শেয়ারFacebookWhatsApp

কাজিমুদ্দিনের ক্রয়কৃত প্রাণীটির ধমনিতন্ত্র আলোচনা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের কাজিমুদ্দিন সাহেবের ক্রয়কৃত প্রাণীটি হলো রুই মাছ। নিচে রুই মাছের ধমনিতন্ত্রের বিস্তারিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ দেওয়া হলো- রুই মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্র একমুখী (Single circuit)। এর হৃৎপিন্ড থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত ফুলকায় যায় এবং সেখান থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে। এই অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পরিবহণের কাজই করে ধমনিতন্ত্র। রুই মাছের ধমনিতন্ত্র মূলত দুটি অংশে বিভক্ত। যথা- ১. অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি: হৃৎপিণ্ডের বাল্বাস আর্টারিওসাস থেকে একটি ভেন্ট্রাল মহাধমনি বা অঙ্কীয় মহাধমনি সৃষ্টি হয়। এই মহাধমনি থেকে ৪ জোড়া অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি উৎপন্ন হয়ে রুই মাছের ৪ জোড়া ফুলকায় প্রবেশ করে। এই ধমনিগুলোর কাজ হলো হৃৎপিণ্ড থেকে কার্বন ডাই অক্সাইডযুক্ত রক্ত শোধনের জন্য ফুলকায় নিয়ে যাওয়া। ২. বহির্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি: ফুলকা থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সংগ্রহ করার জন্য ৪ জোড়া বহির্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি থাকে। প্রথম জোড়া বহির্বাহী ধমনি লুপের মতো গঠন তৈরি করে, এবং ক্যারোটিড ধমনি হিসেবে মাথায় রক্ত সরবরাহ করে। ৪ জোড়া বহির্বাহী ধমনি মিলিত হয়ে দুই পাশে দুটি ল্যাটেরাল অ্যাওটা গঠন করে। এই ল্যাটেরাল অ্যাওটা দুটি পেছন দিকে মিলিত হয়ে একটি ডরসাল অ্যাওটা বা পৃষ্ঠীয় মহাধমনি গঠন করে। ৩. পৃষ্ঠীয় মহাধমনির শাখা: পৃষ্ঠীয় মহাধমনিটি মেরুদণ্ডের নিচ দিয়ে দেহের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে এবং বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে। সিলিয়াকো-মেসেন্টারিক ধমনি: পাকস্থলী, অন্ত্র ও যকৃতে রক্ত দেয়। রেনাল ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। ইলিয়াক ধমনি: শ্রোণি পাখনায় রক্ত দেয়। কডাল ধমনি: লেজের দিকে রক্ত নিয়ে যায়। রুই মাছের এই ধমনিতন্ত্র অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। এর বিশেষত্ব হলো এটি সরাসরি অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সংগ্রহের পর ল্যাটেরাল অ্যাওর্টার মাধ্যমে একটি রিং বা চক্র তৈরি করে মাথার দিকে পাঠায়, যা উন্নত মস্তিষ্কের অক্সিজেন চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করে।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি · সৃজনশীল

কাজিমুদ্দিনের ক্রয়কৃত প্রাণীটির ধমনিতন্ত্র আলোচনা করো।

উদ্দীপক

কাজিমুদ্দিন বাজারে গিয়ে একটি বড় রুই মাছ কিনল। বাজার থেকে রিক্সায় আসার সময় এক অটোরিক্সার ধাক্কায় কাজিমুদ্দিন পড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। সবাই তাকে ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার চিকিৎসা করতে গিয়ে বলেন কাজিমুদ্দিনের লাক্সেশন হয়েছে।

উত্তর

একজন পূর্ণবয়ষ্ক মানুষের দন্ত সংকেত হলো- I2C1PM2M3I2C1PM2M3=8×28×2=16+16=32\frac{\mathrm{I}_2 \mathrm{C}_1 \mathrm{PM}_2 \mathrm{M}_3}{\mathrm{I}_2 \mathrm{C}_1 \mathrm{PM}_2 \mathrm{M}_3}=\frac{8 \times 2}{8 \times 2}=16+16=32

উত্তর

বাবা Rh পজিটিভ (Rh+\left(\mathrm{Rh}^{+}\right.এবং মা Rh নেগেটিভ (Rh−)\left(\mathrm{Rh}^{-}\right)হলে তাদের Rh+\mathrm{Rh}^{+}সন্তান প্রসবের সময় মায়ের রক্তে স্থায়ী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। পরবর্তী গর্ভাবস্থায় সন্তান পুনরায় Rh+\mathrm{Rh}^{+}হলে মায়ের সেই অ্যান্টিবডি অমরা দিয়ে শিশুর রক্তে প্রবেশ করে লোহিত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে ফেলে। এর ফলে গর্ভস্থ শিশু তীব্র রক্তশূন্যতা ও জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যেতে পারে। মূলত এই কারণেই ইরাইথ্রোব্লাস্টোসিস ফিটালিস ঘটে থাকে ।

উত্তর

উদ্দীপকে কাজিমুদ্দিন সাহেব অটো-রিকশার ধাক্কায় পড়ে গিয়ে যে আঘাত পেয়েছেন, ডাক্তার সেটিকে 'লাক্সেশন' হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সাধারণ ভাষায় একে 'হাড়ের জোড়া ছুটে যাওয়া' বা সন্ধিচ্যুতি বলা হয়। নিচে রোগটির লক্ষণ ও প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যাখ্যা করা হলো- লাক্সেশনের প্রধান লক্ষণসমূহ: তীব্র যন্ত্রণা: আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে প্রচণ্ড ও অসহ্য ব্যথা হয়, যা হাত-পা নাড়াচাড়া করলে বহুগুণ বেড়ে যায়। অঙ্গবিকৃতি: সন্ধিস্থলটি তার স্বাভাবিক আকৃতি হারায় এবং দেখতে উঁচু-নিচু বা বিকৃত মনে হয়। প্রদাহ ও কালচে দাগ: আক্রান্ত স্থান দ্রুত ফুলে ওঠে এবং অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কারণে চামড়ার নিচে নীলাভ বা কালচে বর্ণ ধারণ করে। অস্থিরতা: ওই নির্দিষ্ট অঙ্গটি দিয়ে কোনো কাজ করা বা ওজন বহন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। প্রাথমিক চিকিৎসা: বিশ্রাম: আক্রান্ত অঙ্গটিকে একদম নাড়াচাড়া করা যাবে না। এতে টিস্যু আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বরফ দেওয়া: ফোলা ও ব্যথা কমাতে অন্তত ২০ মিনিট বরফ বা ঠাণ্ডা পানি কাপড়ে জড়িয়ে সেঁক দিতে হবে। চাপ দেওয়া: ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ দিয়ে সন্ধিস্থলটি হালকাভাবে পেঁচিয়ে দিতে হবে যাতে নড়াচড়া কম হয়। উঁচুতে রাখা: আক্রান্ত অঙ্গটি বালিশের সাহায্যে হার্টের উচ্চতা থেকে কিছুটা উঁচুতে রাখতে হবে। পেশাদার চিকিৎসা: নিজে হাড় বসানোর চেষ্টা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে নিতে হবে।

উত্তর

উদ্দীপকের কাজিমুদ্দিন সাহেবের ক্রয়কৃত প্রাণীটি হলো রুই মাছ। নিচে রুই মাছের ধমনিতন্ত্রের বিস্তারিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ দেওয়া হলো- রুই মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্র একমুখী (Single circuit)। এর হৃৎপিন্ড থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত ফুলকায় যায় এবং সেখান থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে। এই অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পরিবহণের কাজই করে ধমনিতন্ত্র। রুই মাছের ধমনিতন্ত্র মূলত দুটি অংশে বিভক্ত। যথা- ১. অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি: হৃৎপিণ্ডের বাল্বাস আর্টারিওসাস থেকে একটি ভেন্ট্রাল মহাধমনি বা অঙ্কীয় মহাধমনি সৃষ্টি হয়। এই মহাধমনি থেকে ৪ জোড়া অন্তর্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি উৎপন্ন হয়ে রুই মাছের ৪ জোড়া ফুলকায় প্রবেশ করে। এই ধমনিগুলোর কাজ হলো হৃৎপিণ্ড থেকে কার্বন ডাই অক্সাইডযুক্ত রক্ত শোধনের জন্য ফুলকায় নিয়ে যাওয়া। ২. বহির্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি: ফুলকা থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সংগ্রহ করার জন্য ৪ জোড়া বহির্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি থাকে। প্রথম জোড়া বহির্বাহী ধমনি লুপের মতো গঠন তৈরি করে, এবং ক্যারোটিড ধমনি হিসেবে মাথায় রক্ত সরবরাহ করে। ৪ জোড়া বহির্বাহী ধমনি মিলিত হয়ে দুই পাশে দুটি ল্যাটেরাল অ্যাওটা গঠন করে। এই ল্যাটেরাল অ্যাওটা দুটি পেছন দিকে মিলিত হয়ে একটি ডরসাল অ্যাওটা বা পৃষ্ঠীয় মহাধমনি গঠন করে। ৩. পৃষ্ঠীয় মহাধমনির শাখা: পৃষ্ঠীয় মহাধমনিটি মেরুদণ্ডের নিচ দিয়ে দেহের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে এবং বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে। সিলিয়াকো-মেসেন্টারিক ধমনি: পাকস্থলী, অন্ত্র ও যকৃতে রক্ত দেয়। রেনাল ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। ইলিয়াক ধমনি: শ্রোণি পাখনায় রক্ত দেয়। কডাল ধমনি: লেজের দিকে রক্ত নিয়ে যায়। রুই মাছের এই ধমনিতন্ত্র অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। এর বিশেষত্ব হলো এটি সরাসরি অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সংগ্রহের পর ল্যাটেরাল অ্যাওর্টার মাধ্যমে একটি রিং বা চক্র তৈরি করে মাথার দিকে পাঠায়, যা উন্নত মস্তিষ্কের অক্সিজেন চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করে।
HSCBiology 2nd PaperChapter 2: প্রাণীর পরিচিতি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ওমাটিডিয়াম কী?

ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বহুরূপতা কী?

বহুরূপতা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বউদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?ওমাটিডিয়াম কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X [গণিত] ও 'Y [গণিত] অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটউদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?বহুরূপতা কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা "যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।