শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লেখিত মাছের শিরাতন্ত্রের বর্ণনা দাও।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত মাছটি হলো রুইমাছ। নিচে এর শিরাতন্ত্রের বর্ণনা দেওয়া হলো- রুইমাছের শিরাতন্ত্র প্রধানত দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত (অক্সিজেনবিহীন) রক্ত সংগ্রহ করে হৃৎপিণ্ডের সাইনাস ভেনোসাসে নিয়ে আসে। রুইমাছের শিরাতন্ত্রকে প্রধান দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: ১. সিস্টেমিক শিরাতন্ত্র এবং ২. পোর্টাল শিরাতন্ত্র। যেসব শিরার মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ বা তন্ত্র থেকে রক্ত সরাসরি হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে, তাদের সমন্বয়ে সিস্টেমিক শিরাতন্ত্র গঠিত হয়। একজোড়া সম্মুখ কার্ডিনাল শিরা, একজোড়া জুগুলার শিরা ও একজোড়া পশ্চাৎ কার্ডিনাল শিরা নিয়ে রুই মাছের সিস্টেমিক শিরাতন্ত্রের প্রধান অংশ গঠিত। শরীরের সম্মুখ অংশ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে সম্মুখ কার্ডিনাল ও জুগুলার শিরা সেপাশের ডাক্টাস ক্যুভেইরিতে উন্মুক্ত হয়। দেহের পশ্চাৎভাগ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে পশ্চাৎ কার্ডিনাল শিরাও ডাক্টাস ক্যুভেইরিতে উন্মুক্ত হয় এবং উভয় ডাক্টাস ক্যুভেইরি হৃৎপিণ্ডের সাইনাস ভেনোসাসে যুক্ত হয়। এছাড়া বক্ষ ও শ্রোণি পাখনা থেকে সাবক্ল্যাভিয়ান শিরা রক্ত সংগ্রহ করে ডাক্টাস ক্যুভেইরির মাধ্যমে সাইনাস ভেনোসাসে প্রেরণ করে। অন্যদিকে, কৈশিকনালিকা থেকে উৎপন্ন হয়ে হৃৎপিণ্ডে যাওয়ার পথে যেসব শিরা অন্য কোনো অঙ্গে প্রবেশ করে আবার কৈশিকনালিতে পরিণত হয়, সেগুলোকে পোর্টাল শিরা বলে। রুই মাছের হেপাটিক ও রেনাল-এই দুই ধরনের পোর্টালতন্ত্র রয়েছে। হেপাটিক পোর্টাল শিরা পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্ত সংগ্রহ করে যকৃতে প্রবেশ করে রক্তজালক সৃষ্টি করে এবং পরে যকৃৎশিরা সরাসরি সাইনাস ভেনোসাসে উন্মুক্ত হয়। অপরদিকে, দেহের লেজঅঞ্চল থেকে কডাল শিরা দেহকাণ্ডে প্রবেশ করে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়। এর ডান শাখাটি ডান পশ্চাৎ কার্ডিনাল শিরা হিসেবে সম্মুখে অগ্রসর হয় এবং বাম শাখাটি বৃক্কে প্রবেশ করে বিভক্ত হয়ে জালিকা সৃষ্টি করে, যাকে রেনাল পোর্টাল শিরা বলে। বৃক্ক থেকে এই রক্ত পরে বাম পশ্চাৎ কার্ডিনাল শিরা দিয়ে সংগৃহীত হয়ে ডাক্টাস ক্যুভেইরির মাধ্যমে সাইনাস ভেনোসাসে পৌঁছায়।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 2: প্রাণীর পরিচিতি · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লেখিত মাছের শিরাতন্ত্রের বর্ণনা দাও।

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ করো: question image

উত্তর

Cypriniformes বহির্ভুক্ত Cyprinidae গোত্রের কঠিনাস্থি বিশিষ্ট মাছসমূহ-ই হলো কার্প।

উত্তর

রুই মাছের শ্রেণিবিন্যাস নিম্নরূপ- Phylum - Chordata Sub-phylum - Vertebrata Class - Osteichthyes Sub-class - Actinopterygii Order - Cypriniformes Family - Cyprinidae Genus - Labeo Species - Labeo rohita

উত্তর

এই উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রাণিটি হলো রুইমাছ। নিচে প্রাণীটির বিভিন্ন প্রকার পাখনার নাম, কাজ ও রশ্মির সংখ্যা দেওয়া হলো-রুইমাছের চলন অঙ্গ হিসেবে মোট ৫ ধরনের পাখনা থাকে। এদের গঠন ও কাজ নিচে আলোচনা করা হলো- বক্ষ-পাখনা : এটি একজোড়া জোড় পাখনা যা কানকোর ঠিক পেছনে দেহের অগ্রভাগে অবস্থিত। প্রতিটি পাখনায় ১৬ ১৭টি পাখনা-রশ্মি থাকে। এই পাখনা মাছকে পানির গভীর থেকে ওপরের দিকে উঠতে সাহায্য করে। শ্রোণি-পাখনা: এটিও একজোড়া জোড় পাখনা যা বক্ষ-পাখনার সামান্য পেছনে ও পেটের দিকে অবস্থিত। এই পাখনা মাছকে উপরে-নিচে চলতে এবং দ্রুত ঘুরতে ও থামতে সহায়তা করে। পৃষ্ঠ-পাখনা: এটি একটি অযুগ্ম বা বেজোড় পাখনা যা দেহের মধ্য বরাবর পেছনে অবস্থিত। এতে ১৪- ১৬টি পাখনা-রশ্মি থাকে। এই পাখনা মাছকে সাঁতারের সময় উল্টে যাওয়া থেকে রক্ষা করে এবং সোজা হয়ে চলতে সাহায্য করে। পায়ু-পাখনা: এটি লেজের শুরুতে অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত একটি বেজোড় পাখনা। এতে ৭টি পাখনা-রশ্মি থাকে। এটি সাঁতারের সময় মাছের শরীরের ভারসাম্য বজায় রেখে স্থিতিশীলতা দান করে। পুচ্ছ-পাখনা: এটি লেজের শেষ প্রান্তে অবস্থিত এবং রুই মাছের প্রধান চলন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। এতে ১৯টি পাখনা-রশ্মি থাকে। এটি হালের মতো কাজ করে মাছকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে এবং দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত মাছটি হলো রুইমাছ। নিচে এর শিরাতন্ত্রের বর্ণনা দেওয়া হলো- রুইমাছের শিরাতন্ত্র প্রধানত দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত (অক্সিজেনবিহীন) রক্ত সংগ্রহ করে হৃৎপিণ্ডের সাইনাস ভেনোসাসে নিয়ে আসে। রুইমাছের শিরাতন্ত্রকে প্রধান দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: ১. সিস্টেমিক শিরাতন্ত্র এবং ২. পোর্টাল শিরাতন্ত্র। যেসব শিরার মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ বা তন্ত্র থেকে রক্ত সরাসরি হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে, তাদের সমন্বয়ে সিস্টেমিক শিরাতন্ত্র গঠিত হয়। একজোড়া সম্মুখ কার্ডিনাল শিরা, একজোড়া জুগুলার শিরা ও একজোড়া পশ্চাৎ কার্ডিনাল শিরা নিয়ে রুই মাছের সিস্টেমিক শিরাতন্ত্রের প্রধান অংশ গঠিত। শরীরের সম্মুখ অংশ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে সম্মুখ কার্ডিনাল ও জুগুলার শিরা সেপাশের ডাক্টাস ক্যুভেইরিতে উন্মুক্ত হয়। দেহের পশ্চাৎভাগ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে পশ্চাৎ কার্ডিনাল শিরাও ডাক্টাস ক্যুভেইরিতে উন্মুক্ত হয় এবং উভয় ডাক্টাস ক্যুভেইরি হৃৎপিণ্ডের সাইনাস ভেনোসাসে যুক্ত হয়। এছাড়া বক্ষ ও শ্রোণি পাখনা থেকে সাবক্ল্যাভিয়ান শিরা রক্ত সংগ্রহ করে ডাক্টাস ক্যুভেইরির মাধ্যমে সাইনাস ভেনোসাসে প্রেরণ করে। অন্যদিকে, কৈশিকনালিকা থেকে উৎপন্ন হয়ে হৃৎপিণ্ডে যাওয়ার পথে যেসব শিরা অন্য কোনো অঙ্গে প্রবেশ করে আবার কৈশিকনালিতে পরিণত হয়, সেগুলোকে পোর্টাল শিরা বলে। রুই মাছের হেপাটিক ও রেনাল-এই দুই ধরনের পোর্টালতন্ত্র রয়েছে। হেপাটিক পোর্টাল শিরা পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্ত সংগ্রহ করে যকৃতে প্রবেশ করে রক্তজালক সৃষ্টি করে এবং পরে যকৃৎশিরা সরাসরি সাইনাস ভেনোসাসে উন্মুক্ত হয়। অপরদিকে, দেহের লেজঅঞ্চল থেকে কডাল শিরা দেহকাণ্ডে প্রবেশ করে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়। এর ডান শাখাটি ডান পশ্চাৎ কার্ডিনাল শিরা হিসেবে সম্মুখে অগ্রসর হয় এবং বাম শাখাটি বৃক্কে প্রবেশ করে বিভক্ত হয়ে জালিকা সৃষ্টি করে, যাকে রেনাল পোর্টাল শিরা বলে। বৃক্ক থেকে এই রক্ত পরে বাম পশ্চাৎ কার্ডিনাল শিরা দিয়ে সংগৃহীত হয়ে ডাক্টাস ক্যুভেইরির মাধ্যমে সাইনাস ভেনোসাসে পৌঁছায়।
HSCBiology 2nd PaperChapter 2: প্রাণীর পরিচিতি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক ক্লাসে প্রতীক প্রাণী হাইড্রার বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকের বিভিন্ন কোষের বর্ণনা দিয়ে বললেন, "প্রতিটি কোষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে। যেমন- শিকার ধরা, পরিপাক, প্রতিরক্ষা, সংবেদন গ্রহণ ইত্যাদি।”

Dinajpur · 2017

ক
ওমাটিডিয়াম কী?
খ
হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ওমাটিডিয়াম কী?

ওমাটিডিয়াম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
বহুরূপতা কী?
খ
ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} ও 'Y′Y^{\prime} অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটনই প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় একমাত্র উপায় নয়- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বহুরূপতা কী?

বহুরূপতা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পঙ্গপাল নামধারী পতঙ্গটির দর্শন ইন্দ্রীয় হলো পুঞ্জাক্ষি। উজ্জ্বল আলোতে প্রাণীটি শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক রশ্মির মাধ্যমে দর্শন সম্পন্ন করে। মৃদু আলোতে প্রাণীটি দর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উল্লম্ব ও তীর্যক দুই ধরনের আলোক রশ্মিই ব্যবহার করে।

Barisal · 2017

ক
হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?
খ
"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

"যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষসমূহের মধ্যে শ্রমবণ্টন পরিলক্ষিত হয়- বউদ্দীপকে উল্লিখিত শিকার ধরার কাজে জড়িত কোষের গঠন বর্ণনা করো।হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?ওমাটিডিয়াম কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X [গণিত] ও 'Y [গণিত] অংশ দ্বারা সৃষ্ট ডিপ্লয়েড কোষের পরিস্ফুটউদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটির প্রস্থচ্ছেদের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।ঘাসফড়িংয়ে ডায়াপজ ঘটে কেন?বহুরূপতা কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটির ঘটনাবলি চিত্রসহ বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপক অনুসারে শুধুমাত্র উল্লম্ব আলোক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব সচিত্র- ব্যাখ্যা "যকৃতকে জৈব রসায়নাগার" বলা হয় কেন?হাইপোগন্যাথাস মস্তক কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।