শেয়ারFacebookWhatsApp

নিচের উদ্দীপক অনুসরণে একটি খুদেগল্প রচনা করো : মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার ইচ্ছা স্বপ্নিল ও মুনার অনেকদিনের। তারা শ্রীপুর গ্রামে এক মুক্তিযোদ্ধার কাছে গেল মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে।...

উত্তর: মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার ইচ্ছা স্বপ্নিল ও মুনার অনেকদিনের। তারা শ্রীপুর গ্রামে এক মুক্তিযোদ্ধার কাছে গেল মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে। মুক্তিযোদ্ধার নাম রহমত উল্লাহ। কলেজের অধ্যক্ষ মোমেনুর রহমানের বন্ধু তিনি। মোমেনুর স্যারই তাদের এই বীর মুক্তিযোদ্ধার ঠিকানা দিয়েছেন। রহমত উল্লাহ ও মোমেনুর স্যার একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে কাঁধে কাঁধ রেখে দেশমাতৃকার মুক্তি ছিনিয়ে আনতে যুদ্ধ করেছেন। সেদিন ছিল রবিবার। গ্রীষ্মের রৌদ্রতপ্ত দুপুরে স্বপ্নিল ও মুনা মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহর বাড়িতে পৌছায়। পথ খুঁজে পেতে তাদের বেগ পেতে হয় না। শ্রীপুর গ্রামে সবাই এক নামে চেনে মুক্তিযোদ্ধা রহমতের বাড়ি। দরজায় টোকা দিতেই বের হয়ে আসেন সত্তরোর্ধ এক নারী। 'আসসালামু আলাইকুম। আমরা মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহ স্যারের কাছে এসেছি। শ্রীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোমেনুর স্যার আমাদের পাঠিয়েছেন,' এক নিশ্বাসে বলে ফেলে মুনা। প্রৌঢ়া নারী তাদের ভেতরে নিয়ে বসান এবং অপেক্ষা করতে বলেন। ভীষণ উৎফুল্ল স্বপ্নিল ও মুনা। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এক মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে সরাসরি স্বাধীনতার ইতিহাস শোনার সুযোগ আজ বাস্তব হতে যাচ্ছে। অপেক্ষার প্রহর যেন কাটতেই চায় না। তাদের সামনে যেন সময় থমকে গেছে। হঠাৎ কাঠের দরজা ঠেলে বের হয়ে আসেন এক প্রৌঢ় ব্যক্তি। তাদের অপেক্ষার পালা যেন শেষ হলো। মুক্তিযোদ্ধার মুখে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনার দুর্লভ সুযোগ আজ আর স্বপ্ন নয়। সালাম দিয়ে নিজেদের পরিচয় ও আসার হেতু রহমত উল্লাহ কাছে তারা খুলে বলে। স্বাধীনতার ইতিহাস শোনার জন্য তরুণ প্রজন্মের এই দুই প্রতিনিধির আগ্রহ দেখে মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহও ভীষণ খুশি হন। - খুলে দেন তাঁর গল্পের ঝাঁপি। ফিরে যান দুঃসাহসী মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে। রোমন্থন করেন সাহসী ও সংগ্রামী মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো। ১৯৭১ সালে তিনি বিএসসি ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। এমন সময় আসে মুক্তিযুদ্ধের ডাক। দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন যুদ্ধে। 'একাত্তরের এপ্রিল মাসে শ্রীপুরে পাকিস্তানিরা ঢুকে পড়ে। বাড়িঘর, দোকানপাট সব পুড়িয়ে দেয় ওই পশুর দল। প্রতিঘরের পুরুষ সদস্যকে তাঁরা হত্যা করে। নারীদের তুলে নিয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে আমি যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই'- বলেন রহমত উল্লাহ। পালিয়ে ভারতে যান রহমত উল্লাহ এবং তিন মাস ট্রেনিং শেষে অস্ত্র হাতে ফিরে আসেন দেশকে শত্রুমুক্ত করতে। বলে চলেন রহমত, 'তখন আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ। আমার ট্রেনিং তখন শেষ। আমাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ঝিনাইদহের মহেশপুরে আকবর চেয়ারম্যানের কাছে। তাঁর অধীনে ছিল মুক্তিবাহিনীর একটি দল। আমরা যোগ দিতে দলটি বড়ো হয়; সব মিলিয়ে ২০০ জন। ছোটো ছোটো গ্রুপ করে আমরা অপারেশন করি। নবুয়া, আহম্মদ, ভিকু, রাজ্জাক, সুধীর বিশ্বাসও ছিলেন আমাদের দলে।' 'রাজাকাররা অত্যাচার করত খুব। যুবতিদের ধরে নিয়ে ক্যাম্পে দেওয়া আর লুটপাট করা ছিল তাদের প্রধান কাজ। মহেশপুর থানার ভেতরে কিছু রাজাকার তখন অবস্থান করছিল। থানার চারপাশ আমরা নিয়ন্ত্রণে নিই। ওরা ভেতরে। আকবর চেয়ারম্যান প্রথমে তাদের আত্মসমর্পণ করার কথা বললেন। প্রত্যুত্তরে তারা গুলি ছোড়ে। আমরাও পালটা জবাব দিই। অল্প সময়ের মধ্যেই থানা দখল করে নিই। ওই অপারেশনে মেলে অনেক অস্ত্র। এভাবেই চলছিল প্রতিটি অপারেশন। নিরাপত্তা বলে কিছু ছিল না। যেকোনো সময় শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ভয় ছিল। একবার হলোও তাই।' মুখমণ্ডল শক্ত হয়ে ওঠে রহমত মুক্তিযোদ্ধার। বলে চলেন প্রবীণ এই মুক্তিযোদ্ধা, 'মহেশপুর সরকারি বিদ্যালয়ের ভেতর কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা রেস্ট নিচ্ছিল। এটা সেপ্টেম্বরের শেষ কিংবা নভেম্বরের শুরুর দিকের কথা। রাজাকাররা এ খবর পৌঁছে দেয় পাকিস্তানি আর্মি ক্যাম্পে। ওরা এসে ঘিরে ফেলে স্কুলটিকে। অতঃপর নির্মমভাবে হত্যা করে দশজন মুক্তিযোদ্ধাকে। তাদের লাশগুলোর দিকে তাকাতে পারিনি। কারো চোখ উড়ে গেছে, কারও বুক বেয়নেটের আঘাতে রক্তাক্ত। এখনো মনে হলে বুকটা কেঁপে ওঠে।'

HSC Bangla 2nd Paper সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা · সৃজনশীল

নিচের উদ্দীপক অনুসরণে একটি খুদেগল্প রচনা করো : মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার ইচ্ছা স্বপ্নিল ও মুনার অনেকদিনের। তারা শ্রীপুর গ্রামে এক মুক্তিযোদ্ধার কাছে গেল মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে।...

উত্তর

মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার ইচ্ছা স্বপ্নিল ও মুনার অনেকদিনের। তারা শ্রীপুর গ্রামে এক মুক্তিযোদ্ধার কাছে গেল মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনতে। মুক্তিযোদ্ধার নাম রহমত উল্লাহ। কলেজের অধ্যক্ষ মোমেনুর রহমানের বন্ধু তিনি। মোমেনুর স্যারই তাদের এই বীর মুক্তিযোদ্ধার ঠিকানা দিয়েছেন। রহমত উল্লাহ ও মোমেনুর স্যার একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে কাঁধে কাঁধ রেখে দেশমাতৃকার মুক্তি ছিনিয়ে আনতে যুদ্ধ করেছেন। সেদিন ছিল রবিবার। গ্রীষ্মের রৌদ্রতপ্ত দুপুরে স্বপ্নিল ও মুনা মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহর বাড়িতে পৌছায়। পথ খুঁজে পেতে তাদের বেগ পেতে হয় না। শ্রীপুর গ্রামে সবাই এক নামে চেনে মুক্তিযোদ্ধা রহমতের বাড়ি। দরজায় টোকা দিতেই বের হয়ে আসেন সত্তরোর্ধ এক নারী। 'আসসালামু আলাইকুম। আমরা মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহ স্যারের কাছে এসেছি। শ্রীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোমেনুর স্যার আমাদের পাঠিয়েছেন,' এক নিশ্বাসে বলে ফেলে মুনা। প্রৌঢ়া নারী তাদের ভেতরে নিয়ে বসান এবং অপেক্ষা করতে বলেন। ভীষণ উৎফুল্ল স্বপ্নিল ও মুনা। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এক মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে সরাসরি স্বাধীনতার ইতিহাস শোনার সুযোগ আজ বাস্তব হতে যাচ্ছে। অপেক্ষার প্রহর যেন কাটতেই চায় না। তাদের সামনে যেন সময় থমকে গেছে। হঠাৎ কাঠের দরজা ঠেলে বের হয়ে আসেন এক প্রৌঢ় ব্যক্তি। তাদের অপেক্ষার পালা যেন শেষ হলো। মুক্তিযোদ্ধার মুখে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনার দুর্লভ সুযোগ আজ আর স্বপ্ন নয়। সালাম দিয়ে নিজেদের পরিচয় ও আসার হেতু রহমত উল্লাহ কাছে তারা খুলে বলে। স্বাধীনতার ইতিহাস শোনার জন্য তরুণ প্রজন্মের এই দুই প্রতিনিধির আগ্রহ দেখে মুক্তিযোদ্ধা রহমত উল্লাহও ভীষণ খুশি হন। - খুলে দেন তাঁর গল্পের ঝাঁপি। ফিরে যান দুঃসাহসী মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে। রোমন্থন করেন সাহসী ও সংগ্রামী মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো। ১৯৭১ সালে তিনি বিএসসি ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। এমন সময় আসে মুক্তিযুদ্ধের ডাক। দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন যুদ্ধে। 'একাত্তরের এপ্রিল মাসে শ্রীপুরে পাকিস্তানিরা ঢুকে পড়ে। বাড়িঘর, দোকানপাট সব পুড়িয়ে দেয় ওই পশুর দল। প্রতিঘরের পুরুষ সদস্যকে তাঁরা হত্যা করে। নারীদের তুলে নিয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে আমি যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই'- বলেন রহমত উল্লাহ। পালিয়ে ভারতে যান রহমত উল্লাহ এবং তিন মাস ট্রেনিং শেষে অস্ত্র হাতে ফিরে আসেন দেশকে শত্রুমুক্ত করতে। বলে চলেন রহমত, 'তখন আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ। আমার ট্রেনিং তখন শেষ। আমাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ঝিনাইদহের মহেশপুরে আকবর চেয়ারম্যানের কাছে। তাঁর অধীনে ছিল মুক্তিবাহিনীর একটি দল। আমরা যোগ দিতে দলটি বড়ো হয়; সব মিলিয়ে ২০০ জন। ছোটো ছোটো গ্রুপ করে আমরা অপারেশন করি। নবুয়া, আহম্মদ, ভিকু, রাজ্জাক, সুধীর বিশ্বাসও ছিলেন আমাদের দলে।' 'রাজাকাররা অত্যাচার করত খুব। যুবতিদের ধরে নিয়ে ক্যাম্পে দেওয়া আর লুটপাট করা ছিল তাদের প্রধান কাজ। মহেশপুর থানার ভেতরে কিছু রাজাকার তখন অবস্থান করছিল। থানার চারপাশ আমরা নিয়ন্ত্রণে নিই। ওরা ভেতরে। আকবর চেয়ারম্যান প্রথমে তাদের আত্মসমর্পণ করার কথা বললেন। প্রত্যুত্তরে তারা গুলি ছোড়ে। আমরাও পালটা জবাব দিই। অল্প সময়ের মধ্যেই থানা দখল করে নিই। ওই অপারেশনে মেলে অনেক অস্ত্র। এভাবেই চলছিল প্রতিটি অপারেশন। নিরাপত্তা বলে কিছু ছিল না। যেকোনো সময় শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ভয় ছিল। একবার হলোও তাই।' মুখমণ্ডল শক্ত হয়ে ওঠে রহমত মুক্তিযোদ্ধার। বলে চলেন প্রবীণ এই মুক্তিযোদ্ধা, 'মহেশপুর সরকারি বিদ্যালয়ের ভেতর কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা রেস্ট নিচ্ছিল। এটা সেপ্টেম্বরের শেষ কিংবা নভেম্বরের শুরুর দিকের কথা। রাজাকাররা এ খবর পৌঁছে দেয় পাকিস্তানি আর্মি ক্যাম্পে। ওরা এসে ঘিরে ফেলে স্কুলটিকে। অতঃপর নির্মমভাবে হত্যা করে দশজন মুক্তিযোদ্ধাকে। তাদের লাশগুলোর দিকে তাকাতে পারিনি। কারো চোখ উড়ে গেছে, কারও বুক বেয়নেটের আঘাতে রক্তাক্ত। এখনো মনে হলে বুকটা কেঁপে ওঠে।'
HSCBangla 2nd Paperসংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”

প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।

সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।

'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।

মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।

'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। তার মা নেই। বাবাই তার একমাত্র অবলম্বন। সে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। লেখাপড়ায় মনোযোগী ফাতেমা তার মায়ের বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বিষয়টি মনে করে নীরবে কাঁদে। সে ভাবে...

নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। তার মা নেই। বাবাই তার একমাত্র অবলম্বন। সে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। লেখাপড়ায় মনোযোগী ফাতেমা তার মায়ের বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বিষয়টি মনে করে নীরবে কাঁদে। সে ভাবে...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের সময় বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দেখে রাহাত বিস্মিত হয়...

প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের সময় বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দেখে রাহাত বিস্মিত হয়...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।

'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার এত বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ়-বয়সেও ...

প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার এত বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ়-বয়সেও ...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই 'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। ত'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের 'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।