শেয়ারFacebookWhatsApp

'রক্তঝড়া ফাগুন' শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো।

উত্তর: রক্তঝরা ফাগুন ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি। আনিসের কাছে তখন ঢাকা শহরের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত মনে হতে লাগল। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রতিদিনই শিক্ষার্থীদের মিটিং, মিছিল আর বিক্ষোভ চলছিল। এখানে-ওখানে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষও চলতে থাকে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আনিসের শ্বশুর তার স্ত্রী লতাকে নিয়ে একদিন ঢাকায় চলে এলেন । অবশ্য লতার এই আগমন ঠেকানোর জন্য সেবার আনিসের আর তেমন কিছুই করার ছিল না। আনিসের সঙ্গে লতার বিয়ে হয়েছিল দুই বছর আগে। আনিস মাঝে মাঝে বাড়ি গিয়ে দু-তিন দিন থেকে আবার ঢাকায় ফিরে আসত। সরকারি চাকরির সুবাদে সে ঢাকায় একটা ছোটো ঘর ভাড়া করে থাকত। তার চাকরির বয়স তখন মাত্র আড়াই বছরের মতো। বিয়ের পর থেকেই লতার ইচ্ছে ছিল ঢাকায় স্বামীর কাছে বেড়াতে যাবে। কিন্তু বাড়তি খরচের ভয়ে আনিস নানা অজুহাতে এতদিন লতার সেই ঢাকা আসার ইচ্ছাটা ঠেকিয়ে রেখেছিল। যতবারই আনিস বাড়িতে গেছে লতা ওকে ঢাকায় বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবদার করেছে। আনিস নানা অজুহাতে তাকে বারণ করেছে। এবারও লতার ঢাকা আসা হতো না, যদি বাবা জমিজমা সংক্রান্ত কাজে ঢাকায় না আসতেন। লতাকে নিষেধ করতে আনিসেরও বিবেকে বাধল। বিয়ের পর থেকে বেচারি লতাকে নিয়ে সে গ্রামের বাইরে কোথাও যায়নি। মেয়েটাও তো আর তেমন কিছু চায়নি। দু'দিনের জন্য ঢাকায় বেড়াতে আসতে চেয়েছে। প্রকৃতিতে ফাল্গুন এসেছে ঠিকই, কিন্তু বাঙালির মনে তখন গ্রীষ্মের দাবদাহ চলছে। পরিস্থিতিও দিন দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছিল আনিসের মনও তাই চিন্তিত হয়ে উঠল! লতাকে আনিসের কাছে রেখে আনিসের শ্বশুর একদিন পরেই বাড়ি ফিরে গেলেন। ঢাকা শহর ঘুরে দেখিয়ে এক সপ্তাহ পরে আনিস লতাকে বাড়ি দিয়ে আসবে— এমনটাই সিদ্ধান্ত ছিল। অফিস থেকে বিকেলে বাসায় ফিরে আনিস লতাকে নিয়ে রিকশায় বেড়াতে বের হয়। বড়ো বড়ো দালানকোঠা, বাস-গাড়ি খুব বিস্ময়ের সঙ্গে দেখতে থাকে লতা। রাস্তার পাশে ফুটে থাকা কৃষ্ণচূড়া দেখে লতা খুবই বিমোহিত হয়ে যায়! কিন্তু আনিসের মনে শঙ্কা জাগে। দেশের যা পরিস্থিতি, যেকোনো সময় একটা অঘটন ঘটে যেতে পারে। তাই আর সন্ধ্যার পর বাইরে থাকাটা নিরাপদ মনে করে না আনিস। রাতে রেডিওতে ভাষা আন্দোলনের খবর শুনে আনিসের মন আরও বিক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। খবরে বলল, “আগামীকাল ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।” সারারাত প্রায় নির্ঘুম কাটাতে হলো আনিসকে। অবশ্য লতা অত কিছু বোঝে না। সে গ্রামের মেয়ে। সে শুধু জানে, মাতৃভাষার জন্য শহরের বাঙালিরা আন্দোলন করছে। লতা তাই রাত গভীর হওয়ার আগেই ফাল্গুনের হিমেল বাতাসে ঘুমিয়ে যায়। পরদিন ছিল ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ। সকালে যথারীতি আনিস অফিসে গেল। লতা স্বাভাবিকভাবেই ঘরে ছিল। হঠাৎ সে বাইরে অনেক হৈ-চৈ শুনতে পেল । জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখল, লোকজন বলাবলি করছে— আজ নাকি পুলিশ ছাত্রদের মিছিলে গুলি করেছে। অনেক লোক আহত হয়েছে। কেউ কেউ মারাও গেছে। চারদিক থেকে লতা মিছিলের তীব্র স্লোগান শুনতে পেল— 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই ।' লতার মনে তখন ভয় কাজ করতে শুরু করল । মনটা অস্থির হয়ে উঠল। হঠাৎ দরজায় জোরে কড়া নাড়ার শব্দ। বাইরে আনিসের কণ্ঠ শুনে দরজা খুলে দেয় লতা। দরজায় কোনো রকমে দাঁড়িয়ে থাকা আনিস লুটিয়ে পড়ে। তার ডান হাতে গুলি লেগেছে। রক্তে ভেসে গেছে জামা । লতা এক টুকরো কাপড় এনে আনিসের ক্ষতস্থানে বেঁধে দেয়। লতার হাত কাঁপতে থাকে। তার চোখে পানি, হাতে রক্ত ।

HSC Bangla 2nd Paper সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা · সৃজনশীল

'রক্তঝড়া ফাগুন' শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো।

উত্তর

রক্তঝরা ফাগুন ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি। আনিসের কাছে তখন ঢাকা শহরের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত মনে হতে লাগল। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রতিদিনই শিক্ষার্থীদের মিটিং, মিছিল আর বিক্ষোভ চলছিল। এখানে-ওখানে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষও চলতে থাকে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আনিসের শ্বশুর তার স্ত্রী লতাকে নিয়ে একদিন ঢাকায় চলে এলেন । অবশ্য লতার এই আগমন ঠেকানোর জন্য সেবার আনিসের আর তেমন কিছুই করার ছিল না। আনিসের সঙ্গে লতার বিয়ে হয়েছিল দুই বছর আগে। আনিস মাঝে মাঝে বাড়ি গিয়ে দু-তিন দিন থেকে আবার ঢাকায় ফিরে আসত। সরকারি চাকরির সুবাদে সে ঢাকায় একটা ছোটো ঘর ভাড়া করে থাকত। তার চাকরির বয়স তখন মাত্র আড়াই বছরের মতো। বিয়ের পর থেকেই লতার ইচ্ছে ছিল ঢাকায় স্বামীর কাছে বেড়াতে যাবে। কিন্তু বাড়তি খরচের ভয়ে আনিস নানা অজুহাতে এতদিন লতার সেই ঢাকা আসার ইচ্ছাটা ঠেকিয়ে রেখেছিল। যতবারই আনিস বাড়িতে গেছে লতা ওকে ঢাকায় বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবদার করেছে। আনিস নানা অজুহাতে তাকে বারণ করেছে। এবারও লতার ঢাকা আসা হতো না, যদি বাবা জমিজমা সংক্রান্ত কাজে ঢাকায় না আসতেন। লতাকে নিষেধ করতে আনিসেরও বিবেকে বাধল। বিয়ের পর থেকে বেচারি লতাকে নিয়ে সে গ্রামের বাইরে কোথাও যায়নি। মেয়েটাও তো আর তেমন কিছু চায়নি। দু'দিনের জন্য ঢাকায় বেড়াতে আসতে চেয়েছে। প্রকৃতিতে ফাল্গুন এসেছে ঠিকই, কিন্তু বাঙালির মনে তখন গ্রীষ্মের দাবদাহ চলছে। পরিস্থিতিও দিন দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছিল আনিসের মনও তাই চিন্তিত হয়ে উঠল! লতাকে আনিসের কাছে রেখে আনিসের শ্বশুর একদিন পরেই বাড়ি ফিরে গেলেন। ঢাকা শহর ঘুরে দেখিয়ে এক সপ্তাহ পরে আনিস লতাকে বাড়ি দিয়ে আসবে— এমনটাই সিদ্ধান্ত ছিল। অফিস থেকে বিকেলে বাসায় ফিরে আনিস লতাকে নিয়ে রিকশায় বেড়াতে বের হয়। বড়ো বড়ো দালানকোঠা, বাস-গাড়ি খুব বিস্ময়ের সঙ্গে দেখতে থাকে লতা। রাস্তার পাশে ফুটে থাকা কৃষ্ণচূড়া দেখে লতা খুবই বিমোহিত হয়ে যায়! কিন্তু আনিসের মনে শঙ্কা জাগে। দেশের যা পরিস্থিতি, যেকোনো সময় একটা অঘটন ঘটে যেতে পারে। তাই আর সন্ধ্যার পর বাইরে থাকাটা নিরাপদ মনে করে না আনিস। রাতে রেডিওতে ভাষা আন্দোলনের খবর শুনে আনিসের মন আরও বিক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। খবরে বলল, “আগামীকাল ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।” সারারাত প্রায় নির্ঘুম কাটাতে হলো আনিসকে। অবশ্য লতা অত কিছু বোঝে না। সে গ্রামের মেয়ে। সে শুধু জানে, মাতৃভাষার জন্য শহরের বাঙালিরা আন্দোলন করছে। লতা তাই রাত গভীর হওয়ার আগেই ফাল্গুনের হিমেল বাতাসে ঘুমিয়ে যায়। পরদিন ছিল ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ। সকালে যথারীতি আনিস অফিসে গেল। লতা স্বাভাবিকভাবেই ঘরে ছিল। হঠাৎ সে বাইরে অনেক হৈ-চৈ শুনতে পেল । জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখল, লোকজন বলাবলি করছে— আজ নাকি পুলিশ ছাত্রদের মিছিলে গুলি করেছে। অনেক লোক আহত হয়েছে। কেউ কেউ মারাও গেছে। চারদিক থেকে লতা মিছিলের তীব্র স্লোগান শুনতে পেল— 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই ।' লতার মনে তখন ভয় কাজ করতে শুরু করল । মনটা অস্থির হয়ে উঠল। হঠাৎ দরজায় জোরে কড়া নাড়ার শব্দ। বাইরে আনিসের কণ্ঠ শুনে দরজা খুলে দেয় লতা। দরজায় কোনো রকমে দাঁড়িয়ে থাকা আনিস লুটিয়ে পড়ে। তার ডান হাতে গুলি লেগেছে। রক্তে ভেসে গেছে জামা । লতা এক টুকরো কাপড় এনে আনিসের ক্ষতস্থানে বেঁধে দেয়। লতার হাত কাঁপতে থাকে। তার চোখে পানি, হাতে রক্ত ।
HSCBangla 2nd Paperসংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”

প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।

সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।

'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।

মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।

'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। তার মা নেই। বাবাই তার একমাত্র অবলম্বন। সে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। লেখাপড়ায় মনোযোগী ফাতেমা তার মায়ের বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বিষয়টি মনে করে নীরবে কাঁদে। সে ভাবে...

নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। তার মা নেই। বাবাই তার একমাত্র অবলম্বন। সে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। লেখাপড়ায় মনোযোগী ফাতেমা তার মায়ের বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বিষয়টি মনে করে নীরবে কাঁদে। সে ভাবে...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের সময় বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দেখে রাহাত বিস্মিত হয়...

প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের সময় বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দেখে রাহাত বিস্মিত হয়...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।

'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার এত বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ়-বয়সেও ...

প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার এত বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ়-বয়সেও ...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই 'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। ত'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের 'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।