উদ্দীপকের চিত্র-"B" দ্বারা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট DNA পদ্ধতিকে বুঝানো হয়েছে। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগের ঔষধ ইনসুলিন তৈরি করা যায়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
১. প্রথমে E.coli থেকে নির্দিষ্ট প্লাসমিড আলাদা করে নেওয়া হয় এবং মানুষের অগ্ন্যাশয় কোষ থেকে DNA পৃথক করা হয়।
২. নির্দিষ্ট রেস্ট্রিকশন এনজাইম দ্বারা মানুষের DNA থেকে ইনসুলিন উৎপাদনকারী জিন পৃথক করে নেয়া হয় এবং ঐ মাপে প্লাসমিডের নির্দিষ্ট স্থান কাটা হয়।
৩. প্লাসমিডের কর্তিত স্থানে ইনসুলিন জিন DNA লাইগেজ এনজাইম দ্বারা সংযুক্ত করে রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরি করা হয়।
৪. রিকম্বিনেন্ট DNA-তে জিনের সিকোয়েন্স সঠিক আছে কিনা PCR ও সিকোয়েন্সারের মাধ্যমে তা পরীক্ষা করা হয়।
৫. এরপর রিকম্বিনেন্ট DNA অণুকে পৃথক পোষক ব্যাকটেরিয়ামের (E.coli) দেহে ট্রান্সফরমেশন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করানো হয়, ফলে GM E.coli (Genetic modified E.coli) তৈরি হয়। হিট শক মেথড অথবা ইলেকট্রিক পালস মেথডে ট্রান্সফরমেশন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়।
৬. GM E.coli কে উপযুক্ত কালচার মিডিয়ামযুক্ত ফার্মেন্টেশন ট্যাঙ্ক। বা ফার্মেন্টারে প্রবেশ করিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। অল্প
৭. অতঃপর ফার্মেন্টেশন ট্যাঙ্ক-এর কালচার মিডিয়াম থেকে ব্যাকটেরিয়া সংগ্রহ করে তা থেকে ইনসুলিন আহরণ করা হয়।
৮. এভাবে আহরিত ইনসুলিন বিশুদ্ধ নয়, কারণ এতে ব্যাকটেরিয়ার নিজস্ব কিছু প্রোটিন থাকতে পারে। তাই আহরিত ইনসুলিনকে পরে বিশুদ্ধ করে এম্পুলে ভরে বাজারজাত করা হয়।
সময়েই ফার্মেন্টেশন ট্যাঙ্কে লক্ষ লক্ষ GM E.coli সৃষ্টি হয় এবং সাথে প্রতি কোষে উৎপাদিত ইনসুলিন জমা হতে থাকে।