শেয়ারFacebookWhatsApp

প্রথম অণুজীবটি কীভাবে দ্বিতীয় অণুজীবটিকে ধ্বংস করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম অণুজীবটি দ্বারা ভাইরাসকে বুঝানো হয়েছে এবং দ্বিতীয় অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। ভাইরাস সর্বদাই ব্যাকটেরিয়াকে ভক্ষণের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। এসব ভাইরাস ব্যাকটেরিওফায নামে পরিচিত। যেমন- T₂ ব্যাকটেরিয়াফায E. Coli ব্যাকটেরিয়াকে ভক্ষণ করে সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটায়। নিচে T 2- ফাযের সংখ্যাবৃদ্ধির ধাপসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো- ধাপ-১: T 2-বাকটেরিওফায সাধারণত E.coli ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে থাকে। E.coli ব্যাকটেরিয়াদের কোষ প্রাচীরে ফাযপ্রোটিনের জন্য ক্রিসেন্টর সাইট (recopter site) থাকে। রিসেন্টর সাইটে প্রাটিনের সাথে ফায ক্যাপসিডের স্পর্শক তন্তুর প্রোটিনের রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়ামের প্রাচীরে T2 ফায দূড়ভাবে সংযুক্ত হয়ে যায়। এটি হলো অক্রমণের সূচনা। ধাপ-২: ফাষ DNA প্রবেশ (Penetration): ব্যাকটেরিওফাযের দন্ডাকৃতিক লেজটি সংকুচিত হয়ে বিশেষ শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সংযোগ স্থানের প্রাচীরে ছিদ্র তৈরি করে এবং ফায-DNA কে E.coli ব্যাকটেরিয়ামের কোয়মেমব্রেন ভেদ করে সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করিয়ে দেয়। শূন্য প্রোটিন আবরণটি বাইরেই থেকে যায়। (আমাদের দেহে রোগ সৃষ্টিকারী অনেক ভাইরাসের সম্পূর্ণ দেহটিই পোষক কোথে প্রবেশ করে। পরে পোষক কোষের এনজাইম প্রোটিন আবরণটিকে বিগলিত করে ফেলে এবংভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) মুক্ত হয়। এসব ক্ষেত্রে লাইটিক চক্র ৬টি ধাপে সম্পন্ন হয়।) ধাপ-৩: অনুলিপন (Replication): ফায DNA পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর তার নিজস্ব প্রোমোটার সিকুয়েন্স দ্বারা পোষক কোষের RNA পলিমারেজকে আকৃষ্ট করে। পোষক কোষের RNA পলিমারেজ E.coli DNA কে ছাঁচ হিসেবে ধরে mRNA ট্রান্সক্রাইব করে এবং ফায mRNA তৈরি করে। ফায mRNA পরে প্রোটিন তৈরি করে এবং একটি বিশেষ প্রোটিন (প্রকৃতপক্ষে এনজাইম) E.coli DNA কে খণ্ড বিখও করে নষ্ট করে দেয়। কাজেই পোষক কোষের ফায DNA-এর কোনো প্রতিযোগী থাকে না। ফায DNA নিউক্লিয়োটাইড (E.coli কোষের বিগলিত DNA থেকে মুক্ত হওয়া) কোষের রাইবোসোম, tRNA, অ্যামিনো অ্যাসিড ইত্যাদির কর্তৃক গ্রহণ করে এবং নিজের ইচ্ছেমতো নতুন ফায DNA প্রতিলিপন করে নেয় এবং ফায কোট প্রোটিন (coat protein) তৈরি করে। কোট প্রোটিন মাথা, লম্বা লেজ, স্পর্শক তন্তু, স্পাইক ইত্যাদি অংশ হিসেবে পথক পৃথকভাবে তৈরি হয় ধাপ-৪: বিভিন্ন দেহাংশ একত্রিত হওয়া (Assembly): পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রতিটি ফায DNA এক একটি কোট প্রোটিনের মাথার অংশে প্রবেশ করে। পরে ক্রমান্বয়ে মাথার অংশের সাথে লেজ, লেজের শেষ প্রান্তে স্পর্শক তন্তু, স্পাইক ইত্যাদি সংযুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ব্যাকটেরিওফায হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ধাপ-৫: নতুন ভাইরাস মুক্তি (Release): পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রচুর সংখ্যক ব্যাকটেরিওফায তৈরি হওয়ার পর ফায একটি সুনির্দিষ্ট এনজাইম তৈরি করে যার কার্যকারিতায় পোষক কোষের প্রাচীর বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং নতুন সৃষ্ট ব্যাকটেরিওফাযসমূহ মুক্তভাবে বেরিয়ে আসে। মুক্ত হওয়া প্রতিটি ফায একটি নতুন E.coli ব্যাকটেরিয়ামকে আক্রমণ করতে সক্ষম। কোষপ্রাচীর বিদীর্ণ হওয়াকে লাইসিন (lysis) বলে। লাইটিক চক্রের মাধ্যমে মাত্র ৩০ মিনিটে অসংখ্য ফায সৃষ্টি হয়ে থাকে।

HSC Biology 1st Paper Chapter 4: অণুজীব CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Biology 1st Paper · Chapter 4: অণুজীব · সৃজনশীল

প্রথম অণুজীবটি কীভাবে দ্বিতীয় অণুজীবটিকে ধ্বংস করে ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

বিভিন্ন ধরনের অণুজীবের মধ্যে একটি হলো ব্যাঙাচি আকৃতির, অকোষীয় এবং অন্যটি হলো আদিকোষী।

উত্তর

প্রতিকূল পরিবেশে খাদ্যের অভাব ঘটলে কিছু ব্যাকটেরিয়ার (Clostridium) কোষের চারদিকে পুরু আবরণ সৃষ্টি হয় এবং এই আবরণের ভেতরে প্রোটোপ্লাজম সংকুচিত অবস্থায় থাকে, একে এন্ডোস্পোর বা অন্তঃরেণু বলে।

উত্তর

ভিরয়েড ও প্রিয়নের মধ্যে ২টি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো- question image

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম অণুজীবটি দ্বারা ভাইরাসকে বুঝানো হয়েছে এবং দ্বিতীয় অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। ভাইরাস সর্বদাই ব্যাকটেরিয়াকে ভক্ষণের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। এসব ভাইরাস ব্যাকটেরিওফায নামে পরিচিত। যেমন- T₂ ব্যাকটেরিয়াফায E. Coli ব্যাকটেরিয়াকে ভক্ষণ করে সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটায়। নিচে T2−T^2- ফাযের সংখ্যাবৃদ্ধির ধাপসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো- ধাপ-১: T2−T^2-বাকটেরিওফায সাধারণত E.coli ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে থাকে। E.coli ব্যাকটেরিয়াদের কোষ প্রাচীরে ফাযপ্রোটিনের জন্য ক্রিসেন্টর সাইট (recopter site) থাকে। রিসেন্টর সাইটে প্রাটিনের সাথে ফায ক্যাপসিডের স্পর্শক তন্তুর প্রোটিনের রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়ামের প্রাচীরে T2 ফায দূড়ভাবে সংযুক্ত হয়ে যায়। এটি হলো অক্রমণের সূচনা। ধাপ-২: ফাষ DNA প্রবেশ (Penetration): ব্যাকটেরিওফাযের দন্ডাকৃতিক লেজটি সংকুচিত হয়ে বিশেষ শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সংযোগ স্থানের প্রাচীরে ছিদ্র তৈরি করে এবং ফায-DNA কে E.coli ব্যাকটেরিয়ামের কোয়মেমব্রেন ভেদ করে সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করিয়ে দেয়। শূন্য প্রোটিন আবরণটি বাইরেই থেকে যায়। (আমাদের দেহে রোগ সৃষ্টিকারী অনেক ভাইরাসের সম্পূর্ণ দেহটিই পোষক কোথে প্রবেশ করে। পরে পোষক কোষের এনজাইম প্রোটিন আবরণটিকে বিগলিত করে ফেলে এবংভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) মুক্ত হয়। এসব ক্ষেত্রে লাইটিক চক্র ৬টি ধাপে সম্পন্ন হয়।) ধাপ-৩: অনুলিপন (Replication): ফায DNA পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর তার নিজস্ব প্রোমোটার সিকুয়েন্স দ্বারা পোষক কোষের RNA পলিমারেজকে আকৃষ্ট করে। পোষক কোষের RNA পলিমারেজ E.coli DNA কে ছাঁচ হিসেবে ধরে mRNA ট্রান্সক্রাইব করে এবং ফায mRNA তৈরি করে। ফায mRNA পরে প্রোটিন তৈরি করে এবং একটি বিশেষ প্রোটিন (প্রকৃতপক্ষে এনজাইম) E.coli DNA কে খণ্ড বিখও করে নষ্ট করে দেয়। কাজেই পোষক কোষের ফায DNA-এর কোনো প্রতিযোগী থাকে না। ফায DNA নিউক্লিয়োটাইড (E.coli কোষের বিগলিত DNA থেকে মুক্ত হওয়া) কোষের রাইবোসোম, tRNA, অ্যামিনো অ্যাসিড ইত্যাদির কর্তৃক গ্রহণ করে এবং নিজের ইচ্ছেমতো নতুন ফায DNA প্রতিলিপন করে নেয় এবং ফায কোট প্রোটিন (coat protein) তৈরি করে। কোট প্রোটিন মাথা, লম্বা লেজ, স্পর্শক তন্তু, স্পাইক ইত্যাদি অংশ হিসেবে পথক পৃথকভাবে তৈরি হয় ধাপ-৪: বিভিন্ন দেহাংশ একত্রিত হওয়া (Assembly): পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রতিটি ফায DNA এক একটি কোট প্রোটিনের মাথার অংশে প্রবেশ করে। পরে ক্রমান্বয়ে মাথার অংশের সাথে লেজ, লেজের শেষ প্রান্তে স্পর্শক তন্তু, স্পাইক ইত্যাদি সংযুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ব্যাকটেরিওফায হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ধাপ-৫: নতুন ভাইরাস মুক্তি (Release): পোষক কোষের অভ্যন্তরে প্রচুর সংখ্যক ব্যাকটেরিওফায তৈরি হওয়ার পর ফায একটি সুনির্দিষ্ট এনজাইম তৈরি করে যার কার্যকারিতায় পোষক কোষের প্রাচীর বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং নতুন সৃষ্ট ব্যাকটেরিওফাযসমূহ মুক্তভাবে বেরিয়ে আসে। মুক্ত হওয়া প্রতিটি ফায একটি নতুন E.coli ব্যাকটেরিয়ামকে আক্রমণ করতে সক্ষম। কোষপ্রাচীর বিদীর্ণ হওয়াকে লাইসিন (lysis) বলে। লাইটিক চক্রের মাধ্যমে মাত্র ৩০ মিনিটে অসংখ্য ফায সৃষ্টি হয়ে থাকে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত দ্বিতীয় অণুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। ব্যাকটেরিয়া হলো একটি অতি সূক্ষ্ম অণুজীব। চিকিৎসাক্ষেত্রে, শিল্পক্ষেত্রে এবং কৃষিক্ষেত্রে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যা অর্থনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি একদিকে আমাদের যেমন ব্যাপক ক্ষতি করে অপরদিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক উপকারও সাধন করে। নিচে কৃষিক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়ার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে : মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে ব্যাকটেরিয়ার অবদান অনেক। মাটির জৈব পদার্থ সঞ্চয়ে ব্যাকটেরিয়া প্রধান ভূমিকা পালন করে । নানাবিধ আবর্জনা হতে পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া জৈব সার ও জৈব গ্যাস প্রস্তুত করে থাকে।এ জৈব সারের মাধ্যমে ম্যাটির উর্বরতা বাড়ে এবং ফসল ভালো হয়। নাইট্রোজেন সংবন্ধনে: Azotobacter, Pseudomonas, Clostridium প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া বায়ু হতে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে নাইট্রোজেন যৌগ পদার্থ হিসেবে মাটিতে স্থাপন করে, ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। Rhizobium ব্যাকটেরিয়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে থাকে। নাইট্রিফিকেশন : অ্যামোনিয়া নাইট্রেট-এ পরিণত করাকে নাইট্রিফিকেশন বলে ।যেসব ব্যাকটেরিয়া নাইট্রিফিকেশন করে তাদের নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়া বলা হয় ।যেমন- Nitrobacter. পতঙ্গনাশক হিসেবে : কিছু ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন প্রকার পতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়,যেমন- Bacillus thuringiensis. পশু খাদ্য বা সিলেজ তৈরি : পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত খড় জাতীয় পদার্থকে খণ্ড খণ্ড করে কেটে পানি মিশ্রিত করে Lactobacillus sp এর কার্যকারিতায় পশুখাদ্য বা সিলেজ তৈরি হয়। Yeast মিশ্রিত খাদ্য খাওয়ালে গাভীর দুধের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। ফলন বৃদ্ধিতে : কিছু বিশেষ ব্যাকটেরিয়া প্রয়োগ করে ধানের উৎপাদন এবং গমের উৎপাদন বেড়েছে । সুতরাং বলা যায়, কৃষিক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা অপরিসীম।
HSCBiology 1st PaperChapter 4: অণুজীব
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
প্লাসমিড কী?
খ
জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপক P-তে নির্দেশিত রোগ প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করো ।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
প্লাসমিড কী?
খ
জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?
গ
উদ্দীপক P-তে নির্দেশিত রোগ প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করো ।
ঘ
উদ্দীপকে নির্দেশিত Q রোগের জন্য দায়ী পরজীবীর জীবনচক্রে দুটি পোষকের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?

জীবাণুর সুপ্তাবস্থা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.প্লাসমিড কী?

প্লাসমিড কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গতরাত থেকে তানিয়ার বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, এতে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং রক্তচাপ কমে যায়। আবার তার বান্ধবী রিতা কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা গিয়েছে।

Dinajpur · 2017

ক
ক্যাপসোমিয়ার কী?
খ
ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?
গ
তানিয়ার রোগটির জন্য দায়ী জীবাণুর একটি আদর্শ গঠনের বর্ণনা দাও।
ঘ
রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গতরাত থেকে তানিয়ার বমিসহ প্রবল ডায়রিয়া, এতে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় এবং রক্তচাপ কমে যায়। আবার তার বান্ধবী রিতা কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত, সাথে শরীরে ব্যথা ও র্যাশ দেখা গিয়েছে।

Dinajpur · 2017

ক
ক্যাপসোমিয়ার কী?
খ
ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?
গ
তানিয়ার রোগটির জন্য দায়ী জীবাণুর একটি আদর্শ গঠনের বর্ণনা দাও।
ঘ
রিতার রোগের কারণ ও প্রতিকার, তানিয়ার রোগ থেকে ভিন্ন- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

ম্যালেরিয়া পরজীবীর দুটি পোষক প্রয়োজন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ক্যাপসোমিয়ার কী?

ক্যাপসোমিয়ার কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, জলাতঙ্ক গ্রুপ B: যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টিটেনাস

Sylhet · 2017

ক
ভিরিয়ন কী?
খ
ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?
গ
গ্রুপ B এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব সর্বদাই অন্যের সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

গ্রুপ A: ইনফ্লুয়েঞ্জা, বসন্ত, জলাতঙ্ক গ্রুপ B: যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টিটেনাস

Sylhet · 2017

ক
ভিরিয়ন কী?
খ
ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?
গ
গ্রুপ B এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের চিহ্নিত চিত্র অংকন করো।
ঘ
গ্রুপ A এর রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব সর্বদাই অন্যের সহায়তায় বংশবিস্তারে সক্ষম- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?

ডেঙ্গু কেন মানুষের জন্য বিপদজ্জনক?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ভিরিয়ন কী?

ভিরিয়ন কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।