শেয়ারFacebookWhatsApp

Q উদ্দীপকটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: Q উদ্দীপকটি হলো মানবদেহের গ্যাস বিনিময় প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় O2 ও CO2 মুক্ত অবস্থায় পরিবাহিত হতে পারে না। ফুসফুসের অ্যালভিওলাসসমূহে O2 ও CO2 বহিঃশ্বসনের মাধ্যমে গ্যাসীয় বিনিময় করে। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো- O2 পরিবহন : ১. ভৌত দ্রবণরূপে : প্রতি 100 ml. রক্তে 0.2 ml O2 ভৌত দ্রব্যরূপে পরিবাহিত হয়। দ্রবীভূত অংশই রক্তে 100 mm পারদ চাপ সৃষ্টির জন্য দায়ী। ২. রাসায়নিক দ্রবণরূপে : O2 রক্তের RBC এর হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে। এটি এক ধরনের শিথিল রাসায়নিক যৌগ, অক্সিজেনের চাপ কমে গেলে পুনরায় বিযুক্ত হয়। [চিত্র] CO2 এর পরিবহন : শর্করা জারনের সময় কোষে CO2 সৃষ্টি হয়। এই CO2 দেহের জন্য ক্ষতিকর। কোষ থেকে CO2 রক্তে পরিবাহিত হয়ে ফুসফুসে পৌছায় এবং ফুসফুস থেকে বায়ুতে মুক্ত হয়। নিচে বর্ণিত তিনটি ভিন্ন পদ্ধতিতে CO2 রক্তে পরিবাহিত হয়। i. ভৌত দ্রবণরূপে : কিছু পরিমাণ (৫%) CO2 রক্তরসের পানির সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড গঠন করে। H2O + CO2 → H2CO3 (কার্বনিক এসিড) এ বিক্রিয়ায় কার্বোনিক অ্যানহাইড্রেজ এনজাইম প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। এখানে CO2 এর খুব সামান্য অংশই H2CO3 রূপে পরিবাহিত হয়। ii. কার্বোমিনো যৌগরূপে : টিস্যুকোষ থেকে রক্তের প্লাজমায় আগত CO2 এর কিছু অংশ লোহিত কণিকায় প্রবেশ করে। লোহিত কণিকার মধ্যে যে হিমোগ্লোবিন থাকে তার গ্লোবিন (প্রোটিন) অংশের অ্যামিনো গ্রুপের (- NH2) সাথে CO2 যুক্ত হয়ে কার্বামিনো হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে। [চিত্র] CO2-এর একাংশ প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে কার্বামিনোপ্রোটিন গঠন করে। PrNH2 + CO2 → PrNHCOOH (কার্বামিনো প্রোটিন) iii. বাই কার্বোনেট যৌগরূপে : ৮৫% CO2 বাই কার্বোনেট যৌগরূপে রক্ত দ্বারা পরিবাহিত হয়। CO2 ব্যাপন প্রক্রিয়ায় লোহিত রক্ত কণিকায় প্রবেশ করে কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজ নামক এনজাইমের উপস্থিতিতে পানির সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বোনিক এসিড (H2CO3) সৃষ্টি করে। এই কার্বোনিক এসিডের অধিকাংশ ভেঙ্গে H+ ও HCO- আয়নে পরিণত হয়। [চিত্র] HCO3- রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় K+ এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পটাশিয়াম বাই কার্বোনেট (KHCO3) গঠন করে। কিছু HCO3- লোহিত রক্তকণিকা হতে বের হয়ে রক্তরসে চলে আসে এবং Na+ এর সাথে যুক্ত হয়ে সোডিয়াম বাই কার্বোনেট (NaHCO3) গঠন করে। লোহিত রক্তকণিকায় : K+ + HCO3- → KHCO3 রক্তরসে : Na+ + HCO3- → NaHCO3 এভাবে সৃষ্ট KHCO3 ও NaHCO3 রক্ত দ্বারা পরিবাহিত হয়।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 4: রক্ত ও সংবহন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 4: রক্ত ও সংবহন · সৃজনশীল

Q উদ্দীপকটি বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

question image

উত্তর

যে হৃৎপিণ্ডের মধ্যদিয়ে কেবল CO2 সমৃদ্ধ রক্ত বাহিত হয় তাকে ভেনাস হার্ট বা শিরা হৃৎপিন্ড বলে।

উত্তর

মানুষের আদর্শ কশেরুকার চিহ্নিত চিত্র নিচে অঙ্কন করা হলো- question image চিত্র: একটি আদর্শ কশেরুকা

উত্তর

P উদ্দীপকটিতে যে চক্র সংঘটিত হয় তা হলো হৃদচক্র। নিচে হৃদচক্র সংঘটন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো- ১. অলিন্দের ডায়াস্টোল : ডান ও বাম অলিন্দ একই সাথে প্রসারিত হয়। এই সময় ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা বন্ধ থাকে এবং ঊর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরার মাধ্যমে CO2 সমৃদ্ধ রক্ত ডান অলিন্দে এবং পালমোনারি শিরার মাধ্যমে O2 সমৃদ্ধ রক্ত বাম অলিন্দে প্রবেশ করে। ০.৭ সেকেন্ডে অলিন্দদ্বয় রক্ত দ্বারা পূর্ণ হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে অলিন্দের সিস্টোল শুরু হয়। ২. অলিন্দের সিস্টোল : এ ধাপের শুরুতে ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা খুলে যায়। ডান ও বাম অলিন্দ একত্রে দ্রুত সংকুচিত হয় এবং এতে রক্ত নিলয়ে প্রবেশ করে। এ ধাপে সময় লাগে মাত্র ০.১ সেকেন্ড। ৩. নিলয়ের সিস্টোল : এ সময় নিলয় দুটি রক্তপূর্ণ অবস্থায় সংকুচিত হয় । ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা সজোরে বন্ধ হয় এবং সেমিলুনার কপাটিকা খুলে যায়। এতে লাব (lub) সদৃশ প্রথম শব্দের সৃষ্টি হয় । নিলয় মধ্যবর্তী চাপ বৃদ্ধি পায় এবং নিলয় থেকে রক্ত নিলয়ের বাইরে নির্গত হয়। ডান নিলয় থেকে CO2 সমৃদ্ধ রক্ত পালমোনারী ধমনিতে এবং বাম নিলয় থেকে O2 সমৃদ্ধ রক্ত অ্যাওর্টায় প্রবেশ করে। এ ধাপে সময় লাগে ০.৩ সেকেন্ড । ৪. নিলয়ের ডায়াস্টোল : নিলয়ের সিস্টোল শেষ হওয়ার সাথে সাথে এর ডায়াস্টোল শুরু হয়। এ সময় বাইকাসপিড ও ট্রাইকাসপিড কপাটিকা খুলে অলিন্দ থেকে রক্ত নিলয়ে প্রবেশ করে। একই সাথে সেমিলুনার কপাটিকাগুলো সজোরে বন্ধ হয় এবং এ সময় ড্যাব সদৃশ শব্দের সৃষ্টি হয়। এ ধাপে সময় লাগে ০.৫ সেকেন্ড । এভাবেই হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক স্পন্দন চাক্রিক গতিতে সম্পন্ন হয়।

উত্তর

Q উদ্দীপকটি হলো মানবদেহের গ্যাস বিনিময় প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় O2 ও CO2 মুক্ত অবস্থায় পরিবাহিত হতে পারে না। ফুসফুসের অ্যালভিওলাসসমূহে O2 ও CO2 বহিঃশ্বসনের মাধ্যমে গ্যাসীয় বিনিময় করে। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো- O2 পরিবহন : ১. ভৌত দ্রবণরূপে : প্রতি 100 ml. রক্তে 0.2 ml O2 ভৌত দ্রব্যরূপে পরিবাহিত হয়। দ্রবীভূত অংশই রক্তে 100 mm পারদ চাপ সৃষ্টির জন্য দায়ী। ২. রাসায়নিক দ্রবণরূপে : O2 রক্তের RBC এর হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে। এটি এক ধরনের শিথিল রাসায়নিক যৌগ, অক্সিজেনের চাপ কমে গেলে পুনরায় বিযুক্ত হয়। question image CO2 এর পরিবহন : শর্করা জারনের সময় কোষে CO2 সৃষ্টি হয়। এই CO2 দেহের জন্য ক্ষতিকর। কোষ থেকে CO2 রক্তে পরিবাহিত হয়ে ফুসফুসে পৌছায় এবং ফুসফুস থেকে বায়ুতে মুক্ত হয়। নিচে বর্ণিত তিনটি ভিন্ন পদ্ধতিতে CO2 রক্তে পরিবাহিত হয়। i. ভৌত দ্রবণরূপে : কিছু পরিমাণ (৫%) CO2 রক্তরসের পানির সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড গঠন করে। H2O + CO2 → H2CO3 (কার্বনিক এসিড) এ বিক্রিয়ায় কার্বোনিক অ্যানহাইড্রেজ এনজাইম প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। এখানে CO2 এর খুব সামান্য অংশই H2CO3 রূপে পরিবাহিত হয়। ii. কার্বোমিনো যৌগরূপে : টিস্যুকোষ থেকে রক্তের প্লাজমায় আগত CO2 এর কিছু অংশ লোহিত কণিকায় প্রবেশ করে। লোহিত কণিকার মধ্যে যে হিমোগ্লোবিন থাকে তার গ্লোবিন (প্রোটিন) অংশের অ্যামিনো গ্রুপের (- NH2) সাথে CO2 যুক্ত হয়ে কার্বামিনো হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে। question image CO2-এর একাংশ প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে কার্বামিনোপ্রোটিন গঠন করে। PrNH2 + CO2 → PrNHCOOH (কার্বামিনো প্রোটিন) iii. বাই কার্বোনেট যৌগরূপে : ৮৫% CO2 বাই কার্বোনেট যৌগরূপে রক্ত দ্বারা পরিবাহিত হয়। CO2 ব্যাপন প্রক্রিয়ায় লোহিত রক্ত কণিকায় প্রবেশ করে কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজ নামক এনজাইমের উপস্থিতিতে পানির সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বোনিক এসিড (H2CO3) সৃষ্টি করে। এই কার্বোনিক এসিডের অধিকাংশ ভেঙ্গে H+ ও HCO- আয়নে পরিণত হয়। question image HCO3- রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় K+ এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পটাশিয়াম বাই কার্বোনেট (KHCO3) গঠন করে। কিছু HCO3- লোহিত রক্তকণিকা হতে বের হয়ে রক্তরসে চলে আসে এবং Na+ এর সাথে যুক্ত হয়ে সোডিয়াম বাই কার্বোনেট (NaHCO3) গঠন করে। লোহিত রক্তকণিকায় : K+ + HCO3- → KHCO3 রক্তরসে : Na+ + HCO3- → NaHCO3 এভাবে সৃষ্ট KHCO3 ও NaHCO3 রক্ত দ্বারা পরিবাহিত হয়।
HSCBiology 2nd PaperChapter 4: রক্ত ও সংবহন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফুসফুসের কাজ লেখ।

ফুসফুসের কাজ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.লসিকা কি?

লসিকা কি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পালমোনারি সংবহন কী?

পালমোনারি সংবহন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অ্যান্টিজেন কী?

অ্যান্টিজেন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।