শেয়ারFacebookWhatsApp

C অবস্থাটি মানবদেহের কোন কোষে কীভাবে জীবনচক্র সম্পাদন করে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: C হলো স্পোরোজয়েট।রক্তপিপাসু মশকী কোনো মানুষের রক্ত পান করলে এই স্পোরোজয়েট লালারসের সাথে মানবদেহে স্থানান্তরিত হয় এবং ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। মানুষের যকৃত ও লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়ার পরজীবীর অযৌন জনন পদ্ধতিতে জীবন চক্র সম্পন্ন করে যাতে সাইজন্ট নামক বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট একটি বিশেষ দশা বিদ্যমান থাকে। মানবদেহে সংঘটিত সাইজোগনিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১। হেপাটিক সাইজোগনি বা যকৃত সাইজেগেনি ● প্রি এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি ● এক্সো এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি ২। এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি বা লোহিত রক্তকণিকা সাইজোগনি মানবদেহের কোষে C বা স্পোরোজয়েট এর জীবনচক্র দেয়া হল: [চিত্র]

HSC Biology 1st Paper Chapter 4: অণুজীব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 1st Paper · Chapter 4: অণুজীব · সৃজনশীল

C অবস্থাটি মানবদেহের কোন কোষে কীভাবে জীবনচক্র সম্পাদন করে তা ব্যাখ্…

উদ্দীপক

A + B à জাইগোট (2n) à উওসিস্ট (2n) à C (স্পোরোজয়েট)

উত্তর

ভেক্টর হলো একটি প্রাণী যা অন্য প্রাণীর উপর কোন রোগ বা সংক্রমণ ছড়ায় যেমন: ম্যালেরিয়ার জন্য, মশা একটি প্রধান ভেক্টর।

উত্তর

লাইসোজেনিক চক্রকে টেমপারেট দশা বলা হয়। যে প্রক্রিয়ায় ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশের পর ভাইরাল DNA-টি ব্যাকটেরিয়াল DNA অণুর সঙ্গে সংযুক্ত হয় এবং ব্যাকটেরিয়াল DNA-র সঙ্গে একত্রিত হয়ে রেপ্লিকেট করে কিন্তু পূর্ণাঙ্গ ভাইরাসরূপে ব্যাকটেরিয়া কোষের বিদারণ বা লাইসিস ঘটিয়ে মুক্ত হয় না তাকে লাইসোজেনিক চক্র বলে। ল্যামডা ফায (১-ফায়), P₁ ফায়, M13 ফাষ ইত্যাদি ভাইরাস - ফায় Escherichia coli (E. coli) ব্যাকটেরিয়া কোষে লাইসোজেনিক চক্র সম্পন্ন করে।

উত্তর

উদ্দীপকের A ও B হলো যথাক্রমে মাইক্রোগ্যামিট (শুক্রাণু) ও ম্যক্রোগ্যামিট (ডিম্বাণু)। মশকীর ত্রুপের অভ্যন্তরে গ্যামিট সৃষ্টির মাধ্যমে ম্যালেরিয়ার জীবাণুর যৌন জননকে গ্যামিটোগনি বলে। গ্যামিটোগনি কয়েকটি নির্দিষ্ট ধাপে ঘটে। যথা: ১। জননকোষ সৃষ্টি বা গ্যামিটোজেনেসিস (Gametogenesis) যা দু'প্রকার। যথা- (ক) স্পার্মাটোজেনেসিস: মাইক্রোগ্যামিটোসাইট থেকে মাইক্রোগ্যামিট বা শুক্রাণু বা পুংজনন কোষ গঠন প্রক্রিয়াকে স্পার্মাটোজেনেসিস বলে। ● \end{if}]--> প্রথমে মাইক্রোগ্যামিটোসাইটের হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভক্ত হয়ে ৪ - ৮টি ক্ষুদ্রাকার হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। এ সময় জীবাণু কয়েকটি কোণা (৪-৮টা) বিশিষ্ট হয়। প্রতিটি কোণার মধ্যে একটি করে ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে এবং নিউক্লিয়াসের চারদিকে সাইটোপ্লাজম জমা হয়। এদেরকে সাইটোপ্লাজমীয় অভিক্ষেপ বলে। এর পরপরই জীবাণুর দেহটি কতগুলো ফ্ল্যাজেলা আকৃতির সরু মাকুর মতো মাইক্রোগ্যামিট বা শুক্রাণুতে পরিণত হয়। ক্রপের গহ্বরে তাপের তারতম্যের দরুন এই প্রক্রিয়া ঘটে।। ক্রপের গহ্বরে ম্যালেরিয়া জীবাবুর স্পার্মাটোজেনেসিসের এ বিশেষ প্রক্রিয়াকে এক্সফ্ল্যাজেলেশন (Exflagellation) বলে।মাইক্রোগ্যামিটগুলো প্রথমে একসাথে থাকে, পরে এরা মাতৃকোষ থেকে এক্সফ্ল্যাজেলেশন প্রক্রিয়ায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার জন্য সাঁতার কাটতে থাকে। (খ) উওজেনেসিস: ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট থেকে ম্যাক্রোগ্যামিট বা ডিম্বাণু বা স্ত্রীজননকোষ গঠন প্রক্রিয়াকে উওজেনেসিস বলে। এ প্রক্রিয়া কয়েকটি উপধাপে ঘটে। যথা- প্রথমে প্রতিটি ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট-এর হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসটি বিভক্ত হয় ও একটি করে সক্রিয় গোলাকার ম্যাক্রোগ্যামিটে বা ডিম্বাণুতে পরিণত হয়। এ ছাড়া পোলার বডি নামক আর একটি কোষের আবির্ভাব ঘটলেও শীঘ্রই তা নই হয়ে যায়।এর পরপরই ম্যাক্রোগ্যামিটের একপ্রান্ত কিছুটা উঁচু হয়ে ওঠে। এ অঞ্চলকে নিষেক শঙ্কু/কোণ (Fertilization cone) বা অভ্যর্থনা শত্রু (Reception cone) বলে। ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াস এ শঙ্কুর কাছে অবস্থান করে।

উত্তর

C হলো স্পোরোজয়েট।রক্তপিপাসু মশকী কোনো মানুষের রক্ত পান করলে এই স্পোরোজয়েট লালারসের সাথে মানবদেহে স্থানান্তরিত হয় এবং ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। মানুষের যকৃত ও লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়ার পরজীবীর অযৌন জনন পদ্ধতিতে জীবন চক্র সম্পন্ন করে যাতে সাইজন্ট নামক বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট একটি বিশেষ দশা বিদ্যমান থাকে। মানবদেহে সংঘটিত সাইজোগনিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১। হেপাটিক সাইজোগনি বা যকৃত সাইজেগেনি ● \end{if}]-->প্রি এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি ● \end{if}]-->এক্সো এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি ২। এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি বা লোহিত রক্তকণিকা সাইজোগনি মানবদেহের কোষে C বা স্পোরোজয়েট এর জীবনচক্র দেয়া হল: question image question image
HSCBiology 1st PaperChapter 4: অণুজীব
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
প্লাসমিড কী?
খ
জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপক P-তে নির্দেশিত রোগ প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করো ।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
প্লাসমিড কী?
খ
জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপক P-তে নির্দেশিত রোগ প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করো ।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?

জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্লাসমিড কী?

প্লাসমিড কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গতরাত থেকে তানিয়ার বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, এতে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং রক্তচাপ কমে যায়। আবার তার বান্ধবী রিতা কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা গিয়েছে।

Dinajpur · 2017

ক
ক্যাপসোমিয়ার কী?
খ
ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?
গ
তানিয়ার রোগটির জন্য দায়ী জীবাণুর একটি আদর্শ গঠনের বর্ণনা দাও।
ঘ
রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গতরাত থেকে তানিয়ার বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, এতে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং রক্তচাপ কমে যায়। আবার তার বান্ধবী রিতা কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা গিয়েছে।

Dinajpur · 2017

ক
ক্যাপসোমিয়ার কী?
খ
ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?
গ
তানিয়ার রোগটির জন্য দায়ী জীবাণুর একটি আদর্শ গঠনের বর্ণনা দাও।
ঘ
রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ক্যাপসোমিয়ার কী?

ক্যাপসোমিয়ার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, জলাতঙ্ক গ্রুপ B: যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টিটেনাস

Sylhet · 2017

ক
ভিরিয়ন কী?
খ
ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?
গ
গ্রুপ B এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব সর্বদাই অন্যের সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, জলাতঙ্ক গ্রুপ B: যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টিটেনাস

Sylhet · 2017

ক
ভিরিয়ন কী?
খ
ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?
গ
গ্রুপ B এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব সর্বদাই অন্যের সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?

ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভিরিয়ন কী?

ভিরিয়ন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।