শেয়ারFacebookWhatsApp

সরকারি পরিসংখ্যানের উৎসগুলো আলোচনা কর।

উত্তর: সরকারি পরিসংখ্যানের উৎসগুলো নিচে আলোচনা করা হলো: ১. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের আদমশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, পশুশুমারি, কৃষিশুমারি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা। প্রতিষ্ঠানটি নিজের সংগৃহীত তথ্য ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যও প্রকাশ করে থাকে। ইহা শুমারি জরিপের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে নমুনা জরিপও পরিচালনা করে থাকে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন সরকারি পরিসংখ্যানের অন্যান্য উৎসের সাথে সমন্বয় সাধন করে থাকে। ২. বাংলাদেশ ব্যাংক : বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের সরকারি পরিসংখ্যানের একটি অন্যতম উৎস। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রা সরবরাহ, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত, স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ, বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক বিনিময়, ব্যাংক ঋণ, সরকারি ঋণ, লেনদেনের ভারসাম্য ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংকলন ও প্রকাশনার জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিসংখ্যান বিভাগ ও একটি গবেষণা বিভাগ রয়েছে। এর কাজ হলো আর্থিক ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিশেষ বিশেষ অবস্থার উপর গবেষণা রিপোর্ট পেশ করা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের এ বিভাগ নিয়মিতভাবে মাসিক, ত্রৈমাসিক ও বাৎসরিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। ৩ . শিক্ষা মন্ত্রণালয়: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি এ তিনটি বিভাগ রয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে 1977 সালে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (BANBEIS) নামে একটি পূর্ণাঙ্গ শাখা গঠন করা হয়। এ সংস্থা প্রাথমিক স্তর হতে শুরু করে সকল স্তরের শিক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষা বোর্ডসমূহ প্রতিবছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ফলাফল প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা দপ্তর নিজ নিজ ক্ষেত্রের শিক্ষা পরিসংখ্যান সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। ৪. কৃষি মন্ত্রণালয়: কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কৃষি বিভাগ বিভিন্ন প্রকার কৃষি বিষয়ক যেমন- কৃষিজাত পণ্যের উৎপাদন, মূল্য ও বাজারজাতকরণ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, সংকলন ও প্রকাশ করে থাকে। এ মন্ত্রণালয় কৃষিশুমারি পরিচালনা করে এবং কৃষিজাত পণ্যের চলতি পরিসংখ্যান সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। ৫. অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় : এ মন্ত্রণালয় দেশের অর্থনীতি, রাজস্ব ও বাজেট সংক্রান্ত তথ্যের উপর নিয়মিত পরিসংখ্যান রিপোর্ট সংকলন ও' প্রকাশ করে থাকে। এ মন্ত্রণালয়রের অধীনে পরিকল্পনা কমিশন মূলত বার্ষিক, দ্বিবার্ষিক, পঞ্চবার্ষিক ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহ প্রণয়ন করে থাকে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এ, দপ্তর প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ বিভিন্ন সরকারি বা আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান হতে সংগ্রহ করে সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে। ৬. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় : এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য বিভাগ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ এবং নার্সিং কাউন্সিল স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক কার্যক্রমের উপর তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। স্বাস্থ্যদপ্তর জন্ম, মৃত্যু, রোগ, চিকিৎসা, ডাক্তার ও রোগীর সংখ্যার অনুপাত, রোগীর অর্থ প্রদান ক্ষমতা বিষয়ক যাবতীয় তথ্য রিপোর্ট আকারে প্রকাশ করে থাকে। পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় পরিবারের সন্তান সংখ্যা, জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গ্রহণকারী দম্পতির সংখ্যা সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রয়োগ এবং পরিবার পরিকল্পনার সাফল্য সম্পর্কিত তথ্য-জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট থেকে প্রকাশিত হয়ে থাকে।

HSC Statistics 1st Paper Chapter 8: বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Statistics 1st Paper · Chapter 8: বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান · সৃজনশীল

সরকারি পরিসংখ্যানের উৎসগুলো আলোচনা কর।

উদ্দীপক

বাংলাদেশ একটি অতিরিক্ত জনসংখ্যার দেশ এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারী, বেসরকারী এবং আধা-সরকারী সংস্থাগুলি কাজ করছে এবং তথ্য বিশ্লেষণ করছে। কখন কখনও অদক্ষ জনবল, আর্থিক সীমাবদ্ধতা, অসততা ইত্যাদি কারণে তথ্য সংগ্রহে অনেক ভুল হয় যা প্রকাশিত পরিসংখ্যানকে প্রভাবিত করে।

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।

উত্তর

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ভূমিকা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের আদমশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, পশু শুমারি, কৃষিশুমারি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা। প্রতিষ্ঠানটি নিজের সংগৃহীত তথ্য ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যও প্রকাশ করে থাকে। এটি শুমারি জরিপের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে নমুনা জরিপও পরিচালনা করে থাকে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন সরকারি পরিসংখ্যানের অন্যান্য উৎসের সাথে সমন্বয় সাধন করে থাকে।

উত্তর

সরকারি পরিসংখ্যানের উৎসগুলো নিচে আলোচনা করা হলো: ১. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের আদমশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, পশুশুমারি, কৃষিশুমারি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা। প্রতিষ্ঠানটি নিজের সংগৃহীত তথ্য ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যও প্রকাশ করে থাকে। ইহা শুমারি জরিপের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে নমুনা জরিপও পরিচালনা করে থাকে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন সরকারি পরিসংখ্যানের অন্যান্য উৎসের সাথে সমন্বয় সাধন করে থাকে। ২. বাংলাদেশ ব্যাংক : বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের সরকারি পরিসংখ্যানের একটি অন্যতম উৎস। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রা সরবরাহ, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত, স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ, বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক বিনিময়, ব্যাংক ঋণ, সরকারি ঋণ, লেনদেনের ভারসাম্য ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংকলন ও প্রকাশনার জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিসংখ্যান বিভাগ ও একটি গবেষণা বিভাগ রয়েছে। এর কাজ হলো আর্থিক ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিশেষ বিশেষ অবস্থার উপর গবেষণা রিপোর্ট পেশ করা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের এ বিভাগ নিয়মিতভাবে মাসিক, ত্রৈমাসিক ও বাৎসরিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে। ৩ . শিক্ষা মন্ত্রণালয়: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি এ তিনটি বিভাগ রয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে 1977 সালে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (BANBEIS) নামে একটি পূর্ণাঙ্গ শাখা গঠন করা হয়। এ সংস্থা প্রাথমিক স্তর হতে শুরু করে সকল স্তরের শিক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষা বোর্ডসমূহ প্রতিবছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ফলাফল প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা দপ্তর নিজ নিজ ক্ষেত্রের শিক্ষা পরিসংখ্যান সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। ৪. কৃষি মন্ত্রণালয়: কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কৃষি বিভাগ বিভিন্ন প্রকার কৃষি বিষয়ক যেমন- কৃষিজাত পণ্যের উৎপাদন, মূল্য ও বাজারজাতকরণ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, সংকলন ও প্রকাশ করে থাকে। এ মন্ত্রণালয় কৃষিশুমারি পরিচালনা করে এবং কৃষিজাত পণ্যের চলতি পরিসংখ্যান সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। ৫. অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় : এ মন্ত্রণালয় দেশের অর্থনীতি, রাজস্ব ও বাজেট সংক্রান্ত তথ্যের উপর নিয়মিত পরিসংখ্যান রিপোর্ট সংকলন ও' প্রকাশ করে থাকে। এ মন্ত্রণালয়রের অধীনে পরিকল্পনা কমিশন মূলত বার্ষিক, দ্বিবার্ষিক, পঞ্চবার্ষিক ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহ প্রণয়ন করে থাকে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এ, দপ্তর প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ বিভিন্ন সরকারি বা আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান হতে সংগ্রহ করে সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে। ৬. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় : এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য বিভাগ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ এবং নার্সিং কাউন্সিল স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক কার্যক্রমের উপর তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। স্বাস্থ্যদপ্তর জন্ম, মৃত্যু, রোগ, চিকিৎসা, ডাক্তার ও রোগীর সংখ্যার অনুপাত, রোগীর অর্থ প্রদান ক্ষমতা বিষয়ক যাবতীয় তথ্য রিপোর্ট আকারে প্রকাশ করে থাকে। পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় পরিবারের সন্তান সংখ্যা, জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গ্রহণকারী দম্পতির সংখ্যা সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রয়োগ এবং পরিবার পরিকল্পনার সাফল্য সম্পর্কিত তথ্য-জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট থেকে প্রকাশিত হয়ে থাকে।

উত্তর

নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করলে সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব বলে আমি মনে করি। ১. দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদদের দ্বারা অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করতে হবে। ২. তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং বর্তমান নমুনা কাঠামো ব্যবহার করতে হবে। ৩. দক্ষ পরিসংখ্যানবিদদের সাহায্যে সঠিক নমুনায়ন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ, উপস্থাপন ও বিশ্লেষণ করতে হবে। ৪. তথ্য সংগ্রহের পূর্বে তথ্য সংগ্রহকারীদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণ দান করতে হবে। ৫. প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানিক গবেষণা এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৬. তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করতে হবে। ৭. দক্ষ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি করে তথ্য উপস্থাপনার মান উন্নত করতে হবে। ৮. তথ্য সংগ্রহ, সংগৃহীত তথ্যের উপস্থাপনা, বিশ্লেষণ ও মুদ্রণে যে অযথা বিলম্ব হয় তা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও কার্যকর করতে হবে। ৯. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে অধিক দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল এবং অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অধিক শক্তিশালী করতে হবে। ১০. তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশনার দায়িত্ব মূলত সরকারের হলেও পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে সরকারের প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
HSCStatistics 1st PaperChapter 8: বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খাদ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

Rajshahi · 2019

ক
সরকারি পরিসংখ্যান কী?
খ
খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে প্রাপ্ত তথ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো লিখ।
ঘ
মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাঁড়াতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খাদ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

Rajshahi · 2019

ক
সরকারি পরিসংখ্যান কী?
খ
খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে প্রাপ্ত তথ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো লিখ।
ঘ
মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাঁড়াতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সরকারি পরিসংখ্যান কী?

সরকারি পরিসংখ্যান কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বায়ু দূষণে বিশ্বের এক নম্বরে ঢাকা শহর। দূষণ রোধে সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণার কাজ করছে।

Dhaka · 2022

ক
প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?
খ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো লিখ।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বায়ু দূষণে বিশ্বের এক নম্বরে ঢাকা শহর। দূষণ রোধে সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণার কাজ করছে।

Dhaka · 2022

ক
প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?
খ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো লিখ।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?

প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আমরা এই দুটি উৎস থেকে বেশিরভাগ তথ্য পেয়ে থাকি। কিন্তু এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি লক্ষ করা যায়। যেমন- তথ্য সংগ্রহের ত্রুটি, তথ্যের অপর্যাপ্ততা, অদক্ষ তথ্য সংগ্রহকারী, রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব ইত্যাদি।

Rajshahi · 2022

ক
বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।
খ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুটির মধ্যে তুলনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা সাধনে তোমার সুপারিশ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আমরা এই দুটি উৎস থেকে বেশিরভাগ তথ্য পেয়ে থাকি। কিন্তু এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি লক্ষ করা যায়। যেমন- তথ্য সংগ্রহের ত্রুটি, তথ্যের অপর্যাপ্ততা, অদক্ষ তথ্য সংগ্রহকারী, রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব ইত্যাদি।

Rajshahi · 2022

ক
বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।
খ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুটির মধ্যে তুলনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা সাধনে তোমার সুপারিশ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাঁড়াতে কী কী পদক্ষেপ গ্উদ্দীপকের আলোকে প্রাপ্ত তথ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো লিখ।খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যাসরকারি পরিসংখ্যান কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম তুলনামূলক আলোচনা কর।উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো লিখ।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা সাধনে তোমার সুপারিশ করউদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুটির মধ্যে তুলনা কর।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।