Chapter 11: জীবপ্রযুক্তি Biology 1st Paper

HSC Biology 1st Paper এর Chapter 11: জীবপ্রযুক্তি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৫১০

প্রশ্ন

Biology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2017

ক
পার্থেনোজেনেসিস কী?

উত্তর

নিষেক ক্রিয়া ছাড়া ডিম্বাণু হতে ভ্রূণ তৈরির প্রক্রিয়াই হলো পার্থেনোজেনেসিস।
খ
জিনোম সিকোয়েন্সিং বলতে কী বোঝ?

উত্তর

DNA অণুর অনুদৈর্ঘ্যে ATGC বেসগুলো কোন অনুক্রমে সজ্জিত থাকে তা উদঘাটন করাই হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং। এটি আধুনিক জীবপ্রযুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা পাটের জীবন রহস্য উদঘাটন করেছেন। এতে নতুন ও উন্নত প্রজাতির রোগমুক্ত পাট উৎপাদন করা সহজ হবে।
গ
উদ্দীপকের চিত্র-Y থেকে চিত্র-Z তৈরির প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র Y অর্থাৎ পরাগরেণু থেকে চিত্র Z অর্থাৎ পুংগ্যামিট তৈরির প্রক্রিয়াটি নিম্নে বর্ণনা করা হলো- পরাগরেণুর নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস তৈরি করে। বড়টিকে বলা হয় নালিকা নিউক্লিয়াস এবং ছোটটিকে বলা হয় জনন নিউক্লিয়াস। পরাগায়নের ফলে পরাগরেণু স্ত্রীকেশরের গর্ভমুণ্ডে পতিত হয় এবং অঙ্কুরিত হয় অর্থাৎ ইনটাইন বৃদ্ধি পেয়ে জার্মপোর দিয়ে নালিকার আকার বাড়তে থাকে। এ নালিকাকে পোলেন টিউব বলে। পোলেন টিউবের ভিতরে নালিকা নিউক্লিয়াস এবং পরে জনন নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে। নালিকাটি গর্ভদণ্ডের ভেতর ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং গর্ভাশয়ের ভিতরে ডিম্বকরন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামিট সৃষ্টি করে।
ঘ
উদ্দীপকের M এবং N প্রক্রিয়ার মধ্যে বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে কোনটি উপযুক্ত? কারণসহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত M ও N প্রক্রিয়াটি হলো যথাক্রমে নিষেক প্রক্রিয়া ও টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। এদের মধ্যে বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে নিষেক ক্রিয়া অধিক উপযুক্ত। নিম্নে উপযুক্ত কারণসহ ব্যাখ্যা করা হলো- টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে বীজ উৎপাদন করা যায় না। ফুল, শস্য বা ফল উৎপাদনকারী কোনো ভালো জাতের উদ্ভিদের টিস্যু নিয়ে কালচার করে অনেক সংখ্যক চারাগাছ উৎপাদন করা সম্ভব হয়। তাছাড়া টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে উৎপন্ন চারাগুলো হুবহু মাতৃউদ্ভিদের গুণসম্পন্ন হয়ে থাকে, তাই নতুন বৈশিষ্ট্যের আবির্ভাব ঘটে না। অপরদিকে নিষেক ক্রিয়ায় স্ত্রীগ্যামিটের সাথে পুংগ্যামিটের মিলন অর্থাৎ যৌন জনন ঘটে। কাজেই নিষেকক্রিয়ার ফলে দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামিটের মিলনের মাধ্যমে একটি ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টি হয়। জাইগোট থেকে ভূণের সৃষ্টি হয়। নিষেকক্রিয়ার মাধ্যমেই প্রজাতিতে জিনের সংমিশ্রণ *ঘটে। এ প্রক্রিয়ায় রিকম্বিনেশনের মাধ্যমে জেনেটিক ডাইভার্সিটি তৈরি হয়। জেনেটিক ডাইভার্সিটির কারণে উদ্ভিদের নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে সুবিধা হয়। নিষেকের মাধ্যমেই বীজ ও ফলের সৃষ্টি হয়। বীজ উদ্ভিদের বংশ রক্ষা করে। বীজ সৃষ্টি না হলে অধিকাংশ পুষ্পক উদ্ভিদই হয়তো বিলুপ্ত হয়ে যেতো। আমরা বিভিন্ন বৈচিত্র্যের যে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, বেল, পেঁপে, বার্লি, ভূট্টা ইত্যাদি যা খেয়ে থাকি তা সবই নিষেকক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয়। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে সহজেই বোঝা যায় যে, উদ্ভিদের বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে নিষেক ক্রিয়াই অধিক উপযুক্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2017

ক
পার্থেনোজেনেসিস কী?

উত্তর

নিষেক ক্রিয়া ছাড়া ডিম্বাণু হতে ভ্রূণ তৈরির প্রক্রিয়াই হলো পার্থেনোজেনেসিস।
খ
জিনোম সিকোয়েন্সিং বলতে কী বোঝ?

উত্তর

DNA অণুর অনুদৈর্ঘ্যে ATGC বেসগুলো কোন অনুক্রমে সজ্জিত থাকে তা উদঘাটন করাই হলো জিনোম সিকোয়েন্সিং। এটি আধুনিক জীবপ্রযুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা পাটের জীবন রহস্য উদঘাটন করেছেন। এতে নতুন ও উন্নত প্রজাতির রোগমুক্ত পাট উৎপাদন করা সহজ হবে।
গ
উদ্দীপকের চিত্র-Y থেকে চিত্র-Z তৈরির প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র Y অর্থাৎ পরাগরেণু থেকে চিত্র Z অর্থাৎ পুংগ্যামিট তৈরির প্রক্রিয়াটি নিম্নে বর্ণনা করা হলো- পরাগরেণুর নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে দুটি অসম নিউক্লিয়াস তৈরি করে। বড়টিকে বলা হয় নালিকা নিউক্লিয়াস এবং ছোটটিকে বলা হয় জনন নিউক্লিয়াস। পরাগায়নের ফলে পরাগরেণু স্ত্রীকেশরের গর্ভমুণ্ডে পতিত হয় এবং অঙ্কুরিত হয় অর্থাৎ ইনটাইন বৃদ্ধি পেয়ে জার্মপোর দিয়ে নালিকার আকার বাড়তে থাকে। এ নালিকাকে পোলেন টিউব বলে। পোলেন টিউবের ভিতরে নালিকা নিউক্লিয়াস এবং পরে জনন নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে। নালিকাটি গর্ভদণ্ডের ভেতর ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং গর্ভাশয়ের ভিতরে ডিম্বকরন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছায়। ইতোমধ্যে জনন নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুটি পুংগ্যামিট সৃষ্টি করে।
ঘ
উদ্দীপকের M এবং N প্রক্রিয়ার মধ্যে বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে কোনটি উপযুক্ত? কারণসহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত M ও N প্রক্রিয়াটি হলো যথাক্রমে নিষেক প্রক্রিয়া ও টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। এদের মধ্যে বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে নিষেক ক্রিয়া অধিক উপযুক্ত। নিম্নে উপযুক্ত কারণসহ ব্যাখ্যা করা হলো- টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে বীজ উৎপাদন করা যায় না। ফুল, শস্য বা ফল উৎপাদনকারী কোনো ভালো জাতের উদ্ভিদের টিস্যু নিয়ে কালচার করে অনেক সংখ্যক চারাগাছ উৎপাদন করা সম্ভব হয়। তাছাড়া টিস্যু কালচার প্রযুক্তিতে উৎপন্ন চারাগুলো হুবহু মাতৃউদ্ভিদের গুণসম্পন্ন হয়ে থাকে, তাই নতুন বৈশিষ্ট্যের আবির্ভাব ঘটে না। অপরদিকে নিষেক ক্রিয়ায় স্ত্রীগ্যামিটের সাথে পুংগ্যামিটের মিলন অর্থাৎ যৌন জনন ঘটে। কাজেই নিষেকক্রিয়ার ফলে দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামিটের মিলনের মাধ্যমে একটি ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টি হয়। জাইগোট থেকে ভূণের সৃষ্টি হয়। নিষেকক্রিয়ার মাধ্যমেই প্রজাতিতে জিনের সংমিশ্রণ *ঘটে। এ প্রক্রিয়ায় রিকম্বিনেশনের মাধ্যমে জেনেটিক ডাইভার্সিটি তৈরি হয়। জেনেটিক ডাইভার্সিটির কারণে উদ্ভিদের নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে সুবিধা হয়। নিষেকের মাধ্যমেই বীজ ও ফলের সৃষ্টি হয়। বীজ উদ্ভিদের বংশ রক্ষা করে। বীজ সৃষ্টি না হলে অধিকাংশ পুষ্পক উদ্ভিদই হয়তো বিলুপ্ত হয়ে যেতো। আমরা বিভিন্ন বৈচিত্র্যের যে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, বেল, পেঁপে, বার্লি, ভূট্টা ইত্যাদি যা খেয়ে থাকি তা সবই নিষেকক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয়। সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনা থেকে সহজেই বোঝা যায় যে, উদ্ভিদের বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে নিষেক ক্রিয়াই অধিক উপযুক্ত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
প্লাজমিড কী?

উত্তর

ব্যাকটেরিয়ার কোষে ক্রোমোসোম বহির্ভূত গোলাকার স্বতন্ত্র DNA হলো প্লাজমিড।
খ
ভাস্কুলার বান্ডল বলতে কী বোঝ?

উত্তর

উদ্ভিদদেহের কাণ্ডে সাধারণত জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যু একই ব্যাসার্ধে অবস্থিত থেকে এক একটি বান্ডল সৃষ্টি করে এবং মূলে জাইলেম এবং ফ্লোয়েম পৃথক ব্যাসার্ধে থেকে পৃথক পৃথক বান্ডল সৃষ্টি করে। জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুর এ বান্ডলকে ভাস্কুলার বান্ডল বলে। ভাস্কুলার বান্ডল বিভিন্ন রকম হয়। যেমন- সংযুক্ত, অরীয়, কেন্দ্রিক ইত্যাদি।
গ
উদ্দীপকের N প্রযুক্তির ধাপসমূহের চিহ্নিত চিত্র দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে চিত্র-N দ্বারা রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে বোঝানো হয়েছে। নিচে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির ধাপসমূহের চিহ্নিত চিত্র দেয়া হলো- question image
ঘ
চিত্র M এর প্রযুক্তি কীভাবে খাদ্য নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখে- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

চিত্র-M হচ্ছে টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। বর্তমান সময়ে উদ্ভিদ প্রজনন, উন্নত জাত উদ্ভাবন ও নিরোগ চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির ব্যবহার বিশ্ব খাদ্য-নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো- i. রোগমুক্ত চারা তৈরি: টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগমুক্ত সতেজ চারা উৎপাদন করা যায়। ii. বছরের সবসময় চারা উৎপাদন: একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বছরের সবসময়ই টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উদ্ভিদ চারা উৎপাদন সম্ভব। iii. ভাইরাসমুক্ত চারা তৈরি: উদ্ভিদের শীর্ষ মুকুল থেকে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হলে উৎপন্ন চারা ভাইরাসমুক্ত হয়ে থাকে। iv. বিলুপ্ত উদ্ভিদকে সংরক্ষণ: যেসব উদ্ভিদ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে, টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তাদেরকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। V. হোমোজাইগাস উদ্ভিদ সৃষ্টি: পরাগরেণু কালচার করে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরির মাধ্যমে পরবর্তীতে অতি সহজেই হোমোজাইগাস ডিপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরি করা যায়। vi. মাতৃ উদ্ভিদের সমগুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরি: উদ্ভিদের কচি অঙ্গ বা দৈহিক কোষ থেকে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হয়। ফলে উৎপন্ন চারা মাতৃ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য পেয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2017

ক
প্লাজমিড কী?

উত্তর

ব্যাকটেরিয়ার কোষে ক্রোমোসোম বহির্ভূত গোলাকার স্বতন্ত্র DNA হলো প্লাজমিড।
খ
ভাস্কুলার বান্ডল বলতে কী বোঝ?

উত্তর

উদ্ভিদদেহের কাণ্ডে সাধারণত জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যু একই ব্যাসার্ধে অবস্থিত থেকে এক একটি বান্ডল সৃষ্টি করে এবং মূলে জাইলেম এবং ফ্লোয়েম পৃথক ব্যাসার্ধে থেকে পৃথক পৃথক বান্ডল সৃষ্টি করে। জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুর এ বান্ডলকে ভাস্কুলার বান্ডল বলে। ভাস্কুলার বান্ডল বিভিন্ন রকম হয়। যেমন- সংযুক্ত, অরীয়, কেন্দ্রিক ইত্যাদি।
গ
উদ্দীপকের N প্রযুক্তির ধাপসমূহের চিহ্নিত চিত্র দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে চিত্র-N দ্বারা রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে বোঝানো হয়েছে। নিচে রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির ধাপসমূহের চিহ্নিত চিত্র দেয়া হলো- question image
ঘ
চিত্র M এর প্রযুক্তি কীভাবে খাদ্য নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখে- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

চিত্র-M হচ্ছে টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। বর্তমান সময়ে উদ্ভিদ প্রজনন, উন্নত জাত উদ্ভাবন ও নিরোগ চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে টিস্যু কালচার প্রযুক্তির ব্যবহার বিশ্ব খাদ্য-নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো- i. রোগমুক্ত চারা তৈরি: টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগমুক্ত সতেজ চারা উৎপাদন করা যায়। ii. বছরের সবসময় চারা উৎপাদন: একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বছরের সবসময়ই টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উদ্ভিদ চারা উৎপাদন সম্ভব। iii. ভাইরাসমুক্ত চারা তৈরি: উদ্ভিদের শীর্ষ মুকুল থেকে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হলে উৎপন্ন চারা ভাইরাসমুক্ত হয়ে থাকে। iv. বিলুপ্ত উদ্ভিদকে সংরক্ষণ: যেসব উদ্ভিদ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে, টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তাদেরকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। V. হোমোজাইগাস উদ্ভিদ সৃষ্টি: পরাগরেণু কালচার করে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরির মাধ্যমে পরবর্তীতে অতি সহজেই হোমোজাইগাস ডিপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরি করা যায়। vi. মাতৃ উদ্ভিদের সমগুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরি: উদ্ভিদের কচি অঙ্গ বা দৈহিক কোষ থেকে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হয়। ফলে উৎপন্ন চারা মাতৃ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য পেয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তাজরী জাপান থেকে নিয়ে আসা কালো গোলাপের একটি অণুচারা থেকে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের গবেষণা ল্যাবে দ্রুত সময়ে হুবহু অনেক চারা তৈরি করে বিক্রি ও বিতরণ করে।

Barisal · 2017

ক
প্যাথোজেন কাকে বলে?

উত্তর

যেসব আণুবীক্ষণিক জীব মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর রোগ সৃষ্টি করে থাকে সেগুলোকে প্যাথোজেন বলে।
খ
এনজাইমের তালা চাবি মতবাদ আলোচনা করো।

উত্তর

এনজাইম কীভাবে সাবস্ট্রেটের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিক্রিয়া ঘটায়-এ সংক্রান্ত একটি মতবাদ হলো তালা-চাবি মতবাদ। এ মতবাদ অনুসারে- একটি তালা যেমন একটি নির্দিষ্ট চাবি ছাড়া খোলে না, তেমনি একটি নির্দিষ্ট এনজাইম একটি নির্দিষ্ট সাবস্ট্রেট ছাড়া অন্য সাবস্ট্রেটের উপর কাজ করে না। এনজাইমের এক বা একাধিক সক্রিয়স্থান থাকে। সাবস্ট্রেট অণু এনজাইমের সক্রিয় স্থানে যুক্ত হয়ে এনজাইম সাবস্ট্রেট যৌগ গঠন করে। পরে এনজাইম সাবস্ট্রেট যৌগ ভেঙ্গে নতুন বিক্রিয়ালব্ধ পদার্থ সৃষ্টি হয় এবং এনজাইম অপরিবর্তিতভাবে পৃথক হয়ে যায়।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত চারা সৃষ্টির পদ্ধতি চিত্রসহ আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত চারা সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত চারা উৎপাদন করার বিভিন্ন ধাপের সচিত্র বর্ণনা নিচে উল্লেখ করা হলো- question image উদ্দীপকের উল্লিখিত প্রক্রিয়াটির ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো- i. মাতৃউদ্ভিদ বা এক্সপ্লান্ট নির্বাচন। ii. কালচার মিডিয়াম বা আবাদ মাধ্যম তৈরি। iii. এক্সপ্লান্ট ও কালচার মিডিয়াম জীবাণুমুক্তকরণ বা নির্জীবকরণ। iv. মিডিয়াম এ এক্সপ্লান্ট বা টিস্যু স্থাপন। V. মিডিয়াম এ স্থাপনকৃত এক্সপ্লান্ট থেকে ক্যালাস সৃষ্টি সংখ্যাবৃদ্ধি ক্যালাস থেকে মুকুল সৃষ্টি। vi. মুকুল মূল উৎপাদক মাধ্যমে স্থানান্তর ও চারা উৎপাদন। vii. চারা টবে স্থানান্তর এবং viii. সবশেষে প্রাকৃতিক পরিবেশে তথা মাঠ পর্যায়ে স্থানান্তর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তি বাংলাদেশের কৃষির কোন ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। টিস্যু কালচার প্রযুক্তি নিম্নলিখিত বিভিন্নক্ষেত্রে অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে- i. রোগমুক্ত চারা তৈরি: টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগমুক্ত সতেজ চারা উৎপাদন করা যায়। ii . বছরের সবসময় চারা উৎপাদন: একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বছরের সবসময়ই টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উদ্ভিদ চারা উৎপাদন সম্ভব। কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হলে উৎপন্ন চারা ভাইরাসমুক্ত iii. ভাইরাসমুক্ত চারা তৈরি: উদ্ভিদের শীর্ষ মুকুল থেকে টিস্যু হয়ে থাকে। iv. বিলুপ্ত উদ্ভিদকে সংরক্ষণ: যেসব উদ্ভিদ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে, টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তাদেরকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। V. হোমোজাইগাস উদ্ভিদ সৃষ্টি: পরাগরেণু কালচার করে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরির মাধ্যমে পরবর্তীতে অতি সহজেই হোমোজাইগাস ডিপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরি করা যায়। vi. মাতৃ উদ্ভিদের সমগুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরি: উদ্ভিদের কচি অঙ্গ বা দৈহিক কোষ থেকে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হয়। ফলে উৎপন্ন চারা মাতৃ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য পেয়ে থাকে। উপরের আলোচনা হতে এটা স্পষ্ট যে, টিস্যু কালচার পদ্ধতি বাংলাদেশের কৃষিতে রোগমুক্ত চারা তৈরি, বছরের সবসময় চারা উৎপাদন, ভাইরাসমুক্ত চারা তৈরি, বিলুপ্ত উদ্ভিদ সংরক্ষণ, মাতৃ উদ্ভিদের সমগুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অবদান রেখে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

তাজরী জাপান থেকে নিয়ে আসা কালো গোলাপের একটি অণুচারা থেকে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের গবেষণা ল্যাবে দ্রুত সময়ে হুবহু অনেক চারা তৈরি করে বিক্রি ও বিতরণ করে।

Barisal · 2017

ক
প্যাথোজেন কাকে বলে?

উত্তর

যেসব আণুবীক্ষণিক জীব মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর রোগ সৃষ্টি করে থাকে সেগুলোকে প্যাথোজেন বলে।
খ
এনজাইমের তালা চাবি মতবাদ আলোচনা করো।

উত্তর

এনজাইম কীভাবে সাবস্ট্রেটের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিক্রিয়া ঘটায়-এ সংক্রান্ত একটি মতবাদ হলো তালা-চাবি মতবাদ। এ মতবাদ অনুসারে- একটি তালা যেমন একটি নির্দিষ্ট চাবি ছাড়া খোলে না, তেমনি একটি নির্দিষ্ট এনজাইম একটি নির্দিষ্ট সাবস্ট্রেট ছাড়া অন্য সাবস্ট্রেটের উপর কাজ করে না। এনজাইমের এক বা একাধিক সক্রিয়স্থান থাকে। সাবস্ট্রেট অণু এনজাইমের সক্রিয় স্থানে যুক্ত হয়ে এনজাইম সাবস্ট্রেট যৌগ গঠন করে। পরে এনজাইম সাবস্ট্রেট যৌগ ভেঙ্গে নতুন বিক্রিয়ালব্ধ পদার্থ সৃষ্টি হয় এবং এনজাইম অপরিবর্তিতভাবে পৃথক হয়ে যায়।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত চারা সৃষ্টির পদ্ধতি চিত্রসহ আলোচনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত চারা সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত চারা উৎপাদন করার বিভিন্ন ধাপের সচিত্র বর্ণনা নিচে উল্লেখ করা হলো- question image উদ্দীপকের উল্লিখিত প্রক্রিয়াটির ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো- i. মাতৃউদ্ভিদ বা এক্সপ্লান্ট নির্বাচন। ii. কালচার মিডিয়াম বা আবাদ মাধ্যম তৈরি। iii. এক্সপ্লান্ট ও কালচার মিডিয়াম জীবাণুমুক্তকরণ বা নির্জীবকরণ। iv. মিডিয়াম এ এক্সপ্লান্ট বা টিস্যু স্থাপন। V. মিডিয়াম এ স্থাপনকৃত এক্সপ্লান্ট থেকে ক্যালাস সৃষ্টি সংখ্যাবৃদ্ধি ক্যালাস থেকে মুকুল সৃষ্টি। vi. মুকুল মূল উৎপাদক মাধ্যমে স্থানান্তর ও চারা উৎপাদন। vii. চারা টবে স্থানান্তর এবং viii. সবশেষে প্রাকৃতিক পরিবেশে তথা মাঠ পর্যায়ে স্থানান্তর।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তি বাংলাদেশের কৃষির কোন ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি হলো টিস্যু কালচার প্রযুক্তি। টিস্যু কালচার প্রযুক্তি নিম্নলিখিত বিভিন্নক্ষেত্রে অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে- i. রোগমুক্ত চারা তৈরি: টিস্যু কালচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগমুক্ত সতেজ চারা উৎপাদন করা যায়। ii . বছরের সবসময় চারা উৎপাদন: একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বছরের সবসময়ই টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উদ্ভিদ চারা উৎপাদন সম্ভব। কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হলে উৎপন্ন চারা ভাইরাসমুক্ত iii. ভাইরাসমুক্ত চারা তৈরি: উদ্ভিদের শীর্ষ মুকুল থেকে টিস্যু হয়ে থাকে। iv. বিলুপ্ত উদ্ভিদকে সংরক্ষণ: যেসব উদ্ভিদ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে, টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তাদেরকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। V. হোমোজাইগাস উদ্ভিদ সৃষ্টি: পরাগরেণু কালচার করে হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরির মাধ্যমে পরবর্তীতে অতি সহজেই হোমোজাইগাস ডিপ্লয়েড উদ্ভিদ তৈরি করা যায়। vi. মাতৃ উদ্ভিদের সমগুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরি: উদ্ভিদের কচি অঙ্গ বা দৈহিক কোষ থেকে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হয়। ফলে উৎপন্ন চারা মাতৃ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য পেয়ে থাকে। উপরের আলোচনা হতে এটা স্পষ্ট যে, টিস্যু কালচার পদ্ধতি বাংলাদেশের কৃষিতে রোগমুক্ত চারা তৈরি, বছরের সবসময় চারা উৎপাদন, ভাইরাসমুক্ত চারা তৈরি, বিলুপ্ত উদ্ভিদ সংরক্ষণ, মাতৃ উদ্ভিদের সমগুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ তৈরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অবদান রেখে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো