শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত লক্ষণগুলো যে রোগের উহার কারণ ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত লক্ষণগুলি হলো “অ্যানজাইনা” রোগের। অ্যানজাইনা রোগের কারণ নিম্নরূপ- করোনারি ধমনি দ্বারা হূৎপিণ্ডের প্রাচীরের পেশিতে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে পেশির কোষগুলো অক্সিজেন ও শর্করা স্বল্পতায় পড়ে এবং শক্তি উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়। কিন্তু দেহে অবিরাম রক্ত সরবরাহের জন্য হৃৎপেশিগুলোকে সর্বদা কার্যক্ষম থাকতে হয়। পরিমিত অক্সিজেনের অভাবে হৃদপেশির কোষগুলো অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিকল্প উৎস পাইরুভিক এসিড থেকে শক্তি উৎপাদন করে। এ সময় উপজাত হিসেবে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়। অধিক পরিমাণ ল্যাকটিক এসিড তৈরি হলে তা পেশিতে জমা হয়, ফলে ব্যথা অনুভূত হয়। করোনারি ধমনির সমস্যা ছাড়াও অ্যানজাইনা হতে পারে। অ্যানজাইনা আক্রান্ত মাত্র ৩০% মানুষের হৃৎপিণ্ডের কপাটিকা সমস্যার কারণে করোনারি আর্টারিতে রক্ত প্রবাহ বিঘ্নিত হয়। এছাড়া অ্যানিমিয়া আক্রান্ত রোগীরও অ্যানজাইনা দেখা দেয় কেননা তাদের রক্তে পরিমিত অক্সিজেন থাকে না। আবার যেসব মানুষের হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর অতিমাত্রায় পুরু থাকে তাদেরও অ্যানজাইনা দেখা দেয়। কারণ তাদের হৃদপ্রাচীর চাহিদার তুলনায় কম পরিমাণ অক্সিজেন পেয়ে থাকে। এক কথায় হৃদপেশি যখন O2 সমৃদ্ধ রক্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ পায় না তখন অ্যানজাইনা ব্যথার সৃষ্টি হয়।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 4: রক্ত ও সংবহন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 4: রক্ত ও সংবহন · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত লক্ষণগুলো যে রোগের উহার কারণ ব্যাখ্যা কর ।

উদ্দীপক

হৃদপেশিতে অক্সিজেন (O2)O^2) সরবরাহ না হলে বুকে তীব্র ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং ঘাম হয় ।

Mymensingh · 2021

উত্তর

BMI অর্থাৎ Body Mass Index হলো দেহের উচ্চতা ও ওজনের আনুপাতিক হার ।

উত্তর

লসিকা নালি ও লসিকা গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্রের মাধ্যমে সমগ্র দেহে লসিকা রস প্রবাহিত হয় তাকে লসিকাতন্ত্র বলে। ডেনিস বিজ্ঞানী Olaus Rudbeck এবং Thomas Bartholin, ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম মানুষের লসিকাতন্ত্রের বিবরণ দেন। রক্ত সংবহনতন্ত্র এবং লসিকাতন্ত্র উভয়েই সমগ্র দেহে ফ্লুইড সংবহন করে বলে লসিকাতন্ত্রকে কখনো কখনো দ্বিতীয় সংবহনতন্ত্র বলেও অভিহিত করা হয়। লসিকাতন্ত্র প্রধান দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত, যথা- লসিকানালি ও লসিকাগ্রন্থি।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত লক্ষণগুলি হলো “অ্যানজাইনা” রোগের। অ্যানজাইনা রোগের কারণ নিম্নরূপ- করোনারি ধমনি দ্বারা হূৎপিণ্ডের প্রাচীরের পেশিতে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে পেশির কোষগুলো অক্সিজেন ও শর্করা স্বল্পতায় পড়ে এবং শক্তি উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়। কিন্তু দেহে অবিরাম রক্ত সরবরাহের জন্য হৃৎপেশিগুলোকে সর্বদা কার্যক্ষম থাকতে হয়। পরিমিত অক্সিজেনের অভাবে হৃদপেশির কোষগুলো অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিকল্প উৎস পাইরুভিক এসিড থেকে শক্তি উৎপাদন করে। এ সময় উপজাত হিসেবে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়। অধিক পরিমাণ ল্যাকটিক এসিড তৈরি হলে তা পেশিতে জমা হয়, ফলে ব্যথা অনুভূত হয়। করোনারি ধমনির সমস্যা ছাড়াও অ্যানজাইনা হতে পারে। অ্যানজাইনা আক্রান্ত মাত্র ৩০% মানুষের হৃৎপিণ্ডের কপাটিকা সমস্যার কারণে করোনারি আর্টারিতে রক্ত প্রবাহ বিঘ্নিত হয়। এছাড়া অ্যানিমিয়া আক্রান্ত রোগীরও অ্যানজাইনা দেখা দেয় কেননা তাদের রক্তে পরিমিত অক্সিজেন থাকে না। আবার যেসব মানুষের হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর অতিমাত্রায় পুরু থাকে তাদেরও অ্যানজাইনা দেখা দেয়। কারণ তাদের হৃদপ্রাচীর চাহিদার তুলনায় কম পরিমাণ অক্সিজেন পেয়ে থাকে। এক কথায় হৃদপেশি যখন O2 সমৃদ্ধ রক্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ পায় না তখন অ্যানজাইনা ব্যথার সৃষ্টি হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের অ্যানজাইনা রোগ প্রতিরোধের উপায় নিচে বর্ণিত হলো- অ্যানজাইনা রোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া এবং তা ধরে রাখাই হচ্ছে অ্যানজাইনা প্রতিরোধের প্রধান উপায়। এজন্য কিছু বিষয় গুরুত্বের সাথে পালন করা উচিত। তবে কিছু বিষয় আছে যার নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে নেই, যেমন- বয়স, পিলভেন, হৃদরোগ অ্যানজাইনার পারিবারিক ইতিহাস। যেসব বিষয় আমাদের নাগালের মধ্যে আছে সেগুলো মেনে চলতে হবে। এ বিষয়গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো- ১. ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। ২. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ৩. রক্তের কোলেস্টেরল মাত্রা সর্বদা সঠিক রাখতে হবে। ৪. দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে হবে। ৫. চর্বি জাতীয় খাবার ত্যাগ করতে হবে। ৬. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে। ৭. দেহের স্থূলতা দূর করতে হবে। ৮. অ্যালকোহল ও মদ্যপান বর্জন করতে হবে। ৯. মানসিক প্রশান্তিতে থাকতে হবে। ১০. বছরে কমপক্ষে একবার সম্পূর্ণ শরীরের চেকআপ করাতে হবে। উপরিউল্লিখিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে মেনে চললে অ্যানজাইন থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।
HSCBiology 2nd PaperChapter 4: রক্ত ও সংবহন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফুসফুসের কাজ লেখ।

ফুসফুসের কাজ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.লসিকা কি?

লসিকা কি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পালমোনারি সংবহন কী?

পালমোনারি সংবহন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অ্যান্টিজেন কী?

অ্যান্টিজেন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।