২০০৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রতিযোগিতা মোকাবিলা করার জন্য প্রতিষ্ঠানের করণীয় সম্পর্কে তোমার সুপারিশ তুলে ধরো।
উত্তর: ২০১৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রতিযোগিতা মোকাবিলা করার জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রসার মূলক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। পণ্যের জীবনকাল পাঁচটি স্তর নিয়ে গঠিত। পণ্যের জীবনকাল দীর্ঘস্থায়ী করার ক্ষেত্রে এসব স্তরের মধ্যে পূর্ণতা পর্যায়ের অবদান বেশি বলে এই স্তরের স্থায়িত্ব বাড়াতে বিপণনকারীকে অনেক প্রসার মূলক কাজ করতে হয়। পণ্যের জীবন চক্রের প্রবৃদ্ধি পর্যায়ের পরই পণ্যের পূর্ণতা পর্যায়ে আসে।এ সময় কোম্পানির প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কারণ বিক্রয় বৃদ্ধির ফলে কোম্পানি পূর্ণতা স্তরে পৌঁছাতে পারে, যা অন্যান্য কোম্পানিকে প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখে। বাজারে এ ধরনের অসংখ্য প্রতিযোগী কোম্পানির অনুপ্রবেশ ঘটে এবং প্রতিযোগী কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের কৌশল গ্রহণ করে। ফলে প্রতিষ্ঠানকে এ পর্যায়ে পূর্ণতা ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রসার মূলক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হয়। পণ্যের দাম কমিয়ে নিতে হয়। এ পর্যায়ে প্রসার মূলক কার্যক্রম অবশ্যই বাড়াতে হবে। এতে করে অন্যান্য প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান পণ্যের প্রতিযোগিতা থেকে প্রতিষ্ঠান কম ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এ পর্যায়ে প্রসার ব্যয় বেশি হলেও পণ্যের প্রকৃতি এবং ভোক্তার মনোভাব বুঝে কার্যকর প্রসারমূলক কার্যক্রম করতে হবে। তাই বলা যায় জীবন চক্রের পূর্ণতার স্তরে মুনাফা ধরে রাখা এবং ব্যবসায় প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার জন্য অবশ্যই প্রসারমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
HSC Marketing 2nd Paper Chapter 5 : পণ্য ও পণ্যের মূল্য নির্ধারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Marketing 2nd Paper · Chapter 5 : পণ্য ও পণ্যের মূল্য নির্ধারণ · সৃজনশীল
২০০৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রতিযোগিতা মোকাবিলা করার জন্য প্রতিষ্ঠা…
উদ্দীপক

Rajshahi · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর