শেয়ারFacebookWhatsApp

বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

উত্তর: বৃক্ষনিধন ও পরিবেশ দূষণ বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ মিতুল : নাসির তুমি কেমন আছ? হাতে গাছের চারা নিয়ে কোথায় যাচ্ছ? নাসির : আমি ভালো আছি মিতুল। অনেকদিন পর তোমার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগল। গাছের চারা কিনেছি বাড়ির চারপাশে লাগাব বলে। মিতুল : তা হঠাৎ গাছের চারা লাগানোর শখ হলো কেন তোমার? নাসির: দেখো, বৃক্ষ হলো আমাদের পরম বন্ধু। যে হারে বৃক্ষনিধন করা হচ্ছে তাতে এক সময় এ বন্ধুদের হারিয়ে আমরাও হয়তো নিঃশেষ হয়ে যাব। মিতুল : ও আচ্ছা, এ কথা। এ বিষয়টি আমিও ভেবেছি। প্রাণিকুলে ভারসাম্য বজায় রাখতে বৃক্ষের নিঃস্বার্থ অবদানের কথা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। বৃক্ষ আমাদের ফুল, ফল ও বিশুদ্ধ বাতাসের জোগান দেয়। নাসির: তুমি চমৎকার বলেছ। বৃক্ষের এ ত্যাগের বৈশিষ্ট্যে বিমোহিত হয়ে কবি-সাহিত্যিকেরা বলেছেন, তোমরা নিজেদের মধ্যে বৃক্ষরাজের বৈশিষ্ট্য ধারণ করো, বৃক্ষের মতো পরের কল্যাণে আত্মত্যাগী হও। কিন্তু বৃক্ষের এত ত্যাগের মহিমা আদৌ কি আমরা বুঝতে সক্ষম হচ্ছি? মিতুল না, তা আমরা বুঝতে পারছি না বলেই তো আজকে আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশের এ দূরবস্থা। নাসির: যেখানে একজন মানুষের খাদ্য ছাড়া গড়ে ২১ দিন এবং পানি ছাড়া ৩ দিন বাঁচার সম্ভাবনা থাকে, সেখানে অক্সিজেন ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে মাত্র কয়েক মিনিট। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রাকৃতিক অক্সিজেনের সবচেয়ে বড়ো উৎস বৃক্ষনিধন করতে আমরা বিন্দুমাত্র কৃষ্ঠা বোধ করি না। মিতুল। সেদিন একটি তথ্য চোখে পড়ল। তথ্য অনুযায়ী, একজন মানুষের বার্ষিক যে পরিমাণ অক্সিজেন প্রয়োজন হয়, সে পরিমাণ অক্সিজেন সাত থেকে আটটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বাতাসে ছাড়তে পারে। নাসির: বৃক্ষ আমাদের এত এত উপকার করে অথচ আশঙ্কার বিষয় এই যে আমরা যে পরিমাণ বৃক্ষনিধন করি, তার অর্ধেক পরিমাণ বৃক্ষও রোপণ করি না। মিতুল : এ কারণেই দীর্ঘমেয়াদে এটি জলবায়ুর পরিবর্তনে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। বৃষ্টি কমে যাচ্ছে, কোথাও দেখা দিচ্ছে খরা, আবার কোথাও কোথাও অসময়ের বন্যায় বড়ো ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি আমরা। শুধু এটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, বৃক্ষনিধনের কারণে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে গ্রিনহাউস ইফেক্ট। ফলস্বরূপ, বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অসহনীয়ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা। নাসির: আসলে মানুষ 'না বুঝেই এমনটি করছে। আবার অনেকে স্বার্থের কারণেও বৃক্ষনিধন করে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে এক সময় আমাদের পৃথিবী বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। মিতুল : কিন্তু নাসির, তুমি বিশ্বের কথা চিন্তা করছ। আমাদের বাংলাদেশের খবর কি জানো? গত ২৫ বছরে বাংলাদেশের বনভূমি কমেছে প্রায় ৬৫ হাজার হেক্টর। যেখানে একটি দেশে মোট ভূমির ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা দরকার, সেখানে দ্য ওয়ার্ল্ড ফরেস্ট ২০২২-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আছে মাত্র ১৪ দশমিক ১ শতাংশ। ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এ পরিমাণ ১৭ শতাংশ। নাসির: এত বড়ো ভয়ানক কথা! তাহলে বনভূমির সংকটের প্রভাবেই দেখা যাচ্ছে শুল্ক মৌসুমে বৃষ্টি হতে, আবার বর্ষাকালে দেখা যায় বৃষ্টির কোনো খোঁজ নেই। একইভাবে শরতে দেখা যায় বৃষ্টি। এ পরিবর্তনগুলোর জন্য দায়ী আমরা মানুষেরাই। মিতুল: হ্যাঁ, বৃক্ষনিধনের কারণে প্রকৃতির এ চিরায়ত নিয়মগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, যা পরিবেশের বাস্তুতন্ত্রের উপর যথেষ্ট খারাপ প্রভাব ফেলছে। নাসির : বৃক্ষ যে শুধু আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেই সাহায্য করে তা কিন্তু নয় বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রতিটি কাজের সঙ্গে বৃক্ষ কোনো না কোনোভাবে জড়িত। তাছাড়া বৃক্ষ শব্দদূষণ, মাটিদূষণ, বায়ুদূষণ রোধ করতেও সাহায্য করে। মিতুল : পরিবেশ দূষণ রোধেও বৃক্ষের যে কত অবদান তা বলে শেষ করা যাবে না। এক গবেষণায় দেখা গেছে, এক হেক্টর পরিমাণ মাঝারি বন প্রায় ১০ ডেসিবেল শব্দদূষণ প্রতিরোধ করতে পারে। এক্ষেত্রে দেবদারু প্রজাতির গাছ কৃত্রিম শব্দ শুষে নিয়ে পরিবেশকে রাখে কোলাহলমুক্ত, তীব্র থেকে তীব্রতর শব্দও বাধা পড়ে এ গাছের পাতার আড়ালে। তাই পরিবেশবিদেরা বিভিন্ন শহরাঞ্চলের শব্দদূষণ রোধে রাস্তার দুপাশে বেশি করে এই গাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। নাসির : শোনো মিতুল, বায়ুদূষণ ও মাটিদূষণ প্রতিরোধেও বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা কারণে- অকারণে বেহিসাবে বৃক্ষনিধন করছি। মিতুল : এভাবে চলতে থাকলেতো পরিবেশে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাবে। বাড়বে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা। বন্যায় প্লাবিত হবে দেশের নিম্নাঞ্চল। বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ অসহনীয় পরিমাণে বেড়ে যাবে, যার সবচেয়ে বড়ো ভুক্তভোগী হব আমরা মানুষেরাই। নাসির : তাই চলো আমরা বৃক্ষনিধনকে 'না' বলি। আগামীর সুস্থ, সুন্দর ও সতেজ পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহী করি। এজন্যই আমি গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মিতুল : তোমার সাথে কথা বলে অনেক কিছু জানতে পারলাম। বৃক্ষনিধন ও পরিবেশ দূষণ রক্ষায় তোমার উদ্যোগের জন্য- অনেক ধন্যবাদ। নাসির : তোমাকেও ধন্যবাদ, মিতুল। আবার দেখা হবে।

HSC Bangla 2nd Paper সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা · সৃজনশীল

বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

উত্তর

বৃক্ষনিধন ও পরিবেশ দূষণ বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ মিতুল : নাসির তুমি কেমন আছ? হাতে গাছের চারা নিয়ে কোথায় যাচ্ছ? নাসির : আমি ভালো আছি মিতুল। অনেকদিন পর তোমার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগল। গাছের চারা কিনেছি বাড়ির চারপাশে লাগাব বলে। মিতুল : তা হঠাৎ গাছের চারা লাগানোর শখ হলো কেন তোমার? নাসির: দেখো, বৃক্ষ হলো আমাদের পরম বন্ধু। যে হারে বৃক্ষনিধন করা হচ্ছে তাতে এক সময় এ বন্ধুদের হারিয়ে আমরাও হয়তো নিঃশেষ হয়ে যাব। মিতুল : ও আচ্ছা, এ কথা। এ বিষয়টি আমিও ভেবেছি। প্রাণিকুলে ভারসাম্য বজায় রাখতে বৃক্ষের নিঃস্বার্থ অবদানের কথা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। বৃক্ষ আমাদের ফুল, ফল ও বিশুদ্ধ বাতাসের জোগান দেয়। নাসির: তুমি চমৎকার বলেছ। বৃক্ষের এ ত্যাগের বৈশিষ্ট্যে বিমোহিত হয়ে কবি-সাহিত্যিকেরা বলেছেন, তোমরা নিজেদের মধ্যে বৃক্ষরাজের বৈশিষ্ট্য ধারণ করো, বৃক্ষের মতো পরের কল্যাণে আত্মত্যাগী হও। কিন্তু বৃক্ষের এত ত্যাগের মহিমা আদৌ কি আমরা বুঝতে সক্ষম হচ্ছি? মিতুল না, তা আমরা বুঝতে পারছি না বলেই তো আজকে আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশের এ দূরবস্থা। নাসির: যেখানে একজন মানুষের খাদ্য ছাড়া গড়ে ২১ দিন এবং পানি ছাড়া ৩ দিন বাঁচার সম্ভাবনা থাকে, সেখানে অক্সিজেন ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে মাত্র কয়েক মিনিট। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রাকৃতিক অক্সিজেনের সবচেয়ে বড়ো উৎস বৃক্ষনিধন করতে আমরা বিন্দুমাত্র কৃষ্ঠা বোধ করি না। মিতুল। সেদিন একটি তথ্য চোখে পড়ল। তথ্য অনুযায়ী, একজন মানুষের বার্ষিক যে পরিমাণ অক্সিজেন প্রয়োজন হয়, সে পরিমাণ অক্সিজেন সাত থেকে আটটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বাতাসে ছাড়তে পারে। নাসির: বৃক্ষ আমাদের এত এত উপকার করে অথচ আশঙ্কার বিষয় এই যে আমরা যে পরিমাণ বৃক্ষনিধন করি, তার অর্ধেক পরিমাণ বৃক্ষও রোপণ করি না। মিতুল : এ কারণেই দীর্ঘমেয়াদে এটি জলবায়ুর পরিবর্তনে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। বৃষ্টি কমে যাচ্ছে, কোথাও দেখা দিচ্ছে খরা, আবার কোথাও কোথাও অসময়ের বন্যায় বড়ো ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি আমরা। শুধু এটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, বৃক্ষনিধনের কারণে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে গ্রিনহাউস ইফেক্ট। ফলস্বরূপ, বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অসহনীয়ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা। নাসির: আসলে মানুষ 'না বুঝেই এমনটি করছে। আবার অনেকে স্বার্থের কারণেও বৃক্ষনিধন করে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে এক সময় আমাদের পৃথিবী বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। মিতুল : কিন্তু নাসির, তুমি বিশ্বের কথা চিন্তা করছ। আমাদের বাংলাদেশের খবর কি জানো? গত ২৫ বছরে বাংলাদেশের বনভূমি কমেছে প্রায় ৬৫ হাজার হেক্টর। যেখানে একটি দেশে মোট ভূমির ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা দরকার, সেখানে দ্য ওয়ার্ল্ড ফরেস্ট ২০২২-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আছে মাত্র ১৪ দশমিক ১ শতাংশ। ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এ পরিমাণ ১৭ শতাংশ। নাসির: এত বড়ো ভয়ানক কথা! তাহলে বনভূমির সংকটের প্রভাবেই দেখা যাচ্ছে শুল্ক মৌসুমে বৃষ্টি হতে, আবার বর্ষাকালে দেখা যায় বৃষ্টির কোনো খোঁজ নেই। একইভাবে শরতে দেখা যায় বৃষ্টি। এ পরিবর্তনগুলোর জন্য দায়ী আমরা মানুষেরাই। মিতুল: হ্যাঁ, বৃক্ষনিধনের কারণে প্রকৃতির এ চিরায়ত নিয়মগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, যা পরিবেশের বাস্তুতন্ত্রের উপর যথেষ্ট খারাপ প্রভাব ফেলছে। নাসির : বৃক্ষ যে শুধু আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেই সাহায্য করে তা কিন্তু নয় বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রতিটি কাজের সঙ্গে বৃক্ষ কোনো না কোনোভাবে জড়িত। তাছাড়া বৃক্ষ শব্দদূষণ, মাটিদূষণ, বায়ুদূষণ রোধ করতেও সাহায্য করে। মিতুল : পরিবেশ দূষণ রোধেও বৃক্ষের যে কত অবদান তা বলে শেষ করা যাবে না। এক গবেষণায় দেখা গেছে, এক হেক্টর পরিমাণ মাঝারি বন প্রায় ১০ ডেসিবেল শব্দদূষণ প্রতিরোধ করতে পারে। এক্ষেত্রে দেবদারু প্রজাতির গাছ কৃত্রিম শব্দ শুষে নিয়ে পরিবেশকে রাখে কোলাহলমুক্ত, তীব্র থেকে তীব্রতর শব্দও বাধা পড়ে এ গাছের পাতার আড়ালে। তাই পরিবেশবিদেরা বিভিন্ন শহরাঞ্চলের শব্দদূষণ রোধে রাস্তার দুপাশে বেশি করে এই গাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। নাসির : শোনো মিতুল, বায়ুদূষণ ও মাটিদূষণ প্রতিরোধেও বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা কারণে- অকারণে বেহিসাবে বৃক্ষনিধন করছি। মিতুল : এভাবে চলতে থাকলেতো পরিবেশে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাবে। বাড়বে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা। বন্যায় প্লাবিত হবে দেশের নিম্নাঞ্চল। বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ অসহনীয় পরিমাণে বেড়ে যাবে, যার সবচেয়ে বড়ো ভুক্তভোগী হব আমরা মানুষেরাই। নাসির : তাই চলো আমরা বৃক্ষনিধনকে 'না' বলি। আগামীর সুস্থ, সুন্দর ও সতেজ পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহী করি। এজন্যই আমি গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মিতুল : তোমার সাথে কথা বলে অনেক কিছু জানতে পারলাম। বৃক্ষনিধন ও পরিবেশ দূষণ রক্ষায় তোমার উদ্যোগের জন্য- অনেক ধন্যবাদ। নাসির : তোমাকেও ধন্যবাদ, মিতুল। আবার দেখা হবে।
HSCBangla 2nd Paperসংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”

প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।

সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।

'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।

মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।

'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। তার মা নেই। বাবাই তার একমাত্র অবলম্বন। সে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। লেখাপড়ায় মনোযোগী ফাতেমা তার মায়ের বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বিষয়টি মনে করে নীরবে কাঁদে। সে ভাবে...

নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। তার মা নেই। বাবাই তার একমাত্র অবলম্বন। সে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। লেখাপড়ায় মনোযোগী ফাতেমা তার মায়ের বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বিষয়টি মনে করে নীরবে কাঁদে। সে ভাবে...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের সময় বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দেখে রাহাত বিস্মিত হয়...

প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের সময় বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দেখে রাহাত বিস্মিত হয়...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।

'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার এত বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ়-বয়সেও ...

প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার এত বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ়-বয়সেও ...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই 'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। ত'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের 'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।