শেয়ারFacebookWhatsApp

উল্লিখিত চিত্র (১, ২ ও ৩)-এর সার্বিক অবস্থা ও প্রতিরোধ পদ্ধতি বর্ণনা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের চিত্র (১, ২ ও ৩) এর সার্বিক অবস্থাটি হলো হার্ট অ্যাটাক। মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন যা হার্ট অ্যাটাক নামে পরিচিত। মায়োকার্ডিয়াল অর্থ হৃদপেশি, আর ইনফার্কশন অর্থ অক্সিজেনের অভাবে দম বন্ধ হওয়া। দীর্ঘ সময় ব্যাপী হৃৎপিণ্ডের কোনো অংশে blood সরবরাহ বন্ধ থাকলে ঐ অংশের পেশিগুলো অকার্যকর হয়ে কিংবা মরে গিয়ে যে সমস্যা সৃষ্টি করে তাকেই সাধারণ ভাষায় হার্ট ম্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বলে। হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ : ১. বুকের ঠিক মাঝখানে অস্বস্তি হওয়া যা কয়েক মিনিট থাকে, চলে যায় আবার ফিরে আসে। বুকে অসহ্য চাপ বা ব্যথা অনুভূত হয়। ২. এক বা উভয় বাহু, পিঠ, গলা, চোয়াল বা পাকস্থলির উপরের অংশে অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভব । ৩. বুকে অস্বস্তির সময় ঘন ঘন নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ঘটে। ৪. পাকস্থলিতে অস্বস্তির সঙ্গে বমি-বমি ভাব, বমি হওয়া, হঠাৎ মাথা ঝিমঝিম করা অথবা ঠাণ্ডা ঘাম বেরিয়ে যাওয়া। ৫. ঘুমে ব্যাঘাত ঘটা, নিজেকে শক্তিহীন বা শ্রান্ত বোধ করা। হার্ট অ্যাটাকের কারণ : হৃৎপিণ্ড থেকে সমগ্র দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহিত হয়। হৃৎপিণ্ড নিজেই একটি অঙ্গ হওয়ায় এরও রক্ত সরবরাহের প্রয়োজন হয়। যে রক্তনালি দ্বারা হৃৎপিণ্ড নিজে রক্তের সরবরাহ পেয়ে থাকে তাকে করোনারি ধমনি বলে। করোনারি ধমনি দ্বারা হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের পেশিতে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে পেশির কোষগুলো অক্সিজেন ও শর্করা স্বল্পতায় পড়ে এবং শক্তি উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়। কিন্তু দেহে অবিরাম রক্ত সরবরাহের জন্য হৃৎপেশিগুলোকে সর্বদা কর্মক্ষম থাকতে হয়। পরিমিত অক্সিজেনের অভাবে হৃৎপেশির কোষগুলো অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিকল্প উৎস পাইরুভিক এসিড থেকে শক্তি উৎপাদন করে। এ সময় উপজাত হিসেবে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়। অধিক পরিমাণ ল্যাকটিক এসিড তৈরি হলে তা পেশিতে জমা হয়, ফলে ব্যথা অনুভূত হয়। হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধের উপায় হলো এনজিওপ্লাস্ট যা উদ্দীপকের চিত্রের আলোকে দেখা যাচ্ছে। এনজিওপ্লাস্ট : বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিণ্ডের সংকীর্ণ লুমেন যুক্ত বা রুদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্থ লুমেন মুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিকে এনজিওপ্লাস্টি বলে।করোনারি হৃদরোগের অন্যতম প্রধান রোগ সৃষ্টি হয় করোনারি ধর্মনিতে। ধমনির ভেতর ব্লক সৃষ্টি হলে পর্যাপ্ত O2 সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপেশিতে সংবহিত হতে পারে না। ফলে হার্ট ফেইলিউর ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এমন মারাত্মক অবস্থা মোকাবিলায় এনজিওপ্লাস্টি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এনজিওপ্লাস্টি ধরনের চিকিৎসা লুমেন থেকে ব্লক অপসারণ বা হ্রাস করতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা উপশম হয়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে জীবন রক্ষায় অবদান রাখে। যেহেতু বুক উন্মুক্ত করতে হয় না সেহেতু কষ্ট, সংক্রমণ ও দীর্ঘকালীন সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না। বেলুন ও স্টেন্ট পদ্ধতি একই সাথে ব্যবহার করলে প্ল্যাক এর পুনরাবির্ভাবের সম্ভাবনা কমে যায়। মাত্র এক থেকে কয়েক ঘণ্টায় জীবন রক্ষাকারী এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 4: রক্ত ও সংবহন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 4: রক্ত ও সংবহন · সৃজনশীল

উল্লিখিত চিত্র (১, ২ ও ৩)-এর সার্বিক অবস্থা ও প্রতিরোধ পদ্ধতি বর্ণন…

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2021

উত্তর

লসিকা হচ্ছে দেহের টিস্যু রস। দেহের সমস্ত টিস্যু রক্তপূর্ণ কৈশিক জালিকায় বেষ্টিত থাকে। রক্তের কিছু উপাদান কৈশিক জালিকায় প্রাচীর ভেদ করে কোষের চারপাশে অবস্থান করে। এ উপাদানগুলোকে সম্মিলিতভাবে লসিকা বলে।

উত্তর

Sino-Atrial Node বা SAN কে প্রাকৃতিক পেসমেকার বলে। দেহের পেসমেকার বা SAN কাজ না করলে হৃৎপিণ্ডের সাথে কৃত্রিম পেসমেকার স্থাপন করে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হার্টবিট স্বাভাবিক করা যায়। পেসমেকার মন্থর হৃদস্পন্দনকে গতিশীল করে এবং দ্রুতশীল হৃদস্পন্দনকে স্বাভাবিক করে। এটি হৃৎপিণ্ডের উপরের ও নিচের প্রকোষ্ঠের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেতের সমন্বয় ঘটায়। এটি অলিন্দদ্বয়ের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেতের সমন্বয় ঘটায়। এটি বিপদজনক হার্টবিট নিয়ন্ত্রণ করে। এসব কারণে পেসমেকার ব্যবহার করা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে 'P′P^{\prime} হলো রক্ত। রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় ফাইব্রিন জালকে পরিণত হয়। রক্ত জমাট বাঁধার জন্য যে উপাদানগুলো মূল ভূমিকা পালন করে সেগুলো হলো— প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনোজেন, ক্যালসিয়াম আয়ন ও থ্রম্বোপ্লাস্টিন বা থ্রম্বোকাইনেজ। প্রথমত রক্তে হেপারিন থাকায় রক্তবাহে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না। কিন্তু যখনই রক্তপাত হয়, তখন ঐ কাটা স্থান বা ভাঙা অণুচক্রিকা থেকে থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক এনজাইম বের হয়। অতঃপর থ্রম্বোপ্লাস্টিন রক্তের হেপারিনকে অকেজো করে দেয় এবং রক্ত রসে অবস্থিত ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে প্রোথ্রম্বিন এর সাথে বিক্রিয়া করে সক্রিয় থ্রম্বিন উৎপন্ন করে। থ্রম্বিন রক্তে অবস্থিত ফাইব্রিনোজেন নামক প্লাজমা প্রোটিনের সাথে মিলে ফাইব্রিন নামক সূত্রের সৃষ্টি করে। সূত্রগুলো পরস্পরের সাথে মিলে জালকের আকার ধারণ করে। সবশেষে ফাইব্রিন জালকে লোহিত কণিকাগুলো আটকে যায়। ফলে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয় এবং রক্ত জমাট বেঁধে যায়। রক্ত তঞ্চনের ধাপগুলো প্রবাহচিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো- ক্ষতস্থান + ভাঙা থ্রম্বোসাইট → থ্রম্বোপ্লাস্টিন + Ca2+ + নিষ্ক্রিয় প্রোথ্ৰম্বিন ↓ সক্রিয় প্রোথ্রম্বিন + ফাইব্রিনোজেন ↓ রক্ত তঞ্জন ← ফাইব্রিন জালক ← ফাইব্রিন পলিমার ←← ফাইব্রিন মনোমার

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্র (১, ২ ও ৩) এর সার্বিক অবস্থাটি হলো হার্ট অ্যাটাক। মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন যা হার্ট অ্যাটাক নামে পরিচিত। মায়োকার্ডিয়াল অর্থ হৃদপেশি, আর ইনফার্কশন অর্থ অক্সিজেনের অভাবে দম বন্ধ হওয়া। দীর্ঘ সময় ব্যাপী হৃৎপিণ্ডের কোনো অংশে blood সরবরাহ বন্ধ থাকলে ঐ অংশের পেশিগুলো অকার্যকর হয়ে কিংবা মরে গিয়ে যে সমস্যা সৃষ্টি করে তাকেই সাধারণ ভাষায় হার্ট ম্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বলে। হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ : ১. বুকের ঠিক মাঝখানে অস্বস্তি হওয়া যা কয়েক মিনিট থাকে, চলে যায় আবার ফিরে আসে। বুকে অসহ্য চাপ বা ব্যথা অনুভূত হয়। ২. এক বা উভয় বাহু, পিঠ, গলা, চোয়াল বা পাকস্থলির উপরের অংশে অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভব । ৩. বুকে অস্বস্তির সময় ঘন ঘন নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ঘটে। ৪. পাকস্থলিতে অস্বস্তির সঙ্গে বমি-বমি ভাব, বমি হওয়া, হঠাৎ মাথা ঝিমঝিম করা অথবা ঠাণ্ডা ঘাম বেরিয়ে যাওয়া। ৫. ঘুমে ব্যাঘাত ঘটা, নিজেকে শক্তিহীন বা শ্রান্ত বোধ করা। হার্ট অ্যাটাকের কারণ : হৃৎপিণ্ড থেকে সমগ্র দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহিত হয়। হৃৎপিণ্ড নিজেই একটি অঙ্গ হওয়ায় এরও রক্ত সরবরাহের প্রয়োজন হয়। যে রক্তনালি দ্বারা হৃৎপিণ্ড নিজে রক্তের সরবরাহ পেয়ে থাকে তাকে করোনারি ধমনি বলে। করোনারি ধমনি দ্বারা হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের পেশিতে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে পেশির কোষগুলো অক্সিজেন ও শর্করা স্বল্পতায় পড়ে এবং শক্তি উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়। কিন্তু দেহে অবিরাম রক্ত সরবরাহের জন্য হৃৎপেশিগুলোকে সর্বদা কর্মক্ষম থাকতে হয়। পরিমিত অক্সিজেনের অভাবে হৃৎপেশির কোষগুলো অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিকল্প উৎস পাইরুভিক এসিড থেকে শক্তি উৎপাদন করে। এ সময় উপজাত হিসেবে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়। অধিক পরিমাণ ল্যাকটিক এসিড তৈরি হলে তা পেশিতে জমা হয়, ফলে ব্যথা অনুভূত হয়। হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধের উপায় হলো এনজিওপ্লাস্ট যা উদ্দীপকের চিত্রের আলোকে দেখা যাচ্ছে। এনজিওপ্লাস্ট : বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিণ্ডের সংকীর্ণ লুমেন যুক্ত বা রুদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্থ লুমেন মুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিকে এনজিওপ্লাস্টি বলে।করোনারি হৃদরোগের অন্যতম প্রধান রোগ সৃষ্টি হয় করোনারি ধর্মনিতে। ধমনির ভেতর ব্লক সৃষ্টি হলে পর্যাপ্ত O2 সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপেশিতে সংবহিত হতে পারে না। ফলে হার্ট ফেইলিউর ও হার্ট অ্যাটাকের মতো মারাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এমন মারাত্মক অবস্থা মোকাবিলায় এনজিওপ্লাস্টি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এনজিওপ্লাস্টি ধরনের চিকিৎসা লুমেন থেকে ব্লক অপসারণ বা হ্রাস করতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা উপশম হয়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে জীবন রক্ষায় অবদান রাখে। যেহেতু বুক উন্মুক্ত করতে হয় না সেহেতু কষ্ট, সংক্রমণ ও দীর্ঘকালীন সতর্কতার প্রয়োজন পড়ে না। বেলুন ও স্টেন্ট পদ্ধতি একই সাথে ব্যবহার করলে প্ল্যাক এর পুনরাবির্ভাবের সম্ভাবনা কমে যায়। মাত্র এক থেকে কয়েক ঘণ্টায় জীবন রক্ষাকারী এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।
HSCBiology 2nd PaperChapter 4: রক্ত ও সংবহন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফুসফুসের কাজ লেখ।

ফুসফুসের কাজ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.লসিকা কি?

লসিকা কি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পালমোনারি সংবহন কী?

পালমোনারি সংবহন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অ্যান্টিজেন কী?

অ্যান্টিজেন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।