শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের কারণগুলো বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের যুদ্ধটি ছিল পলাশীর যুদ্ধ। বাংলার ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হলো পলাশির যুদ্ধ। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন এ যুদ্ধ সংঘটিত হলে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ইংরেজ বাহিনীর কাছে পরাজিত হন এবং নিহত হন। যার ফলে সেই সাথে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত যায়।উক্ত যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলোঃ মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতাঃ পলাশির যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের প্রধানতম কারণ হলো মীর জাফরের বিশ্বাস ঘাতকতা। মীর জাফর ছিলেন নবাবের প্রধান সেনাপতি এবং অধিকাংশ সৈন্য তার অধীনে ছিল। তিনি ইংরেজদের সাথে চুক্তি করে যুদ্ধ ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় ছিলেন এবং বিজয় মুহূর্তে নবাবকে যুদ্ধ বন্ধের পরামর্শ দেন। সেই সুযোগে ইংরেজ বাহিনী হামলা চালালে নবাব পরাজিত হন। সিরাজের অনভিজ্ঞতা ও দৃঢ়চিত্তের অভাব : নবাব সিরাজ খুব অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন বলে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের তেমন সুযোগ পাননি। অপর দিকে তার সেনাপতিদের ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরেও মীর জাফরকে প্রধান সেনাপতির পদে বহাল রেখেছিলেন। এটি ছিল তার দৃঢ়চিত্তের অভাব। ফলে পলাশির প্রান্তরে তাকে পরাজিত হতে হয়েছিল। অর্থনৈতিক কারণ : অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে সিরাজকে প্রায়শই জগৎশেঠের মতো বিত্তবান লোকদের দারস্থ হতে হত। এ কারণে এসব ব্যক্তির ষড়যন্ত্রমূলক কার্যাবলি সম্বন্ধে অবহিত থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে অপারগ ছিলেন। নৌশক্তির অভাব : ইংরেজদের শক্তিশালী নৌবহর নবাবের বিরুদ্ধে তাদের বিশেষ সহায়ক হয়েছিল। অন্যদিকে নবাবের অনুরূপ কোনো নৌবহর ছিল না। ফলে তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হন। ক্লাইভের চাতুর্য ও কূটকৌশল : নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মূল নায়ক লর্ড ক্লাইভ ছিলেন রণনীতি ও কূটনীতিতে নবাব অপেক্ষা অনেক বেশি সিদ্ধ হস্ত। তারই চাতুর্য ও কূটকৌশল ইংরেজদের সাফল্যের পথ যেমন সুগম করে, তেমনি নবাবের পরাজয়ের দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়। পরিশেষে বলা যায় যে, দু একটি কারণে পলাশির প্রান্তরে নবাব সিরাজ পরাজিত হননি বরং এর পিছনে ছিল নানা কারণ। যার ফলে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য ডুবে যায় এবং যা প্রায় ১৯০ বছর ডুবে ছিল।

HSC Statistics 2nd Paper Chapter 9: জীব পরিসংখ্যান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Statistics 2nd Paper · Chapter 9: জীব পরিসংখ্যান · সৃজনশীল

উক্ত যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের কারণগুলো বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

বাবর ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করে ইব্রাহিম লোদীর সাথে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লিপ্ত হন। তিনি মাত্র বারো হাজার সৈন্য নিয়ে ইব্রাহিম লোদীকে মোকাবিলা করেন। ইব্রাহিম লোদীর লক্ষাধিক সৈন্যকে পরাস্ত করে তিনি মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

উত্তর

১৬০০ সালে ভারত ও পূর্ব এশিয়ায় বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডের একদল বণিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে।

উত্তর

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্তা ব্যক্তি হলওয়েল প্রচার করেছিলেন যে, কলকাতা দখল করে সিরাজ ১৪৬ জন নর-নারীকে একটি ছোট ঘরে বন্দি করে রেখেছিলেন। সারারাত প্রচণ্ড গরমে শ্বাসকষ্টের ফলে পরের দিন দেখা যায় তাদের মধ্যে ১২৩ জন মারা যায়। এই মর্মান্তিক ঘটনাটিকে অন্ধকূপ হত্যা বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের যুদ্ধের সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকের পলাশীর যুদ্ধের মিল রয়েছে।নিচে ব্যাখ্যা করা হলোঃ উদ্দীপকে বাবর ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করে ইব্রাহিম লোদীর সাথে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লিপ্ত হন। তিনি মাত্র বারো হাজার সৈন্য নিয়ে ইব্রাহিম লোদীকে মোকাবিলা করেন। ইব্রাহিম লোদীর লক্ষাধিক সৈন্যকে পরাস্ত করে তিনি মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।এখানে লক্ষ্য করা যায় যে মুঘল সম্রাটের সেনা কম থাকলেও তিনি কৌশলে নবাব ইব্রাহিম লোদীকে হারিয়ে দেন। ইংরেজ সৈন্যরা অতি সুকৌশলে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে। এবং নবাবের বিশ্বস্তদের তার বিরুদ্ধে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।যার ফলে পর্যাপ্ত সৈন্য থাকার পরেও নির্দেশনা ও ভুল যুদ্ধ কৌশলের কারণে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় নিশ্চিত হয়। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের মত পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলা বৃটিশদের কৌশলের কাছে পরাজিত হয়েছিল।

উত্তর

উদ্দীপকের যুদ্ধটি ছিল পলাশীর যুদ্ধ। বাংলার ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হলো পলাশির যুদ্ধ। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন এ যুদ্ধ সংঘটিত হলে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ইংরেজ বাহিনীর কাছে পরাজিত হন এবং নিহত হন। যার ফলে সেই সাথে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত যায়।উক্ত যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলোঃ মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতাঃ পলাশির যুদ্ধে নবাবের পরাজয়ের প্রধানতম কারণ হলো মীর জাফরের বিশ্বাস ঘাতকতা। মীর জাফর ছিলেন নবাবের প্রধান সেনাপতি এবং অধিকাংশ সৈন্য তার অধীনে ছিল। তিনি ইংরেজদের সাথে চুক্তি করে যুদ্ধ ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় ছিলেন এবং বিজয় মুহূর্তে নবাবকে যুদ্ধ বন্ধের পরামর্শ দেন। সেই সুযোগে ইংরেজ বাহিনী হামলা চালালে নবাব পরাজিত হন। সিরাজের অনভিজ্ঞতা ও দৃঢ়চিত্তের অভাব : নবাব সিরাজ খুব অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন বলে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের তেমন সুযোগ পাননি। অপর দিকে তার সেনাপতিদের ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরেও মীর জাফরকে প্রধান সেনাপতির পদে বহাল রেখেছিলেন। এটি ছিল তার দৃঢ়চিত্তের অভাব। ফলে পলাশির প্রান্তরে তাকে পরাজিত হতে হয়েছিল। অর্থনৈতিক কারণ : অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে সিরাজকে প্রায়শই জগৎশেঠের মতো বিত্তবান লোকদের দারস্থ হতে হত। এ কারণে এসব ব্যক্তির ষড়যন্ত্রমূলক কার্যাবলি সম্বন্ধে অবহিত থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে অপারগ ছিলেন। নৌশক্তির অভাব : ইংরেজদের শক্তিশালী নৌবহর নবাবের বিরুদ্ধে তাদের বিশেষ সহায়ক হয়েছিল। অন্যদিকে নবাবের অনুরূপ কোনো নৌবহর ছিল না। ফলে তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হন। ক্লাইভের চাতুর্য ও কূটকৌশল : নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মূল নায়ক লর্ড ক্লাইভ ছিলেন রণনীতি ও কূটনীতিতে নবাব অপেক্ষা অনেক বেশি সিদ্ধ হস্ত। তারই চাতুর্য ও কূটকৌশল ইংরেজদের সাফল্যের পথ যেমন সুগম করে, তেমনি নবাবের পরাজয়ের দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়। পরিশেষে বলা যায় যে, দু একটি কারণে পলাশির প্রান্তরে নবাব সিরাজ পরাজিত হননি বরং এর পিছনে ছিল নানা কারণ। যার ফলে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য ডুবে যায় এবং যা প্রায় ১৯০ বছর ডুবে ছিল।
HSCStatistics 2nd PaperChapter 9: জীব পরিসংখ্যান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি দেশের তথ্য নিচে দেওয়া হলো : question image দেশের কয়েকজন অর্থনীতিবিদ মন্তব্য করলেন যে দেশের নির্ভরশীলতার অনুপাত বর্তমানে 25% অতিক্রম করেছে।

Rajshahi · 2018

ক
জীব পরিসংখ্যান কী?
খ
একটি দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব 875 -ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে লিঙ্গ অনুপাত নির্ণয় কর।
ঘ
উদ্দীপকের তথ্য বিশ্লেষণ সাপেক্ষে সে দেশের অর্থনীতিবিদদের মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি দেশের তথ্য নিচে দেওয়া হলো : question image দেশের কয়েকজন অর্থনীতিবিদ মন্তব্য করলেন যে দেশের নির্ভরশীলতার অনুপাত বর্তমানে 25% অতিক্রম করেছে।

Rajshahi · 2018

ক
জীব পরিসংখ্যান কী?
খ
একটি দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব 875 -ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে লিঙ্গ অনুপাত নির্ণয় কর।
ঘ
উদ্দীপকের তথ্য বিশ্লেষণ সাপেক্ষে সে দেশের অর্থনীতিবিদদের মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.একটি দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব 875 -ব্যাখ্যা কর।

একটি দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব 875 -ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জীব পরিসংখ্যান কী?

জীব পরিসংখ্যান কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

147570 বর্গ কি. মি. আয়তনের ছোট কিন্তু জনবহুল একটি দেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর “আদম শুমারি ও গৃহগণনা-2011” এর তথ্য মতে মোট জনসংখ্যা 14,97,72,364 জন এবং পুরুষের সংখ্যা 7,49,80,386 জন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার 1.34%। বিশ্লেষকের ধারণা জনসংখ্যা দ্বিগুণ হতে 50 বছর সময় লাগবে।

Dhaka · 2018

ক
TFR কী?
খ
GRR > 1 দ্বারা কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।
গ
জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং লিঙ্গ অনুপাত নির্ণয় কর।
ঘ
বিশ্লেষকের ধারণার সাথে তুমি কি একমত? গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে মন্তব্য কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

147570 বর্গ কি. মি. আয়তনের ছোট কিন্তু জনবহুল একটি দেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর “আদম শুমারি ও গৃহগণনা-2011” এর তথ্য মতে মোট জনসংখ্যা 14,97,72,364 জন এবং পুরুষের সংখ্যা 7,49,80,386 জন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার 1.34%। বিশ্লেষকের ধারণা জনসংখ্যা দ্বিগুণ হতে 50 বছর সময় লাগবে।

Dhaka · 2018

ক
TFR কী?
খ
GRR > 1 দ্বারা কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।
গ
জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং লিঙ্গ অনুপাত নির্ণয় কর।
ঘ
বিশ্লেষকের ধারণার সাথে তুমি কি একমত? গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে মন্তব্য কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.GRR > 1 দ্বারা কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

GRR > 1 দ্বারা কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.TFR কী?

TFR কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিম্নে বাংলাদেশের দুটি বিভারগের জনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া হলো : question image

Jessore · 2019

ক
জীব পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।
খ
কখন GRR = NRR হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
ঢাকা বিভাগের অশোধিত জন্মহার নির্ণয় কর।
ঘ
ঢাকা ও সিলেট বিভাগের সাধারণ প্রজনন হার নির্ণয়পূর্বক তুলনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিম্নে বাংলাদেশের দুটি বিভারগের জনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া হলো : question image

Jessore · 2019

ক
জীব পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।
খ
কখন GRR = NRR হয়? ব্যাখ্যা কর।
গ
ঢাকা বিভাগের অশোধিত জন্মহার নির্ণয় কর।
ঘ
ঢাকা ও সিলেট বিভাগের সাধারণ প্রজনন হার নির্ণয়পূর্বক তুলনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কখন GRR = NRR হয়? ব্যাখ্যা কর।

কখন GRR = NRR হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.জীব পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

জীব পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।