Chapter 4: রক্ত ও সংবহন Biology 2nd Paper

HSC Biology 2nd Paper এর Chapter 4: রক্ত ও সংবহন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৮৬৪

প্রশ্ন

Biology 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?

উত্তর

প্রধানত কৈশিক জালিকার ভেদ্য প্রাচীরের মাধ্যমে রক্তের যে তরল অংশ বের হয়ে শিরা ও ধমনীর জালক এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে দেহের প্রতিটি কোষকে সিক্ত রাখে তাকে লসিকা বলে।
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।

উত্তর

ফুসফুস হল প্রধান শ্বসন অঙ্গ। এর কাজ নিম্নরুপ- ফুসফুস এর অ্যালভিওলাসে ব্যাপন প্রক্রিয়া শ্বসন গ্যাস O2 ও CO2 এর গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘট। এখানে ট্রাকিয়ার বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত থাকে । ফুসফুসে বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট সংশ্লেষণ হয়। এটি শ্বসন বর্জ্য নিষ্কাশন করে,দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, পানির সমতা রক্ষা করে, শব্দ সৃষ্টি করে। এসকল কাজ ফুসফুস করে থাকে।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকাটি হল লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রোসাইট। মানবদেহে তিন ধরনের রক্ত কণিকা বিদ্যমান। ১)লোহিত রক্তকণিকা, ২)শ্বেত রক্তকণিকা, ৩)অণুচক্রিকা। এর মধ্যে লোহিত রক্তকণিকা অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তকণিকা। এর গঠন নিম্নরুপ- লোহিত রক্ত কণিকার রক্তরসে ভাসমান, গোল দ্বি- অবতল চাকতির মত। এরা নিউক্লিয়াসবিহীন কিন্তু অক্সিজেনবাহী হিমোগ্লোবিন যুক্ত লাল বর্ণের কণিকা। এদের গড় ব্যাস ৭.৩মাইক্রো মিটার, গড় স্থুলতা ২.২ মাইক্রো মিটার।কিনারা মধ্যাভাগ অপেক্ষা পাতলা। অস্থিমজ্জার স্টেম কোষ থেকে লোহিত রক্তকণিকা উদ্ভূত হয়। ভ্রুনদেহে এর সংখ্যা ৮০-৯০লাখ,শিশুদেহে ৬০-৭০ লাখ ,পূর্ণবয়স্ক পুরুষে ৫০-৫৪ লাখ এবং মহিলাদের দেহে ৪৪-৪৮ লাখ। রাসায়নিকভাবে লোহিত রক্তকণিকার ৬০-৭০% পানি এবং ৩০-৪০% কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থের মধ্যে প্রায় ৯০% হিমোগ্লোবিন। অবশিষ্ট১০% প্রোটিন, ফসফোলিপিড, কোলেস্টেরল, অজৈব লবণ, পটাশিয়াম ইত্যাদি। প্রতি ১০০ মিলিলিটার রক্তে প্রায় ১৬ গ্রাম হিমোগ্লোবিন থাকে। এভাবে লোহিত রক্তকনিকা গঠিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি হলো এই শ্বাসরঞ্জক অর্থাৎ হিমোগ্লোবিন মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে -যা যথার্থ। মানুষের লোহিত রক্তকণিকার একটি অন্যতম উপাদান হলো হিমোগ্লোবিন। হিমোগ্লোবিন একটি শ্বাস রঞ্জক যা মেরুদন্ডী প্রাণীর লোহিত রক্ত কণিকা এবং অনেক অমেরুদন্ডী প্রাণীর রক্তরসে বিস্তৃত লালবর্ণের প্রোটিন ধর্মী অক্সিজেনবাহী শ্বাসরঞ্জক। লোহিত রক্ত কণিকার প্রধান প্রোটিন হচ্ছে হিমোগ্লোবিন। এর কারণেই মূলত রক্ত লাল দেখায়। এটি শ্বসন গ্যাস অক্সিজেন পরিবহনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করে। হিমোগ্লোবিন চারটি একক নিয়ে গঠিত একটি গোল অনু যার প্রতিটি একক পলিপেপটাইড জাতীয় প্রোটিন গ্লোবিন এবং লৌহঘটিত হিম নিয়ে গঠিত। এদের অনুপাত ১:২৫। হিমের ৩৩.৩৩%লৌহ (Fe)। একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির সমগ্র রক্তে মাত্র ৪-৫ গ্রাম লৌহ থাকে। হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ - ১)অক্সিজেন পরিবহন : শ্বসন সময় অক্সিজেন ব্যাপন প্রক্রিয়া ফুসফুস থেকে রক্তে প্রবেশ করে। রক্তের সমস্ত অক্সিজেন মুক্ত অবস্থায় থাকে না। এর বড় একটি অংশ লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামে অস্থায়ী যৌগ গঠন করে। এর গঠন প্লাজমায় অক্সিজেনের পরিমাণ এর উপর নির্ভরশীল। ২)কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন : CO2 হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে কারবামিনো হিমোগ্লোবিন নামক অস্থায়ী যৌগ গঠন করে। কারবামিনো হিমোগ্লোবিন সমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃদপিণ্ড হয়ে পরিশোধের জন্য ফুসফুসে যায়। দেহের রক্ত পরিবহনের সময় কিছু পরিমাণ অক্সিজেন ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রক্ত রস থেকে স্বল্প অক্সিজেনযুক্ত টিস্যুরসে রক্ত চলে যায়। এতে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় এবং হিমোগ্লোবিন তখন তার সাথে যুক্ত অক্সিজেন ছাড়তে শুরু করে। এভাবে অক্সিজেন প্রথমে রক্তরসে এবং পরে টিস্যুরসে চলে যায়। এভাবে হিমোগ্লোবিন গুরুত্বপূর্ণ শ্বসনে ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?

উত্তর

প্রধানত কৈশিক জালিকার ভেদ্য প্রাচীরের মাধ্যমে রক্তের যে তরল অংশ বের হয়ে শিরা ও ধমনীর জালক এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে দেহের প্রতিটি কোষকে সিক্ত রাখে তাকে লসিকা বলে।
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।

উত্তর

ফুসফুস হল প্রধান শ্বসন অঙ্গ। এর কাজ নিম্নরুপ- ফুসফুস এর অ্যালভিওলাসে ব্যাপন প্রক্রিয়া শ্বসন গ্যাস O2 ও CO2 এর গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘট। এখানে ট্রাকিয়ার বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত থাকে । ফুসফুসে বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট সংশ্লেষণ হয়। এটি শ্বসন বর্জ্য নিষ্কাশন করে,দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, পানির সমতা রক্ষা করে, শব্দ সৃষ্টি করে। এসকল কাজ ফুসফুস করে থাকে।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকাটি হল লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রোসাইট। মানবদেহে তিন ধরনের রক্ত কণিকা বিদ্যমান। ১)লোহিত রক্তকণিকা, ২)শ্বেত রক্তকণিকা, ৩)অণুচক্রিকা। এর মধ্যে লোহিত রক্তকণিকা অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তকণিকা। এর গঠন নিম্নরুপ- লোহিত রক্ত কণিকার রক্তরসে ভাসমান, গোল দ্বি- অবতল চাকতির মত। এরা নিউক্লিয়াসবিহীন কিন্তু অক্সিজেনবাহী হিমোগ্লোবিন যুক্ত লাল বর্ণের কণিকা। এদের গড় ব্যাস ৭.৩মাইক্রো মিটার, গড় স্থুলতা ২.২ মাইক্রো মিটার।কিনারা মধ্যাভাগ অপেক্ষা পাতলা। অস্থিমজ্জার স্টেম কোষ থেকে লোহিত রক্তকণিকা উদ্ভূত হয়। ভ্রুনদেহে এর সংখ্যা ৮০-৯০লাখ,শিশুদেহে ৬০-৭০ লাখ ,পূর্ণবয়স্ক পুরুষে ৫০-৫৪ লাখ এবং মহিলাদের দেহে ৪৪-৪৮ লাখ। রাসায়নিকভাবে লোহিত রক্তকণিকার ৬০-৭০% পানি এবং ৩০-৪০% কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থের মধ্যে প্রায় ৯০% হিমোগ্লোবিন। অবশিষ্ট১০% প্রোটিন, ফসফোলিপিড, কোলেস্টেরল, অজৈব লবণ, পটাশিয়াম ইত্যাদি। প্রতি ১০০ মিলিলিটার রক্তে প্রায় ১৬ গ্রাম হিমোগ্লোবিন থাকে। এভাবে লোহিত রক্তকনিকা গঠিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি হলো এই শ্বাসরঞ্জক অর্থাৎ হিমোগ্লোবিন মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে -যা যথার্থ। মানুষের লোহিত রক্তকণিকার একটি অন্যতম উপাদান হলো হিমোগ্লোবিন। হিমোগ্লোবিন একটি শ্বাস রঞ্জক যা মেরুদন্ডী প্রাণীর লোহিত রক্ত কণিকা এবং অনেক অমেরুদন্ডী প্রাণীর রক্তরসে বিস্তৃত লালবর্ণের প্রোটিন ধর্মী অক্সিজেনবাহী শ্বাসরঞ্জক। লোহিত রক্ত কণিকার প্রধান প্রোটিন হচ্ছে হিমোগ্লোবিন। এর কারণেই মূলত রক্ত লাল দেখায়। এটি শ্বসন গ্যাস অক্সিজেন পরিবহনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করে। হিমোগ্লোবিন চারটি একক নিয়ে গঠিত একটি গোল অনু যার প্রতিটি একক পলিপেপটাইড জাতীয় প্রোটিন গ্লোবিন এবং লৌহঘটিত হিম নিয়ে গঠিত। এদের অনুপাত ১:২৫। হিমের ৩৩.৩৩%লৌহ (Fe)। একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির সমগ্র রক্তে মাত্র ৪-৫ গ্রাম লৌহ থাকে। হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ - ১)অক্সিজেন পরিবহন : শ্বসন সময় অক্সিজেন ব্যাপন প্রক্রিয়া ফুসফুস থেকে রক্তে প্রবেশ করে। রক্তের সমস্ত অক্সিজেন মুক্ত অবস্থায় থাকে না। এর বড় একটি অংশ লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামে অস্থায়ী যৌগ গঠন করে। এর গঠন প্লাজমায় অক্সিজেনের পরিমাণ এর উপর নির্ভরশীল। ২)কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন : CO2 হিমোগ্লোবিনের সাথে বিক্রিয়া করে কারবামিনো হিমোগ্লোবিন নামক অস্থায়ী যৌগ গঠন করে। কারবামিনো হিমোগ্লোবিন সমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃদপিণ্ড হয়ে পরিশোধের জন্য ফুসফুসে যায়। দেহের রক্ত পরিবহনের সময় কিছু পরিমাণ অক্সিজেন ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রক্ত রস থেকে স্বল্প অক্সিজেনযুক্ত টিস্যুরসে রক্ত চলে যায়। এতে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় এবং হিমোগ্লোবিন তখন তার সাথে যুক্ত অক্সিজেন ছাড়তে শুরু করে। এভাবে অক্সিজেন প্রথমে রক্তরসে এবং পরে টিস্যুরসে চলে যায়। এভাবে হিমোগ্লোবিন গুরুত্বপূর্ণ শ্বসনে ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?

উত্তর

CO₂ সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড হতে ফুসফুসে প্রেরিত হওয়ার পদ্ধতিই হলো পালমোনারি সংবহন।
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

উত্তর

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো হলো- ১. বুকের ঠিক মাঝখানে অস্বস্তি হওয়া। বুকে অসহ্য চাপ, মোচড়ানো বা ব্যথা অনুভূত হওয়া। ২. ঘন ঘন নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ঘটা। ৩. বমি বমি ভাব, হঠাৎ মাথা ঝিমঝিম করা। ৪. ঘুমে ব্যাঘাত ঘটা, শক্তিহীন বা শ্রান্ত বোধ করা।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। নিচে এর লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image চিত্র: হৃৎপিণ্ডের লম্বচ্ছেদ
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সংকোচন-প্রসারণশীল বিশেষ অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। এ ধরনের নিয়ন্ত্রণকে মায়োজেনিক নিয়ন্ত্রণ বলে। প্রকৃতপক্ষে হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের কিছু রূপান্তরিত হৃদপেশি এই মায়োজেনিক প্রকৃতির জন্য দায়ী। এদেরকে সংযোগী টিস্যুও বলে। টিস্যুগুলো হলো সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড (SAN), অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড (AVN) ও পারকিনজি তন্তু। SAN ডান অলিন্দের প্রাচীরে, ডান অলিন্দ ও সুপিরিয়র ভেনাক্যাভার ছিদ্রের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে কিছু স্নায়ুপ্রান্তসহ অল্প সংখ্যক হৃদপেশি তত্ত্ব নিয়ে গঠিত। SAN থেকে সৃষ্ট একটি অ্যাকশন পটেনসিয়াল ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের মাধ্যমে হার্টবিট শুরু হয়। এটি অলিন্দের প্রাচীরে ছড়িয়ে এর সংকোচন ঘটায়। ডান অলিন্দ নিলয়ের প্রাচীরে অবস্থিত SAN এর অনুরূপ গঠন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন AVN টিস্যু, AV বান্ডেল নামক বিশেষ পেশিতন্তুর গুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। AV বান্ডেলের মাধ্যমে হৃদ উদ্দীপনার ঢেউ অলিন্দ থেকে নিলয়ে প্রবাহিত হয়। AV বান্ডেল, বান্ডেল অব হিজ নামক পরিবর্তিত হৃদপেশি তন্তুগুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। বান্ডেল অব হিজ থেকে সূক্ষ্ম পারকিনজি তন্তুর সৃষ্টি হয়ে সরাসরি প্যাপিলারি পেশিতে এবং পরে নিলয়ে পার্শ্বপ্রাচীরে প্রসার লাভ করে। হৃদ উদ্দীপনা বান্ডেল অব হিজ বরাবর দ্রুততার সাথে পরিবাহিত হয় এবং নিলয়ের সর্বত্র বিস্তার লাভ করে। ফলে নিলয় দুটি একই স্থানে সংকুচিত হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের অঙ্গটি অর্থাৎ হৃৎপিণ্ড রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?

উত্তর

CO₂ সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড হতে ফুসফুসে প্রেরিত হওয়ার পদ্ধতিই হলো পালমোনারি সংবহন।
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

উত্তর

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো হলো- ১. বুকের ঠিক মাঝখানে অস্বস্তি হওয়া। বুকে অসহ্য চাপ, মোচড়ানো বা ব্যথা অনুভূত হওয়া। ২. ঘন ঘন নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ঘটা। ৩. বমি বমি ভাব, হঠাৎ মাথা ঝিমঝিম করা। ৪. ঘুমে ব্যাঘাত ঘটা, শক্তিহীন বা শ্রান্ত বোধ করা।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। নিচে এর লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করা হলো- question image চিত্র: হৃৎপিণ্ডের লম্বচ্ছেদ
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সংকোচন-প্রসারণশীল বিশেষ অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। এ ধরনের নিয়ন্ত্রণকে মায়োজেনিক নিয়ন্ত্রণ বলে। প্রকৃতপক্ষে হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের কিছু রূপান্তরিত হৃদপেশি এই মায়োজেনিক প্রকৃতির জন্য দায়ী। এদেরকে সংযোগী টিস্যুও বলে। টিস্যুগুলো হলো সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড (SAN), অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড (AVN) ও পারকিনজি তন্তু। SAN ডান অলিন্দের প্রাচীরে, ডান অলিন্দ ও সুপিরিয়র ভেনাক্যাভার ছিদ্রের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে কিছু স্নায়ুপ্রান্তসহ অল্প সংখ্যক হৃদপেশি তত্ত্ব নিয়ে গঠিত। SAN থেকে সৃষ্ট একটি অ্যাকশন পটেনসিয়াল ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের মাধ্যমে হার্টবিট শুরু হয়। এটি অলিন্দের প্রাচীরে ছড়িয়ে এর সংকোচন ঘটায়। ডান অলিন্দ নিলয়ের প্রাচীরে অবস্থিত SAN এর অনুরূপ গঠন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন AVN টিস্যু, AV বান্ডেল নামক বিশেষ পেশিতন্তুর গুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। AV বান্ডেলের মাধ্যমে হৃদ উদ্দীপনার ঢেউ অলিন্দ থেকে নিলয়ে প্রবাহিত হয়। AV বান্ডেল, বান্ডেল অব হিজ নামক পরিবর্তিত হৃদপেশি তন্তুগুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। বান্ডেল অব হিজ থেকে সূক্ষ্ম পারকিনজি তন্তুর সৃষ্টি হয়ে সরাসরি প্যাপিলারি পেশিতে এবং পরে নিলয়ে পার্শ্বপ্রাচীরে প্রসার লাভ করে। হৃদ উদ্দীপনা বান্ডেল অব হিজ বরাবর দ্রুততার সাথে পরিবাহিত হয় এবং নিলয়ের সর্বত্র বিস্তার লাভ করে। ফলে নিলয় দুটি একই স্থানে সংকুচিত হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের অঙ্গটি অর্থাৎ হৃৎপিণ্ড রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?

উত্তর

কাদেহে অনাক্রম্যতায় সাড়াদানকারী অনুপ্রবিষ্ট বহিরাগত বিষাক্ত পর্দাই হলো অ্যান্টিজেন।
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

উত্তর

রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কারণ স্থির পানির তাপমাত্রা এবং অক্সিজেনের পরিমাণ মাছের ডিম পাড়া অনুপযোগী। স্রোতযুক্ত পানিতে প্রচুর অক্সিজেন থাকে, যা মাছের যৌন গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে ডিম পাড়তে সহায়তা করে। এছাড়া পরিস্ফুটনরত ভ্রূণ স্রোতময় পানি থেকে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায়।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো হৃদপিণ্ড। হৃৎপিণ্ডের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র নিম্নরূপ- question image
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। এ ধরনের নিয়ন্ত্রণকে মায়োজেনিক নিয়ন্ত্রণ বলে। প্রকৃতপক্ষে হৃৎপিন্ডের প্রাচীরের কিছু রূপান্তরিত হৃদপেশি এই মায়োজেনিক প্রকৃতির জন্য দায়ী। এদেরকে সংযোগী টিস্যুও বলে। টিস্যুগুলো হলো সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড (SAN), অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড (AVN) ও পারকিনজি তত্ত্ব। SAN ডান অলিন্দের প্রাচীরে, ডান অলিন্দ ও সুপিরিয়র ভেনাক্যাভার ছিদ্রের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে কিছু স্নায়ুপ্রান্তসহ অল্প সংখ্যক হৃদপেশি তত্ত্ব নিয়ে গঠিত। SAN থেকে সৃষ্ট একটি অ্যাকশন পটেনসিয়াল ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের মাধ্যমে হার্টবিট শুরু হয়। এটি অলিন্দের প্রাচীরে ছড়িয়ে এর সংকোচন ঘটায়। ডান অলিন্দ নিলয়ের প্রাচীরে অবস্থিত SAN এর অনুরূপ গঠন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন AVN টিস্যু, AV বান্ডেল নামক বিশেষ পেশিতন্তুর গুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। AV বান্ডেলের মাধ্যমে হৃদ উদ্দীপনার ঢেউ অলিন্দ থেকে নিলয়ে প্রবাহিত হয়। AV বান্ডেল, বান্ডেল অব হিজ নামক পরিবর্তিত হৃদপেশি তত্ত্বগুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। বান্ডেল অব হিজ থেকে সূক্ষ্ম পারকিনজি তত্ত্বর সৃষ্টি হয়ে সরাসরি প্যাপিলারি পেশিতে এবং পরে নিলয়ে পার্শ্বপ্রাচীরে প্রসার লাভ করে। হৃদ উদ্দীপনা বান্ডেল অব হিজ বরাবর দ্রুততার সাথে পরিবাহিত হয় এবং নিলয়ের সর্বত্র বিস্তার লাভ করে। ফলে নিলয় দুটি একই স্থানে সংকুচিত হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের অঙ্গটি অর্থাৎ হৃৎপিণ্ড রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?

উত্তর

কাদেহে অনাক্রম্যতায় সাড়াদানকারী অনুপ্রবিষ্ট বহিরাগত বিষাক্ত পর্দাই হলো অ্যান্টিজেন।
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

উত্তর

রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কারণ স্থির পানির তাপমাত্রা এবং অক্সিজেনের পরিমাণ মাছের ডিম পাড়া অনুপযোগী। স্রোতযুক্ত পানিতে প্রচুর অক্সিজেন থাকে, যা মাছের যৌন গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে ডিম পাড়তে সহায়তা করে। এছাড়া পরিস্ফুটনরত ভ্রূণ স্রোতময় পানি থেকে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায়।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো হৃদপিণ্ড। হৃৎপিণ্ডের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র নিম্নরূপ- question image
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড। বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। এ ধরনের নিয়ন্ত্রণকে মায়োজেনিক নিয়ন্ত্রণ বলে। প্রকৃতপক্ষে হৃৎপিন্ডের প্রাচীরের কিছু রূপান্তরিত হৃদপেশি এই মায়োজেনিক প্রকৃতির জন্য দায়ী। এদেরকে সংযোগী টিস্যুও বলে। টিস্যুগুলো হলো সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড (SAN), অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার নোড (AVN) ও পারকিনজি তত্ত্ব। SAN ডান অলিন্দের প্রাচীরে, ডান অলিন্দ ও সুপিরিয়র ভেনাক্যাভার ছিদ্রের সংযোগস্থলে অবস্থিত এবং স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে কিছু স্নায়ুপ্রান্তসহ অল্প সংখ্যক হৃদপেশি তত্ত্ব নিয়ে গঠিত। SAN থেকে সৃষ্ট একটি অ্যাকশন পটেনসিয়াল ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের মাধ্যমে হার্টবিট শুরু হয়। এটি অলিন্দের প্রাচীরে ছড়িয়ে এর সংকোচন ঘটায়। ডান অলিন্দ নিলয়ের প্রাচীরে অবস্থিত SAN এর অনুরূপ গঠন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন AVN টিস্যু, AV বান্ডেল নামক বিশেষ পেশিতন্তুর গুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। AV বান্ডেলের মাধ্যমে হৃদ উদ্দীপনার ঢেউ অলিন্দ থেকে নিলয়ে প্রবাহিত হয়। AV বান্ডেল, বান্ডেল অব হিজ নামক পরিবর্তিত হৃদপেশি তত্ত্বগুচ্ছের সাথে যুক্ত থাকে। বান্ডেল অব হিজ থেকে সূক্ষ্ম পারকিনজি তত্ত্বর সৃষ্টি হয়ে সরাসরি প্যাপিলারি পেশিতে এবং পরে নিলয়ে পার্শ্বপ্রাচীরে প্রসার লাভ করে। হৃদ উদ্দীপনা বান্ডেল অব হিজ বরাবর দ্রুততার সাথে পরিবাহিত হয় এবং নিলয়ের সর্বত্র বিস্তার লাভ করে। ফলে নিলয় দুটি একই স্থানে সংকুচিত হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের অঙ্গটি অর্থাৎ হৃৎপিণ্ড রূপান্তরিত হৃদপেশির সাহায্যে স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো