শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের জীবাণুটির জীবনচক্রে জনুক্রম ঘটে কী? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: ম্যলেরিয়া পরজীবির জুনক্রম ঘটে।কোনো জীবের জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে জনুঃক্রম (alternation of generation) বলে। ম্যালেরিয়া জীবাণু একটি অন্তঃপরজীবী প্রোটোজোয়া প্রাণী। এদের জীবন চক্রে জনুঃক্রম ঘটে। হ্যাপ্লয়েড (n) দশা: স্পোরোজয়েট দশা (n): মশকীর দেহে স্পোরোগনির ফলে সৃষ্টি হয় স্পোরোজয়েট দশা (n)। এই স্পোরোজয়েটবাহী মশকী মানুষকে দংশন করার সময় লালা নিঃসরণ করে। এ লালা এন্টিকোয়াগুলেন্ট হিসেবে কাজ করে, জায়গাটিকে অবশ ও পিচ্ছিল করে। আর এ লালার সাথে জীবাণু মানুষের দেহে প্রবেশ করে। মাইক্রোমেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট (n): স্পোরোজয়েট (n) মানুষের যকৃতকে আক্রমণ করে সেখানে হেপাটিক সাইজোগনি চক্র সম্পন্ন করে। হেপাটিক সাইজোগনির ফলে সৃষ্টি হয় মাইক্রোমেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট (n)। মাইক্রোমেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট মানুষের লোহিত রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি চক্র সম্পন্ন করে। এর ফলে সৃষ্টি হয় মাইক্রোগ্যামিটোসাইট (n) ও ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট (n)। ডিপ্লয়েড (2n) দশা: জাইগোট দশা (2n): মশকীর দেহে গ্যামিটোগনির ফলে সৃষ্টি হয় স্ত্রী গ্যামিট ও পুং গ্যামিট। স্ত্রী ও পুং গ্যামিটের মিলনের ফলে জাইগোট (2n) সৃষ্টি হয়। উওকিনেট (2n): জাইগোট রূপান্তরিত হয়ে সৃষ্টি করে উওকিনেট (2n)। পরে উওকিনেট উওসিস্ট (2n)-এ পরিণত হয়। ডিপ্লয়েড (2n) উওসিস্ট মায়োসিস পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে হ্যাপ্লয়েড (n) স্পোরোজয়েট সৃষ্টি করে। এ হ্যাপ্লয়েড স্পোরোজয়েট দশা মশকীর লালার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশা পর্যায়ক্রমিকভাবে আবর্তিত হয়। সুতরাং ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবন চক্রে সুস্পষ্ট জনুক্রম বিদ্যমান। জনুঃক্রমের তাৎপর্য (Significance of Alternation of Generation) ১। জনুঃক্রম জীবাণুর প্রজাতির ধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখে। ২। জনুঃক্রম জীবাণুর জীবনীশক্তি ফিরিয়ে আনে। ৩। জনুঃক্রম জীবাণুর বিস্তৃতিতে সহায়তা করে। ৪। জনুঃক্রম জীবাণুর জীবন চক্র সম্পূর্ণ করে। ৫। জনুঃক্রম প্রজাতিতে বৈচিত্র্য আনে ফলে প্রকরণ সৃষ্টি হয়।

HSC Biology 1st Paper Chapter 4: অণুজীব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 1st Paper · Chapter 4: অণুজীব · সৃজনশীল

উদ্দীপকের জীবাণুটির জীবনচক্রে জনুক্রম ঘটে কী? বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপক

ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করে বললেন, জ্বরের কারণ একটি এককোষী অণুজীব যা স্ত্রী মশকীর মধ্যে তৈরি হয়। সেটি মানুষের যকৃত কোষ এবং লোহিত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে দেয়।

উত্তর

ভাইরাসের কেন্দ্রীয় বস্তুকে ঘিরে অবস্থিত প্রোটিন আবরণ কে ক্যাপসিড বলে।

উত্তর

ব্যাকটেরিওফাজ এক ধরণের ভাইরাস যা ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে। বর্তমানে ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাসকে অ্যান্টি - বায়োটিকের বিকল্পরূপে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও যেসব অ্যান্টিবায়োটিকের মানব শরীরে রেজিস্টেন্স তৈরি হয়েছে তাদের ধ্বংস করতে ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাস ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ব্যকটেরিওফাজগুলি আমাদের অন্ত্রের E.coli ব্যাকটেরয়ার সাথে উপকারী ও বিরোধী উভয়ভাবেই মিথস্ক্রিয়া করে থাকে। ফাজ ভাইরাস সুস্থ ৬২% মানুষের মধ্যেই পাওয়া যায় যা মানুষের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে ও বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।

উত্তর

উদ্দীপকে অমেরুদণ্ডী পোষকে অর্থাৎ মশকীর মধ্য যে জনন হয় তার বিস্তারিত দেয়া হল : মশকীর ক্রুপের অভ্যন্তরে গ্যামিট সৃষ্টির মাধ্যমে ম্যালেরিয়ার জীবাণুর যৌন জননকে গ্যামিটোগনি বলে। গ্যামিটোগনি কয়েকটি নির্দিষ্ট ধাপে ঘটে। যথা: ১। জননকোষ সৃষ্টি বা গ্যামিটোজেনেসিস : গ্যামিটোজেনেসিস দু'প্রকার। যথা- (ক) স্পার্মাটোজেনেসিস এবং (খ) উওজেনেসিস। (ক) স্পার্মাটোজেনেসিস: মাইক্রোগ্যামিটোসাইট থেকে মাইক্রোগ্যামিট বা শুক্রাণু বা পুংজনন কোষ গঠন প্রক্রিয়াকে স্পার্মাটোজেনেসিস বলে। এ প্রক্রিয়া কয়েকটি উপধাপে ঘটে। যথা: (i) প্রথমে মাইক্রোগ্যামিটোসাইটের হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসটি মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভক্ত হয়ে ৪ ৮টি ক্ষুদ্রাকার হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। এ সময় জীবাণু কয়েকটি কোণা (৪-৮টা) বিশিষ্ট হয়। (ii) প্রতিটি কোণার মধ্যে একটি করে ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস প্রবেশ করে এবং নিউক্লিয়াসের চারদিকে সাইটোপ্লাজম জমা হয়। এদেরকে সাইটোপ্লাজমীয় অভিক্ষেপ বলে। হয় (iii) এর পরপরই জীবাণুর দেহটি কতগুলো ফ্ল্যাজেলা আকৃতির সরু মাকুর মতো মাইক্রোগ্যামিট বা শুক্রাণুতে পরিণত হয়।ক্রপের গহ্বরে তাপের তারতম্যের দরুন এই প্রক্রিয়া ঘটে।। ক্রপের গহ্বরে ম্যালেরিয়া জীবাণুর স্পার্মাটোজেনেসিসের এ বিশেষ প্রক্রিয়াকে এক্সফ্ল্যাজেলেশন বলে। (iv) মাইক্রোগ্যামিটগুলো প্রথমে একসাথে থাকে, পরে এরা মাতৃকোষ থেকে এক্সফ্ল্যাজেলেশন প্রক্রিয়ায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার জন্য সাঁতার কাটতে থাকে। (খ) উওজেনেসিস = ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট থেকে ম্যাক্রোগ্যামিট বা ডিম্বাণু বা স্ত্রীজননকোষ গঠন প্রক্রিয়াকে উওজেনেসিস বলে। এ প্রক্রিয়া কয়েকটি উপধাপে ঘটে। যথা- (i) প্রথমে প্রতিটি ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট-এর হ্যাপ্লয়েড (n) নিউক্লিয়াসটি বিভক্ত হয় ও একটি করে সক্রিয় গোলাকার ম্যাক্রোগ্যামিটে বা ডিম্বাণুতে পরিণত হয়। এ ছাড়া পোলার বডি নামক আর একটি কোষের আবির্ভাব ঘটলেও শীঘ্রই তা নষ্ট হয়ে যায়। (ii) এর পরপরই ম্যাক্রোগ্যামিটের একপ্রান্ত কিছুটা উঁচু হয়ে ওঠে। এ অঞ্চলকে নিষেক শঙ্কু/কোণ বা অভ্যর্থনা শঙ্কু বলে। ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াস এ শঙ্কুর কাছে অবস্থান করে। ২। নিষেক ও জাইগোট গঠন (Fertilization and the formation of zygote) : মুক্ত মাইক্রোগ্যামিটগুলো এরপর পৃথক পৃথকভাবে ম্যাক্রোগ্যামিটের বা ডিম্বাণুর নিষেক শঙ্কুর দিকে অগ্রসর হয় এবং প্রতিটা ডিম্বাণুতে একটি করে শুক্রাণু প্রবেশ করে এবং নিষেক সম্পন্ন করে। নিষিক্ত ডিম্বাণু হতে পরে গোলাকার জাইগোট (ডিপ্লয়েড) গঠিত হয়। ৩। উওকিনেট গঠন: মশকী রক্ত শোষণের ১২-১৪ ঘণ্টা পর গোল ও নিশ্চল জাইগোটটি সচল হয় এবং কিছুটা কীটের মতো লম্বাকৃতি ধারণ করে উওকিনেট (Ookinete)-এ পরিণত হয়। এগুলো লম্বায় ১৮-২৪ μ\mu এবং প্রস্থে ৩-৫ μ\mu।

উত্তর

ম্যলেরিয়া পরজীবির জুনক্রম ঘটে।কোনো জীবের জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে জনুঃক্রম (alternation of generation) বলে। ম্যালেরিয়া জীবাণু একটি অন্তঃপরজীবী প্রোটোজোয়া প্রাণী। এদের জীবন চক্রে জনুঃক্রম ঘটে। হ্যাপ্লয়েড (n) দশা: স্পোরোজয়েট দশা (n): মশকীর দেহে স্পোরোগনির ফলে সৃষ্টি হয় স্পোরোজয়েট দশা (n)। এই স্পোরোজয়েটবাহী মশকী মানুষকে দংশন করার সময় লালা নিঃসরণ করে। এ লালা এন্টিকোয়াগুলেন্ট হিসেবে কাজ করে, জায়গাটিকে অবশ ও পিচ্ছিল করে। আর এ লালার সাথে জীবাণু মানুষের দেহে প্রবেশ করে। মাইক্রোমেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট (n): স্পোরোজয়েট (n) মানুষের যকৃতকে আক্রমণ করে সেখানে হেপাটিক সাইজোগনি চক্র সম্পন্ন করে। হেপাটিক সাইজোগনির ফলে সৃষ্টি হয় মাইক্রোমেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট (n)। মাইক্রোমেটাক্রিপ্টোমেরোজয়েট মানুষের লোহিত রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি চক্র সম্পন্ন করে। এর ফলে সৃষ্টি হয় মাইক্রোগ্যামিটোসাইট (n) ও ম্যাক্রোগ্যামিটোসাইট (n)। ডিপ্লয়েড (2n) দশা: জাইগোট দশা (2n): মশকীর দেহে গ্যামিটোগনির ফলে সৃষ্টি হয় স্ত্রী গ্যামিট ও পুং গ্যামিট। স্ত্রী ও পুং গ্যামিটের মিলনের ফলে জাইগোট (2n) সৃষ্টি হয়। উওকিনেট (2n): জাইগোট রূপান্তরিত হয়ে সৃষ্টি করে উওকিনেট (2n)। পরে উওকিনেট উওসিস্ট (2n)-এ পরিণত হয়। ডিপ্লয়েড (2n) উওসিস্ট মায়োসিস পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে হ্যাপ্লয়েড (n) স্পোরোজয়েট সৃষ্টি করে। এ হ্যাপ্লয়েড স্পোরোজয়েট দশা মশকীর লালার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবন চক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশা পর্যায়ক্রমিকভাবে আবর্তিত হয়। সুতরাং ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবন চক্রে সুস্পষ্ট জনুক্রম বিদ্যমান। জনুঃক্রমের তাৎপর্য (Significance of Alternation of Generation) ১। জনুঃক্রম জীবাণুর প্রজাতির ধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখে। ২। জনুঃক্রম জীবাণুর জীবনীশক্তি ফিরিয়ে আনে। ৩। জনুঃক্রম জীবাণুর বিস্তৃতিতে সহায়তা করে। ৪। জনুঃক্রম জীবাণুর জীবন চক্র সম্পূর্ণ করে। ৫। জনুঃক্রম প্রজাতিতে বৈচিত্র্য আনে ফলে প্রকরণ সৃষ্টি হয়।
HSCBiology 1st PaperChapter 4: অণুজীব
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
প্লাসমিড কী?
খ
জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপক P-তে নির্দেশিত রোগ প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করো ।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
প্লাসমিড কী?
খ
জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপক P-তে নির্দেশিত রোগ প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করো ।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?

জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্লাসমিড কী?

প্লাসমিড কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গতরাত থেকে তানিয়ার বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, এতে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং রক্তচাপ কমে যায়। আবার তার বান্ধবী রিতা কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা গিয়েছে।

Dinajpur · 2017

ক
ক্যাপসোমিয়ার কী?
খ
ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?
গ
তানিয়ার রোগটির জন্য দায়ী জীবাণুর একটি আদর্শ গঠনের বর্ণনা দাও।
ঘ
রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গতরাত থেকে তানিয়ার বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, এতে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং রক্তচাপ কমে যায়। আবার তার বান্ধবী রিতা কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা গিয়েছে।

Dinajpur · 2017

ক
ক্যাপসোমিয়ার কী?
খ
ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?
গ
তানিয়ার রোগটির জন্য দায়ী জীবাণুর একটি আদর্শ গঠনের বর্ণনা দাও।
ঘ
রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ক্যাপসোমিয়ার কী?

ক্যাপসোমিয়ার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, জলাতঙ্ক গ্রুপ B: যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টিটেনাস

Sylhet · 2017

ক
ভিরিয়ন কী?
খ
ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?
গ
গ্রুপ B এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব সর্বদাই অন্যের সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, জলাতঙ্ক গ্রুপ B: যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টিটেনাস

Sylhet · 2017

ক
ভিরিয়ন কী?
খ
ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?
গ
গ্রুপ B এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব সর্বদাই অন্যের সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?

ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভিরিয়ন কী?

ভিরিয়ন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।