শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের ডাক্তার যে চিকিৎসার কথা বললেন তা বর্ণনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে ডাক্তার জনাব পলাশকে যে চিকিৎসার কথা বললেন তা হলো এনজিওপ্লাস্টি। নিচে এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসার পদ্ধতিটি বর্ণনা করা হলো- বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিন্ডের সংকীর্ণ লুমেনযুক্ত বা বুদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্ত লুমেনযুক্ত বা উন্মুক্ত করার একটি ভালো পদ্ধতি হলো এনজিওপ্লাস্টি। এনজিওপ্লাস্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে সরু বা dead would ব্লক হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনির লুমেনকে প্রশস্ত করা যাতে করে এর ভেতর দিয়ে হৃদপেশিতে পর্যাপ্ত [গণিত] সমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত হয় এবং হৃৎপিণ্ড তথা দেহ সচল থাকে। বিভিন্ন ধরনের এনজিওপ্লাস্টির মধ্যে করোনারি স্টেন্টিং সবচেয়ে জনপ্রিয়। এনজিওগ্রাম করে নিশ্চিত হওয়ার পর এ ধরনের সার্জারি করা ইয়াসীন্ত্রী ধরনের কার্যক্রমে উর্ধ্ববাহু বা পা-এর একটি অংশ কেঁটে ধমনির ভিতর দিয়ে পাতলা নল ক্যাথেটার প্রবেশ করিয়ে কৌশলে রুদ্ধ বা আংশিক বুজে যাওয়া ধমনিতে পৌঁছানো হয়। ক্যাথেটারে একটি সরু তার, তারের অগ্রভাগে একটি চুপসানো বেলুন ও বেলুনটির চারদিকে একটি ধাতব তারের জালের চোঙ বসানো থাকে। জালিকাটিকে স্টেন্ট বলে। স্টেন্টসহ বেলুন কাঙ্কিত জায়গায় পৌছালে বেলুনটি বাইরে থেকে ফোলানো হয়। বেলুনের সাথে সাথে স্টেন্টও স্ফতি হয় এবং প্রতিবন্ধক স্থানে চাপ দিতে থাকে। চাপের ফলে ধমনির গহ্বরের প্রতিবন্ধক স্থানে চর্বিযুক্ত পদার্থও নিষ্পেশিত হয় এবং সংকীর্ণ ধমনিগহ্বর প্রশস্ত হয়। ধমনির ভিতরে তখন রক্ত স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এরপর সেন্টটি ধমনি গহ্বরে রেখে দিয়েই বেলুন সঙ্কুচিত করে বাইরে বের করে আনা হয়। স্টেন্ট সবসময় ধমনির অন্তঃপ্রাচীরকে বাইরের দিকে চেপে রাখে বলে ধমনির ভিতরে সহজে চর্বি পদার্থ (অ্যাথেরোমা/ব্লক) জমতে পারে না। স্টেন্টের গায়ে এক ধরনের প্রলেপ লাগানো থাকে যা চর্বি গলিয়ে ধমনিকে পুনরায় সংকীর্ণ হওয়া থেকে রক্ষা করে। সমগ্র প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ৩০ মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে। এভাবে বাইপাস সার্জারির মতো রক্তবাহিকা কাটা ও সংস্থাপন করার জটিলতা ছাড়াই সহজেই করোনারি ধমনির রক্ত চলাচলকে সচল করা যায়। কাজেই, প্লাক জমে করোনারি ধমনি পুরোপুরি বন্ধ ও শক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আগেই সময়মতো এনজিওপ্লাস্টি 'চিকিৎসা গ্রহণ করলে হার্টের রোগীরা বাইপাস সার্জারির মতো জটিল অস্ত্রোপচার এড়াতে পারেন।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 4: রক্ত ও সংবহন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 4: রক্ত ও সংবহন · সৃজনশীল

উদ্দীপকের ডাক্তার যে চিকিৎসার কথা বললেন তা বর্ণনা কর।

উদ্দীপক

জনাব পলাশ হঠাৎ তার বুকে ব্যথা অনুভব করল। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে বললেন যে তার করোনারি ধমনির লুমেন প্রশস্ত করা জরুরি।

Rajshahi · 2025

উত্তর

দুবার লুপ সৃষ্টির মাধ্যমে সম্পন্ন হাইড্রার সাধারণ ও দ্রুত চলন প্রক্রিয়াই হলো সমারসল্টিং চলন।

উত্তর

কোনো কোনো অঙ্গে কৈশিক জালিকা থেকে উৎপন্ন শিরা হৃৎপিণ্ডের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে অন্য একটি মাধ্যমিক অঙ্গে প্রবেশ করে এবং সেখানে পুনরায় কৈশিক জালিকায় বিভক্ত হয় তাকে পোর্টাল শিরা বলে। পোর্টাল শিরার মাধ্যমে রক্তসংবহন ব্যবস্থাকে পোর্টাল সংবহন বলে। এই সংবহনে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে বিভিন্ন ধমনির মাধ্যমে পাকস্থলি, অগ্ন্যাশয়, প্লীহা এবং অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। মানবদেহে কেবল হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র বিদ্যমান।

উত্তর

উদ্দীপকে ডাক্তার জনাব পলাশকে যে চিকিৎসার কথা বললেন তা হলো এনজিওপ্লাস্টি। নিচে এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসার পদ্ধতিটি বর্ণনা করা হলো- বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিন্ডের সংকীর্ণ লুমেনযুক্ত বা বুদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্ত লুমেনযুক্ত বা উন্মুক্ত করার একটি ভালো পদ্ধতি হলো এনজিওপ্লাস্টি। এনজিওপ্লাস্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে সরু বা dead would ব্লক হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনির লুমেনকে প্রশস্ত করা যাতে করে এর ভেতর দিয়ে হৃদপেশিতে পর্যাপ্ত O2O_2 সমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত হয় এবং হৃৎপিণ্ড তথা দেহ সচল থাকে। বিভিন্ন ধরনের এনজিওপ্লাস্টির মধ্যে করোনারি স্টেন্টিং সবচেয়ে জনপ্রিয়। এনজিওগ্রাম করে নিশ্চিত হওয়ার পর এ ধরনের সার্জারি করা ইয়াসীন্ত্রী ধরনের কার্যক্রমে উর্ধ্ববাহু বা পা-এর একটি অংশ কেঁটে ধমনির ভিতর দিয়ে পাতলা নল ক্যাথেটার প্রবেশ করিয়ে কৌশলে রুদ্ধ বা আংশিক বুজে যাওয়া ধমনিতে পৌঁছানো হয়। ক্যাথেটারে একটি সরু তার, তারের অগ্রভাগে একটি চুপসানো বেলুন ও বেলুনটির চারদিকে একটি ধাতব তারের জালের চোঙ বসানো থাকে। জালিকাটিকে স্টেন্ট বলে। স্টেন্টসহ বেলুন কাঙ্কিত জায়গায় পৌছালে বেলুনটি বাইরে থেকে ফোলানো হয়। বেলুনের সাথে সাথে স্টেন্টও স্ফতি হয় এবং প্রতিবন্ধক স্থানে চাপ দিতে থাকে। চাপের ফলে ধমনির গহ্বরের প্রতিবন্ধক স্থানে চর্বিযুক্ত পদার্থও নিষ্পেশিত হয় এবং সংকীর্ণ ধমনিগহ্বর প্রশস্ত হয়। ধমনির ভিতরে তখন রক্ত স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এরপর সেন্টটি ধমনি গহ্বরে রেখে দিয়েই বেলুন সঙ্কুচিত করে বাইরে বের করে আনা হয়। স্টেন্ট সবসময় ধমনির অন্তঃপ্রাচীরকে বাইরের দিকে চেপে রাখে বলে ধমনির ভিতরে সহজে চর্বি পদার্থ (অ্যাথেরোমা/ব্লক) জমতে পারে না। স্টেন্টের গায়ে এক ধরনের প্রলেপ লাগানো থাকে যা চর্বি গলিয়ে ধমনিকে পুনরায় সংকীর্ণ হওয়া থেকে রক্ষা করে। সমগ্র প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ৩০ মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে। এভাবে বাইপাস সার্জারির মতো রক্তবাহিকা কাটা ও সংস্থাপন করার জটিলতা ছাড়াই সহজেই করোনারি ধমনির রক্ত চলাচলকে সচল করা যায়। কাজেই, প্লাক জমে করোনারি ধমনি পুরোপুরি বন্ধ ও শক্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আগেই সময়মতো এনজিওপ্লাস্টি 'চিকিৎসা গ্রহণ করলে হার্টের রোগীরা বাইপাস সার্জারির মতো জটিল অস্ত্রোপচার এড়াতে পারেন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিকিৎসা পদ্ধতিটি হলো এনজিওপ্লাস্টি। এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসাটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু নিরাপদ তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসাটি মোটামুটি নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত, তবে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যেমন- চিকিৎসা অবকাঠামো: ১. ঢাকায় বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে (যেমন-BMU, NICVD, Labaid, United, Square ইত্যাদি) আধুনিক 'ক্যাথল্যাব ও দক্ষ কার্ডিওলজিস্ট রয়েছে। ২. দক্ষতা ও প্রযুক্তি উন্নতির ফলে বর্তমানে বেশিরভাগ এনজিওপ্লাস্টি সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। চিকিৎসকের দক্ষতা: ১. বাংলাদেশে অনেক অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কার্ডিওলজিস্ট রয়েছে যারা আন্তর্জাতিক মানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। ২. সঠিক কেন্দ্রে সঠিক সময়ে গেলে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে ঝুঁকি অনেক কম থাকে। ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি ও ওষুধ: ১. উন্নতমানের স্টেন্ট এবং অ্যান্টিকুয়াগুল্যাপ্ট ওষুধ বাংলাদেশে পাওয়া যায়। তবে ব্যয়ের করণে অনেক রোগী নিম্নমানের স্টেন্ট বেছে নেয়, যা ঝুঁকি বাড়াতে পারে। নিরাপত্তা ঝুঁকি : এনজিওপ্লাস্টির ঝুঁকি খুবই কম, তবে কিছু সম্ভাব্য ঝুঁকি থাকতে পারে। ১. রক্তক্ষরণ বা রক্ত জমাট বাঁধা। ২. রক্ত নালিতে পুনরায় ব্লক হওয়া। ৩. সংক্রমণ। ৪. কিডনি সমস্যা (ডাই ব্যবহারের কারণে) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে করণীয়: ১. অভিজ্ঞ হাসপাতাল ও চিকিৎসা নির্বাচন করা ২. উন্নত মানের স্টেন্ট বেছে নেওয়া। ৩. পরে নিয়মিত ফলোআপ ও ওষুধ চালিয়ে যাওয়া। ৪. ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচপ ও ধূমপান নিয়ন্ত্রণে রাখা। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, বাংলাদেশে এনজিওপ্লাস্টি চিকিৎসা মোটামুটি নিরাপদ, বিশেষ করে যদি তা ঢাকাসহ বড় শহরের অভিজ্ঞ কেন্দ্রগুলোতে করা হয়। সঠিকভাবে করলে এটি হৃদরোগীদের জন্য জীবনরক্ষাকারী হতে পারে।
HSCBiology 2nd PaperChapter 4: রক্ত ও সংবহন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের রক্তরসে নিউক্লিয়াসবিহীন, হিমোগ্লোবিন নামক শ্বাসরঞ্জকযুক্ত এক ধরনের রক্তকণিকা বিদ্যমান। এই শ্বাসরঞ্জক মানুষের শ্বসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক
লসিকা কি?
খ
ফুসফুসের কাজ লেখ।
গ
উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট রক্তকণিকার গঠন বর্ণনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ফুসফুসের কাজ লেখ।

ফুসফুসের কাজ লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.লসিকা কি?

লসিকা কি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানবদেহের একটি অঙ্গ যা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্তসংবহন করে। কিন্তু রূপান্তরিত হৃদপেশির মাধ্যমে এই সংকোচন- প্রসারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Dinajpur · 2017

ক
পালমোনারি সংবহন কী?
খ
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।
গ
উদ্দীপকের উল্লিখিত অঙ্গের লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকের শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পালমোনারি সংবহন কী?

পালমোনারি সংবহন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষের বক্ষগহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝে মোচাকৃতির একটি অঙ্গ আছে- যা রক্ত সংবহনের কেন্দ্র বিন্দু। এই অঙ্গটি স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যসম্পাদনে সক্ষম।

Barisal · 2017

ক
অ্যান্টিজেন কী?
খ
রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটির লম্বচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিশেষ অঙ্গটি সম্পর্কিত শেষ উদ্ধৃতিটি যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

রুই মাছ স্থির পানিতে ডিম পাড়ে না কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অ্যান্টিজেন কী?

অ্যান্টিজেন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।