শেয়ারFacebookWhatsApp

মাসুমের ভ্রমণকৃত দুটো জেলার প্রাকৃতিক দুর্যোগের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো ।

উত্তর: মাসুমের ভ্রমণকৃত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বৃষ্টিবহুল জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রধানত বন্যা উল্লেখযোগ্য। আর কক্সবাজারে দেখা হাতির শুঁড়ের মতো মেঘের কারণ হলো টর্নেডো। অর্থাৎ মাসুমের ভ্রমণকৃত দুই জেলার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো বন্যা ও টর্নেডো। ভৌগোলিক অবস্থান, ভূপ্রকৃতি এবং আবহাওয়া বা জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বৃষ্টিবহুল জেলায় নিয়মিত বন্যা হয়। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, পরে এই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নিচু এলাকাগুলো যেমন— হাওর, বিল, ঝিলগুলো বৃষ্টির পানি দিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। সুতরাং বর্ষা ঋতুতে স্বাভাবিকভাবেই বৃষ্টিপাতের কারণে নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে থাকে। অপরদিকে, টর্নেডো অর্থ বজ্রঝড় । সাধারণত লঘুচাপই টর্নেডো সৃষ্টির প্রধান কারণ। টর্নেডোর গতি ঘণ্টায় সাধারণত ৪৮০-৮০০ কি.মি. হতে পারে। এর বিস্তার মাত্র কয়েক মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৫-৩০ কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে। টর্নেডোর আকৃতি হাতির শুঁড়ের মতো। ভূপষ্ঠের উপরে এর ব্যাস ১০০-৫০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। বন্যা বিস্তৃত এলাকায় অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময়ব্যাপী সংঘটিত হয়। আর টর্নেডো স্বল্প সময় ও স্বল্প পরিসরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়। বন্যায় নদীর পানি নদীর তীর বা বাঁধ উপচে প্লাবন ভূমিতে ঢুকে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের জন্য বন্যা একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রায় প্রতিবছরই বন্যায় দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলে ফসল, গবাদিপশু এবং অন্যান্য সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হয়, যা মাঝে মাঝে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ১৯৭৪, ১৯৮৭, ১৯৮৮, ১৯৯০, ১৯৯৫, ২০০৪ এবং ২০০৭ সালের প্রলয়ংকরী বন্যায় দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ১৯৭৪ সালে এই ক্ষতির মাত্রা এত বেশি ছিল যে সেটি বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অন্যদিকে, টর্নেডো অল্প সময়ে হঠাৎ করে আঘাত হেনে প্রচুর ক্ষতিসাধন করে। স্বল্প পরিসর জায়গায় বায়ুচাপের পার্থক্য অত্যধিক বলেই এর তাণ্ডবতা ভয়ংকর হয়। ঝড়োপুঞ্জ মেঘের তলদেশ থেকে চোঙের মতো মেঘ মাটির দিকে নামতে থাকে। এ চোঙ যেখানে ভূমি স্পর্শ করে সেখানে ঘন কালো মেঘে চারদিক অন্ধকার হয়ে যায় এবং বিকট শব্দে সবকিছু ধূলিসাৎ হয়ে যায়। বাংলাদেশে সাধারনত চৈত্র-বৈশাখ মাসে টর্নেডোর তাণ্ডব লক্ষ করা যায় । উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, বন্যা ও টর্নেডো এই দুই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে যথেষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

HSC Geography 1st Paper Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক · সৃজনশীল

মাসুমের ভ্রমণকৃত দুটো জেলার প্রাকৃতিক দুর্যোগের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো ।

উদ্দীপক

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা থেকে বন্ধু মাহির বাড়ি বৃষ্টিবহুল মাসুম উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বেড়াতে গেল । সেখান থেকে মাসুম কক্সবাজার গেল। সে দেখতে পেল হাতির শুঁড়ের মত মেঘ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরে যাচ্ছে আর দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে সবকিছু।

উত্তর

অনুকূল পরিবেশে ভাসমান মেঘ ঘনীভূত হয়ে পানির ফোঁটা আকারে মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে বৃষ্টিপাত বলে ।

উত্তর

উচ্চতার হ্রাস-বৃদ্ধি বায়ু তাপের তারতম্য ঘটায়। একই অক্ষাংশে অবস্থিত বিভিন্ন স্থানের মধ্যে উচ্চতার হ্রাস বৃদ্ধি অনুসারে বায়ুতাপের তারতম্য হয়ে থাকে। যে স্থান যত উঁচু সে স্থান তত বেশি শীতল হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় ১৬৫ মিটার উচ্চতার জন্য ১° সেলসিয়াস তাপ কমে যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যে স্থান যত বেশি উচ্চে অবস্থিত সে স্থান তত বেশি শীতল হয়ে থাকে ।

উত্তর

মাসুমের নিজ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে প্রধানত ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি লক্ষ করা যায় । কোনো অঞ্চলের বায়ুমণ্ডলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে জলভাগের উপর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ এবং স্থলভাগের উপর থেকে শুষ্ক শীতল বায়ু ঐ একই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে জলভাগের উপর থেকে আসা উষ্ণ বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে। ঐ বায়ু শীতল বায়ুর উপরে উঠলে তার ভিতরে অনুভূমিকভাবে ছুটে আসে। শীতল বায়ু ভারী বলে উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ুর উপর ধীরে ধীরে উঠলে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় । এরূপ বৃষ্টিকে ঘূর্ণি বৃষ্টি বলে । ঘূর্ণি বৃষ্টির ক্ষেত্রে বায়ু সবসময় উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় ছুটে যায়। ঘূর্ণিবাতের ফলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের বায়ু জলীয়বাষ্প নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে উপরে ওঠে এবং শীতল ও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এ সময় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয় । নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে ঘূর্ণিবৃষ্টির প্রক্রিয়া স্বভাবতই ভিন্ন। এখানে উষ্ণ বায়ুস্তর অতি ধীরে শীতল বায়ুস্তরের উপরে উঠার ফলে ঝড়-ঝঞ্ঝা প্রবল না হয়ে ঝিরঝির করে অনেক সময় ধরে বৃষ্টিপাত হয় ।

উত্তর

মাসুমের ভ্রমণকৃত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বৃষ্টিবহুল জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রধানত বন্যা উল্লেখযোগ্য। আর কক্সবাজারে দেখা হাতির শুঁড়ের মতো মেঘের কারণ হলো টর্নেডো। অর্থাৎ মাসুমের ভ্রমণকৃত দুই জেলার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো বন্যা ও টর্নেডো। ভৌগোলিক অবস্থান, ভূপ্রকৃতি এবং আবহাওয়া বা জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বৃষ্টিবহুল জেলায় নিয়মিত বন্যা হয়। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, পরে এই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নিচু এলাকাগুলো যেমন— হাওর, বিল, ঝিলগুলো বৃষ্টির পানি দিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। সুতরাং বর্ষা ঋতুতে স্বাভাবিকভাবেই বৃষ্টিপাতের কারণে নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে থাকে। অপরদিকে, টর্নেডো অর্থ বজ্রঝড় । সাধারণত লঘুচাপই টর্নেডো সৃষ্টির প্রধান কারণ। টর্নেডোর গতি ঘণ্টায় সাধারণত ৪৮০-৮০০ কি.মি. হতে পারে। এর বিস্তার মাত্র কয়েক মিটার এবং দৈর্ঘ্য ৫-৩০ কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে। টর্নেডোর আকৃতি হাতির শুঁড়ের মতো। ভূপষ্ঠের উপরে এর ব্যাস ১০০-৫০০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। বন্যা বিস্তৃত এলাকায় অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময়ব্যাপী সংঘটিত হয়। আর টর্নেডো স্বল্প সময় ও স্বল্প পরিসরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়। বন্যায় নদীর পানি নদীর তীর বা বাঁধ উপচে প্লাবন ভূমিতে ঢুকে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের জন্য বন্যা একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রায় প্রতিবছরই বন্যায় দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলে ফসল, গবাদিপশু এবং অন্যান্য সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হয়, যা মাঝে মাঝে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ১৯৭৪, ১৯৮৭, ১৯৮৮, ১৯৯০, ১৯৯৫, ২০০৪ এবং ২০০৭ সালের প্রলয়ংকরী বন্যায় দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ১৯৭৪ সালে এই ক্ষতির মাত্রা এত বেশি ছিল যে সেটি বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অন্যদিকে, টর্নেডো অল্প সময়ে হঠাৎ করে আঘাত হেনে প্রচুর ক্ষতিসাধন করে। স্বল্প পরিসর জায়গায় বায়ুচাপের পার্থক্য অত্যধিক বলেই এর তাণ্ডবতা ভয়ংকর হয়। ঝড়োপুঞ্জ মেঘের তলদেশ থেকে চোঙের মতো মেঘ মাটির দিকে নামতে থাকে। এ চোঙ যেখানে ভূমি স্পর্শ করে সেখানে ঘন কালো মেঘে চারদিক অন্ধকার হয়ে যায় এবং বিকট শব্দে সবকিছু ধূলিসাৎ হয়ে যায়। বাংলাদেশে সাধারনত চৈত্র-বৈশাখ মাসে টর্নেডোর তাণ্ডব লক্ষ করা যায় । উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, বন্যা ও টর্নেডো এই দুই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে যথেষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়েছে।
HSCGeography 1st PaperChapter 5 : জলবায়ুর উপাদান ও নিরামক
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
নিয়ত বায়ু কাকে বলে?
খ
নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' বায়ুপ্রবাহের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
নিয়ত বায়ু কাকে বলে?
খ
নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' বায়ুপ্রবাহের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা কর।

নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিয়ত বায়ু কাকে বলে?

নিয়ত বায়ু কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হাসান সাহেব একটি দেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ডিসেম্বর মাসে যোগদান করতে এসে দেখলেন ঠাণ্ডা মোটেই নেই এবং প্রায় প্রতিদিন বিকেলে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়। তিনি আরো জানতে পারলেন জলবায়ু অনুকূলে থাকায় এখানে রাবার ও পাম গাছ ভালো জন্মে।

Dhaka · 2017

ক
বৃষ্টিপাতের সংজ্ঞা দাও।
খ
আবহাওয়ার উপাদান ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে আলোচিত দেশটির জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটির উদ্ভিজ্জের উপর জলবায়ুর প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হাসান সাহেব একটি দেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ডিসেম্বর মাসে যোগদান করতে এসে দেখলেন ঠাণ্ডা মোটেই নেই এবং প্রায় প্রতিদিন বিকেলে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়। তিনি আরো জানতে পারলেন জলবায়ু অনুকূলে থাকায় এখানে রাবার ও পাম গাছ ভালো জন্মে।

Dhaka · 2017

ক
বৃষ্টিপাতের সংজ্ঞা দাও।
খ
আবহাওয়ার উপাদান ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে আলোচিত দেশটির জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটির উদ্ভিজ্জের উপর জলবায়ুর প্রভাব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.আবহাওয়ার উপাদান ব্যাখ্যা কর।

আবহাওয়ার উপাদান ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বৃষ্টিপাতের সংজ্ঞা দাও।

বৃষ্টিপাতের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী মুনিয়া গ্রীষ্মের ছুটিতে বাংলাদেশে চাচার বাসায় বেড়াতে আসেন। সেখানে এসে দেখতে পান প্রতিদিন বজ্রসহ ঝড়, আবার ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টি। মুনিয়া তার চাচার কাছে এ বজ্রঝড় সম্পর্কে জানতে চাইল।

Rajshahi · 2018

ক
নিরক্ষীয় শান্ত বলয় কাকে বলে?
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দুর্যোগ সংঘটনের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মুনিয়ার বসবাসকৃত দেশ ও চাচার, বসবাসকৃত দেশের জলবায়ুর তারতম্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী মুনিয়া গ্রীষ্মের ছুটিতে বাংলাদেশে চাচার বাসায় বেড়াতে আসেন। সেখানে এসে দেখতে পান প্রতিদিন বজ্রসহ ঝড়, আবার ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টি। মুনিয়া তার চাচার কাছে এ বজ্রঝড় সম্পর্কে জানতে চাইল।

Rajshahi · 2018

ক
নিরক্ষীয় শান্ত বলয় কাকে বলে?
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম কারণ- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দুর্যোগ সংঘটনের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মুনিয়ার বসবাসকৃত দেশ ও চাচার, বসবাসকৃত দেশের জলবায়ুর তারতম্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম কারণ- ব্যাখ্যা কর।

বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম কারণ- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিরক্ষীয় শান্ত বলয় কাকে বলে?

নিরক্ষীয় শান্ত বলয় কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।