শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ঐ উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি দ্বারা ঘাসফড়িং-এর অসম্পূর্ণ রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দেখানো হয়েছে। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর অসম্পূর্ণ বা হেমিমেটাবোলাস ধরনের। কারণ এদের অপরিণত নিম্ফ আংশিক পরিস্ফুটনের মাধ্যমে কয়েকটি নিম্ফ দশা পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পরিণত হয়। অর্থাৎ ঘাসফড়িং-এর জীবন ইতিহাসে তিনটি ধাপ রয়েছে। ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী ডিম ফুটে যে তরুণ ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ (Nymph) বলে। বহিঃর্গঠনের দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় এক রকম, অন্তত মুখোপাঙ্গ, সরলাক্ষি ও পুঞ্জাক্ষি, অ্যান্টিনা, পায়ু প্রভৃতি। অনুরূপভাবে নিম্ফের জীবন ধারণ, খাদ্যাভাস, খাদ্য ও বসতিও এক রকম। নিম্ফ ও পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পার্থক্য রয়েছে নিম্ফে ডানা ও 'জননাঙ্গ থাকে না। তাছাড়া দেহের আকার-আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গ হলে ডানা ও জননাঙ্গের পরিস্ফুটন ঘটে। দেহের আকারও বড় হয়। সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফের কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে স্বচ্ছ। ক্রমশ গাঢ় হয়, ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ রূপান্তরিত হয়, দ্বিতীয় ধাপের নিম্ফে ক্ষুদ্রাকায় ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূচনা - ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ দেখতে ছোট আকৃতির পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এর মতো দেখায়। পঞ্চমবার খোলস মোচনের মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে উঠে। দুটি মোচনের মধ্যবর্তী দশাকে ইন্সটার বলে। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দু'মাস সময় লাগে।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি · সৃজনশীল

উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

ক : ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী

Barisal · 2025

উত্তর

রুই মাছের কানকোর মুক্ত প্রান্তে একটি পেশিময় পর্দা থাকে, একে ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা বলা হয়।

উত্তর

শীতের আগমনে কম তাপমাত্রার প্রতিকূল পরিবেশে ভূণের বৃদ্ধি রহিত হয়। এ অবস্থাকে ডায়পোজ বলে। শীতে তাপমাত্রা কম থাকার কারণে ভূণের বৃদ্ধি ঘটে না সে কারণে ঘাসফড়িং-এ ডায়াপোজ ঘটে। পুরো শীতকাল এরা ডায়াপোজ অবস্থায় অতিক্রম করে। বসন্তের শুরুতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলে পরিস্ফুটনের অনুকূল পরিবেশে এদের বাকী ভ্রূণীয় পরিস্ফুটন সম্পন্ন হয়। এসব কারণে ডায়াপজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তর

ঐ উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি দ্বারা ঘাসফড়িং-এর অসম্পূর্ণ রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দেখানো হয়েছে। নিচে প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো- ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর অসম্পূর্ণ বা হেমিমেটাবোলাস ধরনের। কারণ এদের অপরিণত নিম্ফ আংশিক পরিস্ফুটনের মাধ্যমে কয়েকটি নিম্ফ দশা পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পরিণত হয়। অর্থাৎ ঘাসফড়িং-এর জীবন ইতিহাসে তিনটি ধাপ রয়েছে। ডিম → নিম্ফ → পূর্ণাঙ্গ প্রাণী ডিম ফুটে যে তরুণ ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ (Nymph) বলে। বহিঃর্গঠনের দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় এক রকম, অন্তত মুখোপাঙ্গ, সরলাক্ষি ও পুঞ্জাক্ষি, অ্যান্টিনা, পায়ু প্রভৃতি। অনুরূপভাবে নিম্ফের জীবন ধারণ, খাদ্যাভাস, খাদ্য ও বসতিও এক রকম। নিম্ফ ও পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং এ পার্থক্য রয়েছে নিম্ফে ডানা ও 'জননাঙ্গ থাকে না। তাছাড়া দেহের আকার-আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গ হলে ডানা ও জননাঙ্গের পরিস্ফুটন ঘটে। দেহের আকারও বড় হয়। সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফের কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে স্বচ্ছ। ক্রমশ গাঢ় হয়, ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ রূপান্তরিত হয়, দ্বিতীয় ধাপের নিম্ফে ক্ষুদ্রাকায় ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূচনা - ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ দেখতে ছোট আকৃতির পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এর মতো দেখায়। পঞ্চমবার খোলস মোচনের মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে উঠে। দুটি মোচনের মধ্যবর্তী দশাকে ইন্সটার বলে। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দু'মাস সময় লাগে।

উত্তর

উদ্দীপকে ঘাসফড়িং এর দর্শন কৌশলের কথা বলা হয়েছে।ঘাসফড়িং-এর দর্শন অঙ্গটি দিনের উজ্জ্বল আলোয়াও দিনের শেষে মৃদু আলোতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে এদের দৃষ্টিশক্তি কার্যকর করে। মৃদু আলোয় সুপার পজিশন এবং উজ্জ্বল আলোয় অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব গঠন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব: মৃদু আলোয় রেটিনাল সিথের রঞ্জক কণিকা সংকুচিত হয়ে কর্নিয়ার দিকে ঘনীভূত হয় এবং ক্রিস্টালাইন কোণের অধিকাংশ অনাবৃত হয়ে পড়ে। উলম্ব আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার ভেতর প্রবেশ করে তার র্যাবডোমে পৌছালেও তির্যক আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের ক্রিস্টালাইন কোণের অনাবৃত অংশের মধ্য দিয়ে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডোমে পৌছায়। অর্থাৎ একটি ওমাটিডিয়াম তার নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত আলোক রশ্মি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়া থেকে আগত রশ্মিও পেয়ে থাকে। পুঞ্জাক্ষির উপর কোনো বস্তুর বিভিন্ন অংশের প্রতিবিম্বগুলো একে অপরের উপর পড়ায় সম্পূর্ণ বস্তুটির অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। ২. অ্যাপজিশন বা মোজাইক প্রতিবিম্ব: উজ্জ্বল আলোয় প্রতিটিওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। উজ্জ্বল আলোতে রেটিনাল সিথের কোষের রঞ্জকপদার্থ ক্রিস্টালাইন কোণের নিচের, দিকে এমনভাবে ছড়িয়ে যায় যাতে তার চারদিকে একটি কালো পর্দার সৃষ্টি হয়। ফলে একটি ওমাটিডিয়াম কেবলমাত্র নিজস্ব কর্নিয়া থেকে আগত লম্বভাবে প্রতিফলিত রশ্মিই গ্রহণ 'করতে পারে। তির্যকভাবে আগত পার্শ্ববর্তী ওমাটিডিয়ামের আলোকরশ্মি আইরিসের রঞ্জক পদার্থে শোষিত হয়। এ অবস্থায় একটি ওমাটিডিয়াম দিয়ে গঠিত প্রতিবিম্ব অনেকটা মোজাইক করা মেঝের পাথরের মতো মনে হয় বলে একে মোজাইক প্রতিবিম্ব বলা হয়। সুতরাং আলোর তারতম্যের ভিত্তিতে ঘাসফড়িং ভিন্ন ধরনের প্রতিবিম্ব গঠন করে।
HSCBiology 2nd PaperChapter 2: প্রাণীর পরিচিতি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ওমাটিডিয়াম কী?

ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বহুরূপতা কী?

বহুরূপতা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বউদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?ওমাটিডিয়াম কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X [গণিত] ও 'Y [গণিত] অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটউদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?বহুরূপতা কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা "যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকের 'ক' প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর। | Prosthuti