শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত অবস্থা বাংলাদেশের উপকূলে কী প্রভাব ফেলতে পারে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত জোয়ারভাটা বাংলাদেশের উপকূলে ইতিবাচক-নেতিবাচক দু'ধরনের প্রভাববিস্তার করে থাকে। নিম্নে এ সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো- ইতিবাচক দিকসমূহ: জোয়ারের ফলে নদীর জল নির্মল থাকে। জোয়ারভাটার ফলে নদী থেকে আবর্জনা সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। ফলে ভাটার টানে নদী আবর্জনা ও পলিমুক্ত হয়। জোয়ারের পানির টানে নদী-মোহনায় সঞ্চিত পলিমাটি সমুদ্রের দিকে চলে যায় ও নদী মোহনা পলিমুক্ত হয় এবং বদ্বীপ গঠনে বাধা পড়ে। জোয়ারের পানি নদী খাতে ঢুকে এর বিস্তার ও গভীরতা বৃদ্ধি করে, ফলে বড় বড় সমুদ্রগামী জাহাজ দেশের অভ্যন্তরে নদীবন্দরে ঢুকতে পারে ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা হয়। নেতিবাচক দিকসমূহ: জোয়ারের পানি অনেক সময় নদী মোহনার পলি তুলে নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে নদীগর্ভে জমা করে নদীর গভীরতা কমিয়ে ফেলে। প্রবল জোয়ারের ফলে নদীতে বান আসলে তার ফলে নৌকাডুবি এবং জীবনহানির সম্ভাবনা থাকে। প্রবল জোয়ারের ফলে নদীতে যে জলস্ফীতি ঘটে তার ফলে অনেক সময় নদী তীরের চাষাবাদ ও বাড়িঘরের ক্ষয়-ক্ষতি হয়। সুতরাং বলা যায় যে, জোয়ারভাটার ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও উপকূলে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

HSC Geography 1st Paper Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা · সৃজনশীল

উক্ত অবস্থা বাংলাদেশের উপকূলে কী প্রভাব ফেলতে পারে? বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

মিতু তার বাবার সাথে সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে গিয়ে সকালে সমুদ্রের একরূপ এবং দুপুরে অন্যরূপ দেখতে পেল। মিতুর বাবা বলল যে, এ' অবস্থা বন্দরের জাহাজ চলাচলে ভূমিকা রাখে।

উত্তর

অমাবশ্যা ও পূর্ণিমা তিথির তরা কটালের জোয়ারের পানি সংকীর্ণ খাড়ি ও মোহনা দিয়ে প্রাচীরের মতো খাড়া হয়ে অগ্রসর হলে তাকে জোয়ারের বান বলে।

উত্তর

সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ। পৃথিবীর আবর্তনের কারণে ভূপৃষ্ঠে কতকগুলো নির্দিষ্ট নিয়ত বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয়। প্রধান সমুদ্রস্রোতগুলোকে এ বায়ুপ্রবাহের পথ অনুসরণ করতে দেখা যায়। যেমন- অয়ন বায়ু প্রবাহিত এলাকায় সমুদ্রস্রোত পূর্ব দিক হতে পশ্চিম দিকে এবং পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত এলাকায় সমুদ্রস্রোত পশ্চিম দিক হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের মিতুর দেখা ঘটনাটি হলো জোয়ারভাটা। উত্ত জোয়ারভাটার কারণ ব্যাখ্যা করা হলো- মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব: পৃথিবীর সকল পদার্থের আকর্ষণ শক্তি আছে এবং একটি অপরটিকে আকর্ষণ করছে। এ আকর্ষণকে মহাকর্ষণ বলে। এ আকর্ষণের ফলে পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চরদিকে এবং চন্দ্র সর্বদা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। এ আকর্ষণ শক্তির ফলেই ভূপৃষ্ঠে পানিরাশি পৃথিবী হতে বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। পৃথিবীর সব পদার্থের আকর্ষণশক্তি একরূপ নয়। যে পদার্থ যত বড়, তার আকর্ষণ করার শক্তিও তত বেশি। কিন্তু দূরত্ব বৃদ্ধি পেলে আকর্ষণ শক্তি কমে যায়। অতএব, এটা স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে যে, জোয়ারভাটার ব্যাপারে চন্দ্র ও সূর্য উভয়ই পৃথিবীর উপর নিজ নিজ শক্তি প্রয়োগ করলেও চন্দ্রের শক্তিই অধিক কার্যকরী। জলভাগের উপর চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের পার্থক্যের দরুন জোয়ারভাটা সংঘটিত হয়। কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাব: ঘূর্ণনশীল পৃথিবী পৃষ্ঠের যে কেন্দ্রাতিক শক্তি উৎপন্ন হয়, জোয়ারের জন্য তাও দায়ী। পৃথিবী নিজ মেরুদণ্ডের উপর থেকে দ্রুত ঘুরছে বলে তার পৃষ্ঠ হতে তরল পানিরাশিও চারদিকে ছিটকে যাবার প্রবণতা লাভ করছে। এটাই কেন্দ্রাতিক শক্তি। এটাও জোয়ারের অন্যতম কারণ। যেমন-কাদা-পানিযুক্ত কোনো রাস্তা দিয়ে যখন কোনো গাড়ি দ্রুতবেগে অগ্রসর হয় তখন তার চাকা হতে কাদাপানি চারদিকে ছিটকে যায়। এভাবে জোয়ারভাটা সৃষ্টি হয়। সুতরাং বলা যায় যে, উপরোল্লিখিত কারণে জোয়ারভাটার সৃষ্টি হয়ে থাকে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত জোয়ারভাটা বাংলাদেশের উপকূলে ইতিবাচক-নেতিবাচক দু'ধরনের প্রভাববিস্তার করে থাকে। নিম্নে এ সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো- ইতিবাচক দিকসমূহ: জোয়ারের ফলে নদীর জল নির্মল থাকে। জোয়ারভাটার ফলে নদী থেকে আবর্জনা সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। ফলে ভাটার টানে নদী আবর্জনা ও পলিমুক্ত হয়। জোয়ারের পানির টানে নদী-মোহনায় সঞ্চিত পলিমাটি সমুদ্রের দিকে চলে যায় ও নদী মোহনা পলিমুক্ত হয় এবং বদ্বীপ গঠনে বাধা পড়ে। জোয়ারের পানি নদী খাতে ঢুকে এর বিস্তার ও গভীরতা বৃদ্ধি করে, ফলে বড় বড় সমুদ্রগামী জাহাজ দেশের অভ্যন্তরে নদীবন্দরে ঢুকতে পারে ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা হয়। নেতিবাচক দিকসমূহ: জোয়ারের পানি অনেক সময় নদী মোহনার পলি তুলে নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে নদীগর্ভে জমা করে নদীর গভীরতা কমিয়ে ফেলে। প্রবল জোয়ারের ফলে নদীতে বান আসলে তার ফলে নৌকাডুবি এবং জীবনহানির সম্ভাবনা থাকে। প্রবল জোয়ারের ফলে নদীতে যে জলস্ফীতি ঘটে তার ফলে অনেক সময় নদী তীরের চাষাবাদ ও বাড়িঘরের ক্ষয়-ক্ষতি হয়। সুতরাং বলা যায় যে, জোয়ারভাটার ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও উপকূলে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
HSCGeography 1st PaperChapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
জোয়ার কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে কোন ধরনের জোয়ার হয়- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' ও 'খ' চিত্রের জোয়ারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
জোয়ার কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে কোন ধরনের জোয়ার হয়- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' ও 'খ' চিত্রের জোয়ারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জোয়ার কাকে বলে?

জোয়ার কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্রোতের মিলন স্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্রোতের মিলন স্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।

বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?

শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি মহাসাগর যার পশ্চিম দিকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশটি অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?
খ
জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটির উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি মহাসাগর যার পশ্চিম দিকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশটি অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?
খ
জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটির উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?

সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।