শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে বিভিন্ন সেক্টরে পরিসংখ্যানিক উপাত্তকে গুরুত্ব না দেয়ার পেছনে কী কী কারণ থাকতে পারে বলে তুমি মনে করো-তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের আলোকে বিভিন্ন সেক্টরে পরিসংখ্যানিক উপাত্তকে গুরুত্ব না দেওয়ায় পেছনে যে সকল কারণ রয়েছে নিচে তা তুলে ধরা হলো- ১. ত্রুটিপূর্ণ সংগ্রহ পদ্ধতি : অনেক সময় অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিসংখ্যানিক জ্ঞানহীন অদক্ষ লোক দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্য সংগ্রাহক নমুনাজ ও অনমুনাজ বিচ্যুতির কারণ এবং পরিমাণ সম্পর্কে উদাসীন থাকেন বিধায় ভুল পদ্ধতি ও পুরাতন নমুনা কাঠামো ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন। ফলে সংগৃহীত তথ্য ত্রুটিপূর্ণ হয়ে থাকে। ২. তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার অভাব : বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান নিত্যদিনের কাজের মাধ্যমে যেসব পরিসংখ্যান সংগ্রহ করে থাকে, তা অনেকটা কম নির্ভরযোগ্য। যেমন— কৃষি, স্বাস্থ্য, শুল্ক ও আবগারি বিভাগের প্রকাশিত তথ্য কম নির্ভরযোগ্য। তথ্য সংগ্রহকারীর প্রশিক্ষণের অভাব, বিচক্ষণতার অভাব, অলসতা ও অসততার কারণে সংগৃহীত তথ্য অশুদ্ধ ও অনির্ভরযোগ্য হয়। ৩. তথ্যের ত্রুটিপূর্ণ উপস্থাপন : বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রকাশিত পরিসংখ্যান পরিপূর্ণ নয়। অনেক প্রকাশনায় তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য, পরিধি, পদ্ধতি, সম্পাদনা ও সংশয়মাত্রা সম্পর্কে ফলে এসব কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। পরিসংখ্যানের গুণগত মান ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা 'খুব কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। ৪. তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনায় সমন্বয়ের অভাব : তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে অনেক সময় একই তথ্য সংগৃহীত ও প্রকাশিত হয়। এর ফলে শ্রম, সময় ও সম্পদের অপচয় হয়ে থাকে। আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত একই তথ্যের মধ্যে যথেষ্ট গরমিল পরিলক্ষিত হয়, যাতে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়। ৫. রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব : নীতি নির্ধারণে ও সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য পরিসংখ্যান তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করা হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময় সংগৃহীত তথ্যের সংকলনে, বিশ্লেষণে ও সর্বোপরি বিলম্বের কারণে তথ্যের প্রকাশনা বিলম্বিত হয়। ফলে অনেক মুদ্রণে ক্ষেত্রেই এ প্রকাশনার উপযোগিতা ও কার্যকারিতা হারিয়ে যায়। ফলে রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব হয় এবং উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় । ৬. আধুনিক পরিসংখ্যানিক যন্ত্রপাতির অভাব : আধুনিক যুগে এসব কাজ কম্পিউটারসহ নানাবিধ যন্ত্রপাতির সাহায্যে নির্ণয় করা হয়। বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই এসব যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। ফলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তথ্য বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয় না । অর্থাৎ গৃহীত সিদ্ধান্ত অনির্ভরযোগ্য হয়ে পড়ে। ৭. উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাব : অধিকাংশ সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে স্বল্প সময়ের জন্য অদক্ষ ও অপ্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকদের নিয়োগ করা হয়। কোনো প্রকার প্রশিক্ষণ না নিয়েই এরা তথ্য সংগ্রহ করেন। পরিসংখ্যানিক যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার ও প্রয়োগবিধি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ না থাকায় তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। ৮. তথ্যের অপর্যাপ্ততা : অধিকাংশ সরকারি পরিসংখ্যান গবেষণার প্রয়োজনে নয়, বরং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনে দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমে সংগৃহীত হয়। ফলে এ তথ্যের পরিধি ও প্রয়েণ সীমিত। এতে তথ্য পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে না। পরিশেষে বলা যায়, উপরোক্ত কারণগুলোর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সেক্টরে পরিসংখ্যানিক উপাত্তকে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে।

HSC Statistics 1st Paper Chapter 8: বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Statistics 1st Paper · Chapter 8: বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে বিভিন্ন সেক্টরে পরিসংখ্যানিক উপাত্তকে গুরুত্ব না দে…

উদ্দীপক

সঠিক পরিসংখ্যান উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম প্রধান শর্ত। অর্থনীতিসহ সমাজের অন্যান্য সকল কর্মকাণ্ডের গতি-প্রকৃতি নির্ণয় ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অপরিসীম। সে জন্য পরিসংখ্যানের গুরুত্ব বিবেচনায় ৪ জুন 2020 তারিখে মন্ত্রীপরিষদ সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক 27 ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস ঘোষণা করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় “স্মার্ট পরিসংখ্যান, উন্নয়নের সোপান” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে ৪র্থ বারের মতো গত 27 ফেব্রুয়ারি জাতীয় পরিসংখ্যানিক দিবস পালিত হলো। আশা করা যায় এর মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক-বীমা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানিক তথ্য-উপাত্তের গুরুত্ব বাড়বে।

উত্তর

বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, কৃষি, মৎস্য, পশু, জনসংখ্যা, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পৰ্কীয় পরিসাংখিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে, তাদেরকে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।

উত্তর

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পরিসংখ্যানিক প্রতিষ্ঠান, যা সরকারি পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মূল সংস্থা। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের আদমশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, পশু শুমারি, কৃষিশুমারি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করা । প্রতিষ্ঠানটি নিজের সংগৃহীত তথ্য ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যও প্রকাশ করে থাকে। ইহা শুমারি জরিপের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে নমুনা জরিপও পরিচালনা করে থাকে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন সরকারি পরিসংখ্যানের অন্যান্য উৎসের সাথে সমন্বয় সাধন করে থাকে।

উত্তর

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বর্ণনা নিয়ে উল্লেখ করা হলো- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি এ তিনটি বিভাগ রয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (BANBEIS) নামে একটি পূর্ণাঙ্গ শাখা গঠন করা হয়। এ সংস্থা প্রাথমিক স্তর হতে শুরু করে সকল স্তরের শিক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে । এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষা বোর্ডসমূহ প্রতিবছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ফলাফল প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা দপ্তর নিজ নিজ ক্ষেত্রের শিক্ষা পরিসংখ্যান সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে।

উত্তর

উদ্দীপকের আলোকে বিভিন্ন সেক্টরে পরিসংখ্যানিক উপাত্তকে গুরুত্ব না দেওয়ায় পেছনে যে সকল কারণ রয়েছে নিচে তা তুলে ধরা হলো- ১. ত্রুটিপূর্ণ সংগ্রহ পদ্ধতি : অনেক সময় অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিসংখ্যানিক জ্ঞানহীন অদক্ষ লোক দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্য সংগ্রাহক নমুনাজ ও অনমুনাজ বিচ্যুতির কারণ এবং পরিমাণ সম্পর্কে উদাসীন থাকেন বিধায় ভুল পদ্ধতি ও পুরাতন নমুনা কাঠামো ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন। ফলে সংগৃহীত তথ্য ত্রুটিপূর্ণ হয়ে থাকে। ২. তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার অভাব : বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান নিত্যদিনের কাজের মাধ্যমে যেসব পরিসংখ্যান সংগ্রহ করে থাকে, তা অনেকটা কম নির্ভরযোগ্য। যেমন— কৃষি, স্বাস্থ্য, শুল্ক ও আবগারি বিভাগের প্রকাশিত তথ্য কম নির্ভরযোগ্য। তথ্য সংগ্রহকারীর প্রশিক্ষণের অভাব, বিচক্ষণতার অভাব, অলসতা ও অসততার কারণে সংগৃহীত তথ্য অশুদ্ধ ও অনির্ভরযোগ্য হয়। ৩. তথ্যের ত্রুটিপূর্ণ উপস্থাপন : বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রকাশিত পরিসংখ্যান পরিপূর্ণ নয়। অনেক প্রকাশনায় তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য, পরিধি, পদ্ধতি, সম্পাদনা ও সংশয়মাত্রা সম্পর্কে ফলে এসব কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। পরিসংখ্যানের গুণগত মান ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা 'খুব কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। ৪. তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনায় সমন্বয়ের অভাব : তথ্য সংগ্রহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে অনেক সময় একই তথ্য সংগৃহীত ও প্রকাশিত হয়। এর ফলে শ্রম, সময় ও সম্পদের অপচয় হয়ে থাকে। আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত একই তথ্যের মধ্যে যথেষ্ট গরমিল পরিলক্ষিত হয়, যাতে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়। ৫. রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব : নীতি নির্ধারণে ও সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য পরিসংখ্যান তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করা হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময় সংগৃহীত তথ্যের সংকলনে, বিশ্লেষণে ও সর্বোপরি বিলম্বের কারণে তথ্যের প্রকাশনা বিলম্বিত হয়। ফলে অনেক মুদ্রণে ক্ষেত্রেই এ প্রকাশনার উপযোগিতা ও কার্যকারিতা হারিয়ে যায়। ফলে রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব হয় এবং উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় । ৬. আধুনিক পরিসংখ্যানিক যন্ত্রপাতির অভাব : আধুনিক যুগে এসব কাজ কম্পিউটারসহ নানাবিধ যন্ত্রপাতির সাহায্যে নির্ণয় করা হয়। বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই এসব যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। ফলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তথ্য বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয় না । অর্থাৎ গৃহীত সিদ্ধান্ত অনির্ভরযোগ্য হয়ে পড়ে। ৭. উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাব : অধিকাংশ সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে স্বল্প সময়ের জন্য অদক্ষ ও অপ্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকদের নিয়োগ করা হয়। কোনো প্রকার প্রশিক্ষণ না নিয়েই এরা তথ্য সংগ্রহ করেন। পরিসংখ্যানিক যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার ও প্রয়োগবিধি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ না থাকায় তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। ৮. তথ্যের অপর্যাপ্ততা : অধিকাংশ সরকারি পরিসংখ্যান গবেষণার প্রয়োজনে নয়, বরং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনে দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমে সংগৃহীত হয়। ফলে এ তথ্যের পরিধি ও প্রয়েণ সীমিত। এতে তথ্য পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে না। পরিশেষে বলা যায়, উপরোক্ত কারণগুলোর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সেক্টরে পরিসংখ্যানিক উপাত্তকে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে।
HSCStatistics 1st PaperChapter 8: বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খাদ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

Rajshahi · 2019

ক
সরকারি পরিসংখ্যান কী?
খ
খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে প্রাপ্ত তথ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো লিখ।
ঘ
মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাঁড়াতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খাদ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

Rajshahi · 2019

ক
সরকারি পরিসংখ্যান কী?
খ
খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের আলোকে প্রাপ্ত তথ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো লিখ।
ঘ
মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাঁড়াতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সরকারি পরিসংখ্যান কী?

সরকারি পরিসংখ্যান কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বায়ু দূষণে বিশ্বের এক নম্বরে ঢাকা শহর। দূষণ রোধে সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণার কাজ করছে।

Dhaka · 2022

ক
প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?
খ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো লিখ।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বায়ু দূষণে বিশ্বের এক নম্বরে ঢাকা শহর। দূষণ রোধে সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণার কাজ করছে।

Dhaka · 2022

ক
প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?
খ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো লিখ।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?

প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আমরা এই দুটি উৎস থেকে বেশিরভাগ তথ্য পেয়ে থাকি। কিন্তু এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি লক্ষ করা যায়। যেমন- তথ্য সংগ্রহের ত্রুটি, তথ্যের অপর্যাপ্ততা, অদক্ষ তথ্য সংগ্রহকারী, রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব ইত্যাদি।

Rajshahi · 2022

ক
বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।
খ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুটির মধ্যে তুলনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা সাধনে তোমার সুপারিশ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আমরা এই দুটি উৎস থেকে বেশিরভাগ তথ্য পেয়ে থাকি। কিন্তু এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি লক্ষ করা যায়। যেমন- তথ্য সংগ্রহের ত্রুটি, তথ্যের অপর্যাপ্ততা, অদক্ষ তথ্য সংগ্রহকারী, রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব ইত্যাদি।

Rajshahi · 2022

ক
বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।
খ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুটির মধ্যে তুলনা কর।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা সাধনে তোমার সুপারিশ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাঁড়াতে কী কী পদক্ষেপ গ্উদ্দীপকের আলোকে প্রাপ্ত তথ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো লিখ।খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যাসরকারি পরিসংখ্যান কী?উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম তুলনামূলক আলোচনা কর।উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো লিখ।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা সাধনে তোমার সুপারিশ করউদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎস দুটির মধ্যে তুলনা কর।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর কার্যক্রম বর্ণনা কর।বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সংজ্ঞা দাও।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।