উদ্দীপকে [A] চিহ্নিত অংশটি গৃহব্যবস্থাপনার কোন ধাপকে নির্দেশ করছে? উক্ত ধাপের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে [A] চিহ্নিত অংশটি গৃহব্যবস্থাপনার সংগঠনের ধাপটি নির্দেশ করে। গৃহব্যবস্থাপনায় সংগঠনের গুরুত্ব অপরিসীম। বিভিন্ন পরিকল্পিত কাজের সংযোগ সাধন করাই হলো সংগঠন। অর্থাৎ, করণীয় কাজ নিজে হোক আর অন্যের দ্বারা যেভাবেই সম্পন্ন করা হোক না কেন কীভাবে কাজটি ভালো হবে তার উপায় উদ্ভাবনই হলো সংগঠন। আর যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সফলতা অর্জনের সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বস্তুত কোনো দলগত প্রচেষ্টা সংগঠন ছাড়া সফলতা অর্জন করতে পারে না। ১. সংগঠনে আলাদা আলাদা বিভিন্ন-উপবিভাগ বা শাখা রয়েছে। যেখানে প্রত্যেকের কাজ আলাদা করা থাকে। এতে যেকোনো প্রতিষ্ঠান সফলভাবে উদ্দেশ্য অর্জন করে। ২. সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের, অন্তর্গত সকলেই নিজ নিজ অবস্থান, দায়িত্ব-কর্তব্য ইত্যাদি, সম্পর্ক জানে। ৩. সংগঠনে বিভিন্ন ধরনের শ্রমবিভাজনের ফলে বিশ্লেষীকরণ সম্ভব হয়। এতে দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং সফলতা অর্জন সহজ হয়। ৪. সংগঠন স্তরের বিভিন্ন কর্মী ও অনুসরণীগণ নেতার কর্মপ্রবাহের দ্বারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রবাহিত হয়। ৫. প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মীদের সৃজনশীলতার উন্নয়নের জন্য সংগঠনের প্রয়োজন। ৬. জনশক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য যাবতীয় উপকরণসমূহের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতএব উদ্দীপকে দ্বারা নির্দেশিত সংগঠনের গুরুত্ব গৃহব্যবস্থাপনায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
HSC Home Science 1st Paper Chapter 2 : গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Home Science 1st Paper · Chapter 2 : গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপ · সৃজনশীল
উদ্দীপকে [A] চিহ্নিত অংশটি গৃহব্যবস্থাপনার কোন ধাপকে নির্দেশ করছে? …
উদ্দীপক

উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
এখানে, লক্ষ্য অর্জনের জন্য কী করতে হবে, কীভাবে ও কার দ্বারা করতে হবে, কখন ও কত সময় নিয়ে করতে হবে প্রভৃতি বিষয়ে পূর্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণই পরিকল্পনা। এক্ষেত্রে কাজ করতে গেলে কোন কাজ কাকে দিয়ে করানো হবে, সে কাজ সম্পর্কে কার অভিজ্ঞতা আছে, কীভাবে কাজটি করতে হবে, কী কী সম্পদ ব্যবহার করা হবে ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত। নিদের্শনা হলো কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মূল লক্ষ্যের আলোকে কার্যসম্পাদনের জন্য আদেশ-নির্দেশ প্রদান করা। আর নিয়ন্ত্রণ বলতে নির্দেশানুযায়ী কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কি না তা যাচাই করা এবং কোনো প্রকার গরমিল পাওয়া গেলে তার সংশোধন করাকে বোঝায়। এভাবে কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে যে লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে কর্ম সম্পাদন করা হয়েছে সেটি কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে, তা বিচার-বিশ্লেষণ করে একটি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার মধ্য দিয়ে লক্ষ্য অর্জন সম্পন্ন হয়। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
