উদ্দীপকে উল্লেখিত দ্বিতীয় প্রক্রিয়াটি হলো সক্রিয় লবণ পরিশোষণ পদ্ধতি নিচে তার সপক্ষে আধুনিক মতবাদ বর্ণনা করা হলো-
১. আধুনিক ধারণায়, কোষঝিল্লির উভয় দিকে একটি তড়িৎ রাসায়নিক অতিমাত্রা সৃষ্টির মাধ্যমে আয়নগুলো কোষের ভেতরে স্থানান্তরিত হয়। এ আধুনিক মতবাদ অনুসারে, আয়ন নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক প্রোটিন বাহক দ্বারা বাহিত হয়ে বাইরের দ্রবণ থেকে কোষের ভেতরের দ্রবণে প্রবেশ করে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রোটিন নির্দিষ্ট আয়নের বাহক হিসেবে কাজ করে। ধারণা করা হয়, কোষঝিল্লির ভেতরের তলের দিকে ATP-asc এনজাইমের ক্রিয়ার ATP ভেঙ্গে শক্তি নির্গত হয়। যার প্রভাবে প্রোটন (H+) কোষের বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়। একে প্রোটন পাম্প বলে।
২. প্রোটন পাম্পের কারণে কোষের বাইরের সাথে ভেতরের দিকে pH gradient (বাইরে pH কম) এবং Potential Gradient (কোষের বাইরের +ve চার্জ বেশি, কোষের ভেতরের +ve চার্জ কম) তৈরি হয় যাকে একত্রে Electrochemical Potential Gradient বলে।
৩. কোষ পর্দার অভ্যন্তরে Proton Motive Force তৈরি হলেই বাহক প্রোটনগুলো সক্রিয় হয় এবং ক্যাটায়নগুলোকে বহন করে বাইরের দ্রবণ থেকে কোষের ভেতরে নিয়ে আসে। প্রোটনও বাইরে থেকে ভেতরে ঢুকতে চায়, আর সে সময় অ্যানায়নগুলো প্রোটনের সাথে প্রোটিন বাহকের মাধ্যমে কোষাভ্যন্তরে প্রবেশ করে।