শেয়ারFacebookWhatsApp

মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

উত্তর: ভাব-সম্প্রসারণ: জীবন একই সরল রেখায় চলে না। কখনো উত্থান,কখনো পতন, সুখ-দুঃখের দ্বন্দ্বে এগিয়ে চলে আমাদের পথচলা। ছন্দময় জীবনের পথচলার প্রতিটি ধাপেই রয়েছে নিত্যনতুন শিক্ষা, নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা। জীবনের নানা স্তরে দুঃখ-কষ্টের নির্মম কশাঘাতে জীবন হয়ে ওঠে শুচিশুভ্র। রাত প্রকৃতির এক স্বাভাবিক চক্রের অংশ। রাত যতই দীর্ঘ বা ঘোর অন্ধকারময় হোক না কেন, প্রভাত ঠিকই আসে-আলোয় ভরা নতুন একটি দিন শুরু হয়। এটি যেমন প্রকৃতির নিয়ম তেমনই জীবনের ক্ষেত্রেও আলো-অন্ধকারের খেলা এক চিরন্তন সত্য। জীবনের সংকট, দুঃখ, দারিদ্র্য-ব্যর্থতা, নিরাশা হলো অন্ধকারের নামান্তর। আর জীবনের এসব দুঃখ-কষ্ট থেকে উত্তরণ হলো প্রভাতের সংস্পর্শে আসা। মানুষের জীবনে সুখ-দুঃখ পাশাপাশি চলে। যে সময়টা মানুষ চরম হতাশার মধ্য দিয়ে যায়, সেই সময়টা আসলে মানুষের জীবনবদলের সূচনার সময়। বিপদের চূড়ান্ত পরিণতি অনেক সময় নতুন সূচনা ডেকে আনে। ইতিহাসে এমন অনেক মহাপুরুষ আছেন যাঁদের জীবন দুঃখ-দৈন্যে জর্জরিত ছিল। কিন্তু অনেক দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে শেষমেশ তাঁরা আলোর মুখ দেখেছেন। জীবনে অনেক সময় আসে যখন চারপাশে কেবল অন্ধকার বলে মনে হয়, সম্ভাবনার সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে বলে বোধ হয়। এরকম সময় হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরাই বুদ্ধিমানের কাজ। কেননা আশার আলো একদিন জ্বলবেই। জীবনের এরকম মুহূর্তে যদি কেউ হাল ছেড়ে দেয়, তবে সে কখনই সাফল্যের মুখ দেখবে না। রাত গভীর হলে আমরা জানি যে ভোর খুব কাছেই, তাই আর একটু অপেক্ষা করি। ঠিক তেমনই জীবনসংগ্রামে আমাদের অপেক্ষা করতে হয়, ধৈর্য ধরতে হয়- কারণ রাত পার হলেই প্রভাত। একজন ছাত্র যখন কঠোর পরিশ্রম করে পরীক্ষার জন্য, তখন তার মনে হয় এই কষ্টের বুঝি শেষ নেই। কিন্তু সেই কঠোর পরিশ্রমই তাকে সফলতা এনে দেয়। তাই ধৈর্যহারা না হয়ে নিরলস পরিশ্রম করে গেলে তবেই জীবনে প্রভাত আসবে, আলো আসবে। মানুষের জীবন পুষ্পশয্যা নয়। জীবনে দুঃখ-কষ্ট আসবেই। এমন সময় নিরাশায় নিমজ্জিত না হয়ে ধৈর্যধারণ করতে হবে। কেননা অন্ধকার চিরস্থায়ী নয়, কঠিন সময় পেরিয়ে জীবনে আলো আসবেই।

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ · সৃজনশীল

মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

উত্তর

ভাব-সম্প্রসারণ: জীবন একই সরল রেখায় চলে না। কখনো উত্থান,কখনো পতন, সুখ-দুঃখের দ্বন্দ্বে এগিয়ে চলে আমাদের পথচলা। ছন্দময় জীবনের পথচলার প্রতিটি ধাপেই রয়েছে নিত্যনতুন শিক্ষা, নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা। জীবনের নানা স্তরে দুঃখ-কষ্টের নির্মম কশাঘাতে জীবন হয়ে ওঠে শুচিশুভ্র। রাত প্রকৃতির এক স্বাভাবিক চক্রের অংশ। রাত যতই দীর্ঘ বা ঘোর অন্ধকারময় হোক না কেন, প্রভাত ঠিকই আসে-আলোয় ভরা নতুন একটি দিন শুরু হয়। এটি যেমন প্রকৃতির নিয়ম তেমনই জীবনের ক্ষেত্রেও আলো-অন্ধকারের খেলা এক চিরন্তন সত্য। জীবনের সংকট, দুঃখ, দারিদ্র্য-ব্যর্থতা, নিরাশা হলো অন্ধকারের নামান্তর। আর জীবনের এসব দুঃখ-কষ্ট থেকে উত্তরণ হলো প্রভাতের সংস্পর্শে আসা। মানুষের জীবনে সুখ-দুঃখ পাশাপাশি চলে। যে সময়টা মানুষ চরম হতাশার মধ্য দিয়ে যায়, সেই সময়টা আসলে মানুষের জীবনবদলের সূচনার সময়। বিপদের চূড়ান্ত পরিণতি অনেক সময় নতুন সূচনা ডেকে আনে। ইতিহাসে এমন অনেক মহাপুরুষ আছেন যাঁদের জীবন দুঃখ-দৈন্যে জর্জরিত ছিল। কিন্তু অনেক দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে শেষমেশ তাঁরা আলোর মুখ দেখেছেন। জীবনে অনেক সময় আসে যখন চারপাশে কেবল অন্ধকার বলে মনে হয়, সম্ভাবনার সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে বলে বোধ হয়। এরকম সময় হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরাই বুদ্ধিমানের কাজ। কেননা আশার আলো একদিন জ্বলবেই। জীবনের এরকম মুহূর্তে যদি কেউ হাল ছেড়ে দেয়, তবে সে কখনই সাফল্যের মুখ দেখবে না। রাত গভীর হলে আমরা জানি যে ভোর খুব কাছেই, তাই আর একটু অপেক্ষা করি। ঠিক তেমনই জীবনসংগ্রামে আমাদের অপেক্ষা করতে হয়, ধৈর্য ধরতে হয়- কারণ রাত পার হলেই প্রভাত। একজন ছাত্র যখন কঠোর পরিশ্রম করে পরীক্ষার জন্য, তখন তার মনে হয় এই কষ্টের বুঝি শেষ নেই। কিন্তু সেই কঠোর পরিশ্রমই তাকে সফলতা এনে দেয়। তাই ধৈর্যহারা না হয়ে নিরলস পরিশ্রম করে গেলে তবেই জীবনে প্রভাত আসবে, আলো আসবে। মানুষের জীবন পুষ্পশয্যা নয়। জীবনে দুঃখ-কষ্ট আসবেই। এমন সময় নিরাশায় নিমজ্জিত না হয়ে ধৈর্যধারণ করতে হবে। কেননা অন্ধকার চিরস্থায়ী নয়, কঠিন সময় পেরিয়ে জীবনে আলো আসবেই।
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেইযেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনে(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈব

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।