উদ্দীপক
মি. হাসান ৩১ শে ডিসেম্বর তারিখে প্রত্যেক বছর তার হিসাব সমাপ্ত করেন। মার্চ ২০২৩ সালে দেখেন ২০২২ সালে হিসাবে কিছু ভুল ছিল যদিও রেওয়ামিল মিল ছিল। ভুলগুলো নিম্নরূপ :
(১) ৮০০ টাকার যন্ত্রপাতি সংস্থাপন ব্যয়কে মেরামত হিসাবে দেখানো হয়েছে।
(২) বিক্রয় বহির যোগফল ২৫০ টাকা বেশি দেখানো হয়েছে।
(৩) যন্ত্রপাতি আনার জাহাজ ভাড়া ২৭৫ টাকা যা জাহাজ ভাড়া হিসাবে ৫২৫ টাকা দেখানো হয়েছে।
(৪) গণনার ভুলে সমাপনী মজুদ ৩,০০০ টাকা বেশি দেখানো হয়েছে।..
(৫) একজন খরিদ্দারের নিকট হতে পাওয়া গেল ৭০০ টাকা এবং তাকে বাট্টা দেওয়া হল ৭০ টাকা কিন্তু ভুলে বাট্টা কলামে ৭০০ টাকা দেখানো হলো।
(৬) রাহাতের নিকট হতে ৭৩৩০ টাকার চেক পাওয়া গেল এবং বাট্টা মঞ্জুর করা হলো ৭০ টাকা এবং ঐ চেক ৭,৫০০ টাকার পূর্ণ নিষ্পত্তিতে মিন্টুকে অনুমোদন করা হলো। কিন্তু পরবর্তীতে চেক প্রত্যাখ্যাত হয়ে ফেরত আসল যার প্রত্যাখ্যানের দাখিলা দেখানো হয়নি।