শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'X [গণিত] উপকরণের সাহায্যে কোন ধরনের বস্ত্র ছাপা করা হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে 'X [গণিত] উপকরণের সাহায্যে বাটিক প্রিন্ট করা হয়। কাপড়ের উপর নকশা অঙ্কিত করে নকশার স্থানে মোম দিয়ে ঢেকে অন্য স্থানে রং লাগিয়ে যে পদ্ধতিতে ছাপা বা প্রিন্ট করা হয় তাকে বাটিক প্রিন্ট বলে। বাটিক করার পদ্ধতিগুলো হলো- ব্রাশ পদ্ধতি, জান্টিক পদ্ধতি ও ব্লক পদ্ধতি। সাধারণত কাপড়ে বাটিক করার আগে কাপড় ধুয়ে মাড় সরিয়ে শুকিয়ে ইস্ত্রি করে নিতে হবে। কাপড়ে নকশা অঙ্কন করে ব্রাশের সাহায্যে নকশার উভয় পিঠে গলিত মোম লাগিয়ে নকশা ঢেকে দিতে হবে। এরপর মোম লাগানো কাপড়টি রং করার ৩০ মিনিট আগে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। কুসুম গরম পানিতে পরিমাণ মতো রং গুলিয়ে ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কাপড়টি গুলানো রঙের মধ্যে ১৫ মিনিট নড়াচড়া করে রং থেকে উঠিয়ে ওই রঙের সাথে পরিমাণমতো লবণ মিশিয়ে ৩০ মিনিট নড়াচড়া করতে হবে। ওই রঙের মধ্যে কাপড় কাচার সোডা মিশিয়ে আরও ৩০ মিনিট নড়াচড়া করে ঠান্ডা পানিতে চার-পাঁচবার ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে। শুকানো কাপড়' ফুটন্ত সাবান পানিতে ১০/১৫ মিনিট সেদ্ধ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। অতএব, উদ্দীপকে 'X [গণিত] তথ্যে উল্লিখিত মোম, মধু 'ও রঞ্জন দ্বারা বাটিক ধরনের বস্ত্র ছাপা হয়।

HSC Home Science 1st Paper Chapter 13 : বস্ত্রে রং ও ছাপা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Home Science 1st Paper · Chapter 13 : বস্ত্রে রং ও ছাপা · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'X উপকরণের সাহায্যে কোন ধরনের বস্ত্র ছাপা করা হয়? ব্যাখ্য…

উদ্দীপক

question image

Jessore · 2025

উত্তর

তত্ত্ব থেকে সুতা প্রস্তুত হওয়ার পর সুতাতে রং প্রয়োগ করাকে বলা হয় ইয়ার্ন ডাইং।

উত্তর

প্রাকৃতিক রঙের চেয়ে কৃত্রিম রং অনেক বেশি স্থায়ী এবং অনেক প্রকারের ডাই, ভ্যাট রং, মরড্যান্ট রং, পিগমেন্ট রং, বিকশিত রং, এজোইক রং প্রভৃতি। উইলিয়াম হেনরী পারকিন নামে এক ব্যক্তি কৃত্রিম উপায়ে কুইনাইন তৈরি করতে গিয়ে একটি কৃত্রিম রং আবিষ্কার করেন। কৃত্রিম রং আবিষ্কারের ফলে বস্ত্র রঞ্জনের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে 'X′X^{\prime} উপকরণের সাহায্যে বাটিক প্রিন্ট করা হয়। কাপড়ের উপর নকশা অঙ্কিত করে নকশার স্থানে মোম দিয়ে ঢেকে অন্য স্থানে রং লাগিয়ে যে পদ্ধতিতে ছাপা বা প্রিন্ট করা হয় তাকে বাটিক প্রিন্ট বলে। বাটিক করার পদ্ধতিগুলো হলো- ব্রাশ পদ্ধতি, জান্টিক পদ্ধতি ও ব্লক পদ্ধতি। সাধারণত কাপড়ে বাটিক করার আগে কাপড় ধুয়ে মাড় সরিয়ে শুকিয়ে ইস্ত্রি করে নিতে হবে। কাপড়ে নকশা অঙ্কন করে ব্রাশের সাহায্যে নকশার উভয় পিঠে গলিত মোম লাগিয়ে নকশা ঢেকে দিতে হবে। এরপর মোম লাগানো কাপড়টি রং করার ৩০ মিনিট আগে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। কুসুম গরম পানিতে পরিমাণ মতো রং গুলিয়ে ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কাপড়টি গুলানো রঙের মধ্যে ১৫ মিনিট নড়াচড়া করে রং থেকে উঠিয়ে ওই রঙের সাথে পরিমাণমতো লবণ মিশিয়ে ৩০ মিনিট নড়াচড়া করতে হবে। ওই রঙের মধ্যে কাপড় কাচার সোডা মিশিয়ে আরও ৩০ মিনিট নড়াচড়া করে ঠান্ডা পানিতে চার-পাঁচবার ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে। শুকানো কাপড়' ফুটন্ত সাবান পানিতে ১০/১৫ মিনিট সেদ্ধ করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। অতএব, উদ্দীপকে 'X′X^{\prime} তথ্যে উল্লিখিত মোম, মধু 'ও রঞ্জন দ্বারা বাটিক ধরনের বস্ত্র ছাপা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে 'Y′Y^{\prime} দ্বারা খয়েরের সাহায্যে রংকরণ এবং 'Z′Z^{\prime} দ্বারা হরীতকীর সাহায্যে রংকরণ বোঝানো হয়েছে। উভয়ই রংকরণের মধ্যে প্রক্রিয়াগত পার্থক্য রয়েছে। খয়েরের সাহায্যে রংকরণ প্রক্রিয়া হলো- ১. কাপড়ের ওজনের অর্ধেক পরিমাণ খয়ের একটি পাত্রে নিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে গরম করতে হবে। ২. খয়ের পানিতে গলে গেলে কাপার সালফেট বা তুঁতে চূর্ণ মিশিয়ে দুই ঘণ্টা সিদ্ধ করতে হবে। এরপর পাত্রে সুতা বা কাপড় সম্পূর্ণ ডুবিয়ে রাখতে হবে। ৩. অন্য একটি পাত্রে ৫ ভাগ পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট গরম পানিতে গোলাতে হবে। ৪. সুতা বা কাপড় খয়ের মিশ্রণ থেকে তুলে পটাশিয়াম বাইকার্বোনেটের পাত্রে ডুবালে কাপড় বা সুতায় চকচকে খয়ের রং পাওয়া যাবে। হরীতকীর সাহায্যে রংকরণ প্রক্রিয়া হলো- ১. কাপড়ের পরিমাণের অর্ধেক পরিমাণ হরীতকী (অর্ধেক পাকা ও অর্ধেক কাঁচা) নিয়ে সামান্য কাপড় কাচার সোডা মিশিয়ে একটি পাত্রে ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ২. ২৪ ঘণ্টা পর ৩০ মিনিট গরম করতে হবে। পাতলা কাপড় দিয়ে মিশ্রণটি ছেঁকে নিতে হবে। ৩. অন্য একটি পাত্রে গরম পানিতে পরিমাণমতো পটাশিয়াম বাইক্রোমেট গোলাতে হবে। ৪. কাপড়টি প্রথমে হরীতকী মিশ্রিত পাত্রে ডুবিয়ে তুলে পটাশিয়াম বাইক্রোমেট পাত্রে ডোবাতে হবে। ফলে হলুদ রং পাওয়া যাবে। ৫. হরীতকীর মিশ্রণ থেকে তুলে কপার সালফেট মিশ্রিত পাত্রে কাপড়টি ডোবালে জলপাই রং পাওয়া যাবে। ৬. হরীতকীর মিশ্রণ থেকে তুলে আয়রন মিশ্রিত পাত্রে ডোবালে কালো রং পাওয়া যাবে।তাই দেখা যায়, খয়েরের সাহায্যে রংকরণ ও হরীতকীর সাহায্যে রংকরণের মধ্যে প্রক্রিয়াগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।
HSCHome Science 1st PaperChapter 13 : বস্ত্রে রং ও ছাপা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রিংকু বাড়িতে বস্ত্র রঙ ও ছাপার কাজ কিরে। সে বস্ত্র ছাপার চেয়ে বস্ত্র সুতায় বেঁধে রঙ করতে বেশি পছন্দ করে। কিন্তু মিতা খোদাই করা নক্শা দিয়ে ছাপার কাজে বেশি পারদর্শী।

Rajshahi · 2017

ক
সজ্জামূলক নক্শা কী?
খ
পোশাক নির্বাচনে একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হয় ব্যাখ্যা কর।
গ
রিংকুর পছন্দের পদ্ধতি কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
রিংকু ও মিতার কাজের তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রিংকু বাড়িতে বস্ত্র রঙ ও ছাপার কাজ কিরে। সে বস্ত্র ছাপার চেয়ে বস্ত্র সুতায় বেঁধে রঙ করতে বেশি পছন্দ করে। কিন্তু মিতা খোদাই করা নক্শা দিয়ে ছাপার কাজে বেশি পারদর্শী।

Rajshahi · 2017

ক
সজ্জামূলক নক্শা কী?
খ
পোশাক নির্বাচনে একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হয় ব্যাখ্যা কর।
গ
রিংকুর পছন্দের পদ্ধতি কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
রিংকু ও মিতার কাজের তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.পোশাক নির্বাচনে একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হয় ব্যাখ্যা কর।

পোশাক নির্বাচনে একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হয় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সজ্জামূলক নক্শা কী?

সজ্জামূলক নক্শা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঈদে মনা নিজের হাতে জামা নক্শা করে পরার জন্য কাপড় কিনে আনে। কাপড়ের উপর প্রথমে সে নক্শা এঁকে নেয়। এরপর পর্যায়ক্রমে দিয়াশলাইয়ের কাঠি কাপড়ের ভিতরে সুতা দিয়ে বেঁধে নেয়। বাঁধা কাপড়টি রঙের মিশ্রণে ডুবিয়ে তার কাজ শেষ করে।

Comilla · 2019

ক
ড্রাফটিং কী?
খ
মৌলিক রঙের ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকে মনার নক্শা পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
রঙের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঈদে মনা নিজের হাতে জামা নক্শা করে পরার জন্য কাপড় কিনে আনে। কাপড়ের উপর প্রথমে সে নক্শা এঁকে নেয়। এরপর পর্যায়ক্রমে দিয়াশলাইয়ের কাঠি কাপড়ের ভিতরে সুতা দিয়ে বেঁধে নেয়। বাঁধা কাপড়টি রঙের মিশ্রণে ডুবিয়ে তার কাজ শেষ করে।

Comilla · 2019

ক
ড্রাফটিং কী?
খ
মৌলিক রঙের ধারণা দাও।
গ
উদ্দীপকে মনার নক্শা পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
রঙের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মৌলিক রঙের ধারণা দাও।

মৌলিক রঙের ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ড্রাফটিং কী?

ড্রাফটিং কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন ও অনি দুই বোন মিলে পৌষ মেলায় স্টল বুকিং দিল। এজন্য বাজার থেকে কিছু কাপড় কিনল। নকশা করা কাঠে রঙ দিয়ে।কাপড়ে ছাপ দিল। অন্যদিকে অনি কাপড়ে নকশা এঁকে মোম দিয়ে ঢেকে রঙ করল। এছাড়া কিছু কাপড় সুতা দিয়ে বেঁধে রঙ করল।স্টলে সাজানোর পর সবগুলো সামগ্রীই আকর্ষণীয় লাগল।

Dhaka · 2019

ক
প্রাকৃতিক রঙ কাকে বলে?
খ
'কৃত্রিম রঙঙে স্থায়িত্ব বেশি'-বুঝিয়ে লেখ।
গ
আইরিন যে পদ্ধতিতে বস্ত্র ছাপার কাজ করেছে তার নিয়ম ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অনির বস্ত্র রঞ্জন পদ্ধতিগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আইরিন ও অনি দুই বোন মিলে পৌষ মেলায় স্টল বুকিং দিল। এজন্য বাজার থেকে কিছু কাপড় কিনল। নকশা করা কাঠে রঙ দিয়ে।কাপড়ে ছাপ দিল। অন্যদিকে অনি কাপড়ে নকশা এঁকে মোম দিয়ে ঢেকে রঙ করল। এছাড়া কিছু কাপড় সুতা দিয়ে বেঁধে রঙ করল।স্টলে সাজানোর পর সবগুলো সামগ্রীই আকর্ষণীয় লাগল।

Dhaka · 2019

ক
প্রাকৃতিক রঙ কাকে বলে?
খ
'কৃত্রিম রঙঙে স্থায়িত্ব বেশি'-বুঝিয়ে লেখ।
গ
আইরিন যে পদ্ধতিতে বস্ত্র ছাপার কাজ করেছে তার নিয়ম ব্যাখ্যা কর।
ঘ
অনির বস্ত্র রঞ্জন পদ্ধতিগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'কৃত্রিম রঙঙে স্থায়িত্ব বেশি'-বুঝিয়ে লেখ।

'কৃত্রিম রঙঙে স্থায়িত্ব বেশি'-বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রাকৃতিক রঙ কাকে বলে?

প্রাকৃতিক রঙ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।