শেয়ারFacebookWhatsApp

টমি মিয়ার আঙ্গুলের রক্তপাত বন্ধের কৌশলটি বর্ণনা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে টমি মিয়ার কাটা আঙ্গুলের রক্তপাত বন্ধের কৌশলটি হলো রক্ততঞ্চন বা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ক্ষতের মুখে রক্ত জমাট বেঁধে দেহ থেকে অপ্রয়োজনীয় রক্তপাত বন্ধ হয়। নিচে কৌশলটি বর্ণনা করা হলো- i. কাটা স্থান বা ক্ষতস্থানের কলা ও অণুচক্রিকার বাতাসের সংস্পর্শে ভাঙ্গণের ফলে থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক এনজাইম নিঃসরণ হয়। ii. থ্রম্বোপ্লাস্টিন রক্তে বিদ্যমান হেপারিনকে অকেজো করে দেয় এবং রক্তরসে অবস্থিত ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে প্রোথ্রম্বিন ও অন্যান্য কিছু উপাদানের সাথে ক্রিয়া করে থ্রম্বিন উৎপন্ন করে। iii. থ্রম্বিন রক্তে অবস্থিত ফাইব্রিনোজেন নামক প্রোটিনের সাথে মিলে ফ্রাইব্রিন নামক সূক্ষ্ম তন্তুর সৃষ্টি করে। iv. ফাইব্রিন মনোমার থেকে ফাইব্রিন পলিমার সৃষ্টি হয়ে তা ক্ষত স্থানে জালের আকার ধারণ করে। v. এরূপ ফাইব্রিন জালকে রক্তকণিকাগুলো আটকে গিয়ে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং রক্ত জমাট বাঁধে।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 4: রক্ত ও সংবহন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 4: রক্ত ও সংবহন · সৃজনশীল

টমি মিয়ার আঙ্গুলের রক্তপাত বন্ধের কৌশলটি বর্ণনা করো।

উদ্দীপক

টমি মিয়া সবজি কাটতে গিয়ে আঙ্গুল কেটে ফেলেন। তিনি কাটা স্থানে বরফ লাগাতে এবং ব্যাণ্ডেজ করতে বিরক্ত বোধ করছিলেন। অবশেষে কয়েক মিনিট পরে রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেল। হৃদচক্র নামে একটি ছন্দময় গতিতে হৃদপিণ্ডের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালিত হয়।

উত্তর

অসুস্থ ও দুর্বল হূৎপিন্ডে বিদ্যুৎ তরঙ্গ সৃষ্টি করে স্বাভাবিক স্পন্দন হার ফিরিয়ে আনার ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বুকে বা উদরে চামড়ার নিচে স্থাপিত ছোট একটি যন্ত্রকে পেসমেকার বলে।

উত্তর

রক্ত জমাট বাঁধার পর খড় রং সদৃশ যে তরল পৃথক হয় তাকে সিরাম বলে। সিরাম বস্তুতপক্ষে রক্তরস। তবে এতে ফাইব্রিনোজেন ও তঞ্চন II, V ও VIII থাকে না এবং এতে অধিক সেরাটোনিন থাকে। এ বৈশিষ্ট্যগুলোর মাধ্যমে রক্তরসকে সিরাম থেকে পার্থক্য করা যায়।

উত্তর

উদ্দীপকে টমি মিয়ার কাটা আঙ্গুলের রক্তপাত বন্ধের কৌশলটি হলো রক্ততঞ্চন বা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ক্ষতের মুখে রক্ত জমাট বেঁধে দেহ থেকে অপ্রয়োজনীয় রক্তপাত বন্ধ হয়। নিচে কৌশলটি বর্ণনা করা হলো- i. কাটা স্থান বা ক্ষতস্থানের কলা ও অণুচক্রিকার বাতাসের সংস্পর্শে ভাঙ্গণের ফলে থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক এনজাইম নিঃসরণ হয়। ii. থ্রম্বোপ্লাস্টিন রক্তে বিদ্যমান হেপারিনকে অকেজো করে দেয় এবং রক্তরসে অবস্থিত ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে প্রোথ্রম্বিন ও অন্যান্য কিছু উপাদানের সাথে ক্রিয়া করে থ্রম্বিন উৎপন্ন করে। iii. থ্রম্বিন রক্তে অবস্থিত ফাইব্রিনোজেন নামক প্রোটিনের সাথে মিলে ফ্রাইব্রিন নামক সূক্ষ্ম তন্তুর সৃষ্টি করে। iv. ফাইব্রিন মনোমার থেকে ফাইব্রিন পলিমার সৃষ্টি হয়ে তা ক্ষত স্থানে জালের আকার ধারণ করে। v. এরূপ ফাইব্রিন জালকে রক্তকণিকাগুলো আটকে গিয়ে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং রক্ত জমাট বাঁধে।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষ লাইনে হৃদচক্র নামে একটি ছন্দময় গতিতে হৃদপিণ্ডের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালিত হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে। হৃদপিণ্ড স্পন্দন একটি চাক্রিক গতিতে তথা হৃদচক্রের মাধ্যমে সারাদেহে রক্ত সঞ্চালিত হয়। স্পন্দনের মাধমে সারাদেহে রক্ত সঞ্চালন করে। এর স্পন্দন একটি চাক্রিক গতিতে সম্পন্ন হয় যাকে হৃদচক্র বলে। নিম্নোক্ত ধাপে হৃদচক্র সম্পন্ন হয়- হৃদচক্রের শুরুতে অলিন্দদ্বয় শিথিল বা প্রসারিত হয়ে থাকে । ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা বন্ধ হয়। দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে CO2 সমৃদ্ধ রক্ত সুপিরিয়র ও ইনফিরিয়র ভেনাক্যাভা দিয়ে ডান অলিন্দে এবং পালমোনারি শিরা দিয়ে ফুসফুস থেকে O2 সমৃদ্ধ রক্ত বাম অলিন্দে প্রবেশ করে। এ দশার সময়কাল ০.৭ সেকেন্ড । অলিন্দের প্রসারণ শেষ হলে প্রায় একই সাথে উভয় অলিন্দ সংকুচিত হয়। ডান অলিন্দে অবস্থিত SA নোড থেকে সংকোচনের সূত্রপাত হয়। এই দশার সময়কাল ০.১ সেকেন্ড। এসময় ডান অলিন্দ থেকে CO2 সমৃদ্ধ রক্ত ডান নিলয়ে ও বাম অলিন্দ থেকে O2 সমৃদ্ধ রক্ত বাম নিলয়ে আসে। অলিন্দের সংকোচনের পর পরই নিলয়দ্বয় রক্তপূর্ণ অবস্থায় সংকুচিত হয়। ট্রাইকাসপিড ও বাইকাসপিড কপাটিকা সজোরে বন্ধ হয় এবং সেমিলুনার কপাটিকা খুলে যায়। ডান নিলয় থেকে CO2 সমৃদ্ধ রক্ত পালমোনারি ধমনিতে এবং বাম নিলয় থেকে O2 সমৃদ্ধ রক্ত অ্যাওটায় প্রবেশ করে। এ দশার স্থায়িত্বকাল ০.৩ সেকেন্ডে । নিলয়ের সংকোচন শেষ হওয়ার সাথে সাথে এর প্রসারণ শুরু হয়। এসময় বাইকাসপিড ও ট্রাইকাসপিড কপাটিকা খুলে যায়। ফলে রক্ত অলিন্দ থেকে নিলয়ে প্রবেশ করে। একই সাথে সেমিলুনার কপাটিকাগুলো সজোরে বন্ধ হয়। এ দশার স্থায়িত্বকাল ০.৫ সেকেন্ডে। এভাবে হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক স্পন্দন চাক্রিক গতিতে সম্পন্ন হয়।
HSCBiology 2nd PaperChapter 4: রক্ত ও সংবহন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফুসফুসের কাজ লেখ।

ফুসফুসের কাজ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.লসিকা কি?

লসিকা কি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পালমোনারি সংবহন কী?

পালমোনারি সংবহন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অ্যান্টিজেন কী?

অ্যান্টিজেন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

টমি মিয়ার আঙ্গুলের রক্তপাত বন্ধের কৌশলটি বর্ণনা করো। | Prosthuti