূক্ষ্মনালিতে উন্মুক্ত হয় তাদের ট্রাকিয়া বলে। ট্রাকিয়াগুলো পরবর্তীতে শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে সমগ্র দেহে জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়। শাখা-প্রশাখা সৃষ্টিকারী ট্রাকিয়াকে ট্রাকিয়াল কান্ড বলা হয়ে থাকে। ঘাসফড়িং-এর দেহে তিন জোড়া ট্রাকিয়াল কাণ্ড থাকে। ৩. ট্রাকিওল: ট্রাকিয়া থেকে সৃষ্ট অতিসূক্ষ্ম শ্বাসনালিকাকে ট্রাকিওল বলে। ট্রাকিওলের বর্ণ অস্বচ্ছ, প্রাচীর পাতলা এবং অন্তঃপ্রাচীর টিনিডিয়াবিহীন। ট্রাকিওল কোষগুলো তরলে পূর্ণ থাকে। এ তরলের মাধ্যমে দেহকোষে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে। ৪. বায়ুথলি : ঘাসফড়িং-এর কতকগুলো ট্রাকিয়া প্রসারিত হয়ে পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট বায়ুথলি সৃষ্টি করে। বায়ুথলিতে বাতাস সঞ্চিত থাকে, যা শ্বসনের সময় বায়ু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির শ্বসন তন্ত্রের বর্ণনা দাও।

উদ্দীপক

ঘাসফড়িং একটি সাধারণ পতঙ্গ। দিনের উজ্জ্বল আলো ও স্তিমিত আলো দুই ক্ষেত্রেই ঘাসফড়িং এর দৃষ্টিশক্তি সমভাবে কার্যকর সমভাবে থাকে না।

Dhaka · 2022

উত্তর

স্ত্রী ঘাসফড়িংয়ের নবম খন্ডকের স্টার্নাম প্রলম্বিত ও রূপান্তরিত হয়ে ডিম পাড়ার অঙ্গ ওভিপজিটর গঠন করে।

উত্তর

পতঙ্গের ভূণ যখন কয়েকটি ধারাবাহিক পরিবর্তনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ দশা প্রাপ্ত হয় তখন এ ধরনের ভূণোত্তর পরিস্ফুটনকে রূপান্তর বলে। রূপান্তর দু'ধরনের। যথা- অসম্পূর্ণ রূপান্তর ও সম্পূর্ণ রূপান্তর। যে রূপান্তরে একটি পতঙ্গ ডিম ফুটে বেরিয়ে কয়েকটি নিম্ফ দশা অতিক্রমের পর পূর্ণাঙ্গ পতঙ্গে পরিণত হয় তাকে অসম্পূর্ণ রূপান্তর বলে। যে রূপান্তরে শিশু প্রাণী ও পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর মধ্যে কোনো আঙ্গিক মিল থাকে না এবং ব্যাপক পরিবর্তনের মাধ্যমে শিশু প্রাণী পূর্ণাঙ্গ অবস্থাপ্রাপ্ত হয় তাকে সম্পূর্ণ রূপান্তর বলে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং। ঘাসফড়িং এর শ্বসনতন্ত্রকে ট্রাকিয়ালতন্ত্র বলা হয়। নিচে ঘাসফড়িং এর শ্বসনতন্ত্রের বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. শ্বাসরন্দ্র : ঘাসফড়িং-এর বক্ষদেশে দুইজোড়া এবং উদর অঞ্চলে আটজোড়া অর্থাৎ মোট ১০ জোড়া শ্বাসরন্দ্র অনুদৈর্ঘ্যভাবে অবস্থান করে। রন্দ্রগুলোর মুখে সূক্ষ্ম রোমযুক্ত ছাঁকনি থাকায় ধুলাবালি, জীবাণু, পানি ইত্যাদি ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। শ্বাসরন্দ্রগুলো পেশি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কপাটিকার সক্রিয়তায় বদ্ধ ও উন্মুক্ত হয়। ২. শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়া: শ্বাসরন্দ্রগুলো দেহমধ্যস্থ অ্যাট্রিয়াম গহ্বর পথে যে স্থিতিস্থাপক, সূক্ষ্মনালিতে উন্মুক্ত হয় তাদের ট্রাকিয়া বলে। ট্রাকিয়াগুলো পরবর্তীতে শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে সমগ্র দেহে জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়। শাখা-প্রশাখা সৃষ্টিকারী ট্রাকিয়াকে ট্রাকিয়াল কান্ড বলা হয়ে থাকে। ঘাসফড়িং-এর দেহে তিন জোড়া ট্রাকিয়াল কাণ্ড থাকে। ৩. ট্রাকিওল: ট্রাকিয়া থেকে সৃষ্ট অতিসূক্ষ্ম শ্বাসনালিকাকে ট্রাকিওল বলে। ট্রাকিওলের বর্ণ অস্বচ্ছ, প্রাচীর পাতলা এবং অন্তঃপ্রাচীর টিনিডিয়াবিহীন। ট্রাকিওল কোষগুলো তরলে পূর্ণ থাকে। এ তরলের মাধ্যমে দেহকোষে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে। ৪. বায়ুথলি : ঘাসফড়িং-এর কতকগুলো ট্রাকিয়া প্রসারিত হয়ে পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট বায়ুথলি সৃষ্টি করে। বায়ুথলিতে বাতাস সঞ্চিত থাকে, যা শ্বসনের সময় বায়ু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘাসফড়িং এর দর্শন কৌশলের কথা বলা হয়েছে। ঘাসফড়িং-এর দর্শন অঙ্গটি দিনের উজ্জ্বল আলো ও দিনের শেষে মৃদু আলোতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে এদের দৃষ্টিশক্তি কার্যকর করে। মৃদু আলোয় সুপার পজিশন এবং উজ্জ্বল আলোয় অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব গঠন করে। নিচে প্রক্রিয়া দুটি বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব: মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘনীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোণের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উলম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র্যাবডোমে পৌছালেও তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোণের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডোমে পৌঁছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোক রশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত রশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। ২. অ্যাপজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব : উজ্জ্বল আলোয় প্রতিটিওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের কোষের রঞ্জকপদার্থ ক্রিস্টালাইন কোণের নিচের দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিসের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি ওমাটিডিয়াম দিয়ে গঠিত প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয় বলে একে মোজাইক প্রতিবিম্ব বলা হয়। সুতরাং আলোর তীব্রতার পরিবর্তনের সাথে সাথে ঘাসফড়িং-এর দর্শন কৌশলও পরিবর্তন হয়।
HSCBiology 2nd PaperChapter 2: প্রাণীর পরিচিতি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ওমাটিডিয়াম কী?

ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বহুরূপতা কী?

বহুরূপতা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বউদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?ওমাটিডিয়াম কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X [গণিত] ও 'Y [গণিত] অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটউদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?বহুরূপতা কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা "যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।