K যৌগটির প্রস্তুতি সংশ্লিষ্ট সমীকরণসহ বর্ণনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে K যৌগটি হলো ভিনেগার। খেজুরের রস থেকে ভিনেগার তৈরির পদ্ধতি বিশ্লেষনপূর্রক মূল্যায়ন করা হলো- খেজুরের রসকে নরম কাপড় দ্বারা ছেকে নিয়ে কড়াইতে ধীরে ধীরে তাপ দিয়ে দ্রবনের [গণিত] অংশ কমিয়ে ফেলা হয়। দ্রবনকে ঠান্ডা করে একটি পরিষ্কার পাত্রে নিয়ে লঘু H2SO4 এসিড যোগ করা হয়, এতে অবাঞ্ছিত ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না। দ্রবনের মধ্যে (NH4)2SO4 ও (NH4)PO4 যোগ করে কাঠি দিয়ে ভালোভাবে নাড়ানো হয়। এরপর একে 25-30oC তাপমাত্রায় রেখে মিশ্রনের মধ্যে ঈষ্ট যোগ করে তিন চার দিন রেখে দিলে গাজঁন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ঈষ্ট থেকে ইনভারটেজ ও জাইমেজ নামক দুটি এনজাইম নিঃসৃত হয়। নিঃসৃত ইনভারটেজ রসের চিনিকে আর্দ্র বিশ্লেষিত করে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে পরিবর্তিত করে। জাইমেজ এনজাইম গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজকে বিয়োজিত করে ইথানল ও কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিণত করে। [চিত্র] এক্ষেত্রে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং প্রক্রিয়ার শেষে দ্রবনে প্রায় 10 ইথানল থাকে। মাইকোডার্মা অ্যাসিডটি বা অ্যাসিটো ব্যাকটর নামক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতিতে ইথানলের লঘু জলীয় দ্রবনকে বায়ুর অক্সিজেন দ্বারা জারিত করে লঘু ইথানয়িক এসিড (6 - 10%) তথা ভিনেগার প্রস্তুত করে। এক্ষেত্রে নিম্নরূপে বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। [চিত্র]
HSC Chemistry 1st Paper Chapter 5: কর্মমূখী রসায়ন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Chemistry 1st Paper · Chapter 5: কর্মমূখী রসায়ন · সৃজনশীল
K যৌগটির প্রস্তুতি সংশ্লিষ্ট সমীকরণসহ বর্ণনা কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
এক্ষেত্রে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং প্রক্রিয়ার শেষে দ্রবনে প্রায় 10 ইথানল থাকে। মাইকোডার্মা অ্যাসিডটি বা অ্যাসিটো ব্যাকটর নামক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতিতে ইথানলের লঘু জলীয় দ্রবনকে বায়ুর অক্সিজেন দ্বারা জারিত করে লঘু ইথানয়িক এসিড (6 - 10%) তথা ভিনেগার প্রস্তুত করে। এক্ষেত্রে নিম্নরূপে বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

উত্তর
