শেয়ারFacebookWhatsApp

রক্তের অসমোরেগুলেশনে 'X [গণিত] এর ভূমিকা বর্ণনা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে X দ্বারা মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসকে নির্দেশ করা হয়েছে। রক্তের অসমোরেগুলেশন বা পানিসাম্য রক্ষায় হাইপোথ্যালামাসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে তা বর্ণনা করা হলো- রক্তের আয়তন কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ কমে যায়। মহাশিরা, ফুসফুসীয় বাহিকা এবং হৃৎপিন্ডের ডান অলিন্দ ও নিলয়ের প্রাচীরে অবস্থিত নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টর বা আয়তন রিসেপ্টর এই রক্তচাপের পরিবর্তন অনুধাবন করে। যখন রক্তের আয়তন হ্রাস পায়, তখন এই রিসেপ্টরগুলো মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে একটি বার্তা প্রেরণ করে। এই বার্তার প্রেক্ষিতে হাইপোথ্যালামাস পিটুইটারি গ্রন্থির নিউরোহাইপোফাইসিস অংশকে উদ্দীপ্ত করে। এর ফলে সেখান থেকে অ্যান্টিডাইউরেটিক হরমোন (ADH) বা ভ্যাসোপ্রেসিন ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই হরমোনটি সরাসরি বৃক্ক বা কিডনির নালিকাগুলোর ওপর কাজ করে এবং পানি পুনঃশোষণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে পানি বের হওয়া কমে যায় এবং রক্তে পানির পরিমাণ বা আয়তন বৃদ্ধি পায়। এভাবেই হাইপোথ্যালামাস রক্তের অসমোরেগুলেশনে সরাসরি অংশ নেয়। পাশাপাশি, ভ্যাসোপ্রেসিন হরমোন রক্তনালিকার সংকোচন ঘটিয়েও রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া হাইপোথ্যালামাসের নির্দেশে সিমপ্যাথেটিক স্নায়ু উদ্দীপ্ত হলে বৃক্ক থেকে রেনিন এনজাইম ক্ষরণ হয়, যা জটিল বিক্রিয়ার মাধ্যমে রক্তের আয়তন বাড়িয়ে রক্তচাপ স্বাভাবিক করে। মূলত সংবহন ও রেচন- এই উভয় তন্ত্রের সমন্বয়ে হাইপোথ্যালামাস রক্তের এই ভারসাম্য বজায় রাখে।

HSC Biology 2nd Paper Chapter 6: বর্জ্য ও নিষ্কাশন ℹ️ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 2nd Paper · Chapter 6: বর্জ্য ও নিষ্কাশন ℹ️ · সৃজনশীল

রক্তের অসমোরেগুলেশনে 'X এর ভূমিকা বর্ণনা করো।

উদ্দীপক

question image

উত্তর

ফাইব্রিনোজেন হলো এক ধরনের প্লাজমা-প্রোটিন।

উত্তর

রক্ততঞ্চন বা রক্তের জমাট বাঁধা হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্ষতস্থান থেকে নির্গত হওয়া রক্তের প্লাজমা থেকে ফাইব্রিনোজেন, আলাদা হয়ে ক্ষতস্থানে ফাইব্রিন জালক নির্মাণের মাধ্যমে রক্তপাত বন্ধ হয়। ফলে রক্তের অবশিষ্টাংশ থকথকে পিণ্ডে পরিণত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে X দ্বারা মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসকে নির্দেশ করা হয়েছে। রক্তের অসমোরেগুলেশন বা পানিসাম্য রক্ষায় হাইপোথ্যালামাসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে তা বর্ণনা করা হলো- রক্তের আয়তন কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ কমে যায়। মহাশিরা, ফুসফুসীয় বাহিকা এবং হৃৎপিন্ডের ডান অলিন্দ ও নিলয়ের প্রাচীরে অবস্থিত নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টর বা আয়তন রিসেপ্টর এই রক্তচাপের পরিবর্তন অনুধাবন করে। যখন রক্তের আয়তন হ্রাস পায়, তখন এই রিসেপ্টরগুলো মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে একটি বার্তা প্রেরণ করে। এই বার্তার প্রেক্ষিতে হাইপোথ্যালামাস পিটুইটারি গ্রন্থির নিউরোহাইপোফাইসিস অংশকে উদ্দীপ্ত করে। এর ফলে সেখান থেকে অ্যান্টিডাইউরেটিক হরমোন (ADH) বা ভ্যাসোপ্রেসিন ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই হরমোনটি সরাসরি বৃক্ক বা কিডনির নালিকাগুলোর ওপর কাজ করে এবং পানি পুনঃশোষণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে পানি বের হওয়া কমে যায় এবং রক্তে পানির পরিমাণ বা আয়তন বৃদ্ধি পায়। এভাবেই হাইপোথ্যালামাস রক্তের অসমোরেগুলেশনে সরাসরি অংশ নেয়। পাশাপাশি, ভ্যাসোপ্রেসিন হরমোন রক্তনালিকার সংকোচন ঘটিয়েও রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া হাইপোথ্যালামাসের নির্দেশে সিমপ্যাথেটিক স্নায়ু উদ্দীপ্ত হলে বৃক্ক থেকে রেনিন এনজাইম ক্ষরণ হয়, যা জটিল বিক্রিয়ার মাধ্যমে রক্তের আয়তন বাড়িয়ে রক্তচাপ স্বাভাবিক করে। মূলত সংবহন ও রেচন- এই উভয় তন্ত্রের সমন্বয়ে হাইপোথ্যালামাস রক্তের এই ভারসাম্য বজায় রাখে।

উত্তর

উদ্দীপকে 'Z′Z^{\prime} ও (z) হলো যথাক্রমে পন্স ও মেডুলা অবলঙ্গাটা। মানুষের প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস প্রক্রিয়া মস্তিষ্কের পশ্চাৎ অংশের পন্স ও মেডুলা অবলঙ্গাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- মস্তিষ্কের শ্বাসকেন্দ্র নামক এক গুচ্ছ স্নায়ু শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে। মস্তিষ্কের পন্সের পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র এবং মেডুলার পার্শ্বদেশে অবস্থিত দুজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এদেরকে শ্বাসকেন্দ্র বলে। পন্সের দুইজোড়া স্নায়ু যথাক্রমে নিউমোট্যাক্সিক ও অ্যাপনিউস্টিক স্নায়ুকেন্দ্র নামে পরিচিত। অন্যদিকে মেডুলায় দুইজোড়া স্নায়ুকেন্দ্র যথাক্রমে প্রশ্বাস কেন্দ্র ও নিঃশ্বাস কেন্দ্র নামে পরিচিত। উপরিউক্ত স্নায়কেন্দ্রসমূহ শ্বসন সংশ্লিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে স্নায়ুজালক দ্বারা যুক্ত থাকে। প্রথমে নিউমোট্যাক্সিক কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে যায় এবং সেখান থেকে নিঃশ্বাস কেন্দ্রে যায়। নিঃশ্বাস কেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা প্রশ্বাস কেন্দ্রে গমন করে এবং সেখান থেকে ডায়াফ্রামে যায়। ফলে ডায়াফ্রাম কার্যক্রম শুরু করে। অপরদিকে প্রশ্বাসকেন্দ্র থেকে উদ্দীপনা ইন্টারকোস্টাল পেশিকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে ইন্টারকোস্টাল পেশি কার্যক্রম শুরু করে। অন্যদিকে ফুসফুস থেকে উদ্দীপনা অ্যাপনিউস্টিক কেন্দ্রে গমন করে। এভাবে মস্তিষ্কের মেডুলা অবলঙ্গাটায় অবস্থিত পন্স ও মেডুলা প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
HSCBiology 2nd PaperChapter 6: বর্জ্য ও নিষ্কাশন ℹ️
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রহিমের প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়ায় ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার তাকে প্রচুর পানি খাওয়ার পরামর্শ দিলেন।
ক
pH কাকে বলে?
খ
হিমোডায়ালাইসিস বলতে কী বোঝায়?
গ
রহিমের সমস্যার সাথে সম্পৃক্ত অঙ্গের কার্যিক এককের চিহ্নিত চিত্রসহ বিভিন্ন অংশের কাজ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ডাক্তারের পরামর্শেই রহিমের সমস্যাটির সমাধান হবে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রহিমের প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়ায় ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার তাকে প্রচুর পানি খাওয়ার পরামর্শ দিলেন।
ক
pH কাকে বলে?
খ
হিমোডায়ালাইসিস বলতে কী বোঝায়?
গ
রহিমের সমস্যার সাথে সম্পৃক্ত অঙ্গের কার্যিক এককের চিহ্নিত চিত্রসহ বিভিন্ন অংশের কাজ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ডাক্তারের পরামর্শেই রহিমের সমস্যাটির সমাধান হবে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হিমোডায়ালাইসিস বলতে কী বোঝায়?

হিমোডায়ালাইসিস বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.pH কাকে বলে?

pH কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক বললেন আমাদের দেহের বিপাকীয় বর্জ্য হিসেবে উৎপন্ন CO₂ এবং N₂ আলাদা আলাদা অঙ্গের মাধ্যমে পরিত্যক্ত হয়। ফলে আমরা সুস্থ থাকি।
ক
নেফ্রন কী?
খ
ধূমপানের ফলে ফুসফুসের কী পরিণতি হয়?
গ
উদ্দীপকের প্রথম বিপাকীয় বর্জ্য যৌগ আকারে পরিবাহিত হয়- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দ্বিতীয় প্রকার বর্জ্য নিষ্কাশনে নিয়োজিত অঙ্গের বিকলতা মানবজীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিক্ষক বললেন আমাদের দেহের বিপাকীয় বর্জ্য হিসেবে উৎপন্ন CO₂ এবং N₂ আলাদা আলাদা অঙ্গের মাধ্যমে পরিত্যক্ত হয়। ফলে আমরা সুস্থ থাকি।
ক
নেফ্রন কী?
খ
ধূমপানের ফলে ফুসফুসের কী পরিণতি হয়?
গ
উদ্দীপকের প্রথম বিপাকীয় বর্জ্য যৌগ আকারে পরিবাহিত হয়- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দ্বিতীয় প্রকার বর্জ্য নিষ্কাশনে নিয়োজিত অঙ্গের বিকলতা মানবজীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ধূমপানের ফলে ফুসফুসের কী পরিণতি হয়?

ধূমপানের ফলে ফুসফুসের কী পরিণতি হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নেফ্রন কী?

নেফ্রন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আমাদের দেহ যখন লবণ ও পানি ধরে রাখে তখন শরীরে বিশেষ বিশেষ অংশ ফুলে যায়। রক্তের ঘনত্বের অস্বাভাবিকতায় শরীরে বিশেষ একটি অঙ্গে হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়।
ক
শিখা কোষ কী?
খ
লিম্ফোসাইটকে স্মৃতি কোষ বলা হয় কেন?
গ
অঙ্গটির গাঠনিক এককের বর্ণনা দাও।
ঘ
অঙ্গটিতে উল্লিখিত জৈব রাসায়নিক পদার্থসমূহের বহুমুখী আচরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আমাদের দেহ যখন লবণ ও পানি ধরে রাখে তখন শরীরে বিশেষ বিশেষ অংশ ফুলে যায়। রক্তের ঘনত্বের অস্বাভাবিকতায় শরীরে বিশেষ একটি অঙ্গে হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়।
ক
শিখা কোষ কী?
খ
লিম্ফোসাইটকে স্মৃতি কোষ বলা হয় কেন?
গ
অঙ্গটির গাঠনিক এককের বর্ণনা দাও।
ঘ
অঙ্গটিতে উল্লিখিত জৈব রাসায়নিক পদার্থসমূহের বহুমুখী আচরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.লিম্ফোসাইটকে স্মৃতি কোষ বলা হয় কেন?

লিম্ফোসাইটকে স্মৃতি কোষ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.শিখা কোষ কী?

শিখা কোষ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।