শেয়ারFacebookWhatsApp

দবির উদ্দীনের ক্ষেতে আখের রোগটির কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার লেখো।

উত্তর: উদ্দীপকের রোগটি হলো আখের লাল পচা রোগ। এই রোগের কারণ হলো Colletotrickhum falcatum নামক ছত্রাক। নিচে রোগটির লক্ষণ ও প্রতিকার দেওয়া হলো- উদ্দীপকে উল্লিখিত জহির উদ্দীনের ক্ষেতের আখের রোগটি হলো লাল পচা রোগ। লক্ষণ: এ রোগে আখের কান্ড পচে যায়। আখের পাতাগুলো হলদে হয়ে যায়। পরে আস্তে আস্তে আখ শুকিয়ে যায়। আক্রান্ত আখের কাণ্ডকে লম্বালম্বিভাবে চিড়লে ভেতরের কোষগুলো পচে ফ্যাকাসে লাল রং দেখায় এবং আড়াআড়িভাবে ছোট ছোট সাদা অংশ দ্বারা ভাগ হয়ে যায়। কুঁশি আক্রান্ত হলে কুঁশির মড়ক দেখা দেয়। পাতা আক্রান্ত হলে পাতার উপরিভাগে প্রথমে ছোট ছোট অসংখ্য লাল দাগের সৃষ্টি হয় যা পরে পুরো পাতাকে ছেয়ে ফেলে। প্রতিকার: এ রোগের প্রতিকারে রোগ সহিষ্ণু জাতের আখের চাষ করতে হবে। শোধন করা বীজ ব্যবহার করতে হবে। ব্যাভিস্টিন ৫০ ডব্লিউপি ১ গ্রাম ১ লিটার পানিতে মিশ্রিত করে স্প্রে করতে হবে। রোগমুক্ত বীজ রোপণ করতে হবে। আক্রান্ত জমিতে মুড়ি আখের চাষ বন্ধ করতে হবে। পানি দাঁড়ায় নাঁ এমন উঁচু'জমি চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে। রোপণের পূর্বে বীজখণ্ড এগালস দিয়ে শোধন করতে হবে।

HSC Agriculture 1st Paper Chapter 5 : মাঠ ও উদ্যান ফসল উৎপাদন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Agriculture 1st Paper · Chapter 5 : মাঠ ও উদ্যান ফসল উৎপাদন · সৃজনশীল

দবির উদ্দীনের ক্ষেতে আখের রোগটির কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার লেখো।

উদ্দীপক

দবির উদ্দীন তার দুই একক জমিতে আখ চাষ করেন। আখ দীর্ঘ মেয়াদি ফসল হওয়ায় দুই সারির মাঝে সাথী ফসল হিসেবে সরিষা ও মুসর ডাল চাষ করেন। বর্ষাকালে লাল পচা রোগের কারণে কিছু আখ হলদে হয়ে যায়। চিন্তিত হয়ে ব্লক সুপার ভাইসারের সাথে দেখা করে সমাধান পাৰ। শেষে ব্লক সুপার ভাইসার বলেন- "বাংলাদেশে চিনির চাহিদা ক্রমবৃদ্ধিতে আখ চাষ লাভজনক।”

উত্তর

কৃত্রিম উপায়ে ষাঁড় হতে বীর্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট মাত্রায় (১ সিসি) সেই বীর্য গরম হওয়া বা ডাকে আসা গাভির জরায়ুতে প্রবেশ করিয়ে অকে গর্ভবতী করার পদ্ধতিকে কৃত্রিম প্রজনন বলে।

উত্তর

আখের রোগ প্রতিরোধের জন্য বীজ শোধন করা হয়। ব্যাগভিস্টিন নামক ছত্রাকনাশক ২০ গ্রাম পরিমাণ ২০ লিটার পানিতে মিশ্রিত করে আখের বীজ খণ্ডগুলোকে ৩০ মিনিট ডুবিয়ে বীজ শোধন করতে হয়। এছাড়া এরোটন নামক ছত্রাকনাশক ১০০ কেজি পানিতে ৫০০ গ্রাম হারে মিশিয়ে আখ খণ্ডের দুই মাথা সেই দ্রবণে ডুবিয়ে বীজ আখ শোধন করা যায়।

উত্তর

উদ্দীপকের রোগটি হলো আখের লাল পচা রোগ। এই রোগের কারণ হলো Colletotrickhum falcatum নামক ছত্রাক। নিচে রোগটির লক্ষণ ও প্রতিকার দেওয়া হলো- উদ্দীপকে উল্লিখিত জহির উদ্দীনের ক্ষেতের আখের রোগটি হলো লাল পচা রোগ। লক্ষণ: এ রোগে আখের কান্ড পচে যায়। আখের পাতাগুলো হলদে হয়ে যায়। পরে আস্তে আস্তে আখ শুকিয়ে যায়। আক্রান্ত আখের কাণ্ডকে লম্বালম্বিভাবে চিড়লে ভেতরের কোষগুলো পচে ফ্যাকাসে লাল রং দেখায় এবং আড়াআড়িভাবে ছোট ছোট সাদা অংশ দ্বারা ভাগ হয়ে যায়। কুঁশি আক্রান্ত হলে কুঁশির মড়ক দেখা দেয়। পাতা আক্রান্ত হলে পাতার উপরিভাগে প্রথমে ছোট ছোট অসংখ্য লাল দাগের সৃষ্টি হয় যা পরে পুরো পাতাকে ছেয়ে ফেলে। প্রতিকার: এ রোগের প্রতিকারে রোগ সহিষ্ণু জাতের আখের চাষ করতে হবে। শোধন করা বীজ ব্যবহার করতে হবে। ব্যাভিস্টিন ৫০ ডব্লিউপি ১ গ্রাম ১ লিটার পানিতে মিশ্রিত করে স্প্রে করতে হবে। রোগমুক্ত বীজ রোপণ করতে হবে। আক্রান্ত জমিতে মুড়ি আখের চাষ বন্ধ করতে হবে। পানি দাঁড়ায় নাঁ এমন উঁচু'জমি চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে। রোপণের পূর্বে বীজখণ্ড এগালস দিয়ে শোধন করতে হবে।

উত্তর

উদ্দীপকের কৃষি কর্মকর্তার শেষ উক্তিটি হলো, বাংলাদেশে চিনির চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়াতে আখ চাষ লাভজনক। বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলের মধ্যে পাটের পরেই আখের স্থান। এদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের চাষিদের কাছে আখ একটি অর্থকরী ফসল। জাতিসংঘের খাদ্য এ কৃষি সংস্থার সুপারিশ অনুসারে জনপ্রতি সুস্থ মানুষের বার্ষিক কমপক্ষে ১৩ কেজি চিনি বা ১৭ কেজি গুড়ের প্রয়োজন হয়। অথচ এদেশে মাথাপিছ চিনি ও গুড়ের মোট প্রাপ্যতা ৬ কেজিরও কম। দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় চিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত রোগীর পথ্য, শিশুর খাদ্য, পানীয়, বেকারি শিল্প ও নানা প্রকার মিষ্টান্ন তৈরিতে চিনি অপরিহার্য এবং এর কোনো বিকল্প নেই। আখের রস থেকে চিনি, গুড় ও সিরাপ উৎপন্ন করা যায়। আখ থেকে উৎপাদিত চিনি বিভিন্ন প্রকার খাদ্য তৈরিতে এবং শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত হয়। আখের ছোবড়া থেকে কাগজ, হার্ডবোর্ড ইত্যাদি তৈরি হয়। ঝোলাগুড় স্পিরিট ও অ্যালকোহল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এজন্য আখকে শিল্প ফসল বলা হয়। বিশেষ করে আমাদের দেশে চিনিকলগুলোর একমাত্র কাঁচামাল হচ্ছে আখ। আস্ত আখ এবং মেশিন দ্বারা রস বের করে খাবার প্রথাও বর্তমানে পথে ঘাটে চালু আছে। এছাড়াও আখ থেকে উৎপাদিত চিনি রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যেতে পারে। অধিক আখ উৎপাদনের মাধ্যমে চিনি শিল্পের সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা যায়। এসব কারণে আখ চাষ বর্তমানে লাভজনক ব্যবসায়ে পরিণত হয়েছে। সুতরাং উপর্যুক্ত তথ্যাদি থেকে বলা যায়, বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে চিনির চাহিদা মেটাতে আখ চাষ খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা। অতএব কৃষি কর্মকর্তার উক্তিটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ও অর্থবহুল।
HSCAgriculture 1st PaperChapter 5 : মাঠ ও উদ্যান ফসল উৎপাদন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের গদখালীর সবুজ মিয়া ফুল চাষকে একটি পেশা হিসেবে নিয়েছেন। তার বাগানে ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকাসহ অনেক ফুলের সমাহার। দেশে ও বিদেশে এসব ফুলের অনেক চাহিদা আছে। সবুজ মিয়া ফুল বিক্রি করে ধীরে ধীরে আর্থিক সফলতা অর্জন করেছেন। তা দেখে এখন গ্রামের অধিকাংশ কৃষক ফুল চাষের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন।

Dhaka · 2017

ক
কিউরিং কী ?
খ
ডাল গরিবের মাংস-ব্যাখ্যা কর।
গ
পেশা হিসেবে সবুজ মিয়া ফুল চাষকে বেছে নিলেন কেন ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে সবুজ মিয়ার কর্মকাণ্ডটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যশোরের গদখালীর সবুজ মিয়া ফুল চাষকে একটি পেশা হিসেবে নিয়েছেন। তার বাগানে ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকাসহ অনেক ফুলের সমাহার। দেশে ও বিদেশে এসব ফুলের অনেক চাহিদা আছে। সবুজ মিয়া ফুল বিক্রি করে ধীরে ধীরে আর্থিক সফলতা অর্জন করেছেন। তা দেখে এখন গ্রামের অধিকাংশ কৃষক ফুল চাষের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন।

Dhaka · 2017

ক
কিউরিং কী ?
খ
ডাল গরিবের মাংস-ব্যাখ্যা কর।
গ
পেশা হিসেবে সবুজ মিয়া ফুল চাষকে বেছে নিলেন কেন ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে সবুজ মিয়ার কর্মকাণ্ডটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ডাল গরিবের মাংস-ব্যাখ্যা কর।

ডাল গরিবের মাংস-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কিউরিং কী ?

কিউরিং কী ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি: ফয়েজ আলী একজন বিশিষ্ট ফুল ব্যবসায়ী। তিনি বিভিন্ন মৌসুমি ফুল এবং বারমাসী ফুলের চাষও করেন। তার চাষকৃত ফুলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রজনীগন্ধা, গাঁদা, ডালিয়া, গোলাপ ইত্যাদি। তিনি আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে ফুল চাষ এবং বংশবিস্তারের উপর প্রশিক্ষণ নেন। তিনি তার বাগানে একটি গোলাপ গাছে তিন রঙের ফুল ফোটান। ফুল চাষের জন্য প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করেন। তিনি বিদেশে ফুল রপ্তানি করছেন।

Jessore · 2017

ক
জিনিং কী ?
খ
ডালকে গরিবের মাংস বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
মি. ফয়েজ আলী কীভাবে তার অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগান? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
“ফুল চাষ উপার্জনের একটি উত্তম পথ"- উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি: ফয়েজ আলী একজন বিশিষ্ট ফুল ব্যবসায়ী। তিনি বিভিন্ন মৌসুমি ফুল এবং বারমাসী ফুলের চাষও করেন। তার চাষকৃত ফুলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রজনীগন্ধা, গাঁদা, ডালিয়া, গোলাপ ইত্যাদি। তিনি আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র থেকে ফুল চাষ এবং বংশবিস্তারের উপর প্রশিক্ষণ নেন। তিনি তার বাগানে একটি গোলাপ গাছে তিন রঙের ফুল ফোটান। ফুল চাষের জন্য প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করেন। তিনি বিদেশে ফুল রপ্তানি করছেন।

Jessore · 2017

ক
জিনিং কী ?
খ
ডালকে গরিবের মাংস বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ
মি. ফয়েজ আলী কীভাবে তার অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগান? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
“ফুল চাষ উপার্জনের একটি উত্তম পথ"- উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ডালকে গরিবের মাংস বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

ডালকে গরিবের মাংস বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জিনিং কী ?

জিনিং কী ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব আব্দুল্লাহ দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে সিদ্ধান্ত নিলেন যে, বিভিন্ন ধরনের ফলের বাগান করবেন । তিনি কুল চাষের উপর প্রশিক্ষণ নিয়ে ফলটির অঙ্গজ চারা তৈরির কাজ শুরু করেন। পরবর্তী বছর এ চারা রোপণ করে আর্থিকভাবে লাভবান হলে এলাকার অন্যান্য লোকজন এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ হন ।

Dhaka · 2018

ক
একটি চিনি উৎপাদনকারী ফসলের নাম লিখ।
খ
কমলা চাষ লাভজনক- ব্যাখ্যা কর ।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ফলটির চারা উৎপাদন কৌশল বর্ণনা কর ।
ঘ
দেশের অর্থনীতিতে জনাব আব্দুল্লাহর কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে—তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব আব্দুল্লাহ দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে সিদ্ধান্ত নিলেন যে, বিভিন্ন ধরনের ফলের বাগান করবেন । তিনি কুল চাষের উপর প্রশিক্ষণ নিয়ে ফলটির অঙ্গজ চারা তৈরির কাজ শুরু করেন। পরবর্তী বছর এ চারা রোপণ করে আর্থিকভাবে লাভবান হলে এলাকার অন্যান্য লোকজন এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ হন ।

Dhaka · 2018

ক
একটি চিনি উৎপাদনকারী ফসলের নাম লিখ।
খ
কমলা চাষ লাভজনক- ব্যাখ্যা কর ।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ফলটির চারা উৎপাদন কৌশল বর্ণনা কর ।
ঘ
দেশের অর্থনীতিতে জনাব আব্দুল্লাহর কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে—তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কমলা চাষ লাভজনক- ব্যাখ্যা কর ।

কমলা চাষ লাভজনক- ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.একটি চিনি উৎপাদনকারী ফসলের নাম লিখ।

একটি চিনি উৎপাদনকারী ফসলের নাম লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।