শেয়ারFacebookWhatsApp

নিচের উদ্দীপক অনুসরণে একটি খুদেগল্প রচনা করো: পড়ন্ত বিকেলে ঢাকার ফুটপাতে হাঁটতে হাঁটতে রাজু ভাবে, কালের প্রবহমান স্রোত জীবনকে আজ কতদূরে নিয়ে এসেছে! কিন্তু শৈশবের স্মৃতিগুলো আজও ldots..

উত্তর: রাজুর শৈশব পড়ন্ত বিকেলে ঢাকার ফুটপাতে হাঁটতে হাঁটতে রাজু ভাবে- কালের প্রবহমান স্রোত জীবনকে আজ কতদূরে নিয়ে এসেছে। কিন্তু শৈশবের স্মৃতিগুলো আজও অমলিন মনের মণিকোঠায়। সেই দুরন্ত শৈশবের অম্ল-মধুর স্মৃতি তাকে অতীতের কোলে টেনে নেয়। এই নাগরিক কোলাহল রাজুর একদম ভালো লাগে না। একঘেয়েমি, যান্ত্রিক এই মহানগরের জীবন যেন ডাঙায় তোলা মাছের মতো সর্বদা খাবি খায়। পালাতে ইচ্ছা হয় সবকিছু ছেড়ে। জীবন ও জীবিকার তাগিদে রাজু তা পারে না। তবে শৈশবের অমলিন স্মৃতিগুলো যেন নাগরিক শ্বাসরুদ্ধতার মধ্যে এক পলকা নির্মল ও শুভ্র বাতাস। রাজু ভাবে কত না সুন্দর ছিল তার শৈশব। গোপালপুর নামক ছোটো গ্রামে তার বেড়ে ওঠা। সেখানে ছিল না নগরের যান্ত্রিক ছোঁয়া। সকালে মা তাকে গরম ভাত খাইয়ে দিতেন নিজ হাতে। স্কুলের জামা-জুতা পরিয়ে দিতেন। তার খুদে হাত মুঠোয় করে রোজ স্কুলে দিয়ে আসতেন মা। কলেজিয়েট প্রাথমিক স্কুলে পড়ত সে। পড়াশোনায় ভালো হওয়ায় স্কুলের শিক্ষক তাকে খুব ভালোবাসতেন। স্কুলের শেখার বিষয়টা ছিল অতি আনন্দের। এখনকার বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীর মতো বইয়ের বোঝা তাকে বইতে হয়নি। কাঁধে ছিল না ব্যাগ বোঝাই বইয়ের চাপও। সবাই ক্লাসে বসে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করে থাকত কখন বারোটা বাজবে। দপ্তরি আব্দুল হাই ঘণ্টার আওয়াজ দেবেন। ঘণ্টা বাজা মাত্র ভোঁদৌড়ে স্কুল-মাঠে হাজির হতো রাজু ও তার সহপাঠীরা। দুপুরের রোদকে থোড়াই কেয়ার করে তারা খেলায় মেতে উঠত। টিফিনের একটা ঘণ্টা শিক্ষার্থীদের কোলাহলে মুখর হয়ে থাকত বিদ্যালয়ের আঙিনা। আর স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে মায়ের হাতে তৈরি টিফিন ভাগাভাগি করে খাওয়ার স্মৃতি তো আজও তাকে অশ্রুসিক্ত করে তোলে। আজ সে কোথায় আর কোথায় তার স্কুল বন্ধু রহিম, জসিম, আল-আমিন, জীবন ও রোমানরা। স্কুল থেকে ফিরেই মায়ের হাতে খেতো রাজু। মা তাকে ঘুম পাড়াতে চাইতেন। রাজু ঘুমের ভান করে থাকত। যেই না মা সরে যেতেন, অমনি রাজু পগারপার। মা আর তাকে খুঁজে পেতেন না। খুঁজে পেত তার বন্ধুরা। পাড়ার বড়ো মাঠে। ক্রিকেট খেলতে খুবই পছন্দ করত রাজু। ভালো ক্রিকেট খেলতো বলে কেবল বন্ধু মহলেই নয়, পাড়ার বড়ো ভাইয়েরাও রাজুকে খুব স্নেহ করতেন। পশ্চিম আকাশে সূর্য ঢলে পড়লেই রাজু বাড়ি ফিরে যেত। ধুলো জড়িয়ে থাকত তার সারা গায়ে। মা তাকে জোর করে আবার গোসল করাতেন। গোসল করানোর পর তাকে ঘরে ঢুকতে দিতেন মা। সন্ধ্যায় রাজুর বাবা অফিস থেকে ফিরতেন। রাজু তখন লক্ষ্মী ছেলের মতো বইয়ে মাথা গুজে স্কুলের পড়া তৈরি করত। সন্ধ্যায় দুরন্ত রাজু আর দুরন্ত থাকত না। বাবার কণ্ঠস্বরকে সে যমের চেয়ে বেশি ভয় করত। উচ্চৈঃস্বরে পড়ত সে। ঘুমে তার চোখ ধরে আসত। তবু ঘুমাতে পারত না সে বাবার ভয়ে। এই বুঝি বাবা দিলেন এক ধমক। তখনকার দিনে প্রায় প্রতি রাতেই বিদ্যুৎ বিভ্রাট অর্থাৎ লোডশেডিং হতো। লোডশেডিং ছিল রাজুর প্রার্থনার বস্তু। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজুর ঘুমও উধাও হয়ে যেত। স্কুলের দুরন্তপনা এবং খেলার মাঠের চঞ্চলতা আবার তার উপর ভর করত। বিদ্যুৎ গেলে তাকে পড়তে হতো না। দুপুরের খেলার মাঠের বদলে রাতে সে নেমে পড়ত বাড়ির আঙিনায়। উঠান যেন মুহূর্তেই শিশু-কিশোরদের মেলায় রূপ নিত। 'কুক পালানো', 'ছোয়াছুঁয়ি', 'কানামাছি' ছিল রাজুদের রাতের খেলা। তবে 'কুক পালানো'ই ছিল তাদের প্রধান খেলা। কেউ কেউ আবার গল্পের ঝাঁপি খুলে বসত। রূপকথার রাজকুমার-রাজকুমারীর জগতে ডুবে যেত অনেকেই। বিদ্যুৎ না আসা পর্যন্ত অবিরাম তারা খেলেই চলত। যেই বিদ্যুৎ আসত, অমনি সবাই উঠোন খালি করে এক দৌড়ে বাসায় ফিরে যেত। হাত-মুখ ধুয়ে ফের রাজু পড়তে বসত। পড়ার চেয়ে ঘুমই তখন তাকে বেশি টানত। কতদিন যে না খেয়েই রাজু ঘুমিয়ে যেত তার কোনো ইয়ত্তা ছিল না। অবশ্য মা তাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে হাতে তুলে খাইয়ে দিতেন। হঠাৎ বাসের কর্কশ হর্নে রাজু সংবিৎ ফিরে পায়। শৈশবের স্বর্গ থেকে নেমে আসে নগর জীবনের বাস্তবতার মাটিতে। দীর্ঘশ্বাসে বুক তার ভারি হয়ে আসে। দ্রুত হেঁটে চলে রাজু। সামনের গলিতে গিয়েই যে তাকে বাস ধরতে হবে। ফিরতে হবে ইট-পাথরের বদ্ধ কুঠিতে।

HSC Bangla 2nd Paper সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · সংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা · সৃজনশীল

নিচের উদ্দীপক অনুসরণে একটি খুদেগল্প রচনা করো: পড়ন্ত বিকেলে ঢাকার ফুটপাতে হাঁটতে হাঁটতে রাজু ভাবে, কালের প্রবহমান স্রোত জীবনকে আজ কতদূরে নিয়ে এসেছে! কিন্তু শৈশবের স্মৃতিগুলো আজও ldots..

উত্তর

রাজুর শৈশব পড়ন্ত বিকেলে ঢাকার ফুটপাতে হাঁটতে হাঁটতে রাজু ভাবে- কালের প্রবহমান স্রোত জীবনকে আজ কতদূরে নিয়ে এসেছে। কিন্তু শৈশবের স্মৃতিগুলো আজও অমলিন মনের মণিকোঠায়। সেই দুরন্ত শৈশবের অম্ল-মধুর স্মৃতি তাকে অতীতের কোলে টেনে নেয়। এই নাগরিক কোলাহল রাজুর একদম ভালো লাগে না। একঘেয়েমি, যান্ত্রিক এই মহানগরের জীবন যেন ডাঙায় তোলা মাছের মতো সর্বদা খাবি খায়। পালাতে ইচ্ছা হয় সবকিছু ছেড়ে। জীবন ও জীবিকার তাগিদে রাজু তা পারে না। তবে শৈশবের অমলিন স্মৃতিগুলো যেন নাগরিক শ্বাসরুদ্ধতার মধ্যে এক পলকা নির্মল ও শুভ্র বাতাস। রাজু ভাবে কত না সুন্দর ছিল তার শৈশব। গোপালপুর নামক ছোটো গ্রামে তার বেড়ে ওঠা। সেখানে ছিল না নগরের যান্ত্রিক ছোঁয়া। সকালে মা তাকে গরম ভাত খাইয়ে দিতেন নিজ হাতে। স্কুলের জামা-জুতা পরিয়ে দিতেন। তার খুদে হাত মুঠোয় করে রোজ স্কুলে দিয়ে আসতেন মা। কলেজিয়েট প্রাথমিক স্কুলে পড়ত সে। পড়াশোনায় ভালো হওয়ায় স্কুলের শিক্ষক তাকে খুব ভালোবাসতেন। স্কুলের শেখার বিষয়টা ছিল অতি আনন্দের। এখনকার বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীর মতো বইয়ের বোঝা তাকে বইতে হয়নি। কাঁধে ছিল না ব্যাগ বোঝাই বইয়ের চাপও। সবাই ক্লাসে বসে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করে থাকত কখন বারোটা বাজবে। দপ্তরি আব্দুল হাই ঘণ্টার আওয়াজ দেবেন। ঘণ্টা বাজা মাত্র ভোঁদৌড়ে স্কুল-মাঠে হাজির হতো রাজু ও তার সহপাঠীরা। দুপুরের রোদকে থোড়াই কেয়ার করে তারা খেলায় মেতে উঠত। টিফিনের একটা ঘণ্টা শিক্ষার্থীদের কোলাহলে মুখর হয়ে থাকত বিদ্যালয়ের আঙিনা। আর স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে মায়ের হাতে তৈরি টিফিন ভাগাভাগি করে খাওয়ার স্মৃতি তো আজও তাকে অশ্রুসিক্ত করে তোলে। আজ সে কোথায় আর কোথায় তার স্কুল বন্ধু রহিম, জসিম, আল-আমিন, জীবন ও রোমানরা। স্কুল থেকে ফিরেই মায়ের হাতে খেতো রাজু। মা তাকে ঘুম পাড়াতে চাইতেন। রাজু ঘুমের ভান করে থাকত। যেই না মা সরে যেতেন, অমনি রাজু পগারপার। মা আর তাকে খুঁজে পেতেন না। খুঁজে পেত তার বন্ধুরা। পাড়ার বড়ো মাঠে। ক্রিকেট খেলতে খুবই পছন্দ করত রাজু। ভালো ক্রিকেট খেলতো বলে কেবল বন্ধু মহলেই নয়, পাড়ার বড়ো ভাইয়েরাও রাজুকে খুব স্নেহ করতেন। পশ্চিম আকাশে সূর্য ঢলে পড়লেই রাজু বাড়ি ফিরে যেত। ধুলো জড়িয়ে থাকত তার সারা গায়ে। মা তাকে জোর করে আবার গোসল করাতেন। গোসল করানোর পর তাকে ঘরে ঢুকতে দিতেন মা। সন্ধ্যায় রাজুর বাবা অফিস থেকে ফিরতেন। রাজু তখন লক্ষ্মী ছেলের মতো বইয়ে মাথা গুজে স্কুলের পড়া তৈরি করত। সন্ধ্যায় দুরন্ত রাজু আর দুরন্ত থাকত না। বাবার কণ্ঠস্বরকে সে যমের চেয়ে বেশি ভয় করত। উচ্চৈঃস্বরে পড়ত সে। ঘুমে তার চোখ ধরে আসত। তবু ঘুমাতে পারত না সে বাবার ভয়ে। এই বুঝি বাবা দিলেন এক ধমক। তখনকার দিনে প্রায় প্রতি রাতেই বিদ্যুৎ বিভ্রাট অর্থাৎ লোডশেডিং হতো। লোডশেডিং ছিল রাজুর প্রার্থনার বস্তু। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজুর ঘুমও উধাও হয়ে যেত। স্কুলের দুরন্তপনা এবং খেলার মাঠের চঞ্চলতা আবার তার উপর ভর করত। বিদ্যুৎ গেলে তাকে পড়তে হতো না। দুপুরের খেলার মাঠের বদলে রাতে সে নেমে পড়ত বাড়ির আঙিনায়। উঠান যেন মুহূর্তেই শিশু-কিশোরদের মেলায় রূপ নিত। 'কুক পালানো', 'ছোয়াছুঁয়ি', 'কানামাছি' ছিল রাজুদের রাতের খেলা। তবে 'কুক পালানো'ই ছিল তাদের প্রধান খেলা। কেউ কেউ আবার গল্পের ঝাঁপি খুলে বসত। রূপকথার রাজকুমার-রাজকুমারীর জগতে ডুবে যেত অনেকেই। বিদ্যুৎ না আসা পর্যন্ত অবিরাম তারা খেলেই চলত। যেই বিদ্যুৎ আসত, অমনি সবাই উঠোন খালি করে এক দৌড়ে বাসায় ফিরে যেত। হাত-মুখ ধুয়ে ফের রাজু পড়তে বসত। পড়ার চেয়ে ঘুমই তখন তাকে বেশি টানত। কতদিন যে না খেয়েই রাজু ঘুমিয়ে যেত তার কোনো ইয়ত্তা ছিল না। অবশ্য মা তাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে হাতে তুলে খাইয়ে দিতেন। হঠাৎ বাসের কর্কশ হর্নে রাজু সংবিৎ ফিরে পায়। শৈশবের স্বর্গ থেকে নেমে আসে নগর জীবনের বাস্তবতার মাটিতে। দীর্ঘশ্বাসে বুক তার ভারি হয়ে আসে। দ্রুত হেঁটে চলে রাজু। সামনের গলিতে গিয়েই যে তাকে বাস ধরতে হবে। ফিরতে হবে ইট-পাথরের বদ্ধ কুঠিতে।
HSCBangla 2nd Paperসংলাপ রচনা/খুদে গল্প রচনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”

প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।

সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।

'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।

মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।

'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। তার মা নেই। বাবাই তার একমাত্র অবলম্বন। সে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। লেখাপড়ায় মনোযোগী ফাতেমা তার মায়ের বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বিষয়টি মনে করে নীরবে কাঁদে। সে ভাবে...

নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। তার মা নেই। বাবাই তার একমাত্র অবলম্বন। সে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। লেখাপড়ায় মনোযোগী ফাতেমা তার মায়ের বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বিষয়টি মনে করে নীরবে কাঁদে। সে ভাবে...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের সময় বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দেখে রাহাত বিস্মিত হয়...

প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের সময় বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দেখে রাহাত বিস্মিত হয়...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।

'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার এত বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ়-বয়সেও ...

প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার এত বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ়-বয়সেও ...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

প্রদত্ত শিরোনাম অনুসরণে বিষয়ে একটি ক্ষুদ্র গল্প রচনা কর : “শব্দ দূষণ”সর্বস্তরে বাংলাভাষার প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর।'সততার গুরুত্ব' এই শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো ।মানব শরীরে ভেজাল খাদ্যের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন করো ।বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা' বিষয়ে দুই 'মানুষ মানুষের জন্য' শিরোনামে একটি খুদে রচনা কর।নিম্নোক্ত ইঙ্গিত অবলম্বনে একটি খুদে গল্প রচনা কর। ফাতেমা দরিদ্র কৃষকের সন্তান। ত'মেট্রোরেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাইলফলক'- এই বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।প্রদত্ত উদ্দীপক অনুসরণে 'পানি-দূষণ' বিষয়ে একটি খুদে গল্প রচনা কর। লঞ্চ ভ্রমণের 'ফেইসবুকের সুফল ও কুফল' বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'আলোর ফেরিওয়ালা' শিরোনামে একটি খুদে গল্প রচনা কর : আশরাফ মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।