দৃশ্যকল্প-১ এ দেওয়া উপকরণ ব্যবহার করে পোশাকে নকশা তৈরির কৌশল ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: দৃশ্যকল্প-১ এ দেওয়া উপকরণ ব্যবহার করে টাইডাই পদ্ধতিতে পোশাকে নকশা তৈরি করা হয়। হক-১ এ নির্দেশিত টাইডাই পদ্ধতিতে কাপড়ে রঙের ব্যবহার হলো- কাপড় বেঁধে রঙে ডুবিয়ে টাইডাই পদ্ধতিতে নকশা তৈরি করা হয়। এ ধরনের রঞ্জন পদ্ধতিতে ১ গজ কাপড়ের জন্য ভ্যাট রঙ ১/৪ তোলা, কস্টিক সোডা ১ তোলা, হাইড্রোস ১ তোলা আর পানি ৩ লিটার লাগবে। যে কাপড়ে টাইডাই করা হবে সেটি প্রথমে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর কাপড়টিকে পছন্দমতো নকশা অনুযায়ী সুতা দিয়ে শক্ত করে বাঁধতে হবে। বাটিতে রঙগুলো নিতে হবে। কস্টিক সোডা ও হাইড্রোজ পৃথকভাবে আলাদা গরম পানির হাঁড়িতে গুলিয়ে দিতে হবে। তারপর বাঁধা কাপড়টি ঠান্ডা পানিতে ভালোভাবে ভিজিয়ে নিয়ে রঙের হাঁড়িতে ডুবিয়ে দিতে হবে এবং কম আঁচে কাপড়টি ১০ মিনিট রঙের হাঁড়িতে রাখতে হবে। এরপর কাপড়টি রঙের হাঁড়ি থেকে উঠিয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে। আর ছক-২ তে নির্দেশিত বাটিক পৃদ্ধতিতে রঙের ব্যবহার হলো- সাধারণত কাপড়ের উপর নকশা এঁকে নকশার স্থান মোম দিয়ে ঢেকে রঙের দ্রবণে ডুবিয়ে, পরে মোম অপসারণ করার মাধ্যমে বাটিক পদ্ধতিতে নকশার সৃষ্টি করা হয়। এ পদ্ধতিতে গজ কাপড়ের জন্য ব্রশিয়ান রঙ ১ চা চামচ, লবণ চা চামচের ৩ চামচ উঁচু করে পানি ১/২-২ লিটার এবং কাপড় কাচার সোডা ১/২ চা চামচ লাগবে। যে কাপড়টিতে বাটিক প্রিন্ট করা হবে প্রথমে সেটি মোম লাগিয়ে ৩০ মিনিট ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানিতে রঙ গুলিয়ে পরিমাণমতো ঠান্ডা পানি মিশিয়ে কাপড়টি গোলানো রঙের মধ্যে ১৫ মিনিট নড়াচড়া করতে হবে। রঙ থেকে কাপড়টি উঠিয়ে রঙের ভেতর লবণ মিশিয়ে আবার কাপড়টি দিয়ে ৩০ মিনিট নড়াচড়া করতে হবে। আবার ওই পানিতে কাপড় কাচার সোডা মিশিয়ে আরও ৩০ মিনিট নড়াচড়া করে ছায়ায় শুকাতে হবে। একের অধিক রঙ করতে হলে প্রথমবার রঙ করার পর শুকিয়ে পুনরায় প্রয়োজনীয় অংশ মোম দিয়ে ঢেকে রঙ করতে হবে। এভাবে হালকা থেকে গাঢ় রঙ করতে হবে।
HSC Home Science 1st Paper Chapter 13 : বস্ত্রে রং ও ছাপা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Home Science 1st Paper · Chapter 13 : বস্ত্রে রং ও ছাপা · সৃজনশীল
দৃশ্যকল্প-১ এ দেওয়া উপকরণ ব্যবহার করে পোশাকে নকশা তৈরির কৌশল ব্যাখ্…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর