শেয়ারFacebookWhatsApp

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

উত্তর: ভাব-সম্প্রসারণ: অন্যের ক্ষতি করার চিন্তাভাবনা করলে পরিণামে নিজেরই ক্ষতি হয়। মন থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে পরের ক্ষতির চিন্তা থেকে দূরে থাকা সবার কর্তব্য। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট মানুষের যাবতীয় কর্মপ্রচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য হলো সুখে-শান্তিতে ও আরামে থাকা। পৃথিবীতে কত রকমের মানুষ দেখা যায়। কেউ নিজের সবকিছু দিয়ে, এমনকি প্রাণ দিয়েও পরের উপকার করে। আবার এমন লোকও আছে, যারা পরের ভালো তো করেই না বরং কী করে সর্বনাশ করা যাবে সেই চিন্তায় সব সময় মশগুল থাকে। এ ধরনের মানুষ নেহাতই অমানুষ। তাদের অনিষ্ট আচরণে শুধু তারাই নয়, অন্যান্য ব্যক্তি ও সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়: "যারে তুমি নিচে ফেল, সে তোমারে বাঁধিছে যে নিচে, পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।" উল্লিখিত উক্তিটির মূলকথা হলো- যে নিজের উপকার হবে ভেবে অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা চালায়, মূলত সে নিজেই নিজের ক্ষতি করে। পৃথিবীতে মহাপুরুষদের জীবনী পাঠে দেখা যায়, তাঁরা সমগ্র জীবন মানুষের কল্যাণ সাধনে বিলিয়ে দিয়েছেন। মহানবি হজরত মুহম্মদ (স)-এর চলার পথে এক বৃদ্ধা বিদ্বেষবশত প্রতিদিন কাঁটা বিছিয়ে রাখত। মহানবি (স) কাঁটার আঘাতে কষ্ট পেলেও বৃদ্ধাকে কোনোদিন গালমন্দ করেননি। একদিন হজরত মুহম্মদ (স) তাঁর চলার পথে কাঁটা দেখতে না পেয়ে বিস্মিত হন এবং খবর নিয়ে জানতে পারলেন যে, যে বৃদ্ধা এই কাজ করত সে ভীষণ অসুস্থ। মহানবি হজরত মুহম্মদ (স) তৎক্ষণাৎ বুড়িকে দেখার উদ্দেশ্যে বাড়িতে পৌঁছেন এবং তার অসুখের জন্য সমবেদনা প্রকাশ করেন। এতে সেই বৃদ্ধা বিস্ময়ে বিমুগ্ধ হয়ে যায়। সে উপলব্ধি করতে পারে, পরের অনিষ্ট চিন্তা ও কাজের মধ্যে কোনো মঙ্গল নেই। বরং এরূপ পরের অনিষ্ট চিন্তা ও কাজ নিজের জন্য ধ্বংস ডেকে আনে। পরের অনিষ্ট করতে গিয়ে বহু লোক নিজেদের জীবনকেই ধ্বংস করেছে। এর বহু নজির ইতিহাসের পাতায় রয়েছে। এ বিচিত্র জগতে মানুষ ক্ষুদ্র স্বার্থোদ্ধারে এত অন্ধ হয়ে পড়ে যে, পরের অমঙ্গল ও অনিষ্ট করতে গিয়ে স্বাভাবিক জ্ঞানবুদ্ধি হারিয়ে ফেলে এবং পরিণামে নিজের ধ্বংস নিজেই ডেকে আনে। কখনই অন্যের কোনো অকল্যাণ চিন্তা করা যাবে না। এসব পরিহার করে ও পরের স্বার্থে নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিতে হবে। তবেই জীবন সার্থক ও সুন্দর হবে।

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ · সৃজনশীল

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

উত্তর

ভাব-সম্প্রসারণ: অন্যের ক্ষতি করার চিন্তাভাবনা করলে পরিণামে নিজেরই ক্ষতি হয়। মন থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে পরের ক্ষতির চিন্তা থেকে দূরে থাকা সবার কর্তব্য। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট মানুষের যাবতীয় কর্মপ্রচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য হলো সুখে-শান্তিতে ও আরামে থাকা। পৃথিবীতে কত রকমের মানুষ দেখা যায়। কেউ নিজের সবকিছু দিয়ে, এমনকি প্রাণ দিয়েও পরের উপকার করে। আবার এমন লোকও আছে, যারা পরের ভালো তো করেই না বরং কী করে সর্বনাশ করা যাবে সেই চিন্তায় সব সময় মশগুল থাকে। এ ধরনের মানুষ নেহাতই অমানুষ। তাদের অনিষ্ট আচরণে শুধু তারাই নয়, অন্যান্য ব্যক্তি ও সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়: "যারে তুমি নিচে ফেল, সে তোমারে বাঁধিছে যে নিচে, পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।" উল্লিখিত উক্তিটির মূলকথা হলো- যে নিজের উপকার হবে ভেবে অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা চালায়, মূলত সে নিজেই নিজের ক্ষতি করে। পৃথিবীতে মহাপুরুষদের জীবনী পাঠে দেখা যায়, তাঁরা সমগ্র জীবন মানুষের কল্যাণ সাধনে বিলিয়ে দিয়েছেন। মহানবি হজরত মুহম্মদ (স)-এর চলার পথে এক বৃদ্ধা বিদ্বেষবশত প্রতিদিন কাঁটা বিছিয়ে রাখত। মহানবি (স) কাঁটার আঘাতে কষ্ট পেলেও বৃদ্ধাকে কোনোদিন গালমন্দ করেননি। একদিন হজরত মুহম্মদ (স) তাঁর চলার পথে কাঁটা দেখতে না পেয়ে বিস্মিত হন এবং খবর নিয়ে জানতে পারলেন যে, যে বৃদ্ধা এই কাজ করত সে ভীষণ অসুস্থ। মহানবি হজরত মুহম্মদ (স) তৎক্ষণাৎ বুড়িকে দেখার উদ্দেশ্যে বাড়িতে পৌঁছেন এবং তার অসুখের জন্য সমবেদনা প্রকাশ করেন। এতে সেই বৃদ্ধা বিস্ময়ে বিমুগ্ধ হয়ে যায়। সে উপলব্ধি করতে পারে, পরের অনিষ্ট চিন্তা ও কাজের মধ্যে কোনো মঙ্গল নেই। বরং এরূপ পরের অনিষ্ট চিন্তা ও কাজ নিজের জন্য ধ্বংস ডেকে আনে। পরের অনিষ্ট করতে গিয়ে বহু লোক নিজেদের জীবনকেই ধ্বংস করেছে। এর বহু নজির ইতিহাসের পাতায় রয়েছে। এ বিচিত্র জগতে মানুষ ক্ষুদ্র স্বার্থোদ্ধারে এত অন্ধ হয়ে পড়ে যে, পরের অমঙ্গল ও অনিষ্ট করতে গিয়ে স্বাভাবিক জ্ঞানবুদ্ধি হারিয়ে ফেলে এবং পরিণামে নিজের ধ্বংস নিজেই ডেকে আনে। কখনই অন্যের কোনো অকল্যাণ চিন্তা করা যাবে না। এসব পরিহার করে ও পরের স্বার্থে নিজের জীবনকে বিলিয়ে দিতে হবে। তবেই জীবন সার্থক ও সুন্দর হবে।
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেইযেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনে(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈব(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।