শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের প্রাণীটির ধমনিতন্ত্রের বর্ণনা দাও।

উত্তর: উদ্দীপকের প্রাণীটি হলো রুই মাছ। অন্যান্য প্রাণী হতে মাছের ধমনিতন্ত্র একটু ভিন্ন ধরনের। সে হিসেবে রুই মাছে ধমনিতন্ত্র উভচর বা সরীসৃপ হতে ভিন্নতর। অন্তর্বাহী বা অ্যাফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি, বহির্বাহী বা ইফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি, পৃষ্ঠীয় মহাধমনি ও এর শাখাপ্রশাখা রুই মাছের ধমনিতন্ত্রের প্রধান অংশ গঠন করে। রুই মাছে চার জোড়া অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি থাকে। এদের হূৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস না থাকায় ভেন্ট্রিকল থেকে ধমনিতন্ত্রের উদ্ভব হয়। ভেন্ট্রিকল থেকে রক্ত অঙ্কীয় মহাধমনি বা ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টার মাধ্যমে সম্মুখ দিকে প্রবাহিত হয়। ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টার গোড়া কিঞ্চিত স্ফীত হয়ে একটি অসংকোচনশীল বাল্বাস অ্যাওটা গঠন করে। ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টা গলবিলের অঙ্কীয় দিক দিয়ে হাইওয়েড পর্যন্ত অগ্রসর হয় এবং দু'পাশে শাখা সৃষ্টি করে। প্রথম শাখা দুটি উভয় পাশের প্রথম ফুলকায় রক্ত সরবরাহ করে। ঐ শাখাকে প্রথম অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি বলা হয়। উক্ত শাখা দুটির পশ্চাৎদিকে ভেন্ট্রাল অ্যাওটা থেকে উভয়দিকে পৃথক পৃথকভাবে ২য়, ৩য় ও ৪র্থ অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়ার ধমনি বের হয় যারা যথাক্রমে প্রতিপাশের ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ফুলকায় রক্ত সরবরাহ করে। ফলে রুই মাছে প্রতি পাশে চারটি করে মোট চার জোড়া অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি থাকে। এর চারজোড়া ফুলকা থেকে চারজোড়া বহিবাহী ব্রাকিয়াল ধমনির সৃষ্টি হয়। প্রথম বহির্বাহী ধমনি অঙ্কীয়দেশে হাইওয়েড আর্চের সিউডোব্রাঙ্কে রক্ত বহন করে এবং সিউডোব্রাঙ্কের সম্মুখে অপথ্যালমিক মহাধমনি হিসেবে বিস্তৃত হয়। প্রতি পাশের ১ম ও ২য় বহির্বাহী ব্রঙ্কিয়াল ধমনি মিলে লম্বালম্বি পার্শ্বীয় মহাধমনি গঠন করে। ৩য় ও ৪র্থ বহির্বাহী ব্রঙ্কিয়াল ধমনি ল্যাটেরাল অ্যাওর্টায় পশ্চাতে একীভূত হয়ে পৃষ্ঠীয় মহাধমনি গঠন করে এবং পেছনের দিকে বিস্তৃত হয়। পৃষ্ঠীয় মহাধমনি মেরুদন্ডের নিচে মধ্যরেখা বরাবর লেজ পর্যন্ত প্রসারিত।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি · সৃজনশীল

উদ্দীপকের প্রাণীটির ধমনিতন্ত্রের বর্ণনা দাও।

উদ্দীপক

question image

উত্তর

যেসব জিন হোমোজাইগাস অবস্থায় সংশ্লিষ্ট জীবের মৃত্যু ঘটায় সেগুলোই হলো লিথাল জিন।

উত্তর

ভিন্ন ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত দুটি প্রকট জিনের উপস্থিতির কারণে যদি জীবের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় তখন জিন দুটিকে পরস্পরের পরিপূরক জিন বলে। এদের মধ্যে যে পারস্পরিক ক্রিয়া ঘটে তা হলো পরিপূরক ক্রিয়া। পরিপূরক জিনের একটি বা উভয়টি অনুপস্থিত থাকলে তা ভিন্ন ধরনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। এই জিনের ক্রিয়ার ফলেই মেন্ডেলের ২য় সূত্রের F2 জনুর অনুপাত ৯:৩:৩:১ এর পরিবর্তে ৯:৭ হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রাণীটি হলো রুই মাছ। রুইমাছ দুই ধাপে শ্বসন কার্য সম্পাদন করে। নিচে তা ব্যাখা করা হলো: রুই মাছের কানকো দুইটি যখন উত্তোলিত হয় তখন ফুলকা প্রকোষ্ঠের নর মুখ ব্রাঙ্কিওস্টেগাল ঝিল্লি দিয়ে বন্ধ হয়ে যায়। এতে গলবিলে একটি চোষণ-বলের সৃষ্টি হয়। ফলে মুখছিদ্র রক্ষাকারী মৌখিক কপাটিকা খুলে যায় এবং পানি মুখের ভেতর দিয়ে মুর্খগহ্বরে প্রবেশ করে। কানকো যখন পেশি সংকোচনের ফলে নেমে আসে তখন গলবিল ও মুখগহ্বরের স চাপ বেড়ে যায়। সাথে সাথেই মৌখিক কপাটিকা মুখছিদ্রকে বন্ধ করে দেয় এবং ফুলকা-প্রকোষ্ঠের ছিদ্র উন্মুক্ত হয়। পানি তখন এ ছিদ্রপথেই বেরিয়ে যায়। মুখ ও গলবিলের ভেতর দিয়ে অতিক্রমের সময় স্রোতপ্রবাহ নিচে অবস্থিত ফুলকাগুলোকে ভিজিয়ে দেয়। এ প্রক্রিয়ায় অন্তর্বাহী ফুলকা ধমনি CO2 সমৃদ্ধ রক্ত বয়ে এনে ফুলকা ত সূত্রকের কৈশিক জালকে ছেড়ে দেয়। এ সময় শ্বাস গ্রহণকালে নেওয়া ক O2 সমৃদ্ধ পানি ফুলকা সূত্রকের উপর দিয়ে বয়ে গেলে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে। রক্ত পানিতে CO2 ত্যাগ করে ও পানি থেকে O2 গ্রহণ করে। O2 সমৃদ্ধ রক্ত তখন বহিঃফুলকা ধমনির সাহায্যে গৃহীত হয় এবং সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে রুই মাছ পানিতে তাঁর শ্বসন ক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে ৷

উত্তর

উদ্দীপকের প্রাণীটি হলো রুই মাছ। অন্যান্য প্রাণী হতে মাছের ধমনিতন্ত্র একটু ভিন্ন ধরনের। সে হিসেবে রুই মাছে ধমনিতন্ত্র উভচর বা সরীসৃপ হতে ভিন্নতর। অন্তর্বাহী বা অ্যাফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি, বহির্বাহী বা ইফারেন্ট ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি, পৃষ্ঠীয় মহাধমনি ও এর শাখাপ্রশাখা রুই মাছের ধমনিতন্ত্রের প্রধান অংশ গঠন করে। রুই মাছে চার জোড়া অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি থাকে। এদের হূৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস না থাকায় ভেন্ট্রিকল থেকে ধমনিতন্ত্রের উদ্ভব হয়। ভেন্ট্রিকল থেকে রক্ত অঙ্কীয় মহাধমনি বা ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টার মাধ্যমে সম্মুখ দিকে প্রবাহিত হয়। ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টার গোড়া কিঞ্চিত স্ফীত হয়ে একটি অসংকোচনশীল বাল্বাস অ্যাওটা গঠন করে। ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টা গলবিলের অঙ্কীয় দিক দিয়ে হাইওয়েড পর্যন্ত অগ্রসর হয় এবং দু'পাশে শাখা সৃষ্টি করে। প্রথম শাখা দুটি উভয় পাশের প্রথম ফুলকায় রক্ত সরবরাহ করে। ঐ শাখাকে প্রথম অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি বলা হয়। উক্ত শাখা দুটির পশ্চাৎদিকে ভেন্ট্রাল অ্যাওটা থেকে উভয়দিকে পৃথক পৃথকভাবে ২য়, ৩য় ও ৪র্থ অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়ার ধমনি বের হয় যারা যথাক্রমে প্রতিপাশের ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ফুলকায় রক্ত সরবরাহ করে। ফলে রুই মাছে প্রতি পাশে চারটি করে মোট চার জোড়া অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি থাকে। এর চারজোড়া ফুলকা থেকে চারজোড়া বহিবাহী ব্রাকিয়াল ধমনির সৃষ্টি হয়। প্রথম বহির্বাহী ধমনি অঙ্কীয়দেশে হাইওয়েড আর্চের সিউডোব্রাঙ্কে রক্ত বহন করে এবং সিউডোব্রাঙ্কের সম্মুখে অপথ্যালমিক মহাধমনি হিসেবে বিস্তৃত হয়। প্রতি পাশের ১ম ও ২য় বহির্বাহী ব্রঙ্কিয়াল ধমনি মিলে লম্বালম্বি পার্শ্বীয় মহাধমনি গঠন করে। ৩য় ও ৪র্থ বহির্বাহী ব্রঙ্কিয়াল ধমনি ল্যাটেরাল অ্যাওর্টায় পশ্চাতে একীভূত হয়ে পৃষ্ঠীয় মহাধমনি গঠন করে এবং পেছনের দিকে বিস্তৃত হয়। পৃষ্ঠীয় মহাধমনি মেরুদন্ডের নিচে মধ্যরেখা বরাবর লেজ পর্যন্ত প্রসারিত।
HSCBiology 2nd PaperChapter 2: প্রাণীর পরিচিতি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ওমাটিডিয়াম কী?

ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বহুরূপতা কী?

বহুরূপতা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বউদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?ওমাটিডিয়াম কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X [গণিত] ও 'Y [গণিত] অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটউদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?বহুরূপতা কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা "যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।