Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি Biology 2nd Paper

HSC Biology 2nd Paper এর Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১,০৩৪

প্রশ্ন

Biology 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর

ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষির দর্শনের গঠন ও কার্যকরী এককই হলো ওমাটিডিয়াম।
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর

ভ্রূণাবস্থায় দ্বিস্তরী প্রাণীদের দেহপ্রাচীরের কোষগুলো কেবল এক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্ম নামক দুটি নির্দিষ্ট স্তরে বিন্যস্ত থাকে। এছাড়া দু'স্তরের মাঝখানে মেসোগ্লিয়া নামক অকোষীয় জেলির ন্যায় একটি স্তর থাকে। এসব বৈশিষ্ট্যগুলো Hydra-র মধ্যে বিদ্যমান থাকায় একে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয়।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে ব্যবহৃত কোষটি হলো Hydra-র নিডোসাইট কোষ। কর্ষিকা ব্যতীত এরা এককভাবে থাকে। কর্ষিকায় বিদ্যমান গুচ্ছাকার নিডোসাইট কোষ ব্যাটারী নামে পরিচিত। একটি আদর্শ নিডোসাইট কোষ দ্বিস্তরী আবরণ দ্বারা আবৃত। স্তর দুটির মাঝখানে দানাদার সাইটোপ্লাজমসহ সকল কোষীয় অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। কোষের অভ্যন্তরস্থ গহ্বর ও সূত্রকযুক্ত থলেটি হলো নেমাটোসিস্ট। গহ্বরটি আমিষ ও ফেনলের সমন্বয়ে গঠিত বিষাক্ত তরল হিপনোটক্সিন দ্বারা পূর্ণ থাকে। লম্বা সরু, ফাঁপা সূত্রকটি থলের সরু সম্মুখ প্রান্তে লাগানো থাকে। সূত্রকের গোড়ায় তিনটি বড় ও অসংখ্য ছোট কাঁটা থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় সূত্রকটি থলের ভেতর ঢোকানো থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় নেমাটোসিস্টের সূত্রক ও থলি যে ঢাকনা দিয়ে আবৃত থাকে, তাই অপারকুলাম। উন্মুক্ত অবস্থায় এটি পাশে সরে যায়। নিডোসাইট কোষের মুক্ত প্রান্তের শক্ত, দৃঢ়, সংবেদনশীল কাঁটাটি হলো নিডোসিল। এটি ট্রিগারের মত কাজ করার ফলে প্যাঁচানো সূত্রকটি বাইরে বেরিয়ে আসে। কোষস্থ সাইটোপ্লাজম ও নেমাটোসিস্টের প্রাচীরে সংকোচনশীল কিছু পেশিতন্তু থাকে। এছাড়াও কোষের নিচের প্রান্তে ল্যাসো নামের একটি প্যাঁচানো সূত্র থাকে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত হাইড্রার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কাজ হলো শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি। এগুলো বিভিন্ন কোষের মাধ্যমে সংঘটিত হয়ে থাকে। উচ্চ শ্রেণির প্রাণী প্রকৃত কলায় গঠিত। বিভিন্ন তন্ত্রের মাধ্যমে প্রাণীর পরিপাক, শ্বসন, রেচন ইত্যাদি। এগুলো সংঘটিত হয়। কিন্তু হাইড্রার মতো নিম্ন শ্রেণির বহুকোষী প্রাণী প্রকৃত কলা গঠিত হয় না। সুগঠিত তন্ত্রও তৈরি হয় না। তাই এদের দেহের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজ কোষীয় শ্রমবন্টনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। হাইড্রার বিভিন্ন ধরনের কোষ বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ করে থাকে। পেশি-আবরণী কোষ দেহের সাধারণ আবরণ তৈরি করে। এরা মুখছিদ্র খোলা ও বন্ধ করতে স্ফিংকটারের ন্যায় কাজ করে। পেশি-আবরণী কোষের ফ্ল্যাজেলাযুক্ত কোষ সিলেন্টেরনে পানি স্রোত সৃষ্টি করে খাদ্যগ্রহণ, পরিপাক, শ্বসন ও রেচনে সহায়তা করে। এছাড়া এটি সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন, শিকার ধরার কাজে অংশগ্রহণ করে। নিডোসাইট কোষ শিকার ধরা, চলন ও আত্মরক্ষার কাজ সম্পাদন করে। ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ মুকুল ও জননাঙ্গ সৃষ্টি করে এবং দেহের প্রয়োজনে সব ধরনের কোষ সৃষ্টি করে। সংবেদী ও স্নায়ুকোষ পরিবেশ হতে সংবেদন গ্রহণ ও উদ্দীপনা দ্বারা প্রতিবেদন সৃষ্টি করে। পুষ্টিকোষ খাদ্য পরিপাক করে। গ্রন্থিকোষ এনজাইম ও আঠালো পদার্থ ক্ষরণ করে কোনো স্থানে অবস্থান ও চলনে ভূমিকা রাখে। খাদ্য গলাধঃকরণ ও বহিঃকোষীয় পরিপাকেও এদের গুরুত্ব রয়েছে। জননকোষ প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তারে সাহায্য করে। কাজেই প্রকৃত কলাতন্ত্র গঠিত না হলেও Hydra-র যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজ শ্রমবণ্টনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর

ঘাসফড়িংয়ের পুঞ্জাক্ষির দর্শনের গঠন ও কার্যকরী এককই হলো ওমাটিডিয়াম।
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর

ভ্রূণাবস্থায় দ্বিস্তরী প্রাণীদের দেহপ্রাচীরের কোষগুলো কেবল এক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্ম নামক দুটি নির্দিষ্ট স্তরে বিন্যস্ত থাকে। এছাড়া দু'স্তরের মাঝখানে মেসোগ্লিয়া নামক অকোষীয় জেলির ন্যায় একটি স্তর থাকে। এসব বৈশিষ্ট্যগুলো Hydra-র মধ্যে বিদ্যমান থাকায় একে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয়।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে ব্যবহৃত কোষটি হলো Hydra-র নিডোসাইট কোষ। কর্ষিকা ব্যতীত এরা এককভাবে থাকে। কর্ষিকায় বিদ্যমান গুচ্ছাকার নিডোসাইট কোষ ব্যাটারী নামে পরিচিত। একটি আদর্শ নিডোসাইট কোষ দ্বিস্তরী আবরণ দ্বারা আবৃত। স্তর দুটির মাঝখানে দানাদার সাইটোপ্লাজমসহ সকল কোষীয় অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। কোষের অভ্যন্তরস্থ গহ্বর ও সূত্রকযুক্ত থলেটি হলো নেমাটোসিস্ট। গহ্বরটি আমিষ ও ফেনলের সমন্বয়ে গঠিত বিষাক্ত তরল হিপনোটক্সিন দ্বারা পূর্ণ থাকে। লম্বা সরু, ফাঁপা সূত্রকটি থলের সরু সম্মুখ প্রান্তে লাগানো থাকে। সূত্রকের গোড়ায় তিনটি বড় ও অসংখ্য ছোট কাঁটা থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় সূত্রকটি থলের ভেতর ঢোকানো থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় নেমাটোসিস্টের সূত্রক ও থলি যে ঢাকনা দিয়ে আবৃত থাকে, তাই অপারকুলাম। উন্মুক্ত অবস্থায় এটি পাশে সরে যায়। নিডোসাইট কোষের মুক্ত প্রান্তের শক্ত, দৃঢ়, সংবেদনশীল কাঁটাটি হলো নিডোসিল। এটি ট্রিগারের মত কাজ করার ফলে প্যাঁচানো সূত্রকটি বাইরে বেরিয়ে আসে। কোষস্থ সাইটোপ্লাজম ও নেমাটোসিস্টের প্রাচীরে সংকোচনশীল কিছু পেশিতন্তু থাকে। এছাড়াও কোষের নিচের প্রান্তে ল্যাসো নামের একটি প্যাঁচানো সূত্র থাকে।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত হাইড্রার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কাজ হলো শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি। এগুলো বিভিন্ন কোষের মাধ্যমে সংঘটিত হয়ে থাকে। উচ্চ শ্রেণির প্রাণী প্রকৃত কলায় গঠিত। বিভিন্ন তন্ত্রের মাধ্যমে প্রাণীর পরিপাক, শ্বসন, রেচন ইত্যাদি। এগুলো সংঘটিত হয়। কিন্তু হাইড্রার মতো নিম্ন শ্রেণির বহুকোষী প্রাণী প্রকৃত কলা গঠিত হয় না। সুগঠিত তন্ত্রও তৈরি হয় না। তাই এদের দেহের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজ কোষীয় শ্রমবন্টনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। হাইড্রার বিভিন্ন ধরনের কোষ বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ করে থাকে। পেশি-আবরণী কোষ দেহের সাধারণ আবরণ তৈরি করে। এরা মুখছিদ্র খোলা ও বন্ধ করতে স্ফিংকটারের ন্যায় কাজ করে। পেশি-আবরণী কোষের ফ্ল্যাজেলাযুক্ত কোষ সিলেন্টেরনে পানি স্রোত সৃষ্টি করে খাদ্যগ্রহণ, পরিপাক, শ্বসন ও রেচনে সহায়তা করে। এছাড়া এটি সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন, শিকার ধরার কাজে অংশগ্রহণ করে। নিডোসাইট কোষ শিকার ধরা, চলন ও আত্মরক্ষার কাজ সম্পাদন করে। ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ মুকুল ও জননাঙ্গ সৃষ্টি করে এবং দেহের প্রয়োজনে সব ধরনের কোষ সৃষ্টি করে। সংবেদী ও স্নায়ুকোষ পরিবেশ হতে সংবেদন গ্রহণ ও উদ্দীপনা দ্বারা প্রতিবেদন সৃষ্টি করে। পুষ্টিকোষ খাদ্য পরিপাক করে। গ্রন্থিকোষ এনজাইম ও আঠালো পদার্থ ক্ষরণ করে কোনো স্থানে অবস্থান ও চলনে ভূমিকা রাখে। খাদ্য গলাধঃকরণ ও বহিঃকোষীয় পরিপাকেও এদের গুরুত্ব রয়েছে। জননকোষ প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তারে সাহায্য করে। কাজেই প্রকৃত কলাতন্ত্র গঠিত না হলেও Hydra-র যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজ শ্রমবণ্টনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?

উত্তর

একই প্রজাতির সদস্যদের জীবনচক্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই বা ততোধিক শারীরিক গঠন প্রকাশ পাওয়াই হলো বহুরূপতা।
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

উত্তর

বাইরের পরিবেশের ঠান্ডা ও খাদ্যের অপ্রতুলতা মোকাবেলার জন্য ঘাসফড়িংয়ের ডিমের ভিতরে ভূণের বর্ধন কিছু সময়ের জন্য থেমে থাকার অবস্থাই হলো ডায়াপোজ। এর মাধ্যমে ভ্রূণ নিজে প্রতিকূল পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেয়। যখন পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় ও খাদ্যের প্রতুলতা বৃদ্ধি পায়, তখন ডিম ফুটে ছোট ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো Hydra। নিম্নে প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো হাইড্রা। এখানে 'X′X^{\prime} দ্বারা শুক্রাশয় এবং 'Y′Y^{\prime} দ্বারা ডিম্বাশয়কে বোঝানো হয়েছে। 'X′X^{\prime} এবং 'Y′Y^{\prime} থেকে যথাক্রমে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়, যাদের মিলনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড জাইগোট উৎপন্ন হয়। এটি হলো হাইড্রার যৌন জনন প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে হাইড্রা প্রজাতির ধারা বজায় রাখে। কিন্তু এই প্রক্রিয়াই একমাত্র প্রক্রিয়া নয়। হাইড্রা অযৌন জনন প্রক্রিয়ায়ও বংশ বৃদ্ধি করে। যখন প্রকৃতিতে পর্যাপ্ত খাবার থাকে, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে হাইড্রা অযৌন জনন প্রক্রিয়ায় প্রজনন ঘটায়। মুকুলোদগম একটি অযৌন জনন প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় মাতৃ হাইড্রার দেহ থেকে একটি অপত্য হাইড্রার সৃষ্টি হয়। মাতৃ হাইড্রার দেহের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে একটি মুকুল সৃষ্টি করে, যা মূল দেহ থেকে পুষ্টি লাভ করে। পরবর্তীতে এটি মাতৃদেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন জীবনযাপন করে। এছাড়া বিভাজন নামক অযৌন জনন প্রক্রিয়ায়ও হাইড্রা বংশবৃদ্ধি করে। হাইড্রার দেহ অণুদৈর্ঘ্য বা অনুপ্রস্থ বরাবর বিভাজিত হয়ে দুই বা ততোধিক নতুন হাইড্রার সৃষ্টি করে। সুতরাং, শুধু যৌন জননই হাইড্রার একমাত্র বংশবৃদ্ধির প্রক্রিয়া নয়। হাইড্রা মুকুলোদগম এবং বিভাজন নামক অযৌন জনন প্রক্রিয়ায়ও বংশবৃদ্ধি করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?

উত্তর

একই প্রজাতির সদস্যদের জীবনচক্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই বা ততোধিক শারীরিক গঠন প্রকাশ পাওয়াই হলো বহুরূপতা।
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

উত্তর

বাইরের পরিবেশের ঠান্ডা ও খাদ্যের অপ্রতুলতা মোকাবেলার জন্য ঘাসফড়িংয়ের ডিমের ভিতরে ভূণের বর্ধন কিছু সময়ের জন্য থেমে থাকার অবস্থাই হলো ডায়াপোজ। এর মাধ্যমে ভ্রূণ নিজে প্রতিকূল পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেয়। যখন পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় ও খাদ্যের প্রতুলতা বৃদ্ধি পায়, তখন ডিম ফুটে ছোট ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো Hydra। নিম্নে প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো হাইড্রা। এখানে 'X′X^{\prime} দ্বারা শুক্রাশয় এবং 'Y′Y^{\prime} দ্বারা ডিম্বাশয়কে বোঝানো হয়েছে। 'X′X^{\prime} এবং 'Y′Y^{\prime} থেকে যথাক্রমে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়, যাদের মিলনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড জাইগোট উৎপন্ন হয়। এটি হলো হাইড্রার যৌন জনন প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে হাইড্রা প্রজাতির ধারা বজায় রাখে। কিন্তু এই প্রক্রিয়াই একমাত্র প্রক্রিয়া নয়। হাইড্রা অযৌন জনন প্রক্রিয়ায়ও বংশ বৃদ্ধি করে। যখন প্রকৃতিতে পর্যাপ্ত খাবার থাকে, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে হাইড্রা অযৌন জনন প্রক্রিয়ায় প্রজনন ঘটায়। মুকুলোদগম একটি অযৌন জনন প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় মাতৃ হাইড্রার দেহ থেকে একটি অপত্য হাইড্রার সৃষ্টি হয়। মাতৃ হাইড্রার দেহের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে একটি মুকুল সৃষ্টি করে, যা মূল দেহ থেকে পুষ্টি লাভ করে। পরবর্তীতে এটি মাতৃদেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন জীবনযাপন করে। এছাড়া বিভাজন নামক অযৌন জনন প্রক্রিয়ায়ও হাইড্রা বংশবৃদ্ধি করে। হাইড্রার দেহ অণুদৈর্ঘ্য বা অনুপ্রস্থ বরাবর বিভাজিত হয়ে দুই বা ততোধিক নতুন হাইড্রার সৃষ্টি করে। সুতরাং, শুধু যৌন জননই হাইড্রার একমাত্র বংশবৃদ্ধির প্রক্রিয়া নয়। হাইড্রা মুকুলোদগম এবং বিভাজন নামক অযৌন জনন প্রক্রিয়ায়ও বংশবৃদ্ধি করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

উত্তর

দেহের সম্মুখ প্রান্তে নিচের দিকে নির্দেশিত অবস্থায় থাকা মস্তকই হলো হাইপোগন্যাথাস মস্তক।
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

উত্তর

মানবদেহের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হলো যকৃত। যকৃত থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয় যা খাদ্য পরিপাকের একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। এছাড়াও যকৃতে অনেক জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয় যা বিপাক ক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এজন্য যকৃতকে মানবদেহের জৈব রসায়নাগার বলা হয়।
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং। এটা উল্লম্ব আলোক দ্বারা অর্থাৎ উজ্জ্বল আলোতে পুঞ্জাক্ষি দ্বারা অ্যাপোজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব গঠন করে। question image উজ্জ্বল আলোয় ঘাসফড়িংয়ের প্রতিটি ওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের রঞ্জক পদার্থ ক্রিস্টালাইন কোনের নিচের দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত উল্লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিশের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি মাত্র ওমাটিডিয়ামে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয়। এজন্য এর নাম মোজাইক প্রতিবিম্ব।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং। এটা মৃদু আলোতে দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোকরশ্মিই ব্যবহার করে। question image মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘণীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোনের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উল্লম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র্যাবডামে পৌঁছালেও, তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোনের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডামে পৌঁছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোকরশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত আলোকরশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

উত্তর

দেহের সম্মুখ প্রান্তে নিচের দিকে নির্দেশিত অবস্থায় থাকা মস্তকই হলো হাইপোগন্যাথাস মস্তক।
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

উত্তর

মানবদেহের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হলো যকৃত। যকৃত থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয় যা খাদ্য পরিপাকের একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। এছাড়াও যকৃতে অনেক জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয় যা বিপাক ক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এজন্য যকৃতকে মানবদেহের জৈব রসায়নাগার বলা হয়।
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং। এটা উল্লম্ব আলোক দ্বারা অর্থাৎ উজ্জ্বল আলোতে পুঞ্জাক্ষি দ্বারা অ্যাপোজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব গঠন করে। question image উজ্জ্বল আলোয় ঘাসফড়িংয়ের প্রতিটি ওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের রঞ্জক পদার্থ ক্রিস্টালাইন কোনের নিচের দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত উল্লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিশের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি মাত্র ওমাটিডিয়ামে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয়। এজন্য এর নাম মোজাইক প্রতিবিম্ব।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটি হলো ঘাসফড়িং। এটা মৃদু আলোতে দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোকরশ্মিই ব্যবহার করে। question image মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘণীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোনের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উল্লম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র্যাবডামে পৌঁছালেও, তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোনের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডামে পৌঁছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোকরশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত আলোকরশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো