Chapter 4: অণুজীব Biology 1st Paper

HSC Biology 1st Paper এর Chapter 4: অণুজীব অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৭০৭

প্রশ্ন

Biology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
প্লাসমিড কী?

উত্তর

ক্রোমোসোম বহির্ভূত বৃত্তাকার দ্বিসুত্রক DNA অনুকে প্লাসমিড বলা হয়।
খ
জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

পোষক দেহে কোনো রোগের জীবাণু প্রবেশের সময় থেকে সেই পোষকের দেহে উক্ত রোগের লক্ষণ প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত সময়কে রোগের সুপ্তাবস্থাকাল বলে। যেমন : ম্যালেরিয়া জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করার সাথে সাথে মানবদেহে জ্বরের লক্ষণ প্রকাশিত হয় না। জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করার কিছুদিন পর ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। ম্যালেরিয়া জীবাণু মানুষের দেহে প্রবেশ করার সময় থেকে মানুষে ম্যালেরিয়া জ্বরের লক্ষণগুলো প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত সময়কে ম্যালেরিয়া রোগের সুপ্তাবস্থাকাল বা সুপ্তিকাল বলে। কোনো রোগের জন্য সুপ্তিকাল সাধারণভাবে নির্দিষ্ট।
গ
উদ্দীপক P-তে নির্দেশিত রোগ প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করো ।

উত্তর

উদ্দীপকে নির্দেশিত রোগ P হলো ডেঙ্গু জ্বর। ডেঙ্গু একটি ভাইরাসঘটিত রোগ। এটি ফ্লাভিভাইরাস বা ডেঙ্গী ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে।এ রোগে জ্বর ১০৩°-১০৫°F হয়ে থাকে। এ জ্বরে মেরুদণ্ড ও কোমর অনেক ব্যাথা হয়। তাই একে হাড়ভাঙা জ্বর বলে। নিচে এ রোগ প্রতিরোধের উপায় দেয়া হলো- ১) ডেঙ্গু মশা নিধন করাই প্রতিরোধের প্রধান উপায়। ২) এই মশা দিনের বেলায় কামড়ায়, কাজেই দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে বাঁচতে হবে। ৩) রোগ প্রতিরোধে দিনের বেলায় মশারী টানিয়ে ঘুমানো, মশার কয়েল ব্যবহার করতে হবে, যাতে মশা কামড়াতে না পারে। ৪) এই মশা ময়লা পানিতে জন্মায় না, বাড়ির আশপাশে বিভিন্ন কনটেইনারে (ফুলের টব, ভাঙ্গা হাঁড়ি পাতিল, ডাবের খোসা, ড্রাম ইত্যাদি) রক্ষিত বা সঞ্চিত পরিষ্কার পানিতে জন্মায়, তাই পানির এসব উৎস ধ্বংস করতে হবে অর্থাৎ পানি জমতে না দেয়া। ৫) এডিস মশা গড়ে ২১ দিন বাঁচে। তাই একই সাথে লার্ভা ও পূর্ণাঙ্গ মশা নিধনের জন্য নিয়মিত পতঙ্গনাশক স্প্রে করে রোগ প্রতিরোধ করা যায়। সুতরাং, উপর্যুক্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবি হলো ম্যালেরিয়া অথবা Plasmodium. ম্যালেরিয়া হলো এক ধরনের জ্বর।এটি anopleles মশকী দ্বারা হয়ে থাকে।এ রোগে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়, নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর জ্বর আসে। কোন জীব তার অনুরূপ সৃষ্টি করতে যে সকল ধাপসমূহ অতিক্রম করে, তাদের সমষ্টিকে জীবন চক্র বলে। Plasmodium এর জীবন চক্র সম্পন্ন করতে দুটি পোষকের প্রয়োজন হয়, যথা-মানুষ ও মশকী। মানুষ ম্যালেরিয়া পরজীবীর মাধ্যমিক বা গৌণ পোষক, কারণ মানবদেহে এ পরজীবীর যৌন জনন হয় না। অপরদিকে মশকী এ পরজীবীর নির্দিষ্ট বা মুখ্য পোষক, কারণ মশকীর দেহে এ পরজীবীর যৌন পরিপক্বতা তৈরি হয় ও যৌন জনন সম্পন্ন হয়। নিম্নশ্রেণির জীবেরা বার বার অযৌন পদ্ধতিতে বংশ বিস্তারের কারণে তাদের জীবনীশক্তি হ্রাস পায় । তাই তারা মাঝে মাঝে যৌন জননে আবদ্ধ হয়ে জীবনীশক্তি পুনরুদ্ধার করে। এটি নিম্নশ্রেণির জীবদের Evolutionary অভিযোজন। Plasmodium এর জীবনেও এমনটি ঘটেছে। তাই তারা একটি পোষকের মাধ্যমে (যেহেতু যৌন জনন মশকীতে ও অযৌন জনন মানবদেহে) জীবন চক্র সম্পন্ন করতে পারে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image
ক
প্লাসমিড কী?

উত্তর

ক্রোমোসোম বহির্ভূত বৃত্তাকার দ্বিসুত্রক DNA অনুকে প্লাসমিড বলা হয়।
খ
জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

পোষক দেহে কোনো রোগের জীবাণু প্রবেশের সময় থেকে সেই পোষকের দেহে উক্ত রোগের লক্ষণ প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত সময়কে রোগের সুপ্তাবস্থাকাল বলে। যেমন : ম্যালেরিয়া জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করার সাথে সাথে মানবদেহে জ্বরের লক্ষণ প্রকাশিত হয় না। জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করার কিছুদিন পর ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। ম্যালেরিয়া জীবাণু মানুষের দেহে প্রবেশ করার সময় থেকে মানুষে ম্যালেরিয়া জ্বরের লক্ষণগুলো প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত সময়কে ম্যালেরিয়া রোগের সুপ্তাবস্থাকাল বা সুপ্তিকাল বলে। কোনো রোগের জন্য সুপ্তিকাল সাধারণভাবে নির্দিষ্ট।
গ
উদ্দীপক P-তে নির্দেশিত রোগ প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করো ।

উত্তর

উদ্দীপকে নির্দেশিত রোগ P হলো ডেঙ্গু জ্বর। ডেঙ্গু একটি ভাইরাসঘটিত রোগ। এটি ফ্লাভিভাইরাস বা ডেঙ্গী ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে।এ রোগে জ্বর ১০৩°-১০৫°F হয়ে থাকে। এ জ্বরে মেরুদণ্ড ও কোমর অনেক ব্যাথা হয়। তাই একে হাড়ভাঙা জ্বর বলে। নিচে এ রোগ প্রতিরোধের উপায় দেয়া হলো- ১) ডেঙ্গু মশা নিধন করাই প্রতিরোধের প্রধান উপায়। ২) এই মশা দিনের বেলায় কামড়ায়, কাজেই দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে বাঁচতে হবে। ৩) রোগ প্রতিরোধে দিনের বেলায় মশারী টানিয়ে ঘুমানো, মশার কয়েল ব্যবহার করতে হবে, যাতে মশা কামড়াতে না পারে। ৪) এই মশা ময়লা পানিতে জন্মায় না, বাড়ির আশপাশে বিভিন্ন কনটেইনারে (ফুলের টব, ভাঙ্গা হাঁড়ি পাতিল, ডাবের খোসা, ড্রাম ইত্যাদি) রক্ষিত বা সঞ্চিত পরিষ্কার পানিতে জন্মায়, তাই পানির এসব উৎস ধ্বংস করতে হবে অর্থাৎ পানি জমতে না দেয়া। ৫) এডিস মশা গড়ে ২১ দিন বাঁচে। তাই একই সাথে লার্ভা ও পূর্ণাঙ্গ মশা নিধনের জন্য নিয়মিত পতঙ্গনাশক স্প্রে করে রোগ প্রতিরোধ করা যায়। সুতরাং, উপর্যুক্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবি হলো ম্যালেরিয়া অথবা Plasmodium. ম্যালেরিয়া হলো এক ধরনের জ্বর।এটি anopleles মশকী দ্বারা হয়ে থাকে।এ রোগে লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হয়, নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর জ্বর আসে। কোন জীব তার অনুরূপ সৃষ্টি করতে যে সকল ধাপসমূহ অতিক্রম করে, তাদের সমষ্টিকে জীবন চক্র বলে। Plasmodium এর জীবন চক্র সম্পন্ন করতে দুটি পোষকের প্রয়োজন হয়, যথা-মানুষ ও মশকী। মানুষ ম্যালেরিয়া পরজীবীর মাধ্যমিক বা গৌণ পোষক, কারণ মানবদেহে এ পরজীবীর যৌন জনন হয় না। অপরদিকে মশকী এ পরজীবীর নির্দিষ্ট বা মুখ্য পোষক, কারণ মশকীর দেহে এ পরজীবীর যৌন পরিপক্বতা তৈরি হয় ও যৌন জনন সম্পন্ন হয়। নিম্নশ্রেণির জীবেরা বার বার অযৌন পদ্ধতিতে বংশ বিস্তারের কারণে তাদের জীবনীশক্তি হ্রাস পায় । তাই তারা মাঝে মাঝে যৌন জননে আবদ্ধ হয়ে জীবনীশক্তি পুনরুদ্ধার করে। এটি নিম্নশ্রেণির জীবদের Evolutionary অভিযোজন। Plasmodium এর জীবনেও এমনটি ঘটেছে। তাই তারা একটি পোষকের মাধ্যমে (যেহেতু যৌন জনন মশকীতে ও অযৌন জনন মানবদেহে) জীবন চক্র সম্পন্ন করতে পারে না।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গতরাত থেকে তানিয়ার বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, এতে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং রক্তচাপ কমে যায়। আবার তার বান্ধবী রিতা কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা গিয়েছে।

Dinajpur · 2017

ক
ক্যাপসোমিয়ার কী?

উত্তর

ভাইরাসের ক্যাপসিডের প্রতিটি প্রোটিন অণুই হলো ক্যাপসোমিয়ার।
খ
ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

উত্তর

ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র সম্পন্ন করতে যৌন ও অযৌন চক্র ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আবার এ চক্র দুটি একটি পোষকদেহে সম্পন্ন হয় না। পরজীবীটি মশকীর দেহে যৌন জনন এবং মানুষের দেহে অযৌন জনন সম্পন্ন করে। সুতরাং পরজীবীটির পূর্ণাঙ্গ জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্যই দুটি পোষক প্রয়োজন।
গ
তানিয়ার রোগটির জন্য দায়ী জীবাণুর একটি আদর্শ গঠনের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে তানিয়ার যে রোগটি উল্লিখিত হয়েছে তা হলো কলেরা। আর এই রোগের জন্য দায়ী জীবাণু হলো ব্যাকটেরিয়া। নিম্নে ব্যাকটেরিয়ার আদর্শ গঠনের বর্ণনা দেওয়া হলো- প্রতিটি ব্যাকটেরিয়াম কোষকে ঘিরে একটি জড় কোষ প্রাচীর থাকে। এর প্রধান উপাদান পেপটিডোগ্লাইকান। বহু ব্যাকটেরিয়াতে কোষ প্রাচীরকে ঘিরে জটিল কর্বোহাইড্রেট দিয়ে বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি পুরু স্তর থাকে, যাকে ক্যাপসিউল বলে। অনেক ব্যাকটেরিয়াতে একটি ফ্ল্যাজেলাম বা একাধিক ফ্ল্যাজেলা থাকে। ফ্ল্যাজেলা ছাড়াও কোনো ব্যাকটেরিয়াতে খাটো ও শক্ত পিলি থাকে। সাইটোপ্লাজমকে বেষ্টন করে সজীব প্লাজমামেমব্রেন অবস্থিত। ব্যাকটেরিয়া কোষের প্লাজমামেমব্রেন কখনো কখনো ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে মেসোজোম গঠন করে। সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন দিয়ে পরিবেষ্টিত অবস্থায় সাইটোপ্লাজম অবস্থিত। সাইটোপ্লাজম বর্ণহীন, স্বচ্ছ। এতে বিদ্যমান থাকে ছোট ছোট কোষ গহ্বর, চর্বি, শর্করা জাতীয় খাদ্য, প্রোটিন, খনিজ পদার্থ। সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য অঙ্গাণু হলো মুক্ত রাইবোজোম এবং পলিরাইবোজোম। কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াসের পরিবর্তে কেবল মাত্র একটি ক্রোমোসোম থাকে, যা সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত। বহু ব্যাকটেরিয়াতে বৃহৎ ক্রোমোসোম ছাড়াও একটি ক্ষুদ্রাকার ও বৃত্তাকার ক্রোমোসোম থাকে, যা প্লাসমিড নামে পরিচিত।
ঘ
রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন। কারণ- রিতার রোগের লক্ষণ থেকে বোঝা যায়, তার ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে যা ভাইরাসজনিত। কারণ কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বর থাকা, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা দেওয়া ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ। আর এ রোগ থেকে প্রতিকারের জন্য প্রথমত অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ পরিত্যাগ করতে হবে। ব্যথা ও জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ দিতে হয়। রক্তের সাম্যতা রক্ষার জন্য প্ল্যাটিলেট ট্রান্সফিউশন এর প্রয়োজন পড়ে। রোগীকে প্রচুর পানি, ফলের রস ও তরল খাবার দিতে হয়। মাথায় পানি ঢালা, গায়ের ঘাম মুছে দেওয়া, ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর স্পঞ্জ করে দেয়া রোগীর জন্য ফলদায়ক হয়। অপরদিকে তানিয়ার রোগটি হলো কলেরা এবং তা ব্যাকটেরিয়াজনিত। কারণ বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, রক্ত কমে যাওয়া এগুলো সবই কলেরা রোগের লক্ষণ। আর এ রোগের প্রতিকার হলো- কলেরা রোগীর দেহ থেকে অতিমাত্রায় লবণ ও পানি বের হয়ে যায়। তাই পানি ও লবণের সমন্বয়ের জন্য শিরায় স্যালাইন দেওয়া হয়। সাথে ডাবের পানি ও খাবার স্যালাইন দিতে হয়। এছাড়া ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দিতে হয়। মোট কথা রোগীর দেহে যাতে পানিশূন্যতা দেখা না দিতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হয়। উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্টভাবেই বোঝা যায় যে, রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গতরাত থেকে তানিয়ার বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, এতে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং রক্তচাপ কমে যায়। আবার তার বান্ধবী রিতা কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা গিয়েছে।

Dinajpur · 2017

ক
ক্যাপসোমিয়ার কী?

উত্তর

ভাইরাসের ক্যাপসিডের প্রতিটি প্রোটিন অণুই হলো ক্যাপসোমিয়ার।
খ
ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

উত্তর

ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র সম্পন্ন করতে যৌন ও অযৌন চক্র ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আবার এ চক্র দুটি একটি পোষকদেহে সম্পন্ন হয় না। পরজীবীটি মশকীর দেহে যৌন জনন এবং মানুষের দেহে অযৌন জনন সম্পন্ন করে। সুতরাং পরজীবীটির পূর্ণাঙ্গ জীবনচক্র সম্পন্ন করার জন্যই দুটি পোষক প্রয়োজন।
গ
তানিয়ার রোগটির জন্য দায়ী জীবাণুর একটি আদর্শ গঠনের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে তানিয়ার যে রোগটি উল্লিখিত হয়েছে তা হলো কলেরা। আর এই রোগের জন্য দায়ী জীবাণু হলো ব্যাকটেরিয়া। নিম্নে ব্যাকটেরিয়ার আদর্শ গঠনের বর্ণনা দেওয়া হলো- প্রতিটি ব্যাকটেরিয়াম কোষকে ঘিরে একটি জড় কোষ প্রাচীর থাকে। এর প্রধান উপাদান পেপটিডোগ্লাইকান। বহু ব্যাকটেরিয়াতে কোষ প্রাচীরকে ঘিরে জটিল কর্বোহাইড্রেট দিয়ে বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি পুরু স্তর থাকে, যাকে ক্যাপসিউল বলে। অনেক ব্যাকটেরিয়াতে একটি ফ্ল্যাজেলাম বা একাধিক ফ্ল্যাজেলা থাকে। ফ্ল্যাজেলা ছাড়াও কোনো ব্যাকটেরিয়াতে খাটো ও শক্ত পিলি থাকে। সাইটোপ্লাজমকে বেষ্টন করে সজীব প্লাজমামেমব্রেন অবস্থিত। ব্যাকটেরিয়া কোষের প্লাজমামেমব্রেন কখনো কখনো ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে মেসোজোম গঠন করে। সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন দিয়ে পরিবেষ্টিত অবস্থায় সাইটোপ্লাজম অবস্থিত। সাইটোপ্লাজম বর্ণহীন, স্বচ্ছ। এতে বিদ্যমান থাকে ছোট ছোট কোষ গহ্বর, চর্বি, শর্করা জাতীয় খাদ্য, প্রোটিন, খনিজ পদার্থ। সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য অঙ্গাণু হলো মুক্ত রাইবোজোম এবং পলিরাইবোজোম। কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াসের পরিবর্তে কেবল মাত্র একটি ক্রোমোসোম থাকে, যা সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত। বহু ব্যাকটেরিয়াতে বৃহৎ ক্রোমোসোম ছাড়াও একটি ক্ষুদ্রাকার ও বৃত্তাকার ক্রোমোসোম থাকে, যা প্লাসমিড নামে পরিচিত।
ঘ
রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন। কারণ- রিতার রোগের লক্ষণ থেকে বোঝা যায়, তার ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে যা ভাইরাসজনিত। কারণ কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বর থাকা, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা দেওয়া ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ। আর এ রোগ থেকে প্রতিকারের জন্য প্রথমত অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ পরিত্যাগ করতে হবে। ব্যথা ও জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ দিতে হয়। রক্তের সাম্যতা রক্ষার জন্য প্ল্যাটিলেট ট্রান্সফিউশন এর প্রয়োজন পড়ে। রোগীকে প্রচুর পানি, ফলের রস ও তরল খাবার দিতে হয়। মাথায় পানি ঢালা, গায়ের ঘাম মুছে দেওয়া, ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর স্পঞ্জ করে দেয়া রোগীর জন্য ফলদায়ক হয়। অপরদিকে তানিয়ার রোগটি হলো কলেরা এবং তা ব্যাকটেরিয়াজনিত। কারণ বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, রক্ত কমে যাওয়া এগুলো সবই কলেরা রোগের লক্ষণ। আর এ রোগের প্রতিকার হলো- কলেরা রোগীর দেহ থেকে অতিমাত্রায় লবণ ও পানি বের হয়ে যায়। তাই পানি ও লবণের সমন্বয়ের জন্য শিরায় স্যালাইন দেওয়া হয়। সাথে ডাবের পানি ও খাবার স্যালাইন দিতে হয়। এছাড়া ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দিতে হয়। মোট কথা রোগীর দেহে যাতে পানিশূন্যতা দেখা না দিতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হয়। উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্টভাবেই বোঝা যায় যে, রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, জলাতঙ্ক গ্রুপ B: যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টিটেনাস

Sylhet · 2017

ক
ভিরিয়ন কী?

উত্তর

নিউক্লিক অ্যাসিড ও একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত এক একটি সংক্রমণক্ষম সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাই হলো ভিরিয়ন।
খ
ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?

উত্তর

ডেঙ্গু একটি ফ্ল্যাভিভাইরাস জনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হয়। হিমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে দাঁতের মাড়ি, নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। আন্ত্রিক রক্তক্ষরণ হতে পারে। রক্তে অনুচক্রিকা খুব কমে যায়। যথোপযুক্ত চিকিৎসা না হলে রোগী মারাও যেতে পারে। এসকল কারণে ডেঙ্গু মানুষের জন্য বিপদজনক।
গ
গ্রুপ B এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত B অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। নিচে একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়া কোষের চিহ্নিত চিত্র অংকন করা হলো- question image চিত্র: একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষ
ঘ
গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব সর্বদাই অন্যের সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব হলো ভাইরাস। ভাইরাসের জীবীয় বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হলো সজীব কোষের অভ্যন্তরে এরা বংশবৃদ্ধি করে। যেমন, T₂ ফায ভাইরাস E. coli ব্যাকটেরিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে। ভাইরাস তথা T2 ফায এর বংশ বিস্তার বিশ্লেষণ করলে সহজেই বোঝা যায় এরা বংশ বিস্তারের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল। T₂ ফাযের বংশ বিস্তার- সংক্রমণ পর্যায়: ব্যাকটেরিয়া কোষের সংস্পর্শে আসা হতে ভাইরাস DNA ব্যাকটেরিয়ামের কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ পর্যন্ত এ পর্যায়ের বিস্তৃতি। স্পর্শক তন্তুর সাহায্যে এটি E.coli ব্যাকটেরিয়ামের গায়ে লেগে যায়। লেগে থাকা স্থানের কোষ প্রাচীর ছিদ্র হয়ে যায় এবং ভাইরাস শুধুমাত্র তার জেনেটিক বস্তু (DNA) ব্যাকটেরিয়াম কোষে অন্তঃক্ষেপ দ্বারা প্রবেশ করিয়ে দেয়। সংখ্যাবৃদ্ধি পর্যায়: ভাইরাস DNA ও প্রোটিন আবরণ গঠন এবং নতুন ভাইরাস গঠন পর্যন্ত এ পর্যায়ের বিস্তৃতি। অতি অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাস DNA ব্যাকটেরিয়ামের এনজাইমকে সংগঠিত করে অনেক নতুন ভাইরাস DNA এবং সেই সাথে প্রোটিন আবরণ তৈরি করে। শেষ পর্যায়ে DNA ও প্রোটিন আবরণ মিলে নতুন ভাইরাস সৃষ্টি করে। বিগলন পর্যায়: ব্যাকটেরিয়ামের কোষ প্রাচীর ছিন্ন করে নতুন ভাইরাসগুলোর বের হয়ে আসাকে বিগলন পর্যায় বলে। এভাবে মাত্র ৩০ মিনিট সময়ের মধ্যে ৩০০ নতুন ভাইরাস সৃষ্টি হতে পারে। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ভাইরাস সর্বদাই অন্যের সহায়তায় অর্থাৎ E. coli ব্যাকটেরিয়ার সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBiology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, জলাতঙ্ক গ্রুপ B: যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টিটেনাস

Sylhet · 2017

ক
ভিরিয়ন কী?

উত্তর

নিউক্লিক অ্যাসিড ও একে ঘিরে অবস্থিত ক্যাপসিড সমন্বয়ে গঠিত এক একটি সংক্রমণক্ষম সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাই হলো ভিরিয়ন।
খ
ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?

উত্তর

ডেঙ্গু একটি ফ্ল্যাভিভাইরাস জনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হয়। হিমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে দাঁতের মাড়ি, নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। আন্ত্রিক রক্তক্ষরণ হতে পারে। রক্তে অনুচক্রিকা খুব কমে যায়। যথোপযুক্ত চিকিৎসা না হলে রোগী মারাও যেতে পারে। এসকল কারণে ডেঙ্গু মানুষের জন্য বিপদজনক।
গ
গ্রুপ B এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত B অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। নিচে একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়া কোষের চিহ্নিত চিত্র অংকন করা হলো- question image চিত্র: একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষ
ঘ
গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব সর্বদাই অন্যের সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব হলো ভাইরাস। ভাইরাসের জীবীয় বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হলো সজীব কোষের অভ্যন্তরে এরা বংশবৃদ্ধি করে। যেমন, T₂ ফায ভাইরাস E. coli ব্যাকটেরিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে। ভাইরাস তথা T2 ফায এর বংশ বিস্তার বিশ্লেষণ করলে সহজেই বোঝা যায় এরা বংশ বিস্তারের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল। T₂ ফাযের বংশ বিস্তার- সংক্রমণ পর্যায়: ব্যাকটেরিয়া কোষের সংস্পর্শে আসা হতে ভাইরাস DNA ব্যাকটেরিয়ামের কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ পর্যন্ত এ পর্যায়ের বিস্তৃতি। স্পর্শক তন্তুর সাহায্যে এটি E.coli ব্যাকটেরিয়ামের গায়ে লেগে যায়। লেগে থাকা স্থানের কোষ প্রাচীর ছিদ্র হয়ে যায় এবং ভাইরাস শুধুমাত্র তার জেনেটিক বস্তু (DNA) ব্যাকটেরিয়াম কোষে অন্তঃক্ষেপ দ্বারা প্রবেশ করিয়ে দেয়। সংখ্যাবৃদ্ধি পর্যায়: ভাইরাস DNA ও প্রোটিন আবরণ গঠন এবং নতুন ভাইরাস গঠন পর্যন্ত এ পর্যায়ের বিস্তৃতি। অতি অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাস DNA ব্যাকটেরিয়ামের এনজাইমকে সংগঠিত করে অনেক নতুন ভাইরাস DNA এবং সেই সাথে প্রোটিন আবরণ তৈরি করে। শেষ পর্যায়ে DNA ও প্রোটিন আবরণ মিলে নতুন ভাইরাস সৃষ্টি করে। বিগলন পর্যায়: ব্যাকটেরিয়ামের কোষ প্রাচীর ছিন্ন করে নতুন ভাইরাসগুলোর বের হয়ে আসাকে বিগলন পর্যায় বলে। এভাবে মাত্র ৩০ মিনিট সময়ের মধ্যে ৩০০ নতুন ভাইরাস সৃষ্টি হতে পারে। উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ভাইরাস সর্বদাই অন্যের সহায়তায় অর্থাৎ E. coli ব্যাকটেরিয়ার সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো