সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাগরিকদের উদ্দীপকে উল্লিখিত জ্ঞান অর্জন আবশ্যক- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: সুশাসন প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হলো সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক সমাজ, যা কেবল উদ্দীপকে বর্ণিত পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই সম্ভব। পৌরনীতি হলো তাত্ত্বিক জ্ঞান এবং সুশাসন হলো সেই জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ। নাগরিকরা যখন এই শাস্ত্রর মাধ্যমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন সম্পর্কে জানতে পারে, তখনই তারা প্রশাসনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পারে। এটি নাগরিকদের মধ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সহনশীলতা জাগ্রত করে, যা কার্যকর শাসনব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য। সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাগরিকের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি, আর পৌরনীতির জ্ঞান, নাগরিকদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজে অংশগ্রহণে আগ্রহী করে তোলে। এই জ্ঞান থাকলে নাগরিকরা তথ্যপ্রবাহের অধিকার এবং সরকারের সংবেদনশীলতা, সম্পর্কে সচেতন থাকে, যা প্রশাসনকে জনমুখী করতে বাধ্য করে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নির্দেশিত সুশাসনের মানদণ্ডসমূহ অনুধাবনেও এই শিক্ষা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। পরিশেষে বলা যায়, পৌরনীতি ও সুশাসনের জ্ঞান ছাড়া সুশাসনের লক্ষ্যসমূহ যেমন- সাম্য, ন্যায়বিচার ও টেকসই উন্নয়ন অর্জন করা অসম্ভব। এই শিক্ষা নাগরিককে সরকারের ভুলত্রুটি চিহ্নিত করার সক্ষমতা দান করে এবং একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করে। সুতরাং, সুশাসনকে একটি মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে নাগরিকদের এই জ্ঞান অর্জন করা একান্ত আবশ্যক।
HSC Civics 1st Paper Chapter 1 : পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · Chapter 1 : পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি · সৃজনশীল
সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাগরিকদের উদ্দীপকে উল্লিখিত জ্ঞান অর্জন আ…
উদ্দীপক
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর