কিশোয়ারা বেগমের মূল্য ছাড়ের সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক?
উত্তর: কিশোয়ারা বেগমের মূল্য ছাড় এর সিদ্ধান্ত অনেক যৌক্তিক বলে আমি মনে করি। সাধারণত পণ্যের বিক্রি, দ্রুত মূল্য আদায়, ব্যাপক অর্থে ক্রয় উদ্বুদ্ধ করা, অফ সিজনে বিক্রয় বাড়ানো, নগদ অর্থের প্রয়োজন মিটানো ইত্যাদি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে কোম্পানি তার নিজস্ব পণ্যের মূল্য হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেন। পণ্য বিক্রয়ের সাথে জড়িত বিভিন্ন মধ্যস্থ ব্যবসায়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও তাদেরকে উৎসাহ প্রদানের জন্য প্রদত্তবার তাকে কার্যভিত্তিক বাট্টা বা কারবারি বাট্টা বলে। এক্ষেত্রে খুচরা মূল্য তালিকা হতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বাট্টা প্রদান করা হয়। যেমন: পণ্যের তালিকা মূল্যে উল্লিখিত বিক্রয় ভিত্তিতে ২০%, ১০%, ৫% ইত্যাদি হারে ছাড় দেওয়া হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, কিশোয়ারা বেগম একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি ৫% মুনাফা বিবেচনা করে তার পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করেন। তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে পণ্যের বিক্রয় কমে যাওয়ায় কিশোরা বেগম পণ্য ১০% মূল্য ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেন। নগদ ছাড় এক ধরনের বিপণন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিক্রেতার আক্রেতা পক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং পণ্যের বিক্রয় বৃদ্ধি ও বাজারের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়। তাছাড়া কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান নগদ ছাড়কে বিজ্ঞাপনে প্রচারণামূলক কাজ হিসেবে ব্যবহার করে। আর এর মাধ্যমে পণ্য দ্রুত বিক্রয় বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায় উদ্দীপকে কিশোয়ারা বেগমের মূল্য ছাড়ের সিদ্ধান্ত অনেক যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।
HSC Marketing 2nd Paper Chapter 5 : পণ্য ও পণ্যের মূল্য নির্ধারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Marketing 2nd Paper · Chapter 5 : পণ্য ও পণ্যের মূল্য নির্ধারণ · সৃজনশীল
কিশোয়ারা বেগমের মূল্য ছাড়ের সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক?
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর