শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর দ্বিতীয় অঙ্গটির গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল ঘাসফড়িং এর ক্ষেত্রে ভিন্নতর- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং দ্বিতীয় অঙ্গটি হলো ফুলকা যা শ্বসন কার্যে ব্যবহৃত হয়। ঘাসফড়িং-এর শ্বসন পদ্ধতি বা গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোবিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে [গণিত] পরিবহন করতে পারে না। [গণিত] পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত [গণিত] সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে [গণিত] দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন [গণিত] দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে [গণিত] যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌঁছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ [গণিত] দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, [গণিত] সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে, মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে 'ফলে পানি থেকে রক্তে [গণিত] প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে পানিতে [গণিত] মুক্ত হয়। [গণিত] এবং [গণিত] গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি। সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে [গণিত] যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবিবরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে [গণিত] যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর দ্বিতীয় অঙ্গটির গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল ঘাসফড়…

উদ্দীপক

রুইমাছ পেরিকার্ডিয়াম আবৃত অঙ্গ দ্বারা রক্তসংবহন প্রক্রিয়া ও চিরুনি পাতবিশিষ্ট অঙ্গ দ্বারা গ্যাস বিনিময় কার্য সম্পন্ন করে।

Dhaka · 2025

উত্তর

ঘাসফড়িং এর অগ্রবক্ষের টার্গাম অংশটি বেশ বড়, চওড়া এবং পিছনে ও পাশে প্রসারিত অংশের নাম প্রোনোটাম।

উত্তর

বায়ুথলি মাছের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মাছের ক্ষেত্রে বায়ুথলির প্রয়োজন, কারণ- ১. এটি পানির যেকোনো গভীরতায় মাছকে সক্রিয়ভাবে সাঁতারে সহায়তা করে। ২. এটি ভেতরের গ্যাসের পরিমাণ বাড়িয়ে বা কমিয়ে চার পাশের পরিবেশের সাথে পানিতে মাছের ভারসাম্য রক্ষা করে। ৩. পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে বায়ু পটকাতে বিদ্যমান গ্যাস সে ঘাটতি পূরণ করে মাছের শ্বসন কাজে সহায়তা করে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং প্রথম অঙ্গটি হলো হৃৎপিণ্ড।নিচে রুই মাছের হৃৎপিন্ডের গঠন সচিত্র বর্ণনা করা হলো- গঠন: ১. সাইনাস ভেনোসাস: এটি পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট উপপ্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত। ২. অ্যাট্রিয়াম: এটি পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের সম্মুখ পৃষ্ঠভাগে অবস্থিত পাতলা প্রাচীরবিশিষ্ট বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। ৩. ভেন্ট্রিকল: এটি হৃৎপিন্ডের সর্বশেষ প্রকোষ্ঠ। পেরিকার্ডিয়াল গহ্বরের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত। ৪. বাম্বাস আর্টারিওসাস: বুই মাছের হৃৎপিণ্ডে কোনাস আর্টারিওসাস নেই। তার পরিবর্তে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক একটি গঠন দেখা অ্যাওর্টার স্ফীত হওয়া যায় যা মূলত ভেন্ট্রাল গোড়া বা মূল। এটি হৃৎপিণ্ড থেকে ভেন্ট্রাল অ্যাওর্টায় রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। রুইমাছের উপপ্রকোষ্ঠ ও প্রকোষ্ঠগুলোর সংযোগ ছিদ্রে কপাটিকা থাকে। কপাটিকাগুলো হলো- question image ১. সাইনো-অ্যাট্রিয়াল কপাটিকা: সাইনাস ভেনোসাস ও অ্যাট্রিয়ামের মাঝে অবস্থিত ছিদ্রপথে এ কপাটিকা থাকে। ২. অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার কপাটিকা: অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের মাঝে অবস্থিত অ্যাট্রিও-ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে এ কপাটিকা অবস্থান করে। ৩. ভেন্ট্রিকুলো-বাশ্বাস কপাটিকা: এটি ভেন্ট্রিকল ও বাল্বাস অ্যাওর্টার মাঝে অবস্থিত কপাটিকা।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীটি হলো রুই মাছ এবং দ্বিতীয় অঙ্গটি হলো ফুলকা যা শ্বসন কার্যে ব্যবহৃত হয়। ঘাসফড়িং-এর শ্বসন পদ্ধতি বা গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল রুইমাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- ঘাসফড়িং এর রক্তে কোনো শ্বাসরঞ্জক বা হিমোগ্লোবিন না থাকায় এর রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে O2O_2 পরিবহন করতে পারে না। O2O_2 পরিবহনের এই অক্ষমতা পূরণের জন্য পরিবেশ থেকে গৃহীত O2O_2 সরাসরি দেহকোষে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাকিয়া নামক শ্বাসনালির উদ্ভব ঘটেছে। এই শ্বাসনালিগুলোর মাধ্যমে O2O_2 দেহের প্রতিটি কোষে পৌছায় এবং শ্বসন ক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন CO2CO_2 দেহের বাইরে নির্গত হয়। শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন অঙ্গাণুর মাধ্যমে শ্বাসগ্রহণ ও শ্বাসত্যাগ প্রক্রিয়ায় উল্লিখিত ঘটনাটি সূচারুরূপে ঘটে থাকে। শ্বাস গ্রহণে ট্রাকিয়ার আয়তন বৃদ্ধি পায় ফলে O2O_2 যুক্ত বায়ু শ্বাসরন্দ্রের মাধ্যমে অ্যাট্রিয়ামে ও পরে ট্রাকিয়ার মধ্য দিয়ে তা ট্রাকিওল হয়ে প্রান্তীয় থলিতে পৌঁছায়। সেখানে ট্রাকিওল রসে বায়ুস্থ O2O_2 দ্রবীভূত হয়ে দেহ কোষে প্রবেশ করে। অপরদিকে, রুই মাছের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুলকা। এ অঙ্গটি দ্বারা রুই মাছ শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে থাকে। প্রশ্বাসের সময় রুই মাছের মুখের পেশি প্রসারিত হয় বলে গলবিল ও মুখ গহ্বরের প্রসারণ ঘটে। এ সময় ফুলকা আর্চ বাইরের দিকে প্রসারিত হয় এবং মুখের সম্মুখে অবস্থিত কপাটিকা খুলে যায়। মুখ গহ্বরের প্রকোষ্ঠের আয়তন বৃদ্ধি ঘটায়, O2O_2 সমৃদ্ধ পানি বাইরের পরিবেশ থেকে মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে, মুখবিবর ও গলবিলে প্রবেশ করে এবং অন্তঃফুলকা ছিদ্রের মাধ্যমে পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠের ফুলকার সংস্পর্শে আসে। ফুলকা সূত্রের উপর দিয়ে পানি প্রবাহের সময় ফুলকাতে অবস্থিত কৈশিক জালিকার রক্তের সাথে পানির গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে 'ফলে পানি থেকে রক্তে O2O_2 প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে পানিতে CO2CO_2 মুক্ত হয়। O2O_2 এবং CO2CO_2 গ্যাসের বিনিময় সম্পাদনের পর পেশি। সংকোচনের ফলে মুখবিবর ও ফুলকা প্রকোষ্ঠ সংকুচিত হতে থাকে। ফলে CO2CO_2 যুক্ত পানি ফুলকা প্রকোষ্ঠ থেকে বেরিয়ে মুখবিবরে যায়। এ সময় মুখছিদ্রের কপাটিকা দুটি বন্ধ থাকে এবং মুখবিবরের আয়তন হ্রাস পায়। ফলে অপারকুলাম এবং ব্রাঙ্কিওস্টেগাল পর্দা খুলে যায় এবং বহিঃফুলকা ছিদ্র পথে CO2CO_2 যুক্ত পানি দেহের বাইরে বের হয়ে আসে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, ঘাসফড়িং এর শ্বসন পদ্ধতি রুই মাছের শ্বসন পদ্ধতি হতে ভিন্নতর।
HSCBiology 2nd PaperChapter 2: প্রাণীর পরিচিতি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ওমাটিডিয়াম কী?

ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বহুরূপতা কী?

বহুরূপতা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বউদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?ওমাটিডিয়াম কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X [গণিত] ও 'Y [গণিত] অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটউদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?বহুরূপতা কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা "যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণীর দ্বিতীয় অঙ্গটির গ্যাসীয় বিনিময় কৌশল ঘাসফড়… | Prosthuti