লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপ আবর্তিত হয়- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে গৃহ ব্যবস্থাপনার সবগুলো ধাপ চক্রাকারে আবর্তিত হয়” —উক্তিটি যথার্থ বলে আমি মনে করি। গৃহ ব্যবস্থাপনা পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য কতকগুলো পর্যায় বা ধাপের সমন্বয়ে গঠিত। যেমন- পরিকল্পনা, সংগঠন, নির্দেশনা, সমন্বয় সাধন, নিয়ন্ত্রণ, মূল্যায়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ। কর্মসম্পাদনে এ ধাপগুলো সচেতন বা অসচেতনে আমাদের অনুসরণ করতে হয়। গৃহ ব্যবস্থাপনার ধারণা কাঠামোতে লক্ষ্যকে মূল নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ লক্ষ্যবিহীনভাবে কোনো কাজ করে সফলতা অর্জন করা যায় না। যেখানেই লক্ষ্য অর্জনের প্রশ্ন রয়েছে সেখানেই ব্যবস্থাপনার এ ধাপগুলোর অনুসরণ অপরিহার্য। লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপগুলো চক্রাকারে অতিক্রম করার চিত্র নিচে দেখানো হলো- [চিত্র] এখানে, লক্ষ্য অর্জনের জন্য কী করতে হবে, কীভাবে ও কার দ্বারা করতে হবে, কখন ও কত সময় নিয়ে করতে হবে প্রভৃতি বিষয়ে পূর্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণই পরিকল্পনা। এক্ষেত্রে কাজ করতে গেলে কোন কাজ কাকে দিয়ে করানো হবে, সে কাজ সম্পর্কে কার অভিজ্ঞতা আছে, কীভাবে কাজটি করতে হবে, কী কী সম্পদ ব্যবহার করা হবে ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত। নিদের্শনা হলো কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মূল লক্ষ্যের আলোকে কার্যসম্পাদনের জন্য আদেশ-নির্দেশ প্রদান করা। আর নিয়ন্ত্রণ বলতে নির্দেশানুযায়ী কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা তা যাচাই করা এবং কোনো প্রকার গরমিল পাওয়া গেলে তার সংশোধন করাকে বোঝায়। এভাবে কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে যে লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে কর্ম সম্পাদন করা হয়েছে সেটা কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে, তা বিচার-বিশ্লেষণ করে একটি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার মধ্য দিয়ে লক্ষ্য অর্জন সম্পন্ন হয়। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ ।
HSC Home Science 1st Paper Chapter 2 : গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Home Science 1st Paper · Chapter 2 : গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপ · সৃজনশীল
লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপ…
উদ্দীপক

Comilla · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
এখানে, লক্ষ্য অর্জনের জন্য কী করতে হবে, কীভাবে ও কার দ্বারা করতে হবে, কখন ও কত সময় নিয়ে করতে হবে প্রভৃতি বিষয়ে পূর্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণই পরিকল্পনা। এক্ষেত্রে কাজ করতে গেলে কোন কাজ কাকে দিয়ে করানো হবে, সে কাজ সম্পর্কে কার অভিজ্ঞতা আছে, কীভাবে কাজটি করতে হবে, কী কী সম্পদ ব্যবহার করা হবে ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত। নিদের্শনা হলো কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মূল লক্ষ্যের আলোকে কার্যসম্পাদনের জন্য আদেশ-নির্দেশ প্রদান করা। আর নিয়ন্ত্রণ বলতে নির্দেশানুযায়ী কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা তা যাচাই করা এবং কোনো প্রকার গরমিল পাওয়া গেলে তার সংশোধন করাকে বোঝায়। এভাবে কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে যে লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে কর্ম সম্পাদন করা হয়েছে সেটা কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে, তা বিচার-বিশ্লেষণ করে একটি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার মধ্য দিয়ে লক্ষ্য অর্জন সম্পন্ন হয়। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ ।
