Chapter 9 : উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব Biology 1st Paper

HSC Biology 1st Paper এর Chapter 9 : উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১,০৮১

প্রশ্ন

Biology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

কচুগাছের পাতার কিনারায় পানির উপস্থিতি দেখে ছাত্র, শিক্ষকের নিকট জানতে চাইলে শিক্ষক বললেন, “ইহা এক ধরনের রন্দ্রের কাজ। আরও এক ধরনের বস্তু আছে, যা দিয়ে বাষ্পাকারে পানি নির্গত হয়।
ক
বুলিফর্ম কোষ কাকে বলে?

উত্তর

বুলিফর্ম কোষ হলো বৃহদাকৃতির ত্বকীয় কোষ যেগুলো এপিডার্মিসের কোষ হতে রোম বা ট্রাইকোম নামক বিভিন্ন প্রকার উপাঙ্গ উদ্গত হয়।
খ
ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ বলতে কী বুঝ?

উত্তর

উদ্ভিদ দেহের অন্তঃত্বকের কোষগুলোর ভেতরের প্রাচীর লিগনিন ও সুবেরিন গঠিত ফিতার মতো আস্তরণ দিয়ে বেষ্টিত থাকে। এ ফিতাকে ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ বলে। এর আবিষ্কারক বিজ্ঞানী ক্যাসপেরির নাম অনুসারে একে ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ বলা হয়।
গ
উদ্দীপকের শেষ অংশে নির্দেশিত বস্তুটির গঠন চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষ অংশে নির্দেশিত রন্ধ্রটি হলো পত্ররন্ধ্র । পত্ররন্ধ্র পাতার উপরিতলে অবস্থিত দুটি অর্ধচন্দ্রাকৃতির রক্ষীকোষ এবং এদের দিয়ে বেষ্টিত রষ্ট্র নিয়ে গঠিত। পত্ররন্ধ্রের রক্ষীকোষে একটি সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াস, বহু ক্লোরোপ্লাস্ট ও ঘন সাইটোপ্লাজম থাকে। রক্ষীকোষে প্রচুর ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এটি খাদ্য তৈরি করে। রক্ষীকোষের চারদিকে সহকারি কোষ থাকে। স্টোম্যাটার নিচে একটি বড় বায়ুকুঠুরী থাকে। অধিকাংশ উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র সকাল ১০- ১১টা এবং বিকাল ২-৩টায় পূর্ণ খোলা থাকে, অন্যান্য সময় আংশিক খোলা থাকে এবং রাত্রিতে বন্ধ থাকে। question image
ঘ
উদ্ভিদের জৈবনিক কাজে উদ্দীপকে উল্লিখিত বস্তু দুটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রথম রন্ধ্রটি পানি-পত্ররন্ধ্র বা হাইডাথোড এবং দ্বিতীয়টি পত্ররন্ধ্র । উদ্ভিদের জৈবনিক কাজে হাইডাথোড ও পত্ররন্ধ্রের গুরুত্ব অপরিসীম। পানি-পত্ররন্ধ্র বা হাইডাথোড : পানি-পত্ররন্ধ্র এক বিশেষ ধরনের পানি নির্মোচন অঙ্গ। ঘাস, কচু, টমেটো ইত্যাদি গাছের পাতার কিনারায় প্রচণ্ড গরমের দিনে পানির ফোঁটার সারি দেখে এ অঙ্গের অবস্থান জানা যায়। হাইডাথোড চাপে পানি ট্রাকিডের শেষপ্রান্ত দিয়ে এপিথেলিয়ামের মাধ্যমে বিন্দু আকারে রন্ধ্রপথে জমা হয়। হাইডাথোড দিয়ে তরল পানি বের হয়ে যাওয়াকে নিদ্রাবণ বা পানি নির্গমন বা গাটেশন বলে । এটি উদ্ভিদকে অবাঞ্চিত দ্রবণ নিষ্পত্তি করতে সাহায্য করে। এটি উদ্ভিদের পুষ্টির অর্জন উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি উদ্ভিদ দেহের সঠিক বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। পত্ররন্ধ্র - (i) পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন চলাকালীন সময়ে উদ্ভিদ অঙ্গ ও বায়ুমণ্ডলের মধ্যে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে। (ii) উদ্ভিদদেহ থেকে অতিরিক্ত পানি প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বাষ্পাকারে বের করে দেয়া পত্ররন্ধ্রের প্রধান কাজ পরিবেশ শীতল থাকে। এতে অতি তাপের ক্ষতি থেকে উদ্ভিদাঙ্গ রক্ষা পায়। (iii) পত্ররন্ধ্রের রক্ষীকোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। (iv) প্রস্বেদনের সময় পানি জলীয় বাষ্পাকারে পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে নির্গত হয়। (v) লুক্কায়িত পত্ররন্ধ্র প্রস্বেদনের হার হ্রাস করে। সুতরাং বলা যায়, উদ্ভিদের জৈবনিক কাজে হাইডাথোড ও পত্ররন্ধ্রের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

কচুগাছের পাতার কিনারায় পানির উপস্থিতি দেখে ছাত্র, শিক্ষকের নিকট জানতে চাইলে শিক্ষক বললেন, “ইহা এক ধরনের রন্দ্রের কাজ। আরও এক ধরনের বস্তু আছে, যা দিয়ে বাষ্পাকারে পানি নির্গত হয়।
ক
বুলিফর্ম কোষ কাকে বলে?

উত্তর

বুলিফর্ম কোষ হলো বৃহদাকৃতির ত্বকীয় কোষ যেগুলো এপিডার্মিসের কোষ হতে রোম বা ট্রাইকোম নামক বিভিন্ন প্রকার উপাঙ্গ উদ্গত হয়।
খ
ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ বলতে কী বুঝ?

উত্তর

উদ্ভিদ দেহের অন্তঃত্বকের কোষগুলোর ভেতরের প্রাচীর লিগনিন ও সুবেরিন গঠিত ফিতার মতো আস্তরণ দিয়ে বেষ্টিত থাকে। এ ফিতাকে ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ বলে। এর আবিষ্কারক বিজ্ঞানী ক্যাসপেরির নাম অনুসারে একে ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ বলা হয়।
গ
উদ্দীপকের শেষ অংশে নির্দেশিত বস্তুটির গঠন চিত্রসহ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষ অংশে নির্দেশিত রন্ধ্রটি হলো পত্ররন্ধ্র । পত্ররন্ধ্র পাতার উপরিতলে অবস্থিত দুটি অর্ধচন্দ্রাকৃতির রক্ষীকোষ এবং এদের দিয়ে বেষ্টিত রষ্ট্র নিয়ে গঠিত। পত্ররন্ধ্রের রক্ষীকোষে একটি সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াস, বহু ক্লোরোপ্লাস্ট ও ঘন সাইটোপ্লাজম থাকে। রক্ষীকোষে প্রচুর ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এটি খাদ্য তৈরি করে। রক্ষীকোষের চারদিকে সহকারি কোষ থাকে। স্টোম্যাটার নিচে একটি বড় বায়ুকুঠুরী থাকে। অধিকাংশ উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র সকাল ১০- ১১টা এবং বিকাল ২-৩টায় পূর্ণ খোলা থাকে, অন্যান্য সময় আংশিক খোলা থাকে এবং রাত্রিতে বন্ধ থাকে। question image
ঘ
উদ্ভিদের জৈবনিক কাজে উদ্দীপকে উল্লিখিত বস্তু দুটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রথম রন্ধ্রটি পানি-পত্ররন্ধ্র বা হাইডাথোড এবং দ্বিতীয়টি পত্ররন্ধ্র । উদ্ভিদের জৈবনিক কাজে হাইডাথোড ও পত্ররন্ধ্রের গুরুত্ব অপরিসীম। পানি-পত্ররন্ধ্র বা হাইডাথোড : পানি-পত্ররন্ধ্র এক বিশেষ ধরনের পানি নির্মোচন অঙ্গ। ঘাস, কচু, টমেটো ইত্যাদি গাছের পাতার কিনারায় প্রচণ্ড গরমের দিনে পানির ফোঁটার সারি দেখে এ অঙ্গের অবস্থান জানা যায়। হাইডাথোড চাপে পানি ট্রাকিডের শেষপ্রান্ত দিয়ে এপিথেলিয়ামের মাধ্যমে বিন্দু আকারে রন্ধ্রপথে জমা হয়। হাইডাথোড দিয়ে তরল পানি বের হয়ে যাওয়াকে নিদ্রাবণ বা পানি নির্গমন বা গাটেশন বলে । এটি উদ্ভিদকে অবাঞ্চিত দ্রবণ নিষ্পত্তি করতে সাহায্য করে। এটি উদ্ভিদের পুষ্টির অর্জন উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি উদ্ভিদ দেহের সঠিক বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। পত্ররন্ধ্র - (i) পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসন চলাকালীন সময়ে উদ্ভিদ অঙ্গ ও বায়ুমণ্ডলের মধ্যে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে। (ii) উদ্ভিদদেহ থেকে অতিরিক্ত পানি প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বাষ্পাকারে বের করে দেয়া পত্ররন্ধ্রের প্রধান কাজ পরিবেশ শীতল থাকে। এতে অতি তাপের ক্ষতি থেকে উদ্ভিদাঙ্গ রক্ষা পায়। (iii) পত্ররন্ধ্রের রক্ষীকোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। (iv) প্রস্বেদনের সময় পানি জলীয় বাষ্পাকারে পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে নির্গত হয়। (v) লুক্কায়িত পত্ররন্ধ্র প্রস্বেদনের হার হ্রাস করে। সুতরাং বলা যায়, উদ্ভিদের জৈবনিক কাজে হাইডাথোড ও পত্ররন্ধ্রের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

(A) C6H12O6+6O2+6H2O→6CO2+12H2O+38ATP\mathrm{C}_6 \mathrm{H}_{12} \mathrm{O}_6+6 \mathrm{O}_2+6 \mathrm{H}_2 \mathrm{O} \rightarrow 6 \mathrm{CO}_2+12 \mathrm{H}_2 \mathrm{O}+38 \mathrm{ATP} (B) C6H12O6⟶C2H5OH+2CO2+2ATP\mathrm{C}_6 \mathrm{H}_{12} \mathrm{O}_6 \longrightarrow \mathrm{C}_2 \mathrm{H}_5 \mathrm{OH}+2 \mathrm{CO}_2+2 \mathrm{ATP}

Dinajpur · 2017

ক
ক্যালভিন চক্রে উৎপন্ন প্রথম স্থায়ী পদার্থের নাম কী?

উত্তর

ক্যালভিন চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো- তিন কার্বনবিশিষ্ট ৩- ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড।
খ
ফটোরেসপিরেশন বলতে কী বোঝ?

উত্তর

আলোর সাহায্যে O₂ গ্রহণ এবং CO₂ ত্যাগ করার প্রক্রিয়া হলো ফটোরেসপিরেশন। সবুজ উদ্ভিদে C3 চক্র তথা ক্যালভিন চক্র চলাকালে পরিবেশে তীব্র আলো ও উচ্চ তাপমাত্রা সৃষ্টি হলে ফটোসিনথেসিস না হয়ে ফটোরেসপিরেশন ঘটে। ক্লোরোপ্লাস্টে CO₂ এর পরিমাণ কম এবং O₂ এর পরিমাণ বেশি হলেই ফটোরেসপিরেশন হয়।
গ
উদ্দীপকের A এবং B প্রক্রিয়ার অভিন্ন পর্যায়টি ছকাকারে দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত A (সবাত শ্বসন) এবং B (অবাত শ্বসন) প্রক্রিয়া দুটির অভিন্ন পর্যায়টি হলো গ্লাইকোলাইসিস। নিচে গ্লাইকোলাইসিস ধাপটি ছকের মাধ্যমে দেখানো হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকের প্রক্রিয়া দুটিতে শক্তি ও দ্রব্য উৎপাদন মাত্রার ভিন্নতা রয়েছে- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ৬-কার্বনবিশিষ্ট শর্করা হতে সবাত শ্বসন এবং অবাত শ্বসন এই দুটি প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন হয়। প্রক্রিয়া দুটিতে শক্তি ও দ্রব্য উৎপাদন মাত্রা ভিন্ন হয়। কারণ- সবাত শ্বসন প্রক্রিয়াটি মূলত তিনটি ধাপে সংঘটিত হয়। প্রথম ধাপে কোষের সাইটোপ্লাজমে ৬-কার্বনবিশিষ্ট প্রতি অণু গ্লুকোজ ভাগ হয়ে ৩-কার্বনবিশিষ্ট দুই অণু পাইরুভিক অ্যাসিড ও ২টি ATP উৎপন্ন হয়। দ্বিতীয় ধাপে পাইরুভিক অ্যাসিড সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে তিন অণু CO₂ ও H₂O এবং ২টি ATP উৎপন্ন করে। এই পর্যায়ের অধিকাংশ বিক্রিয়া চক্রাকারে আবর্তিত হয়। একে বলা হয় ক্রেবস চক্র। তৃতীয় ধাপে গ্লাইকোলাইসিস ও ক্রেবস চক্রে উৎপন্ন NADH + H+ FADH₂ হতে ইলেকট্রন অক্সিজেন-এ স্থানান্তরিত হয়। সবশেষে ইলেকট্রনের এই স্থানান্তরকালে H₂O উৎপন্ন হয়। এ পর্যায়কে বলা হয়, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় মোট ৩৮ অণু ATP উৎপন্ন হয়। অপরদিকে, অবাত শ্বসনে কম শক্তি উৎপন্ন হয় কারণ এতে অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ে না। অবাত শ্বসন দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। অবাত শ্বসনেরও প্রথম ধাপ হলো গ্লাইকোলাইসিস। এটি সবাত শ্বসনের গ্লাইকোলাইসিস ধাপের অনুরূপ। এ ধাপে এক অণু গ্লুকোজ থেকে ২ অণু পাইরুভিক এসিড, ২ অণু NADH + H+ ও ২ অণু ATP উৎপন্ন হয়। দ্বিতীয় ধাপে পাইরুভিক অ্যাসিড অসম্পূর্ণভাবে জারিত হয়ে ইথানল ও CO₂ অথবা শুধু ল্যাকটিক অ্যাসিড সৃষ্টি করে। এসব জৈব যৌগে শক্তি সঞ্চিত থাকে। অক্সিজেন না থাকার কারণে এসব যৌগ ভেঙে সরল যৌগে পরিণত হতে পারে না। যার কারণে রাসায়নিক শক্তি বা গতিশক্তি কম উৎপন্ন হয়। উপরোক্ত আলোচনা থেকে এ কথা স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসন প্রক্রিয়া দুটিতে শক্তি ও দ্রব্য উৎপাদন মাত্রা ভিন্ন হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

(A) C6H12O6+6O2+6H2O→6CO2+12H2O+38ATP\mathrm{C}_6 \mathrm{H}_{12} \mathrm{O}_6+6 \mathrm{O}_2+6 \mathrm{H}_2 \mathrm{O} \rightarrow 6 \mathrm{CO}_2+12 \mathrm{H}_2 \mathrm{O}+38 \mathrm{ATP} (B) C6H12O6⟶C2H5OH+2CO2+2ATP\mathrm{C}_6 \mathrm{H}_{12} \mathrm{O}_6 \longrightarrow \mathrm{C}_2 \mathrm{H}_5 \mathrm{OH}+2 \mathrm{CO}_2+2 \mathrm{ATP}

Dinajpur · 2017

ক
ক্যালভিন চক্রে উৎপন্ন প্রথম স্থায়ী পদার্থের নাম কী?

উত্তর

ক্যালভিন চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো- তিন কার্বনবিশিষ্ট ৩- ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড।
খ
ফটোরেসপিরেশন বলতে কী বোঝ?

উত্তর

আলোর সাহায্যে O₂ গ্রহণ এবং CO₂ ত্যাগ করার প্রক্রিয়া হলো ফটোরেসপিরেশন। সবুজ উদ্ভিদে C3 চক্র তথা ক্যালভিন চক্র চলাকালে পরিবেশে তীব্র আলো ও উচ্চ তাপমাত্রা সৃষ্টি হলে ফটোসিনথেসিস না হয়ে ফটোরেসপিরেশন ঘটে। ক্লোরোপ্লাস্টে CO₂ এর পরিমাণ কম এবং O₂ এর পরিমাণ বেশি হলেই ফটোরেসপিরেশন হয়।
গ
উদ্দীপকের A এবং B প্রক্রিয়ার অভিন্ন পর্যায়টি ছকাকারে দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত A (সবাত শ্বসন) এবং B (অবাত শ্বসন) প্রক্রিয়া দুটির অভিন্ন পর্যায়টি হলো গ্লাইকোলাইসিস। নিচে গ্লাইকোলাইসিস ধাপটি ছকের মাধ্যমে দেখানো হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকের প্রক্রিয়া দুটিতে শক্তি ও দ্রব্য উৎপাদন মাত্রার ভিন্নতা রয়েছে- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ৬-কার্বনবিশিষ্ট শর্করা হতে সবাত শ্বসন এবং অবাত শ্বসন এই দুটি প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন হয়। প্রক্রিয়া দুটিতে শক্তি ও দ্রব্য উৎপাদন মাত্রা ভিন্ন হয়। কারণ- সবাত শ্বসন প্রক্রিয়াটি মূলত তিনটি ধাপে সংঘটিত হয়। প্রথম ধাপে কোষের সাইটোপ্লাজমে ৬-কার্বনবিশিষ্ট প্রতি অণু গ্লুকোজ ভাগ হয়ে ৩-কার্বনবিশিষ্ট দুই অণু পাইরুভিক অ্যাসিড ও ২টি ATP উৎপন্ন হয়। দ্বিতীয় ধাপে পাইরুভিক অ্যাসিড সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে তিন অণু CO₂ ও H₂O এবং ২টি ATP উৎপন্ন করে। এই পর্যায়ের অধিকাংশ বিক্রিয়া চক্রাকারে আবর্তিত হয়। একে বলা হয় ক্রেবস চক্র। তৃতীয় ধাপে গ্লাইকোলাইসিস ও ক্রেবস চক্রে উৎপন্ন NADH + H+ FADH₂ হতে ইলেকট্রন অক্সিজেন-এ স্থানান্তরিত হয়। সবশেষে ইলেকট্রনের এই স্থানান্তরকালে H₂O উৎপন্ন হয়। এ পর্যায়কে বলা হয়, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় মোট ৩৮ অণু ATP উৎপন্ন হয়। অপরদিকে, অবাত শ্বসনে কম শক্তি উৎপন্ন হয় কারণ এতে অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ে না। অবাত শ্বসন দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। অবাত শ্বসনেরও প্রথম ধাপ হলো গ্লাইকোলাইসিস। এটি সবাত শ্বসনের গ্লাইকোলাইসিস ধাপের অনুরূপ। এ ধাপে এক অণু গ্লুকোজ থেকে ২ অণু পাইরুভিক এসিড, ২ অণু NADH + H+ ও ২ অণু ATP উৎপন্ন হয়। দ্বিতীয় ধাপে পাইরুভিক অ্যাসিড অসম্পূর্ণভাবে জারিত হয়ে ইথানল ও CO₂ অথবা শুধু ল্যাকটিক অ্যাসিড সৃষ্টি করে। এসব জৈব যৌগে শক্তি সঞ্চিত থাকে। অক্সিজেন না থাকার কারণে এসব যৌগ ভেঙে সরল যৌগে পরিণত হতে পারে না। যার কারণে রাসায়নিক শক্তি বা গতিশক্তি কম উৎপন্ন হয়। উপরোক্ত আলোচনা থেকে এ কথা স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসন প্রক্রিয়া দুটিতে শক্তি ও দ্রব্য উৎপাদন মাত্রা ভিন্ন হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

A : ইক্ষু ও ভুট্টা B : আম ও কাঁঠাল

Sylhet · 2017

ক
লিমিটিং ফ্যাক্টর কী?

উত্তর

লিমিটিং ফ্যাক্টর হলো যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে সবুজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণকারী ফ্যাক্টর।
খ
খনিজ লবণ পরিশোষণ সাধারণত সক্রিয় প্রক্রিয়ায় ঘটে কেন?

উত্তর

মাটিস্থ দ্রবণে নির্দিষ্ট আয়নের ঘনত্বের চেয়ে মূলরোমের কোষরসে বিদ্যমান আয়নের ঘনত্ব বেশি হওয়া সত্ত্বেও তা মূলরোমে অনুপ্রবেশ করতে দেখা যায়। উপরন্তু নিম্নতাপমাত্রা, স্বল্প অক্সিজেন বা বিপাকে বাধাদানকারী পদার্থের উপস্থিতিতে বিপাকের হার হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে উদ্ভিদের লবণ শোষণ দ্রুত হ্রাস পায়। মাটিস্থ দ্রবণে আয়নের ঘনত্ব কম হলেও যাতে সঠিকভাবে লবণ পরিশোষণ করা যায় এজন্য উদ্ভিদ সাধারণত সক্রিয় প্রক্রিয়ায় খনিজ লবণ শোষণ করে।
গ
A এর উদ্ভিদসমূহ যে প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে তা রেখাচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে সালোকসংশ্লেষন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন প্রথম পদার্থটি হলো 'A′A^{\prime} অর্থাৎ গ্লুকোজ। সালোকসংশ্লেষণের অন্ধকার পর্যায়ে কার্বন বিজারণের মাধ্যমে গ্লুকোজ তৈরি হয়। নিচে সরল বিক্রিয়ার মাধ্যমে হ্যাচ-স্ন্যাক গতিপথে গ্লুকোজ তৈরির প্রক্রিয়াটি দেখানো হলো- question image
ঘ
উদ্দীপক A এবং উদ্দীপক B এর উদ্ভিদসমূহের খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের A: ইক্ষু ও ভুট্টা তে হ্যাচ ও স্ন্যাক চক্র এবং B: আম ও কাঁঠালে ক্যালভিন চক্রের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি হয়। নিচে এদের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- উভয় চক্রের মাধ্যমে উদ্ভিদে গ্লুকোজ তৈরি হয়, তবে ক্যালভিন চক্রের তুলনায় হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রে সালোকসংশ্লেষণ হার বেশি হওয়ায় গ্লুকোজ উৎপাদনও বেশি হয়ে থাকে। ক্যালভিন চক্রে ১, ৫-রাইবুলোজ বিসফসফেট CO₂ গ্রাহক কিন্তু হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রে ফসফোইনোল পাইরুভিক অ্যাসিড হলো CO₂ গ্রাহক। ক্যালভিন চক্রে প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো ৩-ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড যেখানে হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো ৪-কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড। অধিক আলোর প্রখরতায় ক্যালভিন চক্র বন্ধ হলেও হ্যাচ-স্ন্যাক চক্র চলতে থাকে। প্রতি মিলিয়নে ৫০-১৫০ পরিমাণ CO₂ থাকলে ক্যালভিন চক্রে সালোকসংশ্লেষণ হয়। কিন্তু প্রতি মিলিয়নে নিম্নতম ০.১০ পরিমাণ CO₂ থাকলেও হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রে সালোকসংশ্লেষণ চলতে থাকে। ক্যালভিন চক্রের জন্য পরম তাপমাত্রা ১০০ - ২৫° সে. হলেও হ্যাচ- স্ন্যাক চক্রের জন্য পরম তাপমাত্রা ৩০০ - ৪৫° সে.। ক্যালভিন চক্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কিন্তু হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রের সঙ্গে ক্যালভিন চক্র সম্পর্কিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

A : ইক্ষু ও ভুট্টা B : আম ও কাঁঠাল

Sylhet · 2017

ক
লিমিটিং ফ্যাক্টর কী?

উত্তর

লিমিটিং ফ্যাক্টর হলো যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে সবুজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণকারী ফ্যাক্টর।
খ
খনিজ লবণ পরিশোষণ সাধারণত সক্রিয় প্রক্রিয়ায় ঘটে কেন?

উত্তর

মাটিস্থ দ্রবণে নির্দিষ্ট আয়নের ঘনত্বের চেয়ে মূলরোমের কোষরসে বিদ্যমান আয়নের ঘনত্ব বেশি হওয়া সত্ত্বেও তা মূলরোমে অনুপ্রবেশ করতে দেখা যায়। উপরন্তু নিম্নতাপমাত্রা, স্বল্প অক্সিজেন বা বিপাকে বাধাদানকারী পদার্থের উপস্থিতিতে বিপাকের হার হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে উদ্ভিদের লবণ শোষণ দ্রুত হ্রাস পায়। মাটিস্থ দ্রবণে আয়নের ঘনত্ব কম হলেও যাতে সঠিকভাবে লবণ পরিশোষণ করা যায় এজন্য উদ্ভিদ সাধারণত সক্রিয় প্রক্রিয়ায় খনিজ লবণ শোষণ করে।
গ
A এর উদ্ভিদসমূহ যে প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে তা রেখাচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে সালোকসংশ্লেষন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন প্রথম পদার্থটি হলো 'A′A^{\prime} অর্থাৎ গ্লুকোজ। সালোকসংশ্লেষণের অন্ধকার পর্যায়ে কার্বন বিজারণের মাধ্যমে গ্লুকোজ তৈরি হয়। নিচে সরল বিক্রিয়ার মাধ্যমে হ্যাচ-স্ন্যাক গতিপথে গ্লুকোজ তৈরির প্রক্রিয়াটি দেখানো হলো- question image
ঘ
উদ্দীপক A এবং উদ্দীপক B এর উদ্ভিদসমূহের খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের A: ইক্ষু ও ভুট্টা তে হ্যাচ ও স্ন্যাক চক্র এবং B: আম ও কাঁঠালে ক্যালভিন চক্রের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি হয়। নিচে এদের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো- উভয় চক্রের মাধ্যমে উদ্ভিদে গ্লুকোজ তৈরি হয়, তবে ক্যালভিন চক্রের তুলনায় হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রে সালোকসংশ্লেষণ হার বেশি হওয়ায় গ্লুকোজ উৎপাদনও বেশি হয়ে থাকে। ক্যালভিন চক্রে ১, ৫-রাইবুলোজ বিসফসফেট CO₂ গ্রাহক কিন্তু হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রে ফসফোইনোল পাইরুভিক অ্যাসিড হলো CO₂ গ্রাহক। ক্যালভিন চক্রে প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো ৩-ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড যেখানে হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো ৪-কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড। অধিক আলোর প্রখরতায় ক্যালভিন চক্র বন্ধ হলেও হ্যাচ-স্ন্যাক চক্র চলতে থাকে। প্রতি মিলিয়নে ৫০-১৫০ পরিমাণ CO₂ থাকলে ক্যালভিন চক্রে সালোকসংশ্লেষণ হয়। কিন্তু প্রতি মিলিয়নে নিম্নতম ০.১০ পরিমাণ CO₂ থাকলেও হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রে সালোকসংশ্লেষণ চলতে থাকে। ক্যালভিন চক্রের জন্য পরম তাপমাত্রা ১০০ - ২৫° সে. হলেও হ্যাচ- স্ন্যাক চক্রের জন্য পরম তাপমাত্রা ৩০০ - ৪৫° সে.। ক্যালভিন চক্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কিন্তু হ্যাচ-স্ন্যাক চক্রের সঙ্গে ক্যালভিন চক্র সম্পর্কিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো