Chapter 1 : পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি Civics 1st Paper

HSC Civics 1st Paper এর Chapter 1 : পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৬৬০

প্রশ্ন

Civics 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সাফি একাদশ শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে। কিন্তু বিষয় বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে সে তার বাবার নিকট পরামর্শ চাইল । তিনি তার সন্তানকে সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জন এবং নাগরিক অধিকার ভোগ ও কর্তব্য যথাযথ পালনের জন্য নাগরিকতা সংশ্লিষ্ট একটি বিষয়কে পাঠ্য হিসেবে নেয়ার পরামর্শ দিলেন। তখন সাফি তার বাবাকে বলল, এ বিষয়ে অনার্স পড়ার তো কোনো সুযোগ নেই। সাফির বাবা বললেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ের সাথে ঘনিষ্ঠতর একটি বিষয়ে অনার্স পড়ার সুযোগ আছে।

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
পুরবাসী কাদেরকে বলা হতো?

উত্তর

নগরের অধিবাসীদেরকে পুরবাসী বলা হতো।
খ
“উত্তম নাগরিকতা অর্জনের জন্য পৌরনীতির জ্ঞান আবশ্যক” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

পৌরনীতিতে নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত সকল বিষয় আলোচিত হয় বলে উত্তম নাগরিকতা অর্জনের জন্য পৌরনীতির জ্ঞান আবশ্যক। নাগরিক জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন— নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনের সাথে জড়িত ঘটনাবলি ও কার্যকলাপ এ শাস্ত্রে আলোচিত হয়। নাগরিক জীবনের ধর্মীয়, নৈতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক তথা সার্বিক দিকের আলোচনা পৌরনীতি ও সুশাসনের বিষয়বস্তু। পৌরনীতি পাঠ করে একজন নাগরিক উল্লিখিত বিষয়সমূহ তথা নাগরিকতার সকল বৈশিষ্ট্য ও করণীয় সম্পর্কে জানতে পারে। যা অনুসরণ করে ঐ নাগরিক উত্তম নাগরিকতা অর্জন করতে পারে।
গ
উদ্দীপকে সাফির বাবা যে বিষয়টি বেছে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তার বিষয়বস্তু ও পরিধি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে সাফির বাবা পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি বেছে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন । যে শাস্ত্র নাগরিক ও রাষ্ট্রের আচার ও কার্যাবলি নিয়ে আলোচনা করে এবং ব্যক্তির আদর্শ নাগরিক জীবন সম্বন্ধে জ্ঞান দান করে তাকে পৌরনীতি বলে। নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় বলে এ শাস্ত্র পাঠ করে একজন ব্যক্তি সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জন করতে পারে। উদ্দীপকে সাফিকে তার বাবা যে বিষয়টি বেছে নিতে পরামর্শ দিয়েছেন, সেটি সুনাগরিকতার গুণাবলি, নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং নাগরিকতা সংশ্লিষ্ট বিষয়। এ থেকে বোঝা যায়, তিনি পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি নিতে বলেছেন । পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি ও বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে দেখা যায়, এটি নাগরিকতার উদ্ভব, বিকাশ, বিবর্তন, সুনাগরিকতা, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। সমাজের মৌলিক প্রতিষ্ঠান যেমন- পরিবার ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি, বিকাশ, কার্যাবলি প্রভৃতি পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত। এটি নাগরিকের অতীত, বর্তমান এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি নাগরিকতার স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিক নিয়েও আলোচনা করে। পৌরনীতি ও সুশাসন রাজনৈতিক, সাংবিধানিক অগ্রগতি ও বিকাশ সম্পর্কেও আলোচনা করে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, গণতন্ত্র, সরকার, নির্বাচন, জনমত প্রভৃতি বিষয়গুলোও পৌরনীতি ও সুশাসনে আলোচিত হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক নাগরিকতা, বিশ্বগ্রাম, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়গুলোও পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচ্য বিষয়।
ঘ
উদ্দীপকের দুটি বিষয়ের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর— বক্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

'উদ্দীপকের দু'টি বিষয় তথা পৌরনীতি ও সুশাসন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর — বক্তব্যটি যথার্থ । 'পৌরনীতি ও সুশাসন' এবং 'রাষ্ট্রবিজ্ঞান' সামাজিক বিজ্ঞানের একই শাখার দু'টি অংশ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান নাগরিকের রাজনৈতিক সংগঠন, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। আবার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্র, সরকার, সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ, নির্বাচকমণ্ডলী, রাজনৈতিক দল ইত্যাদি পৌরনীতি ও সুশাসনেও আলোচিত হয়। সুতরাং উভয়ের আলোচ্য বিষয় কার্যত এক ও অভিন্ন । উদ্দীপকে দেখা যায়, একাদশ শ্রেণির ছাত্র সাফির বাবা তাকে নাগরিকতা সংশ্লিষ্ট একটি বিষয় পাঠ্য হিসেবে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ একটি বিষয়ে অনার্স পড়ার সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ তিনি বিষয়বস্তুগত দিক থেকে বিষয় দুটির মধ্যে সম্পর্কের কথা বলেছেন। পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তুগত ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে। উভয় শাস্ত্রেই সাধারণ কিছু বিষয় আলোচনা করা হয়। যেমন— সংবিধান, রাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সরকার, প্রশাসন, স্বাধীনতা, আইন, সাম্য, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। তবে পৌরনীতি ও সুশাসন অপেক্ষা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু ব্যাপক এবং তার পরিসর দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বস্তুত, পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকতা বিষয়ক এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাষ্ট্র সম্পর্কিত বিজ্ঞান। আর নাগরিক ও রাষ্ট্র একটি অবিচ্ছেদ্য ধারণা। রাষ্ট্রের অন্যতম উপাদান নাগরিক। নাগরিক ছাড়া রাষ্ট্র হতে পারে না। আবার রাষ্ট্র ছাড়া নাগরিকের ধারণা অর্থহীন। এ হিসেবে পৌরনীতি ও সুশাসন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, পৌরনীতি ও সুশাসন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর 1

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সাফি একাদশ শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে। কিন্তু বিষয় বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে সে তার বাবার নিকট পরামর্শ চাইল । তিনি তার সন্তানকে সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জন এবং নাগরিক অধিকার ভোগ ও কর্তব্য যথাযথ পালনের জন্য নাগরিকতা সংশ্লিষ্ট একটি বিষয়কে পাঠ্য হিসেবে নেয়ার পরামর্শ দিলেন। তখন সাফি তার বাবাকে বলল, এ বিষয়ে অনার্স পড়ার তো কোনো সুযোগ নেই। সাফির বাবা বললেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ের সাথে ঘনিষ্ঠতর একটি বিষয়ে অনার্স পড়ার সুযোগ আছে।

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
পুরবাসী কাদেরকে বলা হতো?

উত্তর

নগরের অধিবাসীদেরকে পুরবাসী বলা হতো।
খ
“উত্তম নাগরিকতা অর্জনের জন্য পৌরনীতির জ্ঞান আবশ্যক” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

পৌরনীতিতে নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত সকল বিষয় আলোচিত হয় বলে উত্তম নাগরিকতা অর্জনের জন্য পৌরনীতির জ্ঞান আবশ্যক। নাগরিক জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন— নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনের সাথে জড়িত ঘটনাবলি ও কার্যকলাপ এ শাস্ত্রে আলোচিত হয়। নাগরিক জীবনের ধর্মীয়, নৈতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক তথা সার্বিক দিকের আলোচনা পৌরনীতি ও সুশাসনের বিষয়বস্তু। পৌরনীতি পাঠ করে একজন নাগরিক উল্লিখিত বিষয়সমূহ তথা নাগরিকতার সকল বৈশিষ্ট্য ও করণীয় সম্পর্কে জানতে পারে। যা অনুসরণ করে ঐ নাগরিক উত্তম নাগরিকতা অর্জন করতে পারে।
গ
উদ্দীপকে সাফির বাবা যে বিষয়টি বেছে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তার বিষয়বস্তু ও পরিধি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে সাফির বাবা পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি বেছে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন । যে শাস্ত্র নাগরিক ও রাষ্ট্রের আচার ও কার্যাবলি নিয়ে আলোচনা করে এবং ব্যক্তির আদর্শ নাগরিক জীবন সম্বন্ধে জ্ঞান দান করে তাকে পৌরনীতি বলে। নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় বলে এ শাস্ত্র পাঠ করে একজন ব্যক্তি সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জন করতে পারে। উদ্দীপকে সাফিকে তার বাবা যে বিষয়টি বেছে নিতে পরামর্শ দিয়েছেন, সেটি সুনাগরিকতার গুণাবলি, নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং নাগরিকতা সংশ্লিষ্ট বিষয়। এ থেকে বোঝা যায়, তিনি পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি নিতে বলেছেন । পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি ও বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে দেখা যায়, এটি নাগরিকতার উদ্ভব, বিকাশ, বিবর্তন, সুনাগরিকতা, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। সমাজের মৌলিক প্রতিষ্ঠান যেমন- পরিবার ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি, বিকাশ, কার্যাবলি প্রভৃতি পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত। এটি নাগরিকের অতীত, বর্তমান এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি নাগরিকতার স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিক নিয়েও আলোচনা করে। পৌরনীতি ও সুশাসন রাজনৈতিক, সাংবিধানিক অগ্রগতি ও বিকাশ সম্পর্কেও আলোচনা করে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, গণতন্ত্র, সরকার, নির্বাচন, জনমত প্রভৃতি বিষয়গুলোও পৌরনীতি ও সুশাসনে আলোচিত হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক নাগরিকতা, বিশ্বগ্রাম, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়গুলোও পৌরনীতি ও সুশাসনের আলোচ্য বিষয়।
ঘ
উদ্দীপকের দুটি বিষয়ের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর— বক্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

'উদ্দীপকের দু'টি বিষয় তথা পৌরনীতি ও সুশাসন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর — বক্তব্যটি যথার্থ । 'পৌরনীতি ও সুশাসন' এবং 'রাষ্ট্রবিজ্ঞান' সামাজিক বিজ্ঞানের একই শাখার দু'টি অংশ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান নাগরিকের রাজনৈতিক সংগঠন, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। আবার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্র, সরকার, সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ, নির্বাচকমণ্ডলী, রাজনৈতিক দল ইত্যাদি পৌরনীতি ও সুশাসনেও আলোচিত হয়। সুতরাং উভয়ের আলোচ্য বিষয় কার্যত এক ও অভিন্ন । উদ্দীপকে দেখা যায়, একাদশ শ্রেণির ছাত্র সাফির বাবা তাকে নাগরিকতা সংশ্লিষ্ট একটি বিষয় পাঠ্য হিসেবে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ একটি বিষয়ে অনার্স পড়ার সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ তিনি বিষয়বস্তুগত দিক থেকে বিষয় দুটির মধ্যে সম্পর্কের কথা বলেছেন। পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তুগত ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে। উভয় শাস্ত্রেই সাধারণ কিছু বিষয় আলোচনা করা হয়। যেমন— সংবিধান, রাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সরকার, প্রশাসন, স্বাধীনতা, আইন, সাম্য, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। তবে পৌরনীতি ও সুশাসন অপেক্ষা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু ব্যাপক এবং তার পরিসর দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বস্তুত, পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকতা বিষয়ক এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাষ্ট্র সম্পর্কিত বিজ্ঞান। আর নাগরিক ও রাষ্ট্র একটি অবিচ্ছেদ্য ধারণা। রাষ্ট্রের অন্যতম উপাদান নাগরিক। নাগরিক ছাড়া রাষ্ট্র হতে পারে না। আবার রাষ্ট্র ছাড়া নাগরিকের ধারণা অর্থহীন। এ হিসেবে পৌরনীতি ও সুশাসন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, পৌরনীতি ও সুশাসন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর 1

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st PaperMCQ
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয় কী?
  • ক.আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
  • খ.সরকারের হস্তক্ষেপ বৃদ্ধি
  • গ.তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা
  • ঘ.রাষ্ট্রীয় স্বার্থের প্রাধান্য

উত্তর: আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আমিনুল সাহেব তার ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, একজন নাগরিকের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে রাষ্ট্র, সংবিধান, বিভিন্ন সংস্থা, নাগরিকতা, রাষ্ট্রের ইতিহাস ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। কেননা সুনাগরিক দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন।।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ক
'Civis′Civis^{\prime} শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'Civis′Civis^{\prime} শব্দের অর্থ 'নাগরিক'।
খ
সুশাসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

সুশাসন বলতে অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতাসম্পন্ন শাসন ব্যবস্থাকে বোঝায়। শাসন শব্দটির সাথে 'সু' প্রত্যয় যোগ হয়ে সুশাসন শব্দটির উদ্ভব ঘটেছে। এটি বিশ্বব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা। সুশাসন অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকর শাসন। বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল। যথা- ১. দায়িত্বশীলতা, ২. স্বচ্ছতা, ৩. আইনি কাঠামো ও ৪. অংশগ্রহণ। ম্যাক করনি (Mac Corney) সুশাসনের সংজ্ঞায় বলেন, সুশাসন হচ্ছে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের ও শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ক।
গ
উদ্দীপকে আমিনুল সাহেবের আলোচিত বিষয়সমূহ নিয়ে কোন। পঠিত বিষয় রয়েছে সেটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে আমিনুল সাহেবের আলোচিত বিষয়সমূহ নিয়ে যে পঠিত বিষয় রয়েছে সেটি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'। পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকতা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে। এটি বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান যেমন- পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি, বিকাশ ও কার্যাবলি এবং এদের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে। এছাড়াও এটি সরকার, সংবিধান, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, নাগরিকতার ধরন, রাষ্ট্রের ইতিহাস প্রভৃতি বিষয় নিয়েও আলোচনা করে থাকে। পাশাপাশি নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, সুনাগরিকের গুণাবলি, নৈতিকতা, মূল্যবোধ প্রভৃতি পৌরনীতি ও সুশাসনে আলোচিত হয়। তাছাড়া রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয়তা, দেশপ্রেমও এর অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, আমিনুল সাহেব তার ক্লাসে ছাত্রদের বলেন, একজন নাগরিকের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে রাষ্ট্র, সংবিধান বিভিন্ন সংস্থা, নাগরিকতা, রাষ্ট্রের ইতিহাস ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। এ থেকে বোঝা যায়, আমিনুল সাহেবের আলোচনা পৌরনীতি ও সুশাসনকেই নির্দেশ করে।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের লাইনটি আলোচনা করো।

উত্তর

"সুনাগরিক দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন" - লাইনটি অত্যন্ত যৌক্তিক। সুশাসন এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে প্রশাসনের জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন ও জনগণের অংশগ্রহণের সমান অধিকার থাকে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের যেমন ভূমিকা রয়েছে, তেমনি সুনাগরিকরাও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আর পৌরনীতি ও সুশাসন বুদ্ধি; বিবেক ও আত্মসংযমের শিক্ষা দিয়ে সুনাগরিক তৈরি করে থাকে। সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ। এতে সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়। আইন মান্য করার মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলা ও জনসাধারণের নিরাপত্তা বিধান হয়। সুনাগরিকরা যেহেতু দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সেহেতু তারা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নিয়মিত কর প্রদান করা আবশ্যক। এক্ষেত্রেও সুনাগরিকরা যথাযথভাবে তাদের কর্তব্য পালন করে। সুনাগরিকদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথকে ত্বরান্বিত করে। ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সুনাগরিকের রাজনৈতিক কর্তব্য। সুনাগরিকরা ভোটাধিকারের মাধ্যমে যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে। এছাড়াও সততা, দেশপ্রেম, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন প্রভৃতির মাধ্যমে সুনাগরিকরা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আমিনুল সাহেব তার ক্লাসে ছাত্রদের বললেন, একজন নাগরিকের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে রাষ্ট্র, সংবিধান, বিভিন্ন সংস্থা, নাগরিকতা, রাষ্ট্রের ইতিহাস ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। কেননা সুনাগরিক দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন।।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024

ক
'Civis′Civis^{\prime} শব্দের অর্থ কী?

উত্তর

'Civis′Civis^{\prime} শব্দের অর্থ 'নাগরিক'।
খ
সুশাসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

সুশাসন বলতে অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতাসম্পন্ন শাসন ব্যবস্থাকে বোঝায়। শাসন শব্দটির সাথে 'সু' প্রত্যয় যোগ হয়ে সুশাসন শব্দটির উদ্ভব ঘটেছে। এটি বিশ্বব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা। সুশাসন অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকর শাসন। বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল। যথা- ১. দায়িত্বশীলতা, ২. স্বচ্ছতা, ৩. আইনি কাঠামো ও ৪. অংশগ্রহণ। ম্যাক করনি (Mac Corney) সুশাসনের সংজ্ঞায় বলেন, সুশাসন হচ্ছে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের ও শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ক।
গ
উদ্দীপকে আমিনুল সাহেবের আলোচিত বিষয়সমূহ নিয়ে কোন। পঠিত বিষয় রয়েছে সেটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে আমিনুল সাহেবের আলোচিত বিষয়সমূহ নিয়ে যে পঠিত বিষয় রয়েছে সেটি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'। পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকতা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে। এটি বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান যেমন- পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি, বিকাশ ও কার্যাবলি এবং এদের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে। এছাড়াও এটি সরকার, সংবিধান, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, নাগরিকতার ধরন, রাষ্ট্রের ইতিহাস প্রভৃতি বিষয় নিয়েও আলোচনা করে থাকে। পাশাপাশি নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, সুনাগরিকের গুণাবলি, নৈতিকতা, মূল্যবোধ প্রভৃতি পৌরনীতি ও সুশাসনে আলোচিত হয়। তাছাড়া রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয়তা, দেশপ্রেমও এর অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, আমিনুল সাহেব তার ক্লাসে ছাত্রদের বলেন, একজন নাগরিকের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে রাষ্ট্র, সংবিধান বিভিন্ন সংস্থা, নাগরিকতা, রাষ্ট্রের ইতিহাস ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। এ থেকে বোঝা যায়, আমিনুল সাহেবের আলোচনা পৌরনীতি ও সুশাসনকেই নির্দেশ করে।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের লাইনটি আলোচনা করো।

উত্তর

"সুনাগরিক দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন" - লাইনটি অত্যন্ত যৌক্তিক। সুশাসন এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে প্রশাসনের জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন ও জনগণের অংশগ্রহণের সমান অধিকার থাকে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের যেমন ভূমিকা রয়েছে, তেমনি সুনাগরিকরাও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আর পৌরনীতি ও সুশাসন বুদ্ধি; বিবেক ও আত্মসংযমের শিক্ষা দিয়ে সুনাগরিক তৈরি করে থাকে। সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ। এতে সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়। আইন মান্য করার মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলা ও জনসাধারণের নিরাপত্তা বিধান হয়। সুনাগরিকরা যেহেতু দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সেহেতু তারা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নিয়মিত কর প্রদান করা আবশ্যক। এক্ষেত্রেও সুনাগরিকরা যথাযথভাবে তাদের কর্তব্য পালন করে। সুনাগরিকদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথকে ত্বরান্বিত করে। ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সুনাগরিকের রাজনৈতিক কর্তব্য। সুনাগরিকরা ভোটাধিকারের মাধ্যমে যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে। এছাড়াও সততা, দেশপ্রেম, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন প্রভৃতির মাধ্যমে সুনাগরিকরা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো