শেয়ারFacebookWhatsApp

উল্লিখিত প্রাণীটির ক্ষেত্রে দর্শনকৌশল আলো দ্বারা প্রভাবিত কীভাবে?বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উল্লেখিত প্রাণীটি অর্থাৎ ঘাসফড়িং এর দর্শনকৌশল আলো দ্বারা যেভাবে প্রভাবিত হয় তা নিচে বিশ্লেষন করা হলো: আলোর তীব্রতার পার্থক্যের ফলে ঘাসফড়িং এর পুঞ্জাক্ষিতে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের পার্থক্য দেখা যায়: আলোর তীব্রতা অনুসারে পুঞ্জাক্ষিতে দুধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়, যথা- মোজাইক প্রতিবিম্ব এবং সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব ।১. উজ্জ্বল আলোতে মোজাইক বা অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব (Mosaic or Apposition Image): দিনে উজ্জ্বল বা তীব্র আলোতে ঘাসফড়িং-এর ওমাটিয়ামে মোজাইক প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয় এবং এতে প্রত্যেক ওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে । উজ্জ্বল আলোতে আইরিশ রঞ্জক আবরণী ও রেটিনাল রঞ্জক আবরণী অবিচ্ছিন্নভাবে প্রসারিত হয়ে কর্নিয়াজেন কোষ ও ক্রিস্টালাইন কোণ কোষগুলোকে সম্পূর্ণ আবৃত করে রাখে । ফলে প্রতিটি ওমাটিডিয়াম পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়। এ অবস্থায় দর্শনীয় বস্তুর কোন বিন্দু থেকে আগত কেবল লম্বভাবে ওমাটিডিয়ামে প্রবেশ করে।সকল ওমাটিডিয়ামের এসব খন্ডিত প্রতিবিম্ব একত্রিত হলে ঘাসফড়িং বস্তুটিকে স্পষ্ট দেখতে পায় । মোজাইকের মতো বিন্দু বিন্দু করে পুরো প্রতিবিম্বটি গঠিত হওয়ায় এধরনের প্রতিবিম্ব মোজাইক প্রতিবিম্ব এবং একটি একটি করে বহু প্রতিবিম্বের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবিম্ব তৈরি হওয়ায় এধরনের প্রতিবিম্বকে অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব বলা হয়ে থাকে । ২. অনুজ্জ্বল বা স্তিমিত আলোতে সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব (Superposition Image): সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব সাধারণত বিকেলে, সন্ধ্যায় বা রাতে অর্থাৎ অনুজ্জ্বল আলোতে ঘাসফড়িং-এর ওমাটিডিয়ামে সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয় । অনুজ্জ্বল বা স্তিমিত আলোতে ওমাটিডিয়ামের আইরিশ রঞ্জক আবরণী কর্নিয়ার দিকে এবং রেটিনাল রঞ্জক আবরণী ভিত্তি পর্দার দিকে সংকুচিত হয়ে যায় । ফলে পুরো ওমাটিডিয়াম অর্থাৎ ক্রিস্টালাইন কোণ ও র্যাবডোম অনাবৃত হয়ে যায় । এসময় দর্শন বস্তু হতে সরাসরি আসা আলোকরশ্মি সোজাসুজি কর্নিয়া, ক্রিস্টালাইন কোণ হয়ে র্যাবডোমে পৌছায় । আবার দর্শন বস্তু থেকে তির্যকভাবে আসা আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার মাধ্যমে প্রবেশ করে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডোমে এসে পড়ে । রঞ্জক আবরণীদুটির বাধা না থাকায় আলোকরশ্মির এধরনের চলাচল সম্ভব হয় । ফলে একটি ওমাটিডিয়ামে একাধিক দিক থেকে আসা আলোকরশ্মি দিয়ে একের উপর আরেকটি এভাবে একাধিক প্রতিবিম্ব পড়ে । ফলে সম্পূর্ণ বস্তুর একটি অস্পষ্ট ও ঝাপসা প্রতিবিম্ব তৈরি হয় । একটির উপর আরেকটি প্রতিবিম্ব পড়ার ফলে সম্পূর্ণ প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হওয়ায় এধরনের প্রতিবিম্বকে সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব বলা হয়ে থাকে ।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি · সৃজনশীল

উল্লিখিত প্রাণীটির ক্ষেত্রে দর্শনকৌশল আলো দ্বারা প্রভাবিত কীভাবে?বি…

উদ্দীপক

সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গবিশিষ্ট তৃণভোজী প্রাণীর দর্শন কৌশল আলো দ্বারা এবং রূপান্তর হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

Barisal · 2023

উত্তর

কৈশিকনালিকা থেকে উৎপন্ন হয়ে অক্সিজেনবিহীন রক্ত নিয়ে হৃৎপিন্ডে যাওয়ার পথে যে সব শিরা অন্য কোনো অঙ্গে প্রবেশ করে আবার কৈশিকনালিকাতে পরিণত হয়, সেগুলোকে পোর্টাল শিরা বলে। পোর্টাল শিরাগুলো পোর্টাল শিরাতন্ত্র নিয়ে গঠিত হয়।

উত্তর

হাইড্রার দেহের কেন্দ্রস্থ ফাঁকা গহ্বরটি সিলেন্টেরন নামে পরিচিত। এটি গ্যাস্ট্রোডার্মিস দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে। এখানে একাধারে খাদ্যসার, শ্বসন ও রেচন পদার্থ পরিবহন হয়। তাই এই গহ্বরটিকে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর বা পরিপাক সংবহন গহ্বর বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো ঘাসফড়িং। নিচে ঘাসফড়িং-এর শরীরবৃত্তীয় কার্যক্রমটি সম্পন্ন করে ব্যাখ্যা করা হলো: ঘাসফড়িং এর রুপান্তর আসূম্পর্ণ রুপান্তর, কারণ এদের অপরিণত নিম্ফ আংশিক পরিস্ফুটনের মাধ্যমে কয়েকটি নিম্ফ দশা পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িংয়ে রুপান্তরিত হয়। অর্থাৎ ঘাসফড়িং এর জীবন ইতিহাসে তিনটি ধাপ রয়েছে: ডিম -> নিম্ফ -> পূর্ণাঙ্গ প্রানী ডিম ফুটে যে তরুন ঘাসফড়িং বেরিয়ে আসে তাকে নিম্ফ বলে। বহির্গঠনের দিক থেকে নিম্ফ এবং পূর্ণাংগ ঘাসফড়িং দেখতে প্রায় এক রকম,অন্ততঃমুখোপাংগ,সরলাক্ষি ও পুঞ্জাক্ষি,আ্যন্টেনি,পায়ু প্রভৃতি। অনুরুপভাবে,নিম্ফের জীবিনধারন,খাদ্যাভাস,খাদ্য ও বসতিও এক রকম।নিম্ফ ও। পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ পার্থক্য হচ্ছে নিম্ফে ডানা ও জননাঙ্গ থাকে না,তা ছাড়া দেহের আকার-আকৃতি ছোট থাকে। পূর্ণাঙ্গ হলে ডানা ও জননাঙ্গে পরিস্ফুটন ঘটে,দেহের আকার ও বড় হয়। সদ্য পরিস্ফুটিত নিম্ফের কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল থাকে সচ্ছ,ক্রমশ গাঢ় হয়। একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের এ নিম্ফ একটু বড় হলে বহিঃকঙ্কাল আটসাট হয়ে দেহবৃদ্ধি রহিত করে দেয়। তখন দেহবৃদ্ধি স্বাভাবিক রাখতে পুরনো বহিঃকঙ্কাল মোচন প্রক্রিয়ায় ত্যাগ করে ২য় ধাপে নিম্ফে পরিণত হয়। পরবর্তীতে আরও ৩ বার খোলস মোচনের পর পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এ রূপান্তরিত হয়। দ্বিতীয় ধাপের নিম্ফে ক্ষুদ্রাকায় ডানা প্যাড থেকে ডানা সৃষ্টির সূএপাত ঘটে। প্রতিবার খোলস মোচনের পর নিম্ফ দেখতে ছোট আকৃতির পূর্ণাঙ্গ ঘাসফড়িং-এর মতো দেখায়। তা ছাড়া, এদের পরিস্ফুটন দশায় কোনো বিশ্রাম দশাও নেই। পঞ্চমবার খোলস মোচনের মাধ্যমে নিম্ফ পরিণত ঘাসফড়িং হয়ে ।উঠে। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর সম্পন্ন হতে প্রায় দু'মাস সময় লাগে।

উত্তর

উল্লেখিত প্রাণীটি অর্থাৎ ঘাসফড়িং এর দর্শনকৌশল আলো দ্বারা যেভাবে প্রভাবিত হয় তা নিচে বিশ্লেষন করা হলো: আলোর তীব্রতার পার্থক্যের ফলে ঘাসফড়িং এর পুঞ্জাক্ষিতে সৃষ্ট প্রতিবিম্বের পার্থক্য দেখা যায়: আলোর তীব্রতা অনুসারে পুঞ্জাক্ষিতে দুধরনের প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়, যথা- মোজাইক প্রতিবিম্ব এবং সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব ।১. উজ্জ্বল আলোতে মোজাইক বা অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব (Mosaic or Apposition Image): দিনে উজ্জ্বল বা তীব্র আলোতে ঘাসফড়িং-এর ওমাটিয়ামে মোজাইক প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয় এবং এতে প্রত্যেক ওমাটিডিয়াম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে । উজ্জ্বল আলোতে আইরিশ রঞ্জক আবরণী ও রেটিনাল রঞ্জক আবরণী অবিচ্ছিন্নভাবে প্রসারিত হয়ে কর্নিয়াজেন কোষ ও ক্রিস্টালাইন কোণ কোষগুলোকে সম্পূর্ণ আবৃত করে রাখে । ফলে প্রতিটি ওমাটিডিয়াম পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়। এ অবস্থায় দর্শনীয় বস্তুর কোন বিন্দু থেকে আগত কেবল লম্বভাবে ওমাটিডিয়ামে প্রবেশ করে।সকল ওমাটিডিয়ামের এসব খন্ডিত প্রতিবিম্ব একত্রিত হলে ঘাসফড়িং বস্তুটিকে স্পষ্ট দেখতে পায় । মোজাইকের মতো বিন্দু বিন্দু করে পুরো প্রতিবিম্বটি গঠিত হওয়ায় এধরনের প্রতিবিম্ব মোজাইক প্রতিবিম্ব এবং একটি একটি করে বহু প্রতিবিম্বের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবিম্ব তৈরি হওয়ায় এধরনের প্রতিবিম্বকে অ্যাপোজিশন প্রতিবিম্ব বলা হয়ে থাকে । ২. অনুজ্জ্বল বা স্তিমিত আলোতে সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব (Superposition Image): সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব সাধারণত বিকেলে, সন্ধ্যায় বা রাতে অর্থাৎ অনুজ্জ্বল আলোতে ঘাসফড়িং-এর ওমাটিডিয়ামে সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয় । অনুজ্জ্বল বা স্তিমিত আলোতে ওমাটিডিয়ামের আইরিশ রঞ্জক আবরণী কর্নিয়ার দিকে এবং রেটিনাল রঞ্জক আবরণী ভিত্তি পর্দার দিকে সংকুচিত হয়ে যায় । ফলে পুরো ওমাটিডিয়াম অর্থাৎ ক্রিস্টালাইন কোণ ও র্যাবডোম অনাবৃত হয়ে যায় । এসময় দর্শন বস্তু হতে সরাসরি আসা আলোকরশ্মি সোজাসুজি কর্নিয়া, ক্রিস্টালাইন কোণ হয়ে র্যাবডোমে পৌছায় । আবার দর্শন বস্তু থেকে তির্যকভাবে আসা আলোকরশ্মি একটি ওমাটিডিয়ামের কর্নিয়ার মাধ্যমে প্রবেশ করে পাশের ওমাটিডিয়ামের র্যাবডোমে এসে পড়ে । রঞ্জক আবরণীদুটির বাধা না থাকায় আলোকরশ্মির এধরনের চলাচল সম্ভব হয় । ফলে একটি ওমাটিডিয়ামে একাধিক দিক থেকে আসা আলোকরশ্মি দিয়ে একের উপর আরেকটি এভাবে একাধিক প্রতিবিম্ব পড়ে । ফলে সম্পূর্ণ বস্তুর একটি অস্পষ্ট ও ঝাপসা প্রতিবিম্ব তৈরি হয় । একটির উপর আরেকটি প্রতিবিম্ব পড়ার ফলে সম্পূর্ণ প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হওয়ায় এধরনের প্রতিবিম্বকে সুপারপজিশন প্রতিবিম্ব বলা হয়ে থাকে ।
HSCBiology 2nd PaperChapter 2: প্রাণীর পরিচিতি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ওমাটিডিয়াম কী?

ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বহুরূপতা কী?

বহুরূপতা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বউদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?ওমাটিডিয়াম কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X [গণিত] ও 'Y [গণিত] অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটউদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?বহুরূপতা কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা "যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।