Chapter 6: বর্জ্য ও নিষ্কাশন ℹ️ Biology 2nd Paper

HSC Biology 2nd Paper এর Chapter 6: বর্জ্য ও নিষ্কাশন ℹ️ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩০৪

প্রশ্ন

Biology 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রহিমের প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়ায় ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার তাকে প্রচুর পানি খাওয়ার পরামর্শ দিলেন।
ক
pH কাকে বলে?

উত্তর

কহাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের একটি পরিমাপকে pH বলে।
খ
হিমোডায়ালাইসিস বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বৃক্ক তাৎক্ষণিক বিকল হলে যেসব চিকিৎসা গ্রহণ করা হয় তার মধ্যে একটি হলো হিমোডায়ালাইসিস। যে প্রক্রিয়ায় রক্তকে পাম্প দিয়ে শরীর থেকে বের করে বর্জ্য পদার্থ অপসারণের উদ্দেশ্যে পরিষুত করে যেভাবে আবার দেহে ফেরত পাঠানো হয় সেই প্রক্রিয়াই হলো হিমোডায়ালাইসিস।
গ
রহিমের সমস্যার সাথে সম্পৃক্ত অঙ্গের কার্যিক এককের চিহ্নিত চিত্রসহ বিভিন্ন অংশের কাজ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রহিমের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত অঙ্গটি হলো মানব বৃক্ক। বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যিক একক হলো নেফ্রন। নিচে নেফ্রনের চিত্রসহ বিভিন্ন অংশের কাজ ব্যাখ্যা করা হলো- question image ম্যালপিজিয়ান বডি গঠনগত বৈশিষ্ট্যের জন্য ম্যালপিজিয়ান বডি একটি পরিস্রাবক যন্ত্র যা ছাঁকনির মতো কাজ করে। বৃক্কীয় নালিকা: নিম্নলিখিত কয়েকটি অংশে বৃক্কীয় নালিকার কাজ ১. নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা: এতে প্রায় সকল পদার্থের বেশিরভাগ সম্পন্ন হয়ে থাকে। যেমন- অংশ থেকে ব্যাপন, অভিস্রবণ, সক্রিয়, নিষ্ক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে পুনঃশোষিত হয়। এতে ১০০% গ্লুকোজ, ৮০% পানি, ৫০% এর অধিক সোডিয়াম ক্লোরাইড ও সোডিয়াম বাই কার্বনেট এবং তুলনামূলকভাবে কম হারে পটাসিয়াম পুনঃশোষিত হতে দেখা যায়। এর ফলে তরলের ঘনত্ব প্লাজমার ঘনত্বের সমান থাকে। ২. হেনলির লুপ: হেনলির লুপের প্রধান কাজ পানি সংরক্ষণ করা। এর নিম্নগামী বাহু পানি এবং অনেক দ্রাবের সাপেক্ষে ভেদ্য। ঊর্ধ্বগামী বাহু পানি অভেদ্য কিছু সোডিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম ক্লোরাইড আয়ন পুনঃশোষণ করে। ৩. দূরবর্তী প্যাঁচানো নালিকা পানি ও লবণ পুনঃশোষণের মাধ্যমে দেহের অভিস্রবণ নিয়ন্ত্রণ এবং রক্তের pH নিয়ন্ত্রণে রাখে। পানি ও লবণে পুনঃশোষণের ফলে মূত্রের ঘনত্ব বজায় থাকে। ৪. সংগ্রাহক নালিকা: পানি ও লবণের পুনঃশোষণ ঘটে। মূত্রকে পেলভিসে স্থানান্তর করে।
ঘ
ডাক্তারের পরামর্শেই রহিমের সমস্যাটির সমাধান হবে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ডাক্তারের পরামর্শেই রহিম সাহেবের সমস্যার সমাধান হবে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- রহিম সাহেবের দেহে অতি অল্প ও ঘন মূত্র সৃষ্টি হয়। রক্তের আয়তন এবং গ্লোমেরুলার কৈশিকনালিকায় রক্তের হাইড্রো-স্ট্যাটিক চাপ কমে যাওয়ায় অতিপরিস্রাবণও কমে যায়। তখন পিটুইটারি গ্রন্থির পশ্চাৎ খন্ড থেকে ADH ক্ষরণের ফলে DCT ও সংগ্রাহী নালিকা প্রাচীরের ভেদ্যতা বেড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে পানির পুনঃশোষণ মাত্রাও বৃদ্ধি পায়। তখন অতিপরিস্রাবণ ও বেশি পুনঃশোষণের ফলে মূত্রের পরিমাণ হয় কম এবং ঘন কিন্তু দেহ যদি বেশি পরিমাণ পানি গ্রহণ করে তবে রক্তের আয়তন বেড়ে যায়। এর ফলে ADH ক্ষরণ কমে যায়। রক্তে ADH ক্ষরণ কমে গেলে DCT ও সংগ্রাহী নালিকা প্রাচীরের ভেদ্যতা কমে যাওয়ায় পানির পুনঃশোষণও কমে যায়। গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট তরল হতে তরলতর হতে থাকে। অবশেষে বেশি পরিমাণে হাইপোটনিক মূত্র (কম ঘন বা পাতলা মূত্র) সৃষ্টি হয়। এ ছাড়াও প্রোটিন জাতীয় খাবার কম খেলে দেহে নাইট্রোজেন জাতীয় বর্জ্য পদার্থ কম সঞ্চিত হবে এবং বৃক্ক বিকলের আশঙ্কাও কমে যাবে। তাই বলা যায় যে, রহিম সাহেব ডাক্তারের পরামর্শ মেনে প্রোটিন জাতীয় খাবার কম খেয়ে প্রচুর পানি পান করলে তার সমস্যার সমাধান হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রহিমের প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়ায় ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার তাকে প্রচুর পানি খাওয়ার পরামর্শ দিলেন।
ক
pH কাকে বলে?

উত্তর

কহাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের একটি পরিমাপকে pH বলে।
খ
হিমোডায়ালাইসিস বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

বৃক্ক তাৎক্ষণিক বিকল হলে যেসব চিকিৎসা গ্রহণ করা হয় তার মধ্যে একটি হলো হিমোডায়ালাইসিস। যে প্রক্রিয়ায় রক্তকে পাম্প দিয়ে শরীর থেকে বের করে বর্জ্য পদার্থ অপসারণের উদ্দেশ্যে পরিষুত করে যেভাবে আবার দেহে ফেরত পাঠানো হয় সেই প্রক্রিয়াই হলো হিমোডায়ালাইসিস।
গ
রহিমের সমস্যার সাথে সম্পৃক্ত অঙ্গের কার্যিক এককের চিহ্নিত চিত্রসহ বিভিন্ন অংশের কাজ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রহিমের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত অঙ্গটি হলো মানব বৃক্ক। বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যিক একক হলো নেফ্রন। নিচে নেফ্রনের চিত্রসহ বিভিন্ন অংশের কাজ ব্যাখ্যা করা হলো- question image ম্যালপিজিয়ান বডি গঠনগত বৈশিষ্ট্যের জন্য ম্যালপিজিয়ান বডি একটি পরিস্রাবক যন্ত্র যা ছাঁকনির মতো কাজ করে। বৃক্কীয় নালিকা: নিম্নলিখিত কয়েকটি অংশে বৃক্কীয় নালিকার কাজ ১. নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা: এতে প্রায় সকল পদার্থের বেশিরভাগ সম্পন্ন হয়ে থাকে। যেমন- অংশ থেকে ব্যাপন, অভিস্রবণ, সক্রিয়, নিষ্ক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে পুনঃশোষিত হয়। এতে ১০০% গ্লুকোজ, ৮০% পানি, ৫০% এর অধিক সোডিয়াম ক্লোরাইড ও সোডিয়াম বাই কার্বনেট এবং তুলনামূলকভাবে কম হারে পটাসিয়াম পুনঃশোষিত হতে দেখা যায়। এর ফলে তরলের ঘনত্ব প্লাজমার ঘনত্বের সমান থাকে। ২. হেনলির লুপ: হেনলির লুপের প্রধান কাজ পানি সংরক্ষণ করা। এর নিম্নগামী বাহু পানি এবং অনেক দ্রাবের সাপেক্ষে ভেদ্য। ঊর্ধ্বগামী বাহু পানি অভেদ্য কিছু সোডিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম ক্লোরাইড আয়ন পুনঃশোষণ করে। ৩. দূরবর্তী প্যাঁচানো নালিকা পানি ও লবণ পুনঃশোষণের মাধ্যমে দেহের অভিস্রবণ নিয়ন্ত্রণ এবং রক্তের pH নিয়ন্ত্রণে রাখে। পানি ও লবণে পুনঃশোষণের ফলে মূত্রের ঘনত্ব বজায় থাকে। ৪. সংগ্রাহক নালিকা: পানি ও লবণের পুনঃশোষণ ঘটে। মূত্রকে পেলভিসে স্থানান্তর করে।
ঘ
ডাক্তারের পরামর্শেই রহিমের সমস্যাটির সমাধান হবে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ডাক্তারের পরামর্শেই রহিম সাহেবের সমস্যার সমাধান হবে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- রহিম সাহেবের দেহে অতি অল্প ও ঘন মূত্র সৃষ্টি হয়। রক্তের আয়তন এবং গ্লোমেরুলার কৈশিকনালিকায় রক্তের হাইড্রো-স্ট্যাটিক চাপ কমে যাওয়ায় অতিপরিস্রাবণও কমে যায়। তখন পিটুইটারি গ্রন্থির পশ্চাৎ খন্ড থেকে ADH ক্ষরণের ফলে DCT ও সংগ্রাহী নালিকা প্রাচীরের ভেদ্যতা বেড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে পানির পুনঃশোষণ মাত্রাও বৃদ্ধি পায়। তখন অতিপরিস্রাবণ ও বেশি পুনঃশোষণের ফলে মূত্রের পরিমাণ হয় কম এবং ঘন কিন্তু দেহ যদি বেশি পরিমাণ পানি গ্রহণ করে তবে রক্তের আয়তন বেড়ে যায়। এর ফলে ADH ক্ষরণ কমে যায়। রক্তে ADH ক্ষরণ কমে গেলে DCT ও সংগ্রাহী নালিকা প্রাচীরের ভেদ্যতা কমে যাওয়ায় পানির পুনঃশোষণও কমে যায়। গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট তরল হতে তরলতর হতে থাকে। অবশেষে বেশি পরিমাণে হাইপোটনিক মূত্র (কম ঘন বা পাতলা মূত্র) সৃষ্টি হয়। এ ছাড়াও প্রোটিন জাতীয় খাবার কম খেলে দেহে নাইট্রোজেন জাতীয় বর্জ্য পদার্থ কম সঞ্চিত হবে এবং বৃক্ক বিকলের আশঙ্কাও কমে যাবে। তাই বলা যায় যে, রহিম সাহেব ডাক্তারের পরামর্শ মেনে প্রোটিন জাতীয় খাবার কম খেয়ে প্রচুর পানি পান করলে তার সমস্যার সমাধান হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষক বললেন আমাদের দেহের বিপাকীয় বর্জ্য হিসেবে উৎপন্ন CO₂ এবং N₂ আলাদা আলাদা অঙ্গের মাধ্যমে পরিত্যক্ত হয়। ফলে আমরা সুস্থ থাকি।
ক
নেফ্রন কী?

উত্তর

বৃক্কের গঠন ও কার্ষিক এককই হলো নেফ্রন।
খ
ধূমপানের ফলে ফুসফুসের কী পরিণতি হয়?

উত্তর

ধূমপানের ফলে ধূমপানের ধোঁয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত করে। এতে অ্যালভিওলাসের আয়তন বেড়ে যায় এবং কোনো কোনো স্থান কেটে গিয়ে ফুসফুসে ফাঁকা জায়গার সৃষ্টি করে। ফলে শ্বসনতল কমে গিয়ে গ্যাস বিনিময় মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করে। এ অবস্থাকে এমফাইসেমা বলে। এছাড়া ব্রঙ্কাইটিস, এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
গ
উদ্দীপকের প্রথম বিপাকীয় বর্জ্য যৌগ আকারে পরিবাহিত হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রথম বিপাকীয় বর্জ্য CO₂। যা যৌগ আকারে পরিবাহিত হয়। মানবদেহে বিপাকীয় ক্রিয়া শ্বসনের ফলে CO₂ নামক বর্জ্যপদার্থ সৃষ্টি হয়। যা যৌগ আকারে তিনটি প্রক্রিয়ায় রক্ত দ্বারা পরিবাহিত হয়। নিচে পদ্ধতি তিনটির বর্ণনা দেওয়া হলো: ১. ভৌত দ্রবণরূপে: কিছু পরিমাণ (৫%) CO₂ রক্তের প্লাজমার পানির সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড গঠন করে। H2O + CO2 ⭢ H2CO3 এক্ষেত্রে CO₂-এর খুব সামান্য অংশই H₂CO₃ রূপে পরিবাহিত হয়। ২. কার্বোমিনো যৌগরূপে: টিস্যুকোষ থেকে রক্তের প্লাজমায় আগত CO₂ এর কিছু অংশ লোহিত কণিকায় প্রবেশ করে। লোহিত কণিকার মধ্যে যে হিমোগ্লোবিন থাকে তার গ্লোবিন (প্রোটিন) অংশের অ্যামিনো গ্রুপের (-NH2) সাথে CO₂ যুক্ত হয়ে কার্বোমিনো-হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে। question image CO₂ এর একাংশ প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে কার্বোমিনো প্রোটিন গঠন করে। PrNH2 + CO2 → PrNHCOOH (কার্বোমিনো-প্রোটিন) মোট CO₂-এর শতকরা ২৭ ভাগ কার্বোমিনো যৌগরূপে পরিবাহিত হয়। ৩. বাইকার্বোনেট যৌগরূপে: CO₂ এর বেশিরভাগই (৬৫%) রক্তে বাইকার্বোনেটরূপে পরিবাহিত হয়। এটি দু'ভাবে পরিবাহিত হয়। যথা- (১) NaHCO3 রূপে প্লাজমার মাধ্যমে এবং (২) KHCO3 রূপে লোহিত কণিকার মাধ্যমে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়- বিপাকীয় বর্জ্য CO₂ যৌগ আকারে পরিবাহিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের দ্বিতীয় প্রকার বর্জ্য নিষ্কাশনে নিয়োজিত অঙ্গের বিকলতা মানবজীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দ্বিতীয় প্রকার বর্জ্য নিষ্কাশনে নিয়োজিত অঙ্গটি বৃক্ক। বৃদ্ধ দেহে সৃষ্ট নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্যপদার্থ নিষ্কাশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি কোনো কারণে বৃক্ক বিকল হয় তা মানবজীবনের জন্য অবশ্যই হুমকিস্বরূপ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো: বৃক্ক বিকল হয়ে গেলে দেহ হতে নির্গত মূত্রের পরিমাণ কমে যাবে অর্থাৎ কম পরিমাণ মূত্র তৈরি হবে। অতিরিক্ত বমি বমি ভাব, ঘাম, ডায়রিয়া বা রক্ত ক্ষরণের ফলে স্বাভাবিকভাবেই মূত্র তৈরি হয় না। প্রচুর পানি খেলেও দেহে মূত্র উৎপন্ন হয় না বা মূত্র ব্লাডারে জমা হয় না। খাবারে অরুচি, তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব, দুর্বলতা, অসংলগ্ন কথা বলা, হেচকি উঠা এসব লক্ষণসমূহ দেখা যায়। বৃক্ক বিকল হলে মাংসপেশিতে ব্যথা, ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস, বুকে পানি জমা হওয়া, ত্বকে শীতল শুকনা ভাব, নাড়ির গতি দুর্বল এবং পানিশূন্যতা থাকে। হাড়ের সন্ধিতে ব্যথা, রক্তমূত্র ও ফোঁটা ফোঁটা মূত্র ত্যাগের অবস্থা থাকতে পারে। ফুসফুসে গ্লোথ শ্বাসকষ্ট দেখা যায়। রোগীর মানসিক অস্থিরতা, মাথা ঘোরা, শরীরের মাংসপেশি লাফানো এবং হঠাৎ করে সংজ্ঞাহীন হওয়া দেখা দিতে পারে। ক্ষুধামান্দ্য, উচ্চ রক্তচাপ, রক্ত পায়খানা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়। উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, মানবদেহের বৃদ্ধ বিকলতা জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

শিক্ষক বললেন আমাদের দেহের বিপাকীয় বর্জ্য হিসেবে উৎপন্ন CO₂ এবং N₂ আলাদা আলাদা অঙ্গের মাধ্যমে পরিত্যক্ত হয়। ফলে আমরা সুস্থ থাকি।
ক
নেফ্রন কী?

উত্তর

বৃক্কের গঠন ও কার্ষিক এককই হলো নেফ্রন।
খ
ধূমপানের ফলে ফুসফুসের কী পরিণতি হয়?

উত্তর

ধূমপানের ফলে ধূমপানের ধোঁয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত করে। এতে অ্যালভিওলাসের আয়তন বেড়ে যায় এবং কোনো কোনো স্থান কেটে গিয়ে ফুসফুসে ফাঁকা জায়গার সৃষ্টি করে। ফলে শ্বসনতল কমে গিয়ে গ্যাস বিনিময় মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করে। এ অবস্থাকে এমফাইসেমা বলে। এছাড়া ব্রঙ্কাইটিস, এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
গ
উদ্দীপকের প্রথম বিপাকীয় বর্জ্য যৌগ আকারে পরিবাহিত হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রথম বিপাকীয় বর্জ্য CO₂। যা যৌগ আকারে পরিবাহিত হয়। মানবদেহে বিপাকীয় ক্রিয়া শ্বসনের ফলে CO₂ নামক বর্জ্যপদার্থ সৃষ্টি হয়। যা যৌগ আকারে তিনটি প্রক্রিয়ায় রক্ত দ্বারা পরিবাহিত হয়। নিচে পদ্ধতি তিনটির বর্ণনা দেওয়া হলো: ১. ভৌত দ্রবণরূপে: কিছু পরিমাণ (৫%) CO₂ রক্তের প্লাজমার পানির সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড গঠন করে। H2O + CO2 ⭢ H2CO3 এক্ষেত্রে CO₂-এর খুব সামান্য অংশই H₂CO₃ রূপে পরিবাহিত হয়। ২. কার্বোমিনো যৌগরূপে: টিস্যুকোষ থেকে রক্তের প্লাজমায় আগত CO₂ এর কিছু অংশ লোহিত কণিকায় প্রবেশ করে। লোহিত কণিকার মধ্যে যে হিমোগ্লোবিন থাকে তার গ্লোবিন (প্রোটিন) অংশের অ্যামিনো গ্রুপের (-NH2) সাথে CO₂ যুক্ত হয়ে কার্বোমিনো-হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে। question image CO₂ এর একাংশ প্লাজমা প্রোটিনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে কার্বোমিনো প্রোটিন গঠন করে। PrNH2 + CO2 → PrNHCOOH (কার্বোমিনো-প্রোটিন) মোট CO₂-এর শতকরা ২৭ ভাগ কার্বোমিনো যৌগরূপে পরিবাহিত হয়। ৩. বাইকার্বোনেট যৌগরূপে: CO₂ এর বেশিরভাগই (৬৫%) রক্তে বাইকার্বোনেটরূপে পরিবাহিত হয়। এটি দু'ভাবে পরিবাহিত হয়। যথা- (১) NaHCO3 রূপে প্লাজমার মাধ্যমে এবং (২) KHCO3 রূপে লোহিত কণিকার মাধ্যমে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়- বিপাকীয় বর্জ্য CO₂ যৌগ আকারে পরিবাহিত হয়।
ঘ
উদ্দীপকের দ্বিতীয় প্রকার বর্জ্য নিষ্কাশনে নিয়োজিত অঙ্গের বিকলতা মানবজীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দ্বিতীয় প্রকার বর্জ্য নিষ্কাশনে নিয়োজিত অঙ্গটি বৃক্ক। বৃদ্ধ দেহে সৃষ্ট নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্যপদার্থ নিষ্কাশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি কোনো কারণে বৃক্ক বিকল হয় তা মানবজীবনের জন্য অবশ্যই হুমকিস্বরূপ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো: বৃক্ক বিকল হয়ে গেলে দেহ হতে নির্গত মূত্রের পরিমাণ কমে যাবে অর্থাৎ কম পরিমাণ মূত্র তৈরি হবে। অতিরিক্ত বমি বমি ভাব, ঘাম, ডায়রিয়া বা রক্ত ক্ষরণের ফলে স্বাভাবিকভাবেই মূত্র তৈরি হয় না। প্রচুর পানি খেলেও দেহে মূত্র উৎপন্ন হয় না বা মূত্র ব্লাডারে জমা হয় না। খাবারে অরুচি, তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব, দুর্বলতা, অসংলগ্ন কথা বলা, হেচকি উঠা এসব লক্ষণসমূহ দেখা যায়। বৃক্ক বিকল হলে মাংসপেশিতে ব্যথা, ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস, বুকে পানি জমা হওয়া, ত্বকে শীতল শুকনা ভাব, নাড়ির গতি দুর্বল এবং পানিশূন্যতা থাকে। হাড়ের সন্ধিতে ব্যথা, রক্তমূত্র ও ফোঁটা ফোঁটা মূত্র ত্যাগের অবস্থা থাকতে পারে। ফুসফুসে গ্লোথ শ্বাসকষ্ট দেখা যায়। রোগীর মানসিক অস্থিরতা, মাথা ঘোরা, শরীরের মাংসপেশি লাফানো এবং হঠাৎ করে সংজ্ঞাহীন হওয়া দেখা দিতে পারে। ক্ষুধামান্দ্য, উচ্চ রক্তচাপ, রক্ত পায়খানা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়। উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, মানবদেহের বৃদ্ধ বিকলতা জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আমাদের দেহ যখন লবণ ও পানি ধরে রাখে তখন শরীরে বিশেষ বিশেষ অংশ ফুলে যায়। রক্তের ঘনত্বের অস্বাভাবিকতায় শরীরে বিশেষ একটি অঙ্গে হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়।
ক
শিখা কোষ কী?

উত্তর

Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের রেচনতন্ত্রকে শিখা কোষ বলে।
খ
লিম্ফোসাইটকে স্মৃতি কোষ বলা হয় কেন?

উত্তর

মানুষের রক্তের দুধরনের শ্বেতকণিকা যথা B লিম্ফোসাইট ও T • লিম্ফোসাইট এর কার্যকারিতায় দেহে অর্জিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকে। প্রথমবার কোনো জীবাণু দ্বারা দেহ আক্রান্ত হলে B লিম্ফোসাইট বিভাজিত হয়ে স্মৃতি কোষ' B উৎপন্ন হয়। এরা দীর্ঘজীবী হওয়ায় ঐ ধরনের জীবাণুকে দীর্ঘদিন স্মরণ রাখতে পারে। এক্ষেত্রে T লিম্ফোসাইট B-লিম্ফোসাইট এর তুলনায় অধিক দীর্ঘজীবী। দ্বিতীয়বার ঐ জীবাণুর সংক্রমণ হলে উৎপন্ন নতুন কোষগুলো তাকে সহজেই শনাক্ত ও ধ্বংস করে। তাই লিম্ফোসাইটকে স্মৃতি কোষ বলা হয়।
গ
অঙ্গটির গাঠনিক এককের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক যার গাঠনিক একক নেফ্রন। নিচে নেফ্রনের বর্ণনা দেওয়া হলো- মানুষের প্রত্যেক বৃক্কে ১০ লক্ষ থেকে ১২ লক্ষ নেফ্রন রয়েছে। প্রতিটি নেফ্রন প্রায় ৩ সে. মি. লম্বা। এ হিসাবে প্রত্যেক বৃক্কের নেফ্রনের নালিকাগুলো সম্মিলিতভাবে ৩৬ কি. মি. (প্রায় ২২.৬ মাইল) এরও বেশি লম্বা হবে। প্রত্যেক নেফ্রন ২টি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা- ১. রেনাল করপাসল বা মালপিজিনিয়ান বডি: নেফ্রনের অগ্রপ্রান্তকে রেনাল করপাসল বলে। এটি বৃক্কের কর্টেক্সে অবস্থিত। এটি আবার বোম্যানস ক্যাপসুল এবং গ্লোমেরুলাস নিয়ে গঠিত। ২. রেনাল টিউব্যুলস বা বৃক্কীয় নালিকা: এটি প্রশ্চাৎ অংশ এবং বোম্যানস ক্যাপসুলের পেছন হতে সৃষ্টি হয়ে সংগ্রাহী নালিকা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এ রেনাল টিউব্যুলস চারটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা: ১. নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা বা প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা, ২. হেনলির লুপ, ৩. ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা, ৪. সংগ্রাহী নালিকা। question image
ঘ
অঙ্গটিতে উল্লিখিত জৈব রাসায়নিক পদার্থসমূহের বহুমুখী আচরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত জৈব রাসায়নিক পদার্থটি হরমোন। মানুষের উদ্যমতা, রাগ, অনুরাগ, বিষণ্ণতা, দুশ্চিন্তা, আগ্রাসন প্রভৃতি আচরণ হরমোন নিয়ন্ত্রিত বলে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। বিভিন্ন অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোন মানুষের আচরণে যেভাবে প্রভাব ফেলে তা নিচে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হলো: ১. থাইরক্সিন হরমোন অস্বাভাবিক মাত্রার থাইরক্সিন ক্ষরণ উত্তেজনা বৃদ্ধি করে, মনোযোগ হ্রাস করে, কাজের প্রতি অনাগ্রহ সৃষ্টি করে এবং অনিদ্রা, ক্লান্তি, উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি করে। ২. প্যারাথরমোন: এ হরমোন নিঃসরণ উত্তেজনার মাত্রাকে প্রভাবিত করে। ৩. মেলাটোনিন হরমোন মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি ক্ষরিত মেলাটোনিন হরমোন মানুষের ঘুম জাগ্রত আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এ হরমোনের অসম ক্ষরণ মানুষের অনিদ্রার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ৪. টেস্টোস্টেরন: শুক্রাশয় হতে অধিক মাত্রায় টেস্টোস্টেরন হরমোন ক্ষরণের ফলে মানুষের উগ্রতা বেড়ে যায় বলে প্রমাণিত হয়েছে। ৫. ইস্ট্রোজেন: মেয়েদের কাজের নৈপুণ্যতা, কথা বলার দক্ষতা এবং অনুধাবন দক্ষতা ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণের সাথে সম্পৃক্ত। ৬. অ্যাডরেনালিন: 'বৃক্ক সংলগ্ন অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ক্ষরিত অ্যাডরেনালিন হরমান মানসিক চাপ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে। এ হরমোন মানুষের স্বাভাবিক ব্যক্তিত্ব গঠনে বিশেষ সহায়তা করে। ৭. ইপিনেফ্রিন: অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ক্ষরিত ইপিনেফ্রিন হরমোন মানুষের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। ৮. নর ইপিনেফ্রিন অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ক্ষরিত নর ইপিনেফ্রিন হরমোন মানুষের মানসিক চাপ, আক্রমণ ও পলায়ন আচরণ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। ৯. অন্যান্য হরমোন: পিটুইটারি গ্রন্থি ক্ষরিত বিভিন্ন হরমোন অন্যান্য সকল হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে ফলে এ গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোনগুলো মানুষের আচরণের সাথে জড়িত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আমাদের দেহ যখন লবণ ও পানি ধরে রাখে তখন শরীরে বিশেষ বিশেষ অংশ ফুলে যায়। রক্তের ঘনত্বের অস্বাভাবিকতায় শরীরে বিশেষ একটি অঙ্গে হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়।
ক
শিখা কোষ কী?

উত্তর

Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের রেচনতন্ত্রকে শিখা কোষ বলে।
খ
লিম্ফোসাইটকে স্মৃতি কোষ বলা হয় কেন?

উত্তর

মানুষের রক্তের দুধরনের শ্বেতকণিকা যথা B লিম্ফোসাইট ও T • লিম্ফোসাইট এর কার্যকারিতায় দেহে অর্জিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকে। প্রথমবার কোনো জীবাণু দ্বারা দেহ আক্রান্ত হলে B লিম্ফোসাইট বিভাজিত হয়ে স্মৃতি কোষ' B উৎপন্ন হয়। এরা দীর্ঘজীবী হওয়ায় ঐ ধরনের জীবাণুকে দীর্ঘদিন স্মরণ রাখতে পারে। এক্ষেত্রে T লিম্ফোসাইট B-লিম্ফোসাইট এর তুলনায় অধিক দীর্ঘজীবী। দ্বিতীয়বার ঐ জীবাণুর সংক্রমণ হলে উৎপন্ন নতুন কোষগুলো তাকে সহজেই শনাক্ত ও ধ্বংস করে। তাই লিম্ফোসাইটকে স্মৃতি কোষ বলা হয়।
গ
অঙ্গটির গাঠনিক এককের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত অঙ্গটি হলো বৃক্ক যার গাঠনিক একক নেফ্রন। নিচে নেফ্রনের বর্ণনা দেওয়া হলো- মানুষের প্রত্যেক বৃক্কে ১০ লক্ষ থেকে ১২ লক্ষ নেফ্রন রয়েছে। প্রতিটি নেফ্রন প্রায় ৩ সে. মি. লম্বা। এ হিসাবে প্রত্যেক বৃক্কের নেফ্রনের নালিকাগুলো সম্মিলিতভাবে ৩৬ কি. মি. (প্রায় ২২.৬ মাইল) এরও বেশি লম্বা হবে। প্রত্যেক নেফ্রন ২টি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা- ১. রেনাল করপাসল বা মালপিজিনিয়ান বডি: নেফ্রনের অগ্রপ্রান্তকে রেনাল করপাসল বলে। এটি বৃক্কের কর্টেক্সে অবস্থিত। এটি আবার বোম্যানস ক্যাপসুল এবং গ্লোমেরুলাস নিয়ে গঠিত। ২. রেনাল টিউব্যুলস বা বৃক্কীয় নালিকা: এটি প্রশ্চাৎ অংশ এবং বোম্যানস ক্যাপসুলের পেছন হতে সৃষ্টি হয়ে সংগ্রাহী নালিকা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এ রেনাল টিউব্যুলস চারটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা: ১. নিকটবর্তী প্যাঁচানো নালিকা বা প্রক্সিমাল প্যাঁচানো নালিকা, ২. হেনলির লুপ, ৩. ডিস্টাল প্যাঁচানো নালিকা, ৪. সংগ্রাহী নালিকা। question image
ঘ
অঙ্গটিতে উল্লিখিত জৈব রাসায়নিক পদার্থসমূহের বহুমুখী আচরণ সম্পর্কে আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত জৈব রাসায়নিক পদার্থটি হরমোন। মানুষের উদ্যমতা, রাগ, অনুরাগ, বিষণ্ণতা, দুশ্চিন্তা, আগ্রাসন প্রভৃতি আচরণ হরমোন নিয়ন্ত্রিত বলে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। বিভিন্ন অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোন মানুষের আচরণে যেভাবে প্রভাব ফেলে তা নিচে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হলো: ১. থাইরক্সিন হরমোন অস্বাভাবিক মাত্রার থাইরক্সিন ক্ষরণ উত্তেজনা বৃদ্ধি করে, মনোযোগ হ্রাস করে, কাজের প্রতি অনাগ্রহ সৃষ্টি করে এবং অনিদ্রা, ক্লান্তি, উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি করে। ২. প্যারাথরমোন: এ হরমোন নিঃসরণ উত্তেজনার মাত্রাকে প্রভাবিত করে। ৩. মেলাটোনিন হরমোন মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি ক্ষরিত মেলাটোনিন হরমোন মানুষের ঘুম জাগ্রত আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এ হরমোনের অসম ক্ষরণ মানুষের অনিদ্রার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ৪. টেস্টোস্টেরন: শুক্রাশয় হতে অধিক মাত্রায় টেস্টোস্টেরন হরমোন ক্ষরণের ফলে মানুষের উগ্রতা বেড়ে যায় বলে প্রমাণিত হয়েছে। ৫. ইস্ট্রোজেন: মেয়েদের কাজের নৈপুণ্যতা, কথা বলার দক্ষতা এবং অনুধাবন দক্ষতা ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণের সাথে সম্পৃক্ত। ৬. অ্যাডরেনালিন: 'বৃক্ক সংলগ্ন অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ক্ষরিত অ্যাডরেনালিন হরমান মানসিক চাপ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে। এ হরমোন মানুষের স্বাভাবিক ব্যক্তিত্ব গঠনে বিশেষ সহায়তা করে। ৭. ইপিনেফ্রিন: অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ক্ষরিত ইপিনেফ্রিন হরমোন মানুষের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। ৮. নর ইপিনেফ্রিন অ্যাডরেনাল গ্রন্থি ক্ষরিত নর ইপিনেফ্রিন হরমোন মানুষের মানসিক চাপ, আক্রমণ ও পলায়ন আচরণ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। ৯. অন্যান্য হরমোন: পিটুইটারি গ্রন্থি ক্ষরিত বিভিন্ন হরমোন অন্যান্য সকল হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে ফলে এ গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোনগুলো মানুষের আচরণের সাথে জড়িত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো