শেয়ারFacebookWhatsApp

যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে, সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসিতারে। যে জাতি জীবনহারা অচল অসার পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর: ভাব-সম্প্রসারণ: যে জাতি গতিহীন, সেই জাতি যেন জড় পদার্থের মতো। জাতিকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত ও সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলতে চাইলে গতিশীল চেতনা ও আদর্শ দরকার। জীবনে গতি না থাকলে জীবনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। গতি বা পরিবর্তন জীবনের লক্ষণ। গতিশীল জীবনে যে পরিবর্তন আসে তাতে জীবনকে বোঝা যায় নতুনভাবে, তাতে জীবনের নতুন পরিচয় ফুটে ওঠে। এ গতির ফলে অতীতের পুরোনো বৈশিষ্ট্য ফেলে নতুন রূপ দেখা দেয়। নদীর গতিতেও সেই বৈশিষ্ট্য বর্তমান। নদীর পরিচয় তার গতির মধ্যে, স্রোতের মধ্যে। যদি গতি হারিয়ে নদী এক জায়গায় আটকে যায়, তবে সেটাকে আর নদী বলা যায় না। তখন সেটার নাম নদী নয়, বদ্ধ জলাশয় হিসেবে সেটি পরিচিতি লাভ করে; শৈবালে সেটা জঙ্গলপূর্ণ হয়। তেমনই যদি কোনো কারণে জাতির চলার ছন্দ ব্যাহত হয়, তাহলে সেই জাতি তার স্বাভাবিক বিকাশ হারিয়ে বিকৃত রূপ পরিগ্রহ করে। জাতির গতিবেগ যদি থেমে যায় তাহলে জীর্ণ লোকাচার এবং নানা ধরনের কুসংস্কার দ্বারা জাতি বিকারগ্রস্ত হয়। প্রত্যেক জাতিরই থাকে এক-একটি স্বাভাবিক গতি। কোনো জাতি যদি গতিশীলতা হারিয়ে ফেলে, তাহলে জাতীয় জীবনে দেখা দেয় অবাঞ্ছিত জড়তা। আর জড়তা জাতীয় জীবনের প্রধান অন্তরায়। কালক্রমে এখান থেকেই নানা ধরনের বিকৃতি ও পতনের জন্ম নেয়। সঙ্গে সঙ্গে নানা দেশাচার ও লোকাচারের আবর্জনা-স্তূপ সেই জাতির জীবনধারাকে পঙ্গু ও নিশ্চল করে দেয়। তখনই জাতীয় জীবনে কুসংস্কার মহামারি আকার ধারণ করে। জাতি হাতে-পায়ে নানা ধরনের বিধি নিষেধের শিকল পরে। নিষ্ঠুরভাবে পরাধীনতা হাতছানি দেয়। তাই জীর্ণ লোকাচার থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য গতিশীল জীবন একান্ত প্রয়োজন। এক কথায় গতিই জীবন। স্থবিরতা মানে মৃত্যু। সনাতন ধ্যানধারণা এবং কূপমণ্ডুকতা জাতির উন্নতির পথে বিরাট অন্তরায়। এই ধারণা নিয়ে জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। তখন পুরোনো দিনের নানা সংস্কার জীবনকে জড়ায়, থাকে না জীবনের কোনো বিকাশ। জাতি হিসেবে তখন তার এগিয়ে যাওয়ার কোনো নিদর্শন থাকে না। গতিশীল জীবন প্রবাহ জাতীয় জীবনকে প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল করে। যে জাতির জীবন ধারা অচল সেই জাতির পতন অবশ্যম্ভাবী। গতিশীল জীবনপ্রবাহই জাতীয় জীবনকে জীবন্ত ও প্রাণবন্ত করে।

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ · সৃজনশীল

যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে, সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসিতারে। যে জাতি জীবনহারা অচল অসার পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর

ভাব-সম্প্রসারণ: যে জাতি গতিহীন, সেই জাতি যেন জড় পদার্থের মতো। জাতিকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত ও সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলতে চাইলে গতিশীল চেতনা ও আদর্শ দরকার। জীবনে গতি না থাকলে জীবনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। গতি বা পরিবর্তন জীবনের লক্ষণ। গতিশীল জীবনে যে পরিবর্তন আসে তাতে জীবনকে বোঝা যায় নতুনভাবে, তাতে জীবনের নতুন পরিচয় ফুটে ওঠে। এ গতির ফলে অতীতের পুরোনো বৈশিষ্ট্য ফেলে নতুন রূপ দেখা দেয়। নদীর গতিতেও সেই বৈশিষ্ট্য বর্তমান। নদীর পরিচয় তার গতির মধ্যে, স্রোতের মধ্যে। যদি গতি হারিয়ে নদী এক জায়গায় আটকে যায়, তবে সেটাকে আর নদী বলা যায় না। তখন সেটার নাম নদী নয়, বদ্ধ জলাশয় হিসেবে সেটি পরিচিতি লাভ করে; শৈবালে সেটা জঙ্গলপূর্ণ হয়। তেমনই যদি কোনো কারণে জাতির চলার ছন্দ ব্যাহত হয়, তাহলে সেই জাতি তার স্বাভাবিক বিকাশ হারিয়ে বিকৃত রূপ পরিগ্রহ করে। জাতির গতিবেগ যদি থেমে যায় তাহলে জীর্ণ লোকাচার এবং নানা ধরনের কুসংস্কার দ্বারা জাতি বিকারগ্রস্ত হয়। প্রত্যেক জাতিরই থাকে এক-একটি স্বাভাবিক গতি। কোনো জাতি যদি গতিশীলতা হারিয়ে ফেলে, তাহলে জাতীয় জীবনে দেখা দেয় অবাঞ্ছিত জড়তা। আর জড়তা জাতীয় জীবনের প্রধান অন্তরায়। কালক্রমে এখান থেকেই নানা ধরনের বিকৃতি ও পতনের জন্ম নেয়। সঙ্গে সঙ্গে নানা দেশাচার ও লোকাচারের আবর্জনা-স্তূপ সেই জাতির জীবনধারাকে পঙ্গু ও নিশ্চল করে দেয়। তখনই জাতীয় জীবনে কুসংস্কার মহামারি আকার ধারণ করে। জাতি হাতে-পায়ে নানা ধরনের বিধি নিষেধের শিকল পরে। নিষ্ঠুরভাবে পরাধীনতা হাতছানি দেয়। তাই জীর্ণ লোকাচার থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য গতিশীল জীবন একান্ত প্রয়োজন। এক কথায় গতিই জীবন। স্থবিরতা মানে মৃত্যু। সনাতন ধ্যানধারণা এবং কূপমণ্ডুকতা জাতির উন্নতির পথে বিরাট অন্তরায়। এই ধারণা নিয়ে জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। তখন পুরোনো দিনের নানা সংস্কার জীবনকে জড়ায়, থাকে না জীবনের কোনো বিকাশ। জাতি হিসেবে তখন তার এগিয়ে যাওয়ার কোনো নিদর্শন থাকে না। গতিশীল জীবন প্রবাহ জাতীয় জীবনকে প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল করে। যে জাতির জীবন ধারা অচল সেই জাতির পতন অবশ্যম্ভাবী। গতিশীল জীবনপ্রবাহই জাতীয় জীবনকে জীবন্ত ও প্রাণবন্ত করে।
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৬ : ভাব-সম্প্রসারণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেই ফিরে আসে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে; যে জাতি জীবনহারা অচল অসাড় পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।(খ) ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়; পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি, অন্ধকারেইযেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) ভোগে নয়, ত্যাগেই মনুষ্যত্বের বিকাশ।(খ) মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো: (ক) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনে(খ) বিদ্যার সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন জীবন পঙ্গু।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।(খ) আপন আচরি ধর্ম শিখাও অপরে।যেকোনো একটি ভাব-সম্প্রসারণ করো : (ক) যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে সহস্র শৈব

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।