শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত জোয়ারভাটার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত জোয়ারভাটার কারণ ব্যাখ্যা করা হলো: মহাকর্ষণ শক্তি দ্বারা জোয়ারভাটা সংঘটিত হয়। পৃথিবীর সকল পদার্থের আকর্ষণ শক্তি আছে এবং একটি অপরটিকে আকর্ষণ করছে। এ আকর্ষণ শক্তিই মহাকর্ষণ শক্তি। সেই ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর সর্বদা সূর্যের চারদিকে এবং চন্দ্র সর্বদা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। এ আকর্ষণ শক্তির ফলেই ভূপৃষ্ঠে পানিরাশি পৃথিবী হতে বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। সাধারণত চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারভাটার সৃষ্টি হয়। তবে চন্দ্রের আকর্ষণে জোয়ার বেশি হয়। কেননা সূর্যের তুলনায় চন্দ্র ছোট হলেও চন্দ্র পৃথিবীর অনেক নিকটে থাকায় এরূপ ঘটে। চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি স্থলভাগের কেন্দ্রস্থলে ও ভূপৃষ্ঠের পানিরাশির উপর অধিক কার্যকরী হয়। স্থলভাগের উপর দিকে চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি নেই বললেই চলে। এ কারণে পৃথিবীর কেন্দ্রে ও পানির উপরিভাগের উপর চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের পার্থক্যের দরুন জোয়ারভাটা সংঘটিত হয়। কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ারভাটা সংঘটিত হয়। পৃথিবী নিজ মেরুদণ্ডের উপর থেকে দ্রুত ঘুরছে বলে তার পৃষ্ঠ হতে তরল পানি রাশিও চারদিকে ছিটকে যাওয়ার প্রবণতা লাভ করছে। এটাই কেন্দ্রাতিগ শক্তি। এটাও জোয়ারের অন্যতম কারণ।' সুতরাং বলা যায় যে, উল্লিখিত কারণ দুটির কারণে পৃথিবী পৃষ্ঠের সমুদ্রের পানিতে জোয়ারভাটা পরিলক্ষিত হয়।

HSC Geography 1st Paper Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা · সৃজনশীল

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত জোয়ারভাটার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

রাজু সকালে নদীতে স্নান করতে গিয়ে দেখে নদীর পানি পূর্বের তুলনায় বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে জানার জন্য সে ভূগোলের শিক্ষককে প্রশ্ন করলে শিক্ষক বলেন, জোয়ারভাটার কারণেই এমন ঘটনা ঘটে থাকে।

উত্তর

ভারত মহাসাগরের গভীরতা ৩,৭৪১ মিটার।

উত্তর

গ্র্যান্ড ব্যাঙ্ক, আটলান্টিক মহাসাগরে উত্তর আমেরিকার মহাদেশীয় শেলফের অংশ, কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। এটি আন্তর্জাতিক মাছ ধরার মাঠ হিসেবে খ্যাত। ব্যাঙ্কগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে ৩৫০ মাইল এবং পূর্ব থেকে পশ্চিমে ৪২০ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত জোয়ারভাটার কারণ ব্যাখ্যা করা হলো: মহাকর্ষণ শক্তি দ্বারা জোয়ারভাটা সংঘটিত হয়। পৃথিবীর সকল পদার্থের আকর্ষণ শক্তি আছে এবং একটি অপরটিকে আকর্ষণ করছে। এ আকর্ষণ শক্তিই মহাকর্ষণ শক্তি। সেই ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর সর্বদা সূর্যের চারদিকে এবং চন্দ্র সর্বদা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। এ আকর্ষণ শক্তির ফলেই ভূপৃষ্ঠে পানিরাশি পৃথিবী হতে বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। সাধারণত চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারভাটার সৃষ্টি হয়। তবে চন্দ্রের আকর্ষণে জোয়ার বেশি হয়। কেননা সূর্যের তুলনায় চন্দ্র ছোট হলেও চন্দ্র পৃথিবীর অনেক নিকটে থাকায় এরূপ ঘটে। চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি স্থলভাগের কেন্দ্রস্থলে ও ভূপৃষ্ঠের পানিরাশির উপর অধিক কার্যকরী হয়। স্থলভাগের উপর দিকে চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি নেই বললেই চলে। এ কারণে পৃথিবীর কেন্দ্রে ও পানির উপরিভাগের উপর চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের পার্থক্যের দরুন জোয়ারভাটা সংঘটিত হয়। কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ারভাটা সংঘটিত হয়। পৃথিবী নিজ মেরুদণ্ডের উপর থেকে দ্রুত ঘুরছে বলে তার পৃষ্ঠ হতে তরল পানি রাশিও চারদিকে ছিটকে যাওয়ার প্রবণতা লাভ করছে। এটাই কেন্দ্রাতিগ শক্তি। এটাও জোয়ারের অন্যতম কারণ।' সুতরাং বলা যায় যে, উল্লিখিত কারণ দুটির কারণে পৃথিবী পৃষ্ঠের সমুদ্রের পানিতে জোয়ারভাটা পরিলক্ষিত হয়।

উত্তর

বিশ্বের বাণিজ্যের ওপর উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত জোয়ারভাটার প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো: জোয়ারের সময় পানি বৃদ্ধি পায় বলে সমুদ্রগামী জাহাজের পক্ষে নদীবন্দরে প্রবেশে সুবিধা হয়। আবার ভাটার স্রোতের সঙ্গে ঐ জাহাজ অনায়াসে সমুদ্রে এসে পড়ে। চট্টগ্রাম, চালনা, মংলা, কলকাতা, লন্ডন প্রভৃতি বন্দরগুলো জোয়ারের সময় জাহাজ বন্দরে প্রবেশ করে এবং ভাটার সময় সমুদ্রে বের হয়ে আসে। ফলে ব্যবসায়-বাণিজ্যে পরিবহন খরচ কম হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে জলপথে বাণিজ্য সুগম হচ্ছে। জোয়ারভাটার ফলে পলিমাটি পড়ে নদীর মুখ বন্ধ হয়ে যেতে পারে না। ফলে নৌ চলাচলের যোগ্য' হয়। যেমন- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ অনেক দেশেই প্রবাহিত নদীনালা জোয়ারভাটার কারণে উন্মুক্ত থাকে এবং অভ্যন্তরীণ, নৌজাহাজগুলো সহজে শিল্পকারখানায় চলে আসে। এতে রপ্তানি বাণিজ্য সহজতর হয়। জোয়ারভাটার কারণে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি স্থলভাগের দিকে আসা-যাওয়ার ফলে লবণ জমা হয়। যেমন- বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় জোয়ারের পানি আসার ফলে সেখানে লবণ ক্ষেত সৃষ্টি হয়েছে। এতে লবণ চাষ করা হয় এবং পরিশোধন করে দেশের আয়োডিনের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিও করা হয়। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়। জোয়ারভাটার ফলে বাংলাদেশের শিল্পকারখানা হতে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থগুলো সমুদ্রে নিক্ষিপ্ত করা যায়। এতে শিল্পকারখানাগুলো গড়ে উঠেছে যা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সহায়তা করে। জোয়ারভাটাকে ব্যবহার করে বিশ্বের অনেক দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। এতে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে। সুতরাং বলা যায়, জোয়ারভাটা একটি প্রাকৃতিক ঘটনা। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজগুলো মালামাল সহজে বহন করে দেশ-বিদেশে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। এছাড়া এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই জোয়ারভাটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।
HSCGeography 1st PaperChapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
জোয়ার কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে কোন ধরনের জোয়ার হয়- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' ও 'খ' চিত্রের জোয়ারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
জোয়ার কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে কোন ধরনের জোয়ার হয়- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' ও 'খ' চিত্রের জোয়ারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জোয়ার কাকে বলে?

জোয়ার কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্রোতের মিলন স্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্রোতের মিলন স্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।

বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?

শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি মহাসাগর যার পশ্চিম দিকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশটি অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?
খ
জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটির উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি মহাসাগর যার পশ্চিম দিকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশটি অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?
খ
জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন কর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটির উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?

সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।